top of page
উপন্যাস

কৃত্রিম আকাশে সত্যের খোঁজ

Image-empty-state.png

আজকের কিশোর-কিশোরীদের জীবন প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগের আলোকে ঘিরে বেড়ে উঠছে। তারা প্রতিদিন স্ক্রিনে সংযুক্ত থাকে, সামাজিক প্ল্যাটফর্মে নিজের পরিচয় তৈরি করে, ভিউ, লাইক, কমেন্ট এবং ফলোয়ারের সংখ্যা দিয়ে নিজেদের মূল্যায়ন করে। কিন্তু কি স্ক্রিনের আয়নায় থাকা ব্যক্তিই সত্যিকারের তুমি? কি সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় তোমার আত্মসম্মান? এই প্রশ্নগুলোর মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় “কৃত্রিম আকাশে সত্যের খোঁজ” উপন্যাস।

50

Buy From

চার ইয়ারি কথা

Image-empty-state.png

ঘড়িতে রাত দশটা ! ঝড়বৃষ্টি আসবার আশু সম্ভাবনা ! কে সমস্ত আকাশটিকে একখানি একরঙা মেঘের ঘেরাটোপ পরিয়ে দিয়েছে, এবং সে রং কালোও নয়, ঘনও নয়; কেননা তার ভিতর থেকে আলো দেখা যাচ্ছে। ছাই-রঙের কাচের ঢাকনির ভিতর থেকে আলো দেখা যায়, সেইরকম আলো। আকাশ-জোড়া এমন মলিন, এমন মরা আলোতে বাইরে যা-কিছু আছে, সব কিরকম নিস্পন্দ, নিস্পন্দ, নিস্তব্ধ হয়ে গেছে; যা জীবন্ত তাও মৃতের মত দেখাচ্ছে; বিশ্বের হৃৎপিণ্ড যেন জড়পিণ্ড হয়ে গেছে, তার নিশ্বাসরোধ হয়ে গেছে, রক্ত-চলাচল বন্ধ হয়েছে; মনে হচ্ছে যেন সব শেষ হয়ে গেছে যেন আর এক পৃথিবীর আর এক আকাশ;-দিনের কি রাত্তিরের বলা শক্ত।
এ আলোর স্পর্শে পৃথিবী যেন অভিভূত, স্তম্ভিত, মূৰ্জিত হয়ে পড়েছিল। চারপাশে তাকিয়ে দেখি,গাছ-পালা, বাড়ী ঘর-দোর, সব যেন কোনও আসন্ন প্রলয়ের আশঙ্কায় মরার মত দাঁড়িয়ে আছে ! পৃথিবীর উপরে সে রাত্তিরে যেন শনির দৃষ্টি পড়েছিল।
আর এরকম পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছে চার ইয়ার। সেন, সীতেশ, সোমনাথ এবং আমি।
সেন বল্লেন—”যেরকম আকাশের গতিক দেখছি, তাতে বোধ হয়। এখানেই রাত কাটাতে হবে।”
কি ঘটলো সেই রাতে? চেনাজানা পরিধি ছাড়িয়ে চার ইয়ার কি অন্য কিছুর স্পর্শ পেলো ? পড়ুন প্রমথ চৌধুরীর অনবদ্য গ্রন্থ -চার ইয়ারি কথা।

50

Buy From

আবার এসো ফিরে

Image-empty-state.png

যে জীবন ইতিহাসে লিপিবদ্ধ, তার বাইরেও থাকে এক অলিখিত জীবন—স্বপ্নের, সম্ভাবনার, এবং কল্পনার। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন যেমন এক দীপ্তিমান প্রদীপ, তেমনি এই গ্রন্থে তিনি হয়ে উঠেছেন এক কাব্যিক চরিত্র, যাঁর অন্তরঙ্গতা, দ্বন্দ্ব, এবং নিঃসঙ্গতা আমাদের নতুন করে ভাবায়।
এই বই কোনো তথ্যভিত্তিক জীবনচরিত নয়, বরং এক সাহিত্যিক অন্বেষণ—যেখানে বিদ্যাসাগর কেবল সমাজ সংস্কারক নন, তিনি এক কবি, এক প্রেমিক, এক নিঃসঙ্গ পথিক। তাঁর চোখে জ্বলছে যুক্তির দীপ্তি, কিন্তু হৃদয়ে বাজছে আবেগের মৃদু সুর। তাঁর পদচারণা যেন এক দীর্ঘ গদ্যকবিতা, যেখানে প্রতিটি শব্দে লুকিয়ে আছে এক নতুন বাংলার স্বপ্ন।
এই কাল্পনিক জীবনীর প্রতিটি অধ্যায় যেন এক গল্প, এক কবিতা, এক নাট্যাংশ—যেখানে ইতিহাসের ছায়া আছে, কিন্তু আলোটা সম্পূর্ণ সাহিত্যিক। পাঠক, আপনি যখন এই বইয়ের পৃষ্ঠাগুলো উল্টাবেন, তখন আপনি শুধু একজন মনীষীকে নয়, বরং এক চরিত্রকে আবিষ্কার করবেন—যিনি আমাদের মতোই মানুষ, কিন্তু আমাদের চেয়ে অনেক বেশি স্বপ্নদ্রষ্টা।

49

Buy From

গোলপোস্টের এপার ওপার

Image-empty-state.png

রাসেল এবং মাইকেল ক্ল্যাডিয়াস দুই ভাই। রাসেল কলকাতার এক নামী ফুটবল দলের অতিদামী গোলরক্ষক। আর মাইকেল তাদের বাবার মতোই হকি প্লেয়ার। কলকাতা মাঠে। তাদের বাস বো ব্যারাকে। বাবা সরকারী আধিকারিক, মা প্রতিষ্ঠিত স্কুলের শিক্ষয়ত্রী।
ফুটবল পাগল সুজাট রাসেলের বান্ধবী-কাম-প্রেমিকা । আর মাইকেল সুজাটের ছোট বোন, মিলাটকে ততোধিক ভালবাসে; যতখানি কিনা মিলাট তা অমূল্য মনে করে না। সে শহরের এক নামী র‍্যাপ-ড্যান্সার। উচ্ছল , প্রাণবন্ত বন্ধুপ্রিয় যুবতী। তাদের বাবা শহরের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। মা গৃহবধূ।
অতি গুরুত্বপূর্ণ বছরের শেষ খেলায় প্রতিপক্ষের খেলোয়ারের জোড়াল এক গড়ানো শটে রাসেল পরাজিত হয় এবং তাতে ক্লাব তো ক্লাব, তারও বদনাম রটে, সে কিনা অর্থের বিনিময়ে গোল ছেড়ে দিয়েছে। বিশাল অঙ্কের পারিতোষিক হাত ছাড়া হয় ক্লাবের। ক্লাব তাকে সাসপেন্ড করে।
এই পরাজয় নিয়ে সুজাটের অভিমান, মন কষাকষি। যা রাসেলকে আত্মহননের দিকে ঠেলে দেয় এবং তার ফুটবল জীবনের সমাপ্তিতে পর্যবসিত হবার উপক্রম হয়। সেখান থেকে সুজাটই তাকে উদ্ধার করে। সম্পূর্ণ নিজের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রচেষ্টা এবং স্বীয় জীবনের ক্ষতি স্বীকার করেও। বিদেশে নিয়ে গিয়ে বিচক্ষণ চিকিৎসা এবং পুনরায় গোলরক্ষকের ট্রেনিং প্রাপ্ত করিয়ে রাসেলকে খ্যাতনামা গোলকিপারে পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেওয়ায়।
তার সাহা্য্যে এগিয়ে এসেছে সুজাট-মিলাট এবং রাসেল-মাইকেলের পুরো পরিবার। বিশেষ করে র‍্যাপ ডান্সে প্রতিষ্ঠিত মিলাট ক্লডিয়াস। এবং তা করতে গিয়ে মিলাটের জীবনেও দুর্যোগ ঘনিয়ে আসে যা থেকে তাকে উদ্ধার করে মাইকেল, নিজের জীবনীকে বাজী রেখে। এর পরেও কিন্তু মিলাট নারী-বুভুক্ষু এই পুরুষ প্রাধান্য সমাজের কাছে হার মানে। কেন, কিভাবে, কখন? -এই কাজে মিলাটের অবদান কি- সব জানতে গেলে পড়তে হবে দেশ-বিদেশের ঘটনাবহুল নানান কাহিনীতে সমৃদ্ধ সম্পূর্ণ উপন্যাসটি।

50

Buy From

শেষ বৃষ্টির পর

Image-empty-state.png

শ্রাবণের শেষ বিকেলে, যখন বৃষ্টি আর বাতাসে ভিজে ওঠে চারদিক, ঠিক তখনই যেন কেউ ধীরে ধীরে জেগে ওঠে—অতীতের ভেজা স্মৃতি, অচেনা টান, আর অমোঘ আকর্ষণ। নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সেই কবিতার আবহ যেন হঠাৎ বাস্তব হয়ে দাঁড়ায় মাঠকোঠার দরজায়—একজন অপেক্ষমাণ মানুষের ছায়ায়।

কলেজে প্রথম দেখা হয়েছিল ঋত্বিক আর অর্পিতার। একজন তীক্ষ্ণ-দৃষ্টির সাংবাদিক, অন্যজন শান্ত অথচ দৃঢ়স্বভাবের শিক্ষিকা। কথার পর কথা, চোখের পর চোখ—মন দেওয়া-নেওয়ার সেই নরম সময়টুকু যেন বৃষ্টির মতোই স্বাভাবিকভাবে নেমে এসেছিল তাদের জীবনে।

কিন্তু বৃষ্টি যেমন থেমে গেলে রেখে যায় ভেজা মাটি আর অদৃশ্য দাগ, তেমনি তাদের সম্পর্কেও কি জমে উঠেছিল কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন?

শেষ বৃষ্টির পর কী রয়ে গেল—অপেক্ষা, অনুতাপ, না কি নতুন কোনো শুরু?

মনোরঞ্জন গরাইয়ের **‘শেষ বৃষ্টির পর’**—একটি গল্প, যেখানে শ্রাবণ শুধু ঋতু নয়, অনুভূতিরও পুনর্জন্ম। পড়তে শুরু করলে মনে হবে, বৃষ্টির ফোঁটা যেন পাতার ওপর নয়, সরাসরি হৃদয়ে পড়ছে।

50

Buy From

বঙ্কিম উপন্যাস সমগ্র

Image-empty-state.png

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা সমস্ত উপন্যাস!

50

Buy From

টুয়েন্টি ইয়ার্স আফটার - আলেকজান্ডার দ্যুমা

Image-empty-state.png

১৬শ র শতকের মাঝামাঝি ইউরোপীয় রাজনীতিতে যখন ক্যাথলিক ফ্রান্সকে গ্রাস করার জন্য চারিপাশ থেকে নানান দেশ ওৎ পেতে বসে ছিলো, তখন ফ্রান্সকে বাঁচিয়ে রাখার শেষ সম্বল হিসাবে ত্রয়োদশ লুইয়ের সাথে অ্যন অফ অসট্রিয়ার বিবাহ ও কার্ডিনাল রিচলুর শরণ ও খুব একটা কার্যকরী হয়ে উঠলো না। কার্ডিনাল রিচলুর কঠোর বাস্তববোধের সামনে রাজা ত্রয়োদশ লুইয় নাস্তানাবুদ হয়ে তাঁর হাতের পুতুল হয়ে উঠলেন। কিন্তু "থ্রি মাস্কেটিয়ার্স" ঘটনাকে নিয়ে গিয়েছিলো অন্যদিকে।
"টুয়েন্টি ইয়ার্স আফটার"— আলেকজান্ডার দ্যুমা তাঁর কালজয়ী "থ্রি মাস্কেটিয়ার্স" চরিত্রগুলিকে কুড়ি বছর পর আবার ফিরিয়ে এনেছেন, কিন্তু এবার তারা আগের মতো তরুণ, বেপরোয়া নয়—তারা পরিণত, দ্বিধাগ্রস্ত, এবং ইতিহাসের এক সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে। সময়টা এখন ১৬৪৮-১৬৪৯। বকলমে ফ্রান্সের সর্বেসর্বা কার্ডিনাল রিচলু আজ কেবলমাত্র তাঁর পূর্বের ক্ষমতার এক ক্ষীণ ছায়ায় পরিণত হয়েছেন। ইউরোপীয় রাজনীতির যাঁতাকলে ফ্রান্সের ভবিষৎ পিষে দেওয়ার জন্য চারিধার থেকে বিভিন্ন দেশ চিল- শকুনের মত ওৎ পেতে আছে। ত্রয়োদশ লুই এর মৃত্যু হয়েছে, কার্ডিনাল রিচলুর ও স্বর্গবাস হয়েছে। ফ্রান্সের কিশোর রাজা চতুর্দশ লুই নাবালক হওয়ায় রাজ প্রতিনিধিত্ব করছেন এন অফ অস্ট্রিয়া। কিন্তু তাকে নেপথ্যে চালনা করছেন কার্ডিনাল মার্জারিন। ডার্টেনান এখন মাস্কেটিয়ারদের প্রধান, তার বাকি তিন সঙ্গী অবসরপ্রাপ্ত। অ্যাথস একজন সম্ভ্রান্ত ব্যাক্তি কমটে দে লা ফের নামে পরিচিত, নিজের সুপুত্র রাউল দে ব্রাগলন এর সাথে থাকেন। আরামিস, প্রকৃত নাম দে আর্বলে, যুদ্ধ বেশ ত্যাগ করে ধর্মের ডাকে সাড়া দিয়েছেন এবং পর্থস একজন ধনী মহিলাকে বিবাহ করেছেন।
আবার ঘনিয়ে ওঠে নানা ঘটনা, "থ্রি মাস্কেটিয়ার্স" কি পারবে ঘটনাকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে?
দ্যুমার এই কালজয়ী বইটিকে পড়ুন বাংলাতে, অনুবাদ করেছেন পৌলমী চক্রবর্তী!

49

Buy From

চারণিক

Image-empty-state.png

মনীষীদের জীবন, সাধনা, কর্ম বিশেষত জীবনী আকারে বিবৃত করে থাকেন বিশিষ্ট জনেরা। সেরকমই এক যুগাবতার, স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে বহু জীবনীকার একাধিক গ্রন্থ রচনা করে গেছেন যেগুলি সম্পূর্ণরূপে আকর গ্রন্থ। সেসব গ্রন্থ সহজলভ্য হলেও বহু পাঠকের কাছে তার পঠন অনেকটাই ভারী হয়ে ওঠে। এমন ক্ষেত্রে উপন্যাস লেখকরা প্রকৃত তথ্য ও তত্ত্বকে অবিকৃত রেখে মনীষীর জীবন সরণি বেয়ে নিজেদের কল্পনাকে মিশিয়ে যে উপন্যাস পাঠকের সামনে তুলে ধরেন, তাতে পাঠকের পক্ষে ওই মনীষীকে জানা কিছুটা সহজ হয়ে ওঠে এবং জীবনী পাঠে পাঠককে আগ্রহী করে তোলে।
স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে এমনই এক উপন্যাস, ‘চারণিক, স্বামী বিবেকানন্দের পরিব্রাজক জীবনের অত্যাশ্চর্য কাহিনি’ রচিত হয়েছে। যেখানে গুরু গম্ভীর তথ্য ও তত্ত্বের ভান্ডার না যোগ করেও স্বামীজি পরিচয়ের আড়ালে কাছের মানুষ বিবেকানন্দকে পরিচয় করানো হয়েছে।
এ সত্য সকলেরই জানা , বিবেকানন্দ অত্যন্ত স্বল্পায়ু ছিলেন। ৩৯ বছর ৫ মাস ২৪ দিনের জীবনের মাত্র আটটি বছরকে এই উপন্যাসে ধরা আছে। সময় কাল ১৮৮৬ থেকে ১৮৯৩। ওনার ২৪ বছর বয়স অর্থাৎ রামকৃষ্ণ সঙ্ঘ স্থাপনার সময় থেকে ৩১ বছর যা শিকাগো বক্তৃতা দানের সময়, এই সময়টুকুতে স্বামীজির পর্যটক হয়ে ভারত ভ্রমণের যা যা কর্মকাণ্ড, সেটুকুই বিধৃত হয়েছে।

50

Buy From

চ্যান্সেস- জ্যাকি কলিন্স

Image-empty-state.png

আমেরিকার বহুল চর্চিত লেখিকা জ্যাকি কলিন্স, প্রায় পুরো জীবন কাটিয়েছেন লস এঞ্জেলেস এবং তাঁর লেখা ৩২টি উপন্যাস নিউ ইয়র্ক টাইমসের বেস্টসেলার তালিকায় রয়েছে। তাঁর বইগুলি ৫০০ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে এবং ৪০টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।
চ্যান্সেস, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তাঁর সর্বশ্রষ্ঠ লেখা বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।
প্রথম থেকে শেষ অবধি উপভোগ্য এবং টানটান থ্রিলিং এবং উত্তেজনার ভরপুর এই ৬০০ পাতার উপন্যাসটি পাঠককে টেনে রাখবে। উপন্যাসটি বর্তমানে শুরু হয়েছে তার পর অতীতে গেছে , প্রত্যেক জায়গাতেই চরিত্রের নাম এবং সাল দিয়ে শুরু করা আছে ফলে খেই হারিয়ে যাবার কোন ভয় নেই।
বইটার মধ্যে তিনটে পর্ব আছে! প্রথম পর্ব টা মুলত মূল চরিত্র জিনো এবং ক্যারীর অতীতের অন্ধকারময় জীবনের ঘটনা, দ্বিতীর পর্বে জিনোর মেয়ে লাকীর কর্মকান্ড! চক্রান্ত, পাল্টা চক্রান্ত, আইনের বেড়াজালে জিনোর ফেঁসে গিয়ে দেশ ছাড়া। তৃতীয় তথা শেষ পর্বে আছে জাল গুটোনো এবং প্রতিশোধের কাহিনী।
কাহিনীর পরতে পরতে আছে পাশে থেকে বিশ্বাস অর্জন করে সাপ হয়ে দংশন করা চরিত্র, ভালোবাসার মানুষের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে উন্মত্ত নারী, পতিতালয়, ড্রাগ সিন্ডিকেট, সংঘবদ্ধ অপরাধী, আইনের চাল, সবমিলিয়ে আগের শতাব্দীর আটের দশকের হলিউডের অন্যরকম, সাধারণ মানুষের চোখে না ধরা পড়া দিক।
বইটি অনুবাদ করেছেন ইন্দ্রাণী তুলি!
বইটির প্রকাশক অর্ণব মুখার্জী!
** উপন্যাসটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য**

99

Buy From

দাহপুরুষ

Image-empty-state.png

হোটেল ক্যালকাটা’র চারতলার বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে অহ্ন, ওরফে আহ্নিক রায়চৌধুরী। এখান থেকে সদাব্যস্ত মহানগরীর রাজপথ দেখা যায়। বিয়াল্লিশ বছরের প্রায় ছয় ফুট উচ্চতার আহ্নিক বর্তমান বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একজন সেলিব্রেটি।
ক্রমাগত চলমান জনঅরণ্যের দিকে চেয়ে থাকে অহ্ন, মনে মনে খোঁজে সেই শুরুর দিনগুলো, খোঁজে নিজেকে। মন-খারাপের দিনে মনে মনে যার সঙ্গে দেখা হয় তার। পড়াশোনায় গভীর মনোযোগ। হাঁটতে হাঁটতে কবিতা এসে যাওয়া মাথা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো সেই গ্রাম্য লাজুক স্বভাবের রোগা ফর্সা ছেলেটি...
অহ্ন দাঁড়িয়ে আছে। চোখ চলে যাচ্ছে প্রায় পশ্চিমের সূর্যালোকের আলোয় সদ্য বোয়া নীল আকাশ থেকে সবুজ গাছেদের পাতা ছুঁয়ে দিগন্তের দিকে। এখান থেকে হোটেলের প্রবেশপথটি দেখা যায়। আজকে একটা বিশেষ দিন, অহ্ন জানে এক-এক করে আসবে অতনু, সুমিত, জুয়েল, দেবলীনা, ত্রিপর্ণা, শ্রীতমা, দেবর্ষি, শতরূপা, সোহিনী, অমলকান্তি এবং জুবিন......
কি হবে তারপরে? পরতে পরতে খুলে যাবে তার ফেলে আসা দিন গুলো, মনে এসে যাবে খুলে যাওয়া সম্পর্কের সুতোগুলো ?

75

Buy From

চাঁদমামা উপন্যাস সমগ্র -৪

Image-empty-state.png


average rating is null out of 5
চাঁদমামার গল্পগুলি আমাদের ছোটবেলা থেকে শুরু হয়ে বড়বেলাতেও সঙ্গী। এবার সেই গল্পগুলিই পান এক সঙ্গে। প্রকাশ করেছেন ফ্যালকন গ্রুপ , ই-বুক পরিবেশনায় বইরাগ পাবলিকেশন।

150

Buy From

মনোরঞ্জন গরাই উপন্যাসিকা ৩

Image-empty-state.png

৩ টি নানা স্বাদের উপন্যাস , জীবনের জলছবির আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে মানুষের বোধে যে উত্তরণ ঘটে, তাই বিবৃত হয়েছে এই লেখাগুলিতে।

50

Buy From

মুজতবা সংকলন

Image-empty-state.png

সৈয়দ মুজতবা আলী সংকলন, এখানে রয়েছে তাঁর লেখা বিখ্যাত উপন্যাস ও গল্পগুলি ।

99

Buy From

রঙ্গমঞ্চ

Image-empty-state.png

গিরিশচন্দ্র,বিনোদিনী, অমৃতলাল, শিশির ভাদুড়ি, শম্ভু মিত্র, বাংলার নট-নটীদের পরম্পরা সুদীর্ঘ , রঙ্গমঞ্চ শব্দটার উৎপত্তি ও অনেককালের তবে বর্তমানে তা জুড়ে যায় স্টার, মিনার্ভা ইত্যাদির সাথে যেগুলোর অস্তিত্ব আজ আর হয়তো আর নেই কোথাও ।
এই উপন্যাসে আসলে রঙ্গমঞ্চও একটি চরিত্র , আর আছে নাট্যপ্রেমী শৈলেশ, আছে দেহপোজীবিনী নীহার , শৈলেশের সঙ্গে যার পরিচয় হয় এই রঙ্গমঞ্চের সূত্রেই , আর জীবন নাটক গড়াতে থাকে।
এই উপন্যাসের সময়কাল ও পুরাতন , গিরিশ ঘোষের যুগ শেষ হয়েছে তখন। চলছে শিশির-অহীন্দ্র যুগ। সাধারণ লোকে যেমন ভাবে , এই নাট্যমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত লোকজনের জীবন কি শুধুমাত্র সুরার গন্ধ আর অবৈধ সম্পর্কের রসায়নে ভরপুর? নাকি এর পেছনে রয়েছে অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমও ? এই উপন্যাসে শৈলেশ নীহারের মাধ্যমে লেখক তুলে ধরতে চেয়েছেন রঙ্গমঞ্চের যবনিকার অন্তরালের ছবি ।

50

Buy From

ব্যাবিলনের পাখি

Image-empty-state.png

কোলকাতাতে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি শীতের সন্ধ্যা একটু তাড়াতাড়িই নামে। পৌনে পাঁচটাতেই অন্ধকার। ফুটপাথ ধরে হেঁটে চলেছে ছেলেটি। বাড়ি ফেরার ট্রেন এখনও অনেক দেরি। রাত্রি সাড়ে দশটায় হাওড়া স্টেশন থেকে কবিগুরু এক্সপ্রেস। হাতে অনেকটা সময়। উদ্দেশ্য বইপাড়া থেকে কিছু বই কেনা।
বই কিনে সে ফিরে চলল তার বাড়ির দিকে। গন্তব্য স্টেশনে লোকজন বিশেষ নেই। নেমেছে আট দশ জন হবে। গ্রাম্য স্টেশন!
তার চোখে পড়লো তরুণীকে, ফেরার পথ ধরতেই ডাক ভেসে এলো তার দিক থেকে। থমকে দাঁড়ালো ছেলেটি।
চলুন যাই ইতিহাসের কুয়াশা কাটিয়ে সসময়ের ভাটার টানে! থিওমোনা ব্যাবিলনের রাজকন্যা। মহারাজ নেবোনিডাস ও পারস্য সাম্রাজ্যের মহারাজ সাইরাসের বাহিনীর যুদ্ধ চলছে ! সাইরাসের সেনাপতি জোপরাসের হাতে পরাজিত হলেন নেবোনিডাস। যুদ্ধবন্দিনী থিওমোনার জীবনে নেমে এলো অন্ধকার।
সময়ের উজানে আর ভাটার এই দুই বিন্দু কি কোনোভাবে মিলে গেল? তা নিয়েই এই উপন্যাসটি।

55

Buy From

রঞ্জনা ডাকছে আমায়

Image-empty-state.png

ভালোবাসা কি কোনো বাধা মানে? হয়তো না, কিন্তু মাঝে বিচ্ছেদ আসতে পারে, কারণ মানুষের লোভ, নির্মমতা। রঞ্জনা ভালোবেসেছিল, শুভও। কিন্তু তাদের ভালোবাসা পূর্ণতা পায়নি এক মর্মান্তিক ঘটনাতে। কিন্তু সবকিছু সেখানেই কি শেষ হয়ে গেছিল? হয় নি। অপার্থিব অপেক্ষায় থাকা রঞ্জনা আর শুভ কি মিলিত হতে পেরেছিলো? সেই নিয়েই এই উপন্যাসিকা।

50

Buy From

অরণ্য জাতক

Image-empty-state.png

“যখন হারাবার কিছু থাকে না তখন জীবনটা যেন বন্ধনহীন হয়ে দেখা দেয়। অমিত সম্ভাবনা নিয়ে যার প্রগতি হচ্ছে, মসৃন পথে যে সদম্ভে ঝরঝর করে এগিয়ে যাচ্ছে, সে সদা পদস্খলনের ভয় পায়। সদ্য চাকরি ছাড়ার দরখাস্ত দিয়ে আশু মুক্তিপ্রাপ্তির আশা নিয়ে অরণ্য আজ থেকে ঊনপঞ্চাশ বায়ুবেগে চলতে থাকবে।“
অরণ্য হয়ত বা আপনিই, যদি আপনার নিজের কৈশোরের তারুণ্যের যৌবনের দিন গুলির কথা আপনি স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে। কেমন ছিল কোন সদ্য কিশোরীর মুখের অভিঘাত, কেমন ছিল কোন তরুণীর হাসিমুখের দিকে চেয়ে থাকা দিনগুলি… কিন্তু শুধু প্রেম ই তো নয়, সদ্য চাকরিতে ঢোকার পর কি সামনাসামনি হতে হয়নি নানা চ্যালেঞ্জের…এই সব নিয়েই অরণ্য জাতক , আরবান লিজেন্ড নয়, আমার আপনার জীবনের ই কাহিনি ।

50

Buy From

ভারত মঙ্গল

Image-empty-state.png

ভাবতে অবাক লাগে যে রতিরঙ্গ ধ্রুপদী ভারতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল প্রাক ইসলাম পর্বেও, মধ্যযুগে এসে তা যেন একটি বদ্ধ নীতিবাগীশ শাসনে শুধু মুখ লুকিয়েই থেকে গেল। বৈষ্ণবপদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম মুক্তি পেলেও তা দেহাতীত নিকষিত হেম হয়ে সীমারেখা টেনে সামলে নিল। মানুষ মানুষীর মিলন মান্যতা পেল না। যৌনতার বিষয়ে মঙ্গলকাব্যেও সেই সাবধানী গা বাঁচানো রীতিটিই অকারণে বহাল রইলো।
অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগে ভারতচন্দ্র যেন 'প্রমিথিয়ূস' হয়ে এসে সেই নিষিদ্ধ রতিমঞ্জরীটিকে রসিকজনের সামনে নতুন অলঙ্কারে সাজিয়ে আনলেন। বাংলাভাষা সমৃদ্ধ হল ফার্সী আর হিন্দীর শব্দপ্রয়োগে। এভাবেই নিশ্চুপ হয়ে ভারত কৃষ্ণনগরে বসে বসে ধীরে ধীরে প্রাক উনিশশতকের আধুনিক ভাষা প্রবাহের প্রথম ইঁটটি গাঁথলেন। একদিন সেই পথ দিয়েই স্বচ্ছসলিলা ভাষার গঙ্গাটিকে বয়ে আনবেন ভগীরথসদৃশ স্বয়ং বিদ্যাসাগর।
'ভারতমঙ্গল' আদতে একটি উপন্যাস ই। ইতিহাস বর্ণনা নয়, বরং ইতিহাস যাপন। কল্পনা ও সত্যের মিশেলে সেই দিনগুলিতে একটু স্বপ্নিল পদচারণের প্রচেষ্টা মাত্র।

50

Buy From

অন্যরুপের সন্ধানে

Image-empty-state.png

সান্ধ্য আড্ডায় স্ট্র্যান্ড রোজকের মতোই প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে। কচিকাঁচা থেকে কলেজ পড়ুয়া, এযুগের প্রেমিক প্রেমিকা থেকে অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই নিজের নিজের গল্পে মজেছে। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ফাস্ট ফুডের দোকান গুলোয় অবিশ্বাস্য রকমের ভিড়। রাস্তা দিয়ে সশব্দে ছুটে চলেছে হরেক রকমের গাড়ি। এই চিত্রেই স্পষ্ট, ইতিহাস প্রসিদ্ধ শহরটির গতিময়তা একটুও হ্রাস পায়নি, গঙ্গাতীরের মধুর হাওয়া শুধু অনিরুদ্ধের মন ছুঁতে পারেনি। ফ্যাকাসে মুখ করে প্রবাহমান নদীর দিকে তাকিয়ে, ভেবে চলেছে ইশিকার কথা।
অনিরুদ্ধ আর ইশিকার যাত্রা তাদের কোথায় নিয়ে গেলো তাই নিয়ে এই উপন্যাস।

50

Buy From

অপ্সরা

Image-empty-state.png

‘অপ্সরা’ সেলফ-মোটিভেটেড এবং সেলফ-গাইডেড এক মেয়ের কাহিনি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সহজ-সরল মেয়ে হৃদির নাম কেন অপ্সরা হলো এবং পরবর্তীতে সেই নামেই কেন সে পরিচিত হতে চাইল, তার পেছনেও রয়েছে দৃঢ় প্রত্যয় ও কঠিন সংকল্পের গল্প। সহজ-সরল-প্রণোচ্ছ্বল অপ্সরার জীবনে এক পর্যায়ে আঘাত হানে ভয়াবহ কষ্টের টাইফুন। তবে নিজগুণে সেই শোককেই শক্তিতে কনভার্ট করে অপ্সরা! বেগুনি রঙের তেজস্বিতা এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান নিয়ামক। বেগুনি রঙ দেখলে তার ভেতরের শোকের অণুগুলো যেন শক্তির অণুতে রূপান্তরিত হয়! রহস্যেঘেরা ম্যাজিকাল চরিত্রের অধিকারী অপ্সরা হাসলে তার চারপাশের প্রকৃতি ও জীবনও যেন হেসে ওঠে! আবার, অপ্সরা কাঁদলে চতুর্পাশও যেন কেঁদে ওঠে! শঠতা, কপটতা, অন্যায়, অবিচার প্রতিহত করার শপথে বাংলার পথে অপ্সরার পথচলা।

50

Buy From

অবিচ্ছেদ্য

Image-empty-state.png

কৈশোরের দিনগুলো সবসময় কি সোনাঝরা হয়? কিশোরী থেকে নারীত্বে উত্তরণের গল্প আসলে কখনোই ঠিক সাধারণ হয় না। বিশেষতঃ যদি বাবা মা'র সম্পর্ক জটিল হয়ে থাকে। এই লেখা মেঘনার জীবনের মেঘ সরিয়ে মোহনাতে যাত্রার গল্প, যেখানে নদী মেশে সাগরে। এমনই একটি বেড়ে ওঠার মেয়েবেলার গল্প বিবৃত হয়েছে এখানে!

50

Buy From

ইমলি

Image-empty-state.png

ইমলি কে? বা ইমলি কার নাম? কেন ? সে কি শুধুই - "জন্মের পর মা আমায় চেটে দেখেছিল আমি খুব টক। তাই নাম রেখেছিল ইমলি। !, নাকি এর কোনো বৃহত্তর দ্যোতনা আছে?
ছোটবেলার খেলার মাঠ থেকে বালিকা উত্তীর্ন হয় নারীত্বে, গলির দুপাশে উঁচু উঁচু বড় বড় ব্রিটিশ আমলের সাবেকি বাড়ির লাল মেঝেতে আলতার ছাপ লেগে থাকে, অসতর্কতায় বেজে ওঠে শাড়ির খুঁটে বাঁধা চাবির গোছা, ছোট একদানা বুদবুদের মত একটা ছোট্ট কষ্ট আজকাল জানান দেয় সে আছে- ইমলির বুকের ভেতর।
উৎসব কি আসে ইমলির জীবনে ? ক্যানভাসে এঁকে রাখা জলের রং, গাছের পাতার সবুজ রং, বাহারি বুনো ফুলের রং, নীল আকাশ আর সাদা মেঘের রঙের জোয়ার কি আসে ইমলির জীবনে ?

50

Buy From

তন্তু

Image-empty-state.png

যে যা প্রকৃতি নিয়ে জন্মেছে, সেটা নিয়েই তো আলো জ্বালাতে হবে । কোনটা আশীর্বাদ আর কোনটা অভিশাপ তা বিচার না করে কি জীবন কে বয়ে নিয়ে যাওয়া যায় না ? সেই গল্পই হচ্ছে তন্তু।

50

Buy From

পার্টনার

Image-empty-state.png

জীবনের সম্পর্কের সমীকরণ গুলো হামেশাই চেষ্টা করে নিজের মতো করে একটা সুন্দর সম্পর্কের বাতাবরণ তৈরি করতে, তাদের নাম আলাদা, সংজ্ঞাও আলাদা , সেই বাতাবরণে একটি নতুন সম্পর্কের সমীকরণ কি হতে পারে "পার্টনার" ? সে নিয়েই এই গল্প।

50

Buy From

বধির নিরবধি

Image-empty-state.png

হঠাৎ করে শুরু হওয়া একটি দিন আসলে দুটি মানুষের জীবন কে কোথায় নিয়ে যেতে পারে? প্রেমের ফাঁদ পাতা এ ভুবনে। লেখকের কলমে ফুটে উঠেছে এক আশ্চর্য স্বাদু কাহিনী , যা পড়লে আপনার ঠোঁটের কোন হাসি ফুটে উঠতে বাধ্য।

50

Buy From

bottom of page