চিরায়ত
পদ্মা নদীর মাঝি ও পুতুলনাচের-ইতিকথা

পদ্মা নদীর মাঝি’তে ,পদ্মার মতো রহস্যময়ী কপিলা কখনো অবাধ্য বাঁশের কঞ্চির মতো নুয়ে পড়েছে কুবেরের দিকে। আবার কখনো সোজা হয়ে সরে শ্যামা দাসের কাছে, আর দশটা সাধারণ রমণীর মতো গৃহস্থালির কাজ করেছে। পদ্মার গভীরতাহার মতোই তাহার মনের তল খুঁজে পাওয়া কুবেরের মতো পাকা মাঝিরও অসাধ্য হয়ে পড়ে।
পুতুলনাচের ইতিকথা তে গ্রামের ডাক্তার শশী। ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়েই গড়ে উঠেছে উপন্যাসটির কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রেম, বিরহ, দ্বেষ ও পারস্পরিক সহমর্মিতাকে উপজীব্য করে লেখা এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ !
অমলতাস - কালজয়ী শিশু কিশোর সমগ্র

লীলা মজুমদারের লেখা মানেই হলো হারানো শৈশবে ফিরে যাওয়া আর কল্পনার জগতে ডুব দেওয়া। তাঁর সেই সমস্ত লেখা একত্রিত করেই তৈরী হলো এই বইটি, ১২০০ পাতার এই সুবিশাল ই বুকে পাবেন :
টং লিং
খেরোর খাতা
পাকদণ্ডী
বেড়ালের বই
বাঘের চোখ
বদ্যিনাথের বড়ি
পদিপিসীর বর্মিবাক্স
গুপির গুপ্তখাতা
হলদে পাখির পালক
রবীন্দ্র প্রবন্ধ সমগ্র

প্রথমবার ই-বুক আকারে এলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমস্ত প্রবন্ধ। এই বইটিতে পাবেন রবীন্দ্রনাথের সমস্ত প্রবন্ধ সংকলন। ২০০০ পাতার ও বেশি। এত বড় বই পড়তে যাতে আপনাদের অসুবিধা না হয় তাই সূচিপত্র করা হয়েছে দুই ভাগে , মূল বইয়ে প্রথমে সব কটি মূল বিভাগের সূচিপত্র লিংক দেওয়া আছে যেমন আত্মপরিচয়, আত্মশক্তি ইত্যাদি , সেগুলোতে ক্লিক করলে আপনি বিশদ সূচিতে পৌঁছবেন যেখানে এই বিভাগের প্রত্যেকটি প্রবন্ধের লিংক দেওয়া আছে। আপনাদের যাতে পড়তে সুবিধা হয় সে ভাবেই করা হয়েছে লিঙ্কিং!
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় গল্প সমগ্র ২

বিভূতিভূষণের লেখনীর পটভূমি পল্লীবাংলার গ্রামাঞ্চল এবং শহর জুড়ে বিস্তৃত, চব্বিশ পরগনা, নদীয়া, যশোর প্রভৃতি জেলার গ্রামাঞ্চল, বনগাঁ, রাণাঘাট মহকুমা শহর এবং কলকাতা মহানগরী। বিভূতিভূষণের সমগ্র উপন্যাসের কালগত বিস্তারও খুব সামান্য নয়।
শহরের জীবনে যখন নিরবচ্ছিন্ন ক্ষতির খতিয়ান—তখন এই বাংলাদেশেরই গ্রামপ্রান্তে একটা ‘সব পেয়েছি-র জগৎ' আছে। সেখানে দারিদ্র্য, দুঃখ, বেদনা, শোক সবই আছে, কিন্তু তাদের সমস্ত কিছুতে এমন একটি প্রশান্তি বিকীর্ণ হয়ে রয়েছে যে তার আশ্রয়ে এখনো নিশ্চিন্তে নিমগ্ন হয়ে থাকা যেতে পারে। সে ধরণের গল্পগুলিই এখানে একত্রিত করা হয়েছে। এটি গল্পসমগ্র দ্বিতীয় খন্ড!
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় গল্প সমগ্র ১

বিভূতিভূষণের লেখনীর পটভূমি পল্লীবাংলার গ্রামাঞ্চল এবং শহর জুড়ে বিস্তৃত, চব্বিশ পরগনা, নদীয়া, যশোর প্রভৃতি জেলার গ্রামাঞ্চল, বনগাঁ, রাণাঘাট মহকুমা শহর এবং কলকাতা মহানগরী। বিভূতিভূষণের সমগ্র উপন্যাসের কালগত বিস্তারও খুব সামান্য নয়।
শহরের জীবনে যখন নিরবচ্ছিন্ন ক্ষতির খতিয়ান—তখন এই বাংলাদেশেরই গ্রামপ্রান্তে একটা ‘সব পেয়েছি-র জগৎ' আছে। সেখানে দারিদ্র্য, দুঃখ, বেদনা, শোক সবই আছে, কিন্তু তাদের সমস্ত কিছুতে এমন একটি প্রশান্তি বিকীর্ণ হয়ে রয়েছে যে তার আশ্রয়ে এখনো নিশ্চিন্তে নিমগ্ন হয়ে থাকা যেতে পারে। সে ধরণের গল্পগুলিই এখানে একত্রিত করা হয়েছে। এটি গল্পসমগ্র প্রথম খন্ড!
ঠাকুর বাড়ির লেখা

জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে কয়েক প্রজন্ম ধরে সাহিত্যের ধারা বহমান ছিল, রবীন্দ্রনাথ ছাড়াও তাঁর পিতা, দাদা, দিদি এবং অন্যান্য পরিজন সাহিত্য চর্চা করেছেন । দেবেন্দ্রনাথের ব্রাহ্মধর্মের ওপরের লেখাগুলি, জ্ঞানদানন্দিনী দেবী এবং সত্যেন্দ্রনাথের স্মৃতিকথা, স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত দুটি উপন্যাস, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্র বন্ধ এবং অনুবাদ, এই সবই পাবেন এই ই-বইটিতে।
কলিকাতা কল্পলতা

“কলিকাতা কল্পলতা” গ্রন্থটি সম্ভবত বাংলা ভাষায় কোলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। তত্কালীন কলকাতা কেমন ছিল, তার এক সুন্দর বর্ণনা এখানে পাওয়া যায়। কলকাতার নামকরণ কি ভাবে হল তার একটা ব্যাখ্যা এখানে পাওয়া যায়। এপ্রসঙ্গে “কলিকাতা কল্পলতা’ থেকে ছোট একটি উদ্ধৃতি দেয়া যেতে পারে: এক রহস্যজনক জনশ্রুতি এই যে, ইংরাজেরা যখন প্রথমতঃ এইস্থানে বাণিজ্যালয় স্থাপনার্থ আগমন করিলেন তখন গঙ্গাতীরে দণ্ডায়মান কোন লোককে অঙ্গুলী প্রসারণ পূর্বক স্থানের নাম জিজ্ঞাসা করাতে সে ব্যক্তি সেইদিকে শায়িত এক ছিন্নবৃক্ষ দেখিয়া মনে করিল সাহেবরা কবে ঐ বৃক্ষছেদন হইয়াছে, তাহাই জিজ্ঞাসা করিতেছেন। অতএব সে উত্তরচ্ছলে কহিল— “কালকাটা”। সেই হইতে ইংরাজেরা ইহার নাম “ক্যালকাটা” রাখিলেন। জনশ্রুতি থেকে সাহিত্যিক উপাদান আর নথিপত্র, বহুবিধ উৎসের তথ্য বাছ-বিচার করে রঙ্গলাল কোলকাতার ইতিহাস রচনা করেন।
হুতোম প্যাঁচার নকশা

হুতোম প্যাঁচার নকশা কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শুরুর সময়ে রচিত একটি গদ্য উপাখ্যান, যা তিনি “হুতোম প্যাঁচা” ছদ্মনামে লিখেছেন। এটি মূলত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক সামাজিক নকশা জাতীয় রচনা। এতে কলকাতার সামাজিক ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কন করা হয়েছে এবং কলকাতার কথ্য ভাষাকে প্রথম সাহিত্যে স্থান দেওয়া হয়েছে। ১৮৬১ সালে “চড ়ক” শিরোনামে একটি নকশায় এটি প্রকাশিত হয়, পরবর্তীতে ১৮৬৩ সালে প্রথম ভাগ এবং ১৮৬৪ সালে দ্বিতীয় ভাগ প্রকাশিত হয়।
চার ইয়ারি কথা

ঘড়িতে রাত দশটা ! ঝড়বৃষ্টি আসবার আশু সম্ভাবনা ! কে সমস্ত আকাশটিকে একখানি একরঙা মেঘের ঘেরাটোপ পরিয়ে দিয়েছে, এবং সে রং কালোও নয়, ঘনও নয়; কেননা তার ভিতর থেকে আলো দেখা যাচ্ছে। ছাই-রঙের কাচের ঢাকনির ভিতর থেকে আলো দেখা যায়, সেইরকম আলো। আকাশ-জোড়া এমন মলিন, এমন মরা আলোতে বাইরে যা-কিছু আছে, সব কিরকম নিস্পন্দ, নিস্পন্দ, নিস্তব্ধ হয়ে গেছে; যা জীবন্ত তাও মৃতের মত দেখাচ্ছে; বিশ্বের হৃৎপিণ্ড যেন জড়পিণ্ড হয়ে গেছে, তার নিশ্বাসরোধ হয়ে গেছে, রক্ত-চলাচল বন্ধ হয়েছে; মনে হচ্ছে যেন সব শেষ হয়ে গেছে যেন আর এক পৃথিবীর আর এক আকাশ;-দিনের কি রাত্তিরের বলা শক্ত।
এ আলোর স্পর্শে পৃথিবী যেন অভিভূত, স্তম্ভিত, মূৰ্জিত হয়ে পড়েছিল। চারপাশে তাকিয়ে দেখি,গাছ-পালা, বাড়ী ঘর-দোর, সব যেন কোনও আসন্ন প্রলয়ের আশঙ্কায় মরার মত দাঁড়িয়ে আছে ! পৃথিবীর উপরে সে রাত্তিরে যেন শনির দৃষ্টি পড়েছিল।
আর এরকম পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছে চার ইয়ার। সেন, সীতেশ, সোমনাথ এবং আমি।
সেন বল্লেন—”যেরকম আকাশের গতিক দেখছি, তাতে বোধ হয়। এখানেই রাত কাটাতে হবে।”
কি ঘটলো সেই রাতে? চেনাজানা পরিধি ছাড়িয়ে চার ইয়ার কি অন্য কিছুর স্পর্শ পেলো ? পড়ুন প্রমথ চৌধুরীর অনবদ্য গ্রন্থ -চার ইয়ারি কথা।
দস্যু মোহন ও রমা

মোহন আর রমার প্রথম দেখা হয়েছিলো রেঙ্গুনগামী জাহাজে, তারপর কি হইতে কি হইয়া গেলো, দস্যু রমণীর প্রেমে পড়িল।
প্রেমে পড়িল তো বটে কিন্তু তার ফলে কি মোহন শুধরে গেলো? উঁহু , সে দস্যু প্রেমের প্রথমে এক খুন হয়ে যাওয়া মহিলার হীরের হার হস্তগত করেই প্রেমিকাকে খুশি করতে গিয়েছিলো, এতেই শেষ নয়, যেখানে প্রাপ্তি সম্ভাবনা এক প্রাচীন গুপ্তধনের সেখানে দস্যু রমার বাড়িতেও ডাকাতি করতে দ্বিধা করে নি।
কিন্তু রমা! সে কিন্তু মনস্থির করে ফেলার পরে আর টলেনি, শেষে জেল থেকে মোহনের মৃতদেহ বার করে আনতেও সে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল.
জানতেন এসব কথা ? পড়ুন মোহন ও রমার কাহিনী!
গল্প সংগ্রহ - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে বাজি রেখে প্রবেশ করেছিলেন সাহিত্যজগতে, ‘পদ্মানদীর মাঝি’, ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’, এই দুটি উপন্যাসই তাকে কিংবদন্তীর লেখকে পরিণত করেছে, কিন্তু উপন্যাসের তুলনায় তাঁর ছোটগল্পের সম্ভার থেকে গেছে অনালোচিত, অজস্র গল্পে তাঁর যে-সিদ্ধি তা অজ্ঞাতই থেকে গেছে। বিচিত্রা-র মত তখনকার দিনের শ্রেষ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো তার প্রথম গল্প ‘অতসী মামী'!
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টিমুখর তিন দশকে রচিত তিন শতাধিক গল্প থেকে কিছু গল্প সযত্নে সংকলিত হয়েছে এই বইটিতে , আশা করি পাঠকের ভালো লাগবে।
সামাজিক উপন্যাস - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বিভূতিভূষণের উপন্যাসের পটভূমি পল্লীবাংলার গ্রামাঞ্চল এবং শহর জুড়ে বিস্তৃত। এখানে আছে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া, যশোর প্রভৃতি জেলার গ্রামাঞ্চল, বনগাঁ, রাণাঘাট মহকুমা শহর এবং কলকাতা মহানগরী। বিভূতিভূষণের সমগ্র উপন্যাসের কালগত বিস্তারও খুব সামান্য নয়। সমালোচক শ্রী সৌরেন বিশ্বাস জানিয়েছেন—“বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসে ১৮৩০ খ্রীস্টাব্দ থেকে ১৯৪৩ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত কালগত বিস্তার বিদ্যমান”
শহরের জীবনে যখন নিরবচ্ছিন্ন ক্ষতির খতিয়ান—তখন এই বাংলাদেশেরই গ্রামপ্রান্তে একটা ‘সব পেয়েছি-র জগৎ' আছে। সেখানে দারিদ্র্য, দুঃখ, বেদনা, শোক সবই আছে, কিন্তু তাদের সমস্ত কিছুতে এমন একটি প্রশান্তি বিকীর্ণ হয়ে রয়েছে যে তার আশ্রয়ে এখনো নিশ্চিন্তে নিমগ্ন হয়ে থাকা যেতে পারে।
সে ধরণের উপন্যাসগুলিই এখানে একত্রিত করা হয়েছে।
সুকান্ত সমগ্র

সুকান্ত ভট্টাচার্য ! সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবন মাত্র মাত্র ২১ বছরের আর লেখালেখি করেন মাত্র ৬/৭ বছর। পরাধীন দেশের দুঃখ দুর্দশাজনিত বেদনা এবং শোষণ মুক্ত স্বাধীন সমাজের স্বপ্ন, শোষিত মানুষের কর্ম জীবন এবং ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য সংগ্রাম তাঁর কবিতার মূল প্রেরণা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, তেতাল্লিশের মম্বন্তর, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতির বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেন। অসুস্থতা অর্থাভাব তাকে কখনো দমিয়ে দেয়নি। মানুষের কল্যাণের জন্য সুকান্ত নিরন্তর নিবেদিত থেকেছেন। মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কাব্যধারার প্রচলিত প্রেক্ষাপটকে আমূল বদলে দিতে পেরেছিলেন।
সুকান্তের বাল্যবন্ধু ছিলেন কবি অরুনাচল বসু। এই বইয়ে অন্তর্ভুক্ত সুকান্তের চিঠিগুলির বেশিরভাগই অরুনাচল বসুকে লেখা। আর সঙ্গে রয়েছে তাঁর রচিত সমস্ত কবিতা।
অগ্নিযুগের পথচারী

স্বাধীনতা পূর্বের সময়ে বাংলার ফরিদপুর জেলার এক ছোট গ্রামের ছেলে কিশোর বয়সেই ঝাঁপ দেন স্বাধীনতা আন্দোলনে, জেলেও যান, তিনিই এই বইটির লেখক ! তাঁর তরুণ বয়সে ক্রমে ক্রমে তিনি জড়িয়ে পড়েন বিপ্লবীদের দ্বারা সংঘটিত প্রেসিডেন্সি জেলের জেলার কে খুনের মামলায়!
আনাড়ি সন্ন্যাসীর ভেক ধরে ফেরারী হতে বাধ্য হন তিনি! তিনি হৃষিকেশ থেকে ব্রজ, এই বিশাল পথে ঘুরে বেড়ান আর সান্নিধ্যে আসেন যেমন সাধারণ মানুষের তেমনই ধর্মের ধ্বজাধারীদেরও ! তাঁর ভালো মন্দ অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতা হয়, আর সেই অভিজ্ঞতা ভাবায় এবং ঋদ্ধ করে পাঠকদেরও!
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিযুগে অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের যোগদান ছিল? তাঁরা তো ছিলেন ইউরোপিয়ান আর ভারতীয় এই দুইদিকের মাঝখানে! কিন্তু যাঁদের জন্ম এই দেশে তাঁদের কি কখনো স্বাধীনতা আন্দোলন ডাক দিয়েছিলো?
ভারতীয় দর্শনের একটা অংশ বলে জগৎ মায়া! কিন্তু সাধু সন্ন্যাসীরা যারা কিনা সংসার ত্যাগ করেছিলেন, তাঁদের বুকে কি ভারতের পরাধীনতা বিঁধতো? নাকি তাঁরা সংসার উদাসীন হয়েই থেকে গিয়েছিলেন! স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁরা কি কোনো ভাবে যোগ দিয়েছিলেন? কেমন ছিল বৃন্দাবন থেকে হৃষিকেশে থাকা সাধুসন্তদের স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগদান?
আর লেখক দেখেছিলেন সাধারণ মানুষ! ছাপোষা জমাদার নাথুয়া দোসাদ, অন্যের জীবন বাঁচিয়ে যে উঠে যায় এক অন্য স্তরে, লেখক তাকেই উৎসর্গ করেছেন বইটি! আর অনীতা, রতিয়া, নিরুদি, পারু-পরিতোষের কাহিনী যার সমান্তরালে চলে আলাউদ্দিনের আক্রমনে ধ্বংস হওয়া থানেশ্বর মন্দিরের পাশে এক নির্লোভ বাঙালি মুসলমান ফকির আর অশরীরী গঙ্গার কাহিনী, লছমী মহারাজসিং আর তাদের সন্তান বিঠ্ঠলের কাহিনী! অবধূত সদানন্দর কাহিনী, যাযাবর মহান্তজির কাহিনী, যার ইচ্ছে অবতারত্ত্বে উন্নীত হওয়া!
এইসব অকথিত কাহিনী নিয়ে প্রকাশিত এই অখণ্ড সংস্করণ যাতে আছে অগ্নিযুগের পথচারী এবং অগ্নিযুগের ফেরারি একসঙ্গে।
ভারতের আখ্যান - মহাভারতে বর্ণিত আখ্যান সমূহ

যা নেই ভারতে তা নেই ভারতে , এই কথাটা কেন বলা হয় ? তার একটা কারণ মহাভারতে ছড়িয়ে থাকা আখ্যান সমূহ, বেশির ভাগ সময়ই এই সব আখ্যানের সরাসরি কোনো যোগ নেই মূল কাহিনীর সঙ্গে। কিন্তু এগুলো বলা হয়েছে উপদেশ দেবার ছলে। এর থেকেই বোঝা যায় প্রাচীন ভারতীয় মন ও মানসিকতা। কেমন ছিল তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা, কেমন ছিল তৎকালীন মরাল , নীতি দুর্ন ীতির মাপকাঠি। সেই জন্যেই এই গল্পগুলিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আর মহাভারতে বর্ণিত এই সব আখ্যান সমূহের্ সংখ্যা কিন্তু কম নয়। এগুলি কে নিয়েই আলাদা ভাবে এই বই।
রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ

রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ শিবনাথ শাস্ত্রী রচিত একটি গ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৯ শতকের বাঙ্গালীর সমাজ-সংস্কৃতি-রাষ্ট্রনীতির এক উৎকৃষ্ট নির্ভরযোগ্য দলিল রূপে পরিচিত। রামতনু লাহিড়ীর সঙ্গে শিবনাথ শাস্ত্রীর পরিচয় ২২শে আগস্ট ১৮৬৯ সালে ও তার পর থেকে তা দীর্ঘ ২৯ বছরের গাঢ় পরিচয় ঘনীভূত হয়েছিল। প্রথমে শাস্ত্রী মশাই শুধু মাত্র রামতনু লাহিড়ীর জীবনী লিখবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু পরে তিনি দেখেছিলেন ১৮১৩ সাল থেকে ১৮৯৮ সাল পর্যন্ত রামতনু লাহিড়ীর জীবন ১৯ শতকের বাঙ্গালীর সমাজ-সংস্কৃতি-রাষ্ট্রনীতির ইতিহাসের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। তাই পরে ‘তৎকালীন বঙ্গসমাজ’ যুক্ত করেন। স্বভাবতই রামতনু লাহিড়ীর জীবনীসূত্রে ১৯ শতকের যেসব মনীষী নবজাগরণের সাথে প্রত্যক্ষ বা অপ্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন তারাও এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছেন। জীবনীগ্রন্থ হিসাবে রচিত হলেও বইটির মূল্য যে এর ঐতিহাসিকতায় এ সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন।
শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত (সম্পূর্ণ)

শ্রীম- মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত শ্রীরামকৃষ্ণের ব্যক্তিত্বে আকর্ষিত হয়ে মহেন্দ্রনাথ তার কথোপকথন ও কার্যকলাপের স্টেনোগ্রাফিক রেকর্ড রাখতে শুরু করেন নিজের ডায়েরিতে। এই রেকর্ডটিই পরবর্তীকালে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত নামক বইয়ের আকার নেয়।
রচনাপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি লিখেছিলেন, "বাড়ি ফেরার পর স্মৃতি থেকে সব কিছু লিখে রাখতাম। মাঝে মাঝে সারা রাতও জেগে থাকতে হত...মাঝে মাঝে টানা সাত দিন বসে থেকে লিখতে হত। গানগুলিকে স্মরণে আনতে হত, কোন ক্রমে সেগুলি গাওয়া হয়েছিল, সেগুলিও মনে করতে হত, সমাধি ও অন্যান্য সব ঘটনার কথা মনে করতে হত।" কথামৃতের প্রতিটি পরিচ্ছেদে মহেন্দ্রনাথ তথ্যের পাশাপাশি সময় ও স্থানের উল্লেখ করেছেন। "কথামৃত" শব্দটি বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থ ভাগবত পুরাণ-এর ১০।৩১।৯ সংখ্যক শ্লোক থেকে গৃহীত।
অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র

কে না এডভেঞ্চার ভালোবাসে? আর তা যদি হয় এই চিরপরিচিত সমতল বাংলার ভূমি থেকে বহু বহু দূরে গহীন, বন্য, সভ্যতার আলোকহীন আফ্রিকায়, mountain of moon এ। বিভূতিভূষণ লিখেছিলেন এরকম কিছু এডভেঞ্চার যার সবকটিতেই আছে পাড়াগেঁয়ে বাঙালি। অত্যন্ত স্বাদু এই উপন্যাস গুলি প্রিয় সব বয়সেরই।
অপ্রাকৃত সমগ্র

রয়েছে একচল্লিশটি গল্প : নব-বৃন্দাবন, মেঘমল্লার,তিরোলের বালা, ছেলেধরা, বোমাইবুরুর জঙ্গলে, সোনাকরা যাদুকর, খোলা দরজার ইতিহাস,পথিকের বন্ধু, অভিশাপ, অভিশপ্ত, হাসি, প্রত্নতত্ত্ব,রহস্য, আরক, ছায়াছবি, রঙ্কিনীদেবীর খড়গ, মেডেল, পেয়ালা, ভৌতিক পালঙ্ক, গঙ্গাধরের বিপদ, মশলা-ভূত, কাশী কবিরাজের গল্প, বিরজা হোম ও তার বাধা, মায়া, টান, বউ চণ্ডীর মাঠ, খুঁটি দেবতা, পৈতৃক ভিটা, অশরীরী, বরো বাগদিনী, বাঘের মন্তর, নুটি মন্তর, কবিরাজের বিপদ, মাতু পাগলি - তারানাথ তান্ত্রিকের গল্প, মধুসুন্দরীদেবী - তারানাথ তান্ত্রিকের দ্বিতীয় গল্প, নাস্তিক, দাতার-স্বর্গ, স্বপ্ন-বাসুদেব, শেষ লেখা, পিদিমের নিচে, উডুম্বর এবং একটি উপন্যাস : দেবযান !
হে অরণ্য কথা কও

অরণ্য আর বিভূতিভূষণ সমার্থক অনেকের কাছেই আর পাঠক মাত্রেই জানেন সে কথা অমূলক নয়। তাঁর নামকরা অরণ্য সংক্রান্ত উপন্যাসগুলো পাঠক সমাজে চির সমাদৃত। এই উপন্যাসগুলোর পেছনে যে ছিল বিভূতিভূষণের নিজস্ব অভিজ্ঞতা তাও আমরা অনুমান করতে পারি, কিন্তু পাঠক হিসেবে যদি এই উপন্যাসগুলোর অঙ্কুরোদগমের খবর জানতে চান তাহলে পড়তে হবে ডাইরিতে লেখা তাঁর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা। এগুলি পড়াও পাঠকের কাছে একটা আবিষ্কার , কারণ তা আপনাকে ক্ষনে ক্ষনে মনে করিয়ে দেবে আরণ্যক বা চাঁদের পাহাড়ের কোনো অংশ। আপনি বুঝতে পারবেন উপন্যাসের পটভূমিকা। এই উদ্দেশ্যেই প্রথমে উপন্যাস গুলি দিয়ে পরে ডাইরির অংশবিশেষ সংকলিত করা হলো।





