বাংলা ই-বই
নির্জনতার নিভৃতে

কবিতাকে সব যুগেই সস্নেহ আশ্রয়ে লালন পালন করে এসেছে নির্জনতা ও নিভৃতি। সেখানে প্রতিটি কবি আর তার সৃজন মুখোমুখি হয় দিনশেষের ধারাপাতে। তাই হয়ত নিরন্তর গরল, বিষাদ ও অমৃতের চেনা অলৌকিক মেলবন্ধন নিয়ত ধ রা পড়ে কবিতায় ও কল্পনায়। হয়ত সেজন্য কবিদের অক্ষরমালা সর্বদা জেগে থাকে 'সব রাঙা কামনার শিয়রে'!
ক্রিকেটের চোদ্দ প্রদীপ

চোদ্দটা ক্রিকেটীয় রচনার সঙ্কলন। ১৯৩২ থেকে ২০২৬, প্রায় সাড়ে-নয় দশকের এই দীর্ঘ সময়ের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও আইপিএল প্রতিযোগিতা, বল-বিকৃতি ও স্লোয়ার-বল, এই শতকের মাঝামাঝির কল্প-ক্রিকেট, মাঠের পুরোহিতদ ের প্রতি অ-সংবেদনশীল অসহিষ্ণু দর্শককুল, দেশ-বিদেশের নামী-অনামী বৈচিত্রময় ক্রিকেটীয় চরিত্রদের মধ্যে কয়েকজন, এবং গ্যারি সোবার্সের স্মৃতিচারণ!
অযোধ্যার প্রেমকথা

পুরুলিয়ার পুরোনো কথা যেন আজও সোমের কানে বাজে। টিউশনের বন্ধুত্ব ও দ্বন্দ্ব, সেই বিকেলের সাইকেল, সেই অদ্ভুত টানাপোড়েন, সবকিছুই যেন আবার ফিরে আসে। বিচ্ছ েদ ও দূরত্বের শুরু এর পর থেকে, সময়টা বদলে যায়; সময়, শহর ও সোমের একাকীত্ব তাকে আরও নিঃশব্দ করে তোলে।
অযোধ্যা পাহাড়ে শেষ সূর্য যখন তার সামনে ডুবে যাচ্ছিল, তখন সে জানত এগোনোই তার শেষ উত্তর।
পন্নিয়িন সেলভান - প্রথম খন্ড

কল্কি কৃষ্ণমূর্তি, পন্নিয়িন সেলভান স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তার নিজের পত্রিকাতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করেছিলেন যা দীর্ঘ চার বছর ধরে চলেছিল। তামিল ইতিহাসের এই স্বর্ণযুগের কাহিনী অত্যন্ত জনপ্রিয় হযেছিল, সাপ্তাহিক সংখ্যা সংগ্রহ করার জন্যে লোকে ভোর থেকে রেলস্টেশনে লাইন দিত।
এক হাজার দুশো বছর আগে, রাজা বিজয়ালয় চোল (846 – 871 অব্দ) যখন পল্লব রাজ্য জয় করেন এবং থাঞ্জাভুরকে চোলদের রাজধানী শহর হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন তখন থেকেই দক্ষিণ ভারতের চোলরা রাজনৈতিক ভাবে শিখরে উঠেছিল। এরা ইতিহাসে পরিচিত ইম্পেরিয়াল চোল নামে। ইম্পেরিয়াল চোল যুগকে দক্ষিণ ভারতীয় ইতিহাসে একটি স্বর্ণযুগ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
একসময় যখন চোলসম্রাট সুন্দর চোল থাঞ্জাভূরে অসুস্থ এবং তার দুই পুত্রই দূরে, যুবরাজ আদিত্য চোলরাজ্যের উত্তরে কাঞ্চিতে যুদ্ধরত এবং আরুলমোঝি দক্ষিণে সমুদ্রপারের এলংগাইতে, রাজধানীতে এক রহস্যময় নারী নন্দিনী শুরু করল এক সাম্রাজ্যের পতনের ষড়যন্ত্র, তার ঊর্ণজালে আবদ্ধ চোলরাজ্যের সবথেকে ক্ষমতাশালী অভিজাত বংশ। রাজকুমারী কুন্দাভাই একাকীনী রাজধানীতে, তিনি হাল ছেড়ে দিলেন না কিন্তু তাঁর দরকার তাঁর ভাইদের। এখান থেকেই আমাদের গল্পের শুরু!
সুন্দরবনের নরখাদক

তাহাওয়ার আলী খান ছিলেন সুন্দরবনের ইতিহাসে এক অনন্য শিকারি—দক্ষতা, সাহস এবং অভিজ্ঞতার এক বিরল সমন্বয়। শিকারের জন্যে তিনি কখনোই অকারণে গুলি চালাতেন না; প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল গভীর। তবু তিনি কয়েকটি নরখাদক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার শিকার করেন, যার মধ্যে ১৯৬৭ সালের এক নরখাদক বাঘ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী Man Eaters of Sundarbans সুন্দরবনের বাঘ শিকার নিয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ। সেটির বঙ্গানুবাদ করেন অমিয়কুমার চক্রবর্তী। ১৯৬৮ সালে বাংলাতে প্রথম প্রকাশিত হয় অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির দ্বারা। এবার এলো এটির ই বুক। এখানে রয়েছে নিচের গল্পগুলি:
সুন্দরবন
জঙ্গলের রাজা
মরণ-দ্বীপ
এক অসম্ভব পরিস্থিতি
নীলকমল খালের বাঘিনী
চাঁদপাই বাঘ
আবদুল গফুরের খাজনা
বিদ্যুতের রেখা
পুটিয়া আর তার বন্দুক ফাঁদ
রায়মঙ্গলের মানুষখেকো
ক্রিকেটের এক ডজন

বিগত ফেব্রুয়ারি মাসে টি২০ বিশ্বকাপের সময়ে এসেছিল “ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার”। এবার ভারতের আফগান-আইরিশ-ইংলিশ প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে টক্কর চালু হওয়ার সময়ে আসতে চলেছে “ক্রিকেটের এক ডজন” – বারোটা ক্রিকেটীয় রচনার সঙ্কলন।
১৯৩২ থেকে ২০২৬ প্রায় সাড়ে-নয় দশকের এই দীর্ঘ করিডরের অসংখ্য কোণের মধ্যে মাত্র কয়েকটার ওপর কিঞ্চিৎ আলোকপাত করা হয়েছে এই বইয়ে – সফরকারী দল, বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা, উপমহাদেশের বিভাজন, অজি-ক্যারিবীয় ও দিশি-বিলিতি ক্রিকেটার, বর্ণবাদের প্রতিবাদ – এইসবের মধ্যে দিয়ে লেখক ছুঁয়ে গেছেন :
• আদিবাসী অজি ক্রিকেটারদের বিলেত সফর
• বিশ্বকাপে অঘটন-ঘটানো কেনিয়ার ক্রিকেট, এবং লড়াই-জাগানো ডিউকস বলের প্রভাব
• প্রথম স্বাধীনতা দিবসের প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী ক্রিকেটার
• ক্যারিবীয় ক্রিকেটের সুপার-ক্যাটের করিশমা
• রাজনৈতিক বা আইনশৃঙ্খলা-জনিত কারণে অনিশ্চয়তায় ভোগা কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ
• লারউডকে দমন করতে ডনের কৌশলী পরিকল্পনা
• দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তর ক্রিকেটে কীপার-অলরাউন্ডারদের পথিকৃৎ যোগাভ্যাসী এক ইংরেজ
• ভারতের সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ক্রিকেট-অধিনায়ক
• ক্রিকেট মাঠে বর্ণবিদ্বেষের দলবদ্ধ বিরোধী প্রতিবাদ
• তালগাছের মাথায় ছয়-হাঁকানো ভারতীয় ‘পহল(বা)ন’
• ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ের নীরব এক বার্বাডিয়ান নায়ক
এই ই-বুক সংস্করণ আশা করি পাঠকদের মনে ক্রিকেট সম্বন্ধে আগ্রহ, চর্চা ও সুস্থ আলোচনার পরিসর বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
পন্নিয়িন সেলভান - দ্বিতীয় খন্ড

কল্কি কৃষ্ণমূর্তি, পন্নিয়িন সেলভান স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তার নিজের পত্রিকাতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করেছিলেন যা দীর্ঘ চার বছর ধরে চলেছিল। তামিল ইতিহাসের এই স্বর্ণযুগের কাহিনী অত্যন্ত জনপ্রিয় হযেছিল, সাপ্তাহিক সংখ্যা সংগ্রহ করার জন্যে লোকে ভোর থেকে রেলস্টেশনে লাইন দিত।
এক হাজার দুশো বছর আগে, রাজা বিজয়ালয় চোল (846 – 871 অব্দ) যখন পল্লব রাজ্য জয় করেন এবং থাঞ্জাভুরকে চোলদের রাজধানী শহর হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন তখন থেকেই দক্ষিণ ভারতের চোলরা রাজনৈতিক ভাবে শিখরে উঠেছিল। এরা ইতিহাসে পরিচিত ইম্পেরিয়াল চোল নামে। ইম্পেরিয়াল চোল যুগকে দক্ষিণ ভারতীয় ইতিহাসে একটি স্বর্ণযুগ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
একসময় যখন চোলসম্রাট সুন্দর চোল থাঞ্জাভূরে অসুস্থ এবং তার দুই পুত্রই দূরে, যুবরাজ আদিত্য চোলরাজ্যের উত্তরে কাঞ্চিতে যুদ্ধরত এবং আরুলমোঝি দক্ষিণে সমুদ্রপারের এলংগাইতে, রাজধানীতে এক রহস্যময় নারী নন্দিনী শুরু করল এক সাম্রাজ্যের পতনের ষড়যন্ত্র, তার ঊর্ণজালে আবদ্ধ চোলরাজ্যের সবথেকে ক্ষমতাশালী অভিজাত বংশ। রাজকুমারী কুন্দাভাই একাকীনী রাজধানীতে, তিনি হাল ছেড়ে দিলেন না কিন্তু তাঁর দরকার তাঁর ভাইদের।
এখান থেকেই শুরু গল্পের, এবার এলো দ্বিতীয় তথা শেষ খন্ড!
অভ্যুদয়ের শার্লক হোমস্ সমগ্র - দ্বিতীয় খণ্ড - গল্প

শার্লক হোমস: রহস্যের অমর কিংবদন্তি - রক্তমাংসের মানুষ না হয়েও যিনি আজও ২২১বি বেকার স্ট্রিটে চিঠি পান—তিনি শার্লক হোমস। ‘এ স্টাডি ইন স্কার্লেট’-এ প্রথম আবির্ভাবের পর থেকেই তাঁর তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণশক্তি, ড. ওয়াটসনের সঙ্গে বন্ধুত্ব, আর একের পর এক রোমাঞ্চকর কেস বিশ্বজুড়ে পাঠকদের মুগ্ধ করে রেখেছে। লেখক যখন তাঁকে “শেষ মামলা”-য় মৃত্যুর মুখে ফেললেন, পাঠকের দাবিতেই তিনি ফিরে এলেন—আরও জনপ্রিয়, আরও কিংবদন্তি হয়ে।
বাস্তবের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের কাজের সঙ্গে হোমসের পদ্ধতির মিল আজও বিস্মিত করে। রহস্যভেদে তাঁর যুক্তি, পর্যবেক্ষণ আর মানবমনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ তাঁকে করেছে অপরিবর্তনীয়। স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের মৃত্যুর নব্বই বছর পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা অটুট।
এই অনুবাদে বজায় রাখা হয়েছে মূল রচনার স্বাদ, ভাষার সাবলীলতা এবং কোনান ডয়েলের স্বকীয় শৈলী—যা নতুন পাঠক ও পুরোনো ভক্ত, উভয়ের মনেই আবার জাগিয়ে তুলবে শার্লক হোমসের অমোঘ আকর্ষণ !
ক্রিকেটের খেরোর খাতা: ফলো-অন

ক্রিকেটের খেরোর খাতা - আগের এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল লেখকের জীবনের প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ দেখবার অভিজ্ঞতা – পাঁচবছরের বালকের বিস্ময়বিমুগ্ধ দৃষ্টিতে গ্যারি সোবার্সের শতরান দর্শন থেকে, শেষ হয়েছিল , নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রিজ মাঠে, ক্রিকেটের ‘সুইসাইড স্কোয়্যাড’ দিয়ে।
এবার এসেছে “ক্রিকেটের খেরোর খাতা: ফলো-অন”, ২০২২ থেকে শুরু করে ২০২৫ পর্যন্ত হালফিলের ক্রিকেটের নানা গল্প নিয়ে। আশা করবো এই বইটিও আগেরটির মতন পাঠকের ভালোবাসা পাবে!
আলো ও ছায়ার সংলাপ

মানুষের ইতিহাসে এমন বহু মুহূর্ত এসেছে যখন পৃথিবী যেন নিজের সন্তানদের দিকে তাকিয়ে নিঃশব্দে প্রশ্ন তোলে—“তোমরা আমাকে কোথায় টেনে নিয়ে যাচ্ছ?” যুদ্ধের দহন, হিংসার কালো ছায়া, ক্ষমতার উন্মত্ত নেশা, অনাহার আর অবিচারের ভারে ক্লান্ত এই গ্রহ আজও আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে এক গভীর আর্তিতে। অচেতন সহমরণ সেই ক্লান্ত পৃথিবীরই কণ্ঠস্বর—মানুষের উন্মত্ততার বিপরীতে প্রকৃতির অসহায় আবেদন। কবি যেন নরম অথচ দৃঢ় স্পর্শে আমাদের কাঁধে হাত রেখে মনে করিয়ে দেন—এই গ্রহ আমাদেরই, তাকে রক্ষা করাই আমাদের প্রথম ও চিরন্তন দায়িত্ব।
তারপর কবিতা আমাদের ফিরিয়ে আনে জীবনের অন্তরঙ্গ পরিসরে। সংসারের টানাপোড়েন, সম্মান-অপমানের ক্ষণস্থায়ী ঢেউ, সম্পর্কের ভঙ্গুরতা—সবকিছুর মাঝেও কবি খুঁজে পান এক গভীর সত্য: জীবনের স্বার্থকতা লুকিয়ে আছে বর্তমান মুহূর্তে, এখন-এখানে, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সহজ অথচ মহৎ কাজে। এই কবিতা পাঠকের হাত ধরে বলে—যা সত্য, যা স্থায়ী, যা হৃদয়ের আলো—তাকেই আঁকড়ে ধরো।
এইভাবে বইটি হয়ে ওঠে কবিতার এক অনন্য যাত্রাপথ—ধ্বংস থেকে পুনর্জন্মে, হতাশা থেকে আশায়, অন্ধকার থেকে আলোয়, বিচ্ছিন্নতা থেকে গভীর মানবিক সংহতিতে। পাঠকের কাছে এটি কেবল কবিতার সংকলন নয়—এ এক আত্মসমীক্ষা, এক মানবিক আহ্বান, এক নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন। প্রতিটি কবিতা যেন নীরবে মনে করিয়ে দেয়— পৃথিবীকে বাঁচানো, মানুষকে ভালোবাসা, আর নিজের ভেতরের আলোকে জাগিয়ে তোলা — এই তিনটিই আমাদের চিরন্তন দায়িত্ব। এই বই সেই দায়িত্বেরই এক কাব্যিক দলিল।
দি গ্রেট প্রবলেম সলভার

কিছু বন্ধন সময়ের নিয়ম মানে না—না দূরত্ব, না মৃত্যু। শুভময় ঘোষের জীবনে অনিরুদ্ধ ছিল ঠিক এমনই এক অদৃশ্য টান, যা বহু বছর পরেও তাকে টেনে নিয়ে আসে সেই পুরোনো বাড়ির সামনে। এক আমগাছ, ধুলো জমা একটি গাড়ি, আর এক অচেনা ভদ্রমহিলার হাতে এগিয়ে দেওয়া এক কাপ চা—সব মিলিয়ে যেন অনিরুদ্ধ নিজেই তাকে পথ দেখায়।
এই বই সেই অদ্ভুত পুনর্মিলনের গল্প—যেখানে স্মৃতি, ভালোবাসা, আর ইচ্ছাশক্তি মিলেমিশে তৈরি করে এক রহস্যময় যাত্রা। বাস্তব আর অবাস্তবের মাঝখানে দাঁড়িয়ে শুভময় যেন শুনতে পায় বন্ধুর কণ্ঠস্বর, “সাবাস শুভময় ঘোষ… এই না হলে The Great Problem Solver!” বন্ধুত্বের এই অপ্রকাশিত শক্তি, এই অদ্ভুত টান—এই বই তারই সাক্ষ্য ।
দেশ দেশান্তর (দেশ-বিদেশের কবিতার অনুবাদ)

শতঞ্জিৎবাবু প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের ছাত্র, প্রবাসী, এখন অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁর ভালোলাগা বিষয় - কবিতা। রুচি রাজনীতি ও সামাজিক বিষয়ে । এই ভুবনগ্রামে মানুষ সাগর পাহাড় কি ভাষা - যার দ্বারাই আপাত গন্ডিবদ্ধ থাকুক না কেন, মানুষের জীবনযাপন, কষ্ট, আশা, নিরাশা, পীড়ন, অন্যায়, ভালোবাসা - এইসব কিন্তু প্রায় একরকম। আর কবিতার ভাষা সর্বজনীন, তা দেশকালের গন্ডিতে আবদ্ধ না। তাই ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল বা বিদেশ - কবিদের প্রকাশ সমধর্মী - শতঞ্জিৎবাবু তাঁর রুচিমতো এরকমই কিছু কবিতার বাংলা অনুবাদ করেছেন। আশা করি পাঠকদের ভালো লাগবে।
