বাংলা ই-বই
পঁচিশ-কাহন

পঁচিশ-কাহন
জীবনের প্রতিটি স্তরে মানুষ খো ঁজে অর্থ, সম্পর্ক, ও আত্মপরিচয়ের সূত্র। পঁচিশটি ছোটগল্প নিয়ে এই সংকলনের প্রতিটি গল্প—কখনও সূক্ষ্ম রসিকতায় মোড়া, কখনও বা নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাসে—আসে সমাজের গভীর প্রান্ত থেকে, যেখানে প্রতিদিনের খুঁটিনাটি ঘটনাই হয়ে ওঠে অন্তরের আয়না। এই সংকলন, গল্পগুলির কিছু প্রকাশিত হয়েছে সানন্দার কিছু সংখ্যায় ! নানা স্বাদের গল্পগুলি পাঠকের পছন্দ হবে আশা করি আমরা!
দি কল অব্ দি ওয়াইল্ড

দি কল অব্ দি ওয়াইল্ড
জ্যাক লন্ডনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ “দি কল অব্ দি ওয়াইল্ড”-এর অনুবাদ প্রকাশিত হল। বাক নামে একটি কুকুর এই গ্রন্থের প্রধান চরিত্র। যে অপূর্ব কাহিনী এই আছে পরিবেশিত হয়েছে, জগৎ সাহিত্যে তার তুলনা নেই। দ্য কল অফ দ্য ওয়াইল্ড এর পটভূমি (১৯০৩) গোল্ড রাশ চলাকালীন ইউকন, কানাডা অঞ্চল! গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বাক, ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারা ভ্যালি থেকে চুরি হয়ে আলাস্কায় স্লেজ কুকুর হিসেবে বিক্রি হয়। কঠোর পরিবেশে টিকে থাকার সংগ্রামে সে ক্রমশ বন্য হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত তার আদিম প্রবৃত্তি ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দলের নেতা হয়ে ওঠে!
এই উপন্যাসটি মানুষের সভ্যতা বনাম প্রকৃতির আদিম শক্তির দ্বন্দ্বকে তুলে ধরে এবং জ্যাক লন্ডনের লেখনীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
পাঁ চফোড়ন

পাঁচফোড়ন
‘পাঁচফোড়ন’ বিভিন্ন স্বাদের তিরিশটি ছোট বড় গল্পের সংকলন। জীবনের ঘটে যাওয়া বা না ঘটা কথা, ঘাত-প্রতিঘাত, রোমাঞ্চ, বেদনা – এই সবই এই লেখার মশলা বা ফোড়ন, যা দুই মলাটের ভেতরে এসে পাঁচফোড়ন। বহমান জীবনে শহরে গ্রামে - এই পৃথিবীর নানা কোণে ঘটে যাচ্ছে কতশত ক্ষুদ্র ঘটনা যা মানু ষের জীবনকে পরিবর্তিত করে দিচ্ছে। প্রেম অপ্রেম প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি এই সব নিয়েই তো জীবন।
বন্ধুতা

বন্ধুতা
যদিও এ উপন্যাস অন্য লেখাগুলোর মতই তবে মূলগত পার্থক্য আছে। জীবন্ত কোন চরিত্র নিয়ে সাধারণত: লেখা চোখে পড়ে না। সেদিক থেকে এটাকে ব্যতিক্রমী লেখা বলা যেতে পারে , আমার বন্ধু গদাই কে নিয়ে এই লেখা। বাস্তব কে সামনে রেখে লেখা সহজ নয়। এটাকে পরীক্ষামূলক লেখা বলা যেতে পারে। এ অনেকদিন আগের লেখা। আজ যখন মন ভালো নেই তখন শুধু কিছুক্ষণ তাজা হাওয়ার জন্য আবার সবার হাতে তুলে দিচ্ছি।
অপরিচিত এবং ...

অপরিচিত এবং ...
অনেক আগে মোগল-পাঠানদের আমলে বর্ধমানের নাম লোকের মুখে মুখে ফিরত। যে রাজা রাজবল্লভ সেনের সাম্রাজ্য একদিন গৌড়-বঙ্গের ইতিহাসকে দাপট ও কৃতিত্বের সাথে শাসন করে গেছে তাকে বঙ্গালের মানুষ আজ ভুলতে বসেছে। ইতিহাসের পালাবদল প্রতিটি প্রজন্মান্তরে একবার বদলে গেলেও তার শিকড়ের টানটি অন্তত চিরকালীন। সেন রাজাদের রাজবংশ ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম দিকের মধ্যযুগীয় একটি হিন্দু রাজবংশ হিসাবেই বিখ্যাত ছিল, যার সুনাম বঙ্গদেশের মাটীতেও একাদশ ও দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত একদা বজায় ছিল।
আজ সে সব প্রাচীন ইতিহাস গৌড়-বঙ্গের আকাশে বাতাসে কান পাতলে শোনা যাবেনা। এমনকি ৯০০ শতকেরও পূর্বে তখন বৌদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষক পাল রাজাদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে করতেই একদিন গোলকপতির এই বীরাচারী পূর্বজরা মিলে প্রতিষ্ঠিত পাল রাজাদেরকে পরাজিত করে প্রখ্যাত শশাঙ্কদেব শাসিত গৌড়ের মাটিতে সেদিন সেন বংশের তরবারিকে প্রোথিত করেন। সেই সময়েরই একটি ঐতিহাসিক কাহিনী এটি।
গোয়েন্দা রাজের গোয়েন্দাগিরি

গোয়েন্দা রাজের গোয়েন্দাগিরি
ভালোবাসা, বিশ্বাস, সহানুভূতি আর বিবেককে ছাপিয়ে যখন সমাজে প্রতিহিংসা আর বিকৃতি ছায়া ফেলে, তখনই জন্ম নেয় এক সাহস ী চরিত্র—রাজ।
দুই বছর আগে প্রকাশিত "গোয়েন্দা রাজে"–র সাফল্যের পর এবার ফিরছে তার নতুন অভিযান, "গোয়েন্দা রাজে'র গোয়েন্দাগিরি"।
কিশোর প্রেমের আবহে গাঁথা এই রহস্য উপন্যাস পাঠককে টানবে প্রথম পাতা থেকেই, ছুঁয়ে যাবে বিবেক, মনন আর সাহসিকতার গভীরতম স্তর।
এই বই শুধু কিশোরদের নয়—যে কোনও পাঠকের জন্য এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো এক উত্তেজনাময় যাত্রা।
সুকুমার রায় কবিতা সংকলন

সুকুমার রায় কবিতা সংকলন
বাংলা ভাষায় ননসেন্স ছড়ার প্রবর্তন করেন সুকুমার রায়। তাঁর লেখা বিখ্যাত “ননসেন্স ছড়া” সংকলন আবোল তাবোল, ১৯২৩ সালে, সুকুমারের মৃত্যুর পর ইউ রায় এন্ড সন্স থেকে প্রকাশিত হয়। এই ‘আবোল তাবোল’ শুধু বাংলা সাহিত্যে নয়, বিশ্বসাহিত্যের অঙ্গনে নিজস্ব জায়গার দখল করে নেয়। বইরাগ পাবলিকেশন সুকুমারের ছড়া ও কবিতা নিয়ে প্রকাশ করল এই ই-বুক।
কৃত্রিম আকাশে সত্যের খোঁজ

কৃত্রিম আকাশে সত্যের খোঁজ
আজকের কিশোর-কিশোরীদের জীবন প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগের আলোকে ঘিরে বেড়ে উঠছে। তারা প্রতিদিন স্ক্রিনে সংযুক্ত থাকে, সামাজিক প্ল্যাটফর্মে নিজের পরিচয় তৈরি করে, ভিউ, লাইক, কমেন্ট এবং ফলোয়ারের সংখ্যা দিয়ে নিজেদের মূল্যায়ন করে। কিন্তু কি স্ক্রিনের আয়নায় থাকা ব্যক্তিই সত্যিকারের তুমি? কি সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় তোমার আত্মসম্মান? এই প্রশ্নগুলোর মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় “কৃত্রিম আকাশে সত্যের খোঁজ” উপন্যাস।
গৌড়রাজমালা

গৌড়রাজমালা
বঙ্কিমচন্দ্র লিখিয়া গিয়াছেন,—“গ্রীণলণ্ডের ইতিহাস লিখিত হইয়াছে; মাওরি-জাতির ইতিহাসও আছে; কিন্তু যে দেশে গৌড়-তাম্রলিপ্তি-সপ্তগ্রামাদি নগর ছিল, সে দেশের ইতিহাস নাই।” উপাদানের অভাবকে ইহার প্রকৃত কারণ বলিয়া স্বীকার করা যায় না;—অনুসন্ধানচেষ্টার অভাবই প্রধান অভাব। যাহারা স্মরণাতীত পুরাকাল হইতে, বংশানুক্রমে এ দেশে বাস করিতে গিয়া, নানাবিধ জয়-পরাজয়ের ভিতর দিয়া বর্ত্তমান অবস্থায় উপনীত হইয়াছে, তাহাদিগের সহিত দেশের ইতিহাসের সম্বন্ধ সর্ব্বাপেক্ষা অধিক। তাহারা তথ্যানুসন্ধানে প্রবৃত্ত হইলেই, অনুসন্ধান-চেষ্টা প্রকৃত পথে পরিচালিত হইতে পারে। ইহা এখন সকলেই মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করিতেছেন। "
সত্যি কথা বলতে কি বাঙালির কাছে গৌড় , পালবংশ কি সেন বংশের নাম অচেনা না , আছে নানা গল্পগাথাও। কিন্তু যদি একলপ্তে গৌড়ের প্রাচীন ইতিহাস যা কিনা পালবংশ থেকে শুরু হয়ে সেনবংশ হয়ে খিলজীতে এসে থামে, সে সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে এই বইটি আপনার জন্যেই।
মলাট ছেঁড়া গালিব

মলাট ছেঁড়া গালিব
এক একটা কবিতা ধরে এগোলে মনেহয় এটা একটা জার্নি। মানুষের মনের অলিন্দে অলিন্দে সাজানো প্রদীপের আলোয় আমাদের ঘোরাফেরা। "খেলাঘরের সালতামামি" কবিতার মাত্র দুটো পংক্তি তুলে নিয়ে শুরু করি বিচার, "খড় মানেতো মরণবাঁচন আঁকড়ে থাকা..." যেখানে বলছেন তার একটু পরেই বলছেন "ঘর মানেতো, অবুঝ বেড়ায় আগলে রাখা।" ঘরের এই যে ব্যাখ্যা, এই তিনটি মাত্র শব্দ খরচ করা আর তার মধ্যেই কত কিছু বলে দেওয়া আছে। এই একটা কবিতাতে থাকা যায় অনেকক্ষণ। প্রতিটা শব্দে ঘরের একটা ছবি এঁকেছেন নীরবে এবং গভীরভাবে। কবিরা চিরকালই সবার মাঝে থেকেও একা তাইতো তিনি অবলীলায় বলতে পারেন, "....মাঠের মাঝে দাঁড়িয়ে আছি একলা অমলতাস।" কিন্তু এ লেখা কি শুধু সেই একাকী গাছের? তবে কেন লেখা হল, "...হাত বাড়ালেই আকাশ তবু মাটিতে সম্পৃক্ত।" এখানেই, এভাবেই এক একটা লেখা চিরকালীন হয়ে উঠেছে ছোট্ট মোচড়ে। "কেউ কেউ সোহাগ পোষে বুকের খাঁচায়..." তাদের কী অবস্থা হয়? তারাই তো বলতে পারে, "শুঁড়িপথ ঝোলায় ভরে একলা হাঁটি।" একজায়গায় বলেছেন, "ইচ্ছে হল খামখেয়ালি নদীও...." আবার পরক্ষণেই বলছেন, "...ইচ্ছে হলে সঙ্গে থাকাই যায়..." এবং আশ্চর্য লেখাটা ওখানে শেষ হচ্ছে না। এর নামই মনেহয় লেখাকে অসীমের হাতে ছেড়ে রাখা। একটা জায়াগায় পাচ্ছি, "হঠাৎ যখন বর্ষা নামে খেরোর খাতায়..." এত সুন্দর কয়েকটা কথা বলার একটু পরেই বলছেন, "....বিজন ভোরে নিকিয়ে রাখি গোপন খামার।" সত্যিই তো আমরা মনের গভীরে এই আশা নিয়েই কি


