বাংলা ই-বই
তরুণের স্বপ্ন

বর্তমানে দেশের পারিপার্শ্বিক বাতাবরণ এবং দেশবাসীর চিন্তাধারার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে কিন্তু ‘তরুণের স্বপ্ন’-র যে “গোড়ার কথা” তার সত্যতা আরও তীব্রভাবে প্রতিভাত।স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে হলে যে ঐকান্তিকতা, আগ্রহ ও সাধনার দরকার তা আজও আমাদের নাগালের বাইরে। দেশে শিক্ষিতের সংখ্যা বেড়েছে, ব্যবসা হয়তো বেড়েছে কিন্তু নতুন কর্মস্রোতের অভাব প্রকট। সংখ্যা বৃদ্ধি হয়তো পরিসংখ্যানগত ভাবে বোঝাবে উন্নতি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? সমস্ত চিন্তা-ভাবনা ও কর্ম্মধারাকে সফল করার একমাত্র ভিত্তি—ব্যক্তিগত চরিত্রের উৎকর্ষ সাধন এবং তা অর্জনে আমরা কতটা সফল, তাই হলো ‘তরুণের স্বপ্ন’র প্রথম ও শেষ প্রশ্ন। এবং এই ক্ষেত্রে যে আদর্শ মানুষ আমাদের রোল মডেল হতে পারেন, সেই মানুষের সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।দরকার এমন একজন এই চরিত্রবান পুরুষের যিনি তারন চিন্তা ভাবনা কর্মপদ্ধতির মধ্যে দিয়ে তরুণ যুব সমাজকে সঠিক দিশা দেখাতে পারবেন।এটাই তরুণের স্বপ্ন হওয়া উচিত। তাই নেতাজীর ভাবনা দেশের মানুষকে জাগ্রত করে তুলুক, উদ্বুদ্ধ করুক।
দাবনিশ আখ্যান

লেখকের তরফ থেকে কল্পনার ঘোড়া ছোটানো বা পাঠকের পক্ষ থেকে অভিনব কল্পনার রস আস্বাদন করা, দুটোই হয় ফ্যান্টাসিতে। আর সেটাও যদি হয় এপিক বা হাই ফ্যান্টাসি, তাহলে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবটা আরো বেড়ে যায়। সম্ভবত সবচেয়ে বেশি কল্পনা শক্তির প্রয়োগ ঘটে এ জনরাটিতেই। একদম গোড়া থেকে একটা দুনিয়া গড়ে তোলা, সে দুনিয়ার ভূখণ্ড, নিয়ম কানুন বা ইতিহাস, মানুষ বা অন্যান্য জীবের প্রজাতি, সে দুনিয়ার বিজ্ঞান যেটা অনেক ক্ষেত্রেই আবার জাদুর মতো অভিনব ব্যাপার সমর্থন করে বিভিন্ন উদ্ভিদ, মানব সংস্কৃতি; কাজ করার সুযোগ থাকে অনেক কিছুতেই। পাঠকও এ জনরায় খুঁজে পায় বুঁদ হয়ে থাকার মতো হাজারও উপাদান।
এইসব মাথায় রেখেই দাবনিশ লেখা শুরু। দাবনিশ আখ্যান হবে একটা সিরিজ। আসমানের আঁধার এর শুরু ।
দিন শেষে

দেশের অন্যতম প্রভাবশালী এক গডফাদারের প্রধান সহকারী আহত অবস্থায় মারা যায় ডাক্তার তুলির তত্বাবধানে। তার মৃত্যুর সাথে সাথে অপরাধ জগত থেকে শুরু করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক দল সক্রিয় হয়ে ওঠে ডাক্তারকে নিজেদের করায়ত্ব করতে। প্রাণ বাঁচাতে ডাক্তার তুলিকে সাহায্য গ্রহণ করতে হয় অচেনা একজন মানুষের কাছ থেকে। দুজনে মিলে নিজেদের রক্ষা করতে গিয়ে ঢুকে পড়ে অপরাধ জগতের অন্দর মহলে। একটি মৃত্যুকে ঘিরে আবর্তিত হওয়া তিনজন মানুষ; একজন ডাক্তার, এক খুনি আর একজন পুলিশ অফিসার। আবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে সক্রিয় ক্ষমতা, লোভ, প্রতিহিংসা আর বিশ্বাসঘাতকতা মানুষগুলোকে ঠেলে দেয় পরিশিষ্ট পরিণতির দিকে।
দেজা ভ্যু

ঘন বড় বড় গাছগুলো আকাশটাকে ঢেকে রেখেছে। এই ভর দুপুর বেলাতেও প্রায় অন্ধকার লাগছে বনের ভেতর থেকে। অন্ধকার লাগাই তো স্বাভাবিক এ যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বন। হ্যাঁ আমাজনেরই গহীনে অবস্থান করছে ছয়জনের দলটা। ......
আপনি রাস্তা দিয়ে আপনমনে হাঁটছেন, হঠাৎ করে কোনো বাড়ি, মানুষ বা অন্য কিছু দেখে আপনার মনে হলো আপনি এটি আগে দেখেছেন। খুব চেনা চেনা লাগছে মানুষ বা জিনিসটি। অথচ, আপনি সত্যিই তা আগে কখনো দেখেন নি। বিজ্ঞানের ভাষায়, আমাদের হঠাৎ এই প্রতিক্রিয়ার নাম হলো ‘দেজা ভ্যু।
কিন্তু এই জিনিস যদি আপনার সঙ্গে ঘটে আমাজনে বা আরো ভয়ানক কোনো জায়গায়?
ধম্মপদ

ধম্মপদ বা ধর্ম্মপদ বৌদ্ধ-ধর্ম্ম শাস্ত্রের নীতি সংগ্রহ গ্রন্থ। ত্রিপিটক, এই তিন শ্রেণী বা পিটকত্রয়ের নাম—সূত্র (সুত্ত), বিনয় ও অভিধর্ম্ম (অভিধম্ম)। সূত্রপিটকে বুদ্ধদেব কর্ত্তৃক ধর্ম্মতত্ত্বালোচনের বিষয়, বিনয়পিটকে সংযম (Discipline) ও অভিধর্ম্মে আধ্যাত্মিক তত্ত্বাবলী (Metaphysics) আলোচিত হইয়াছে। এতন্মধ্যে সূত্রপিটকে ধর্ম্মতত্ত্বসন্ধন্ধীয় বুদ্ধোক্তিসমূহ নিবদ্ধ হয়। এইজন্য সূত্রপিটকের অন্য নাম বুদ্ধবচন ও “মূলগ্রন্থ”। এই উক্তি সমূহ হইতে সারনীতি সংগ্রহ করিয়া যে সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ সম্পাদিত হয়, তাহারই নাম ধম্মপদ। বুদ্ধদেব কখন কোথায়, কোন্ অবস্থায় কাহার সহিত কথােপকথনচ্ছলে কোন্ কথা বলিয়াছিলেন, সেই সমস্ত সূত্র পিটকে সংরক্ষিত হইয়াছে। ধম্মপদ গ্রন্থ ঐ সকল বাক্য হইতে নীতিমালা সংগ্রহ করিয়া শ্রেণীবদ্ধ ভাবে সম্পাদিত হইয়াছে। অন্যান্য বৌদ্ধ ধর্ম শাস্ত্রের ন্যায় ইহাও পালিভাষায় লিখিত। ধম্মপদ শব্দের সাধারণ অথ ধৰ্ম্মের পথ বা সােপান।
নীলদর্পণ- Neel Darpan

নীলদর্পণ নাটকের মূখ্য উপজীব্য বিষয় হল বাঙালার কৃষক ও ভদ্রলোক শ্রেণীর প্রতি নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচারের কাহিনী। কিভাবে সম্পন্ন কৃষক গোলকমাধবের পরিবার নীলকরদের অত্যাচারে ধ্বংস হয়ে গেল এবং সাধুচরণের কন্যা ক্ষেত্রমণির মৃত্যু হল, তার এক মর্মস্পর্শী চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে এই নাটকে। এই নাটকের অত্যন্ত শক্তিশালী এক চরিত্র হল তোরাপ; যার তুলনা বাংলা সাহিত্যে খুব কমই আছে। এই নাটকের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল আঞ্চলিক ভাষার সাবলীল প্রয়োগ। কর্মসূত্রে পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় যে দক্ষতা দীনবন্ধু আয়ত্ত করেছিলেন, তারই এক প্রতিফলন দেখা যায় এই নাটকের চরিত্রচিত্রণে ও বাক্যবিন্যাসে।
(**This book has both Bengali and English version together)
পাঁচফোড়ন

‘পাঁচফোড়ন’ বিভিন্ন স্বাদের তিরিশটি ছোট বড় গল্পের সংকলন। জীবনের ঘটে যাওয়া বা না ঘটা কথা, ঘাত-প্রতিঘাত, রোমাঞ্চ, বেদনা – এই সবই এই লেখার মশলা বা ফোড়ন, যা দুই মলাটের ভেতরে এসে পাঁচফোড়ন। বহমান জীবনে শহরে গ্রামে - এই পৃথিবীর নানা কোণে ঘটে যাচ্ছে কতশত ক্ষুদ্র ঘটনা যা মানুষের জীবনকে পরিবর্তিত করে দিচ্ছে। প্রেম অপ্রেম প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি এই সব নিয়েই তো জীবন।
পাইরেট পাইরেট

পাইরেট বললেই আমাদের মনে আঠেরোশো শতকের কথা ভেসে আসে , কিন্তু বাস্তবে এখনো জলযাত্রা আধুনিক পাইরেটদের থেকে নিরাপদ নয় আর তার সঙ্গে যদি জড়িয়ে যায় নানা ষড়যন্ত্র , যেখানে নামতে হয় আমেরিকান এবং বৃটিশ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিকে তাহলে ব্যাপারটা আরো ঘোরালো হয়ে ওঠে। আবার এখানে দুই পশ্চিমা দেশের হয়ে কাজে নামে জন্মসূত্রে ভারত আর বাংলাদেশের দুই নারী পুরুষ। তারপর কি হলো? এই গতিশীল থ্রিলার পড়ে ফেলুন উত্তর জানতে।
পথের পাঁচালি ও অপরাজিত

‘পথের পাঁচালী' উপন্যাস নিশ্চিন্দিপুর গ্রামকে আশ্রয় করে প্রধানতঃ অপু ও দুর্গার শৈশব-কৈশোরের বয়স ঘেরা দেহ মনের রূপকথা। এই রূপকথাময় কল্পনার দেশের পরিচয় দেওয়া হয়েছে প্রধানতঃ অপুর দৃষ্টিকোণে। তাই “সে বেতসী কণ্টকিত তট, বিচিত্র পুলিন গোদাবরী, সে শ্যামল জন্মস্থান, নীল মেঘমেলায় ঘেরা সে অপূর্ব শৈলপ্রস্থ, রামায়ণে বর্ণিত কোনো দেশে ছিল না। বাল্মীকি বা ভবভূতিও তাহাদের সৃষ্টিকর্তা নহেন। কেবল অতীত দিনের কোনো পাখিডাকা গ্রাম্য সন্ধ্যায় এক মুগ্ধমতি গ্রাম্যবালকের অপরিণত শিশুকল্পনার দেশে তাহারা ছিল বাস্তব, একেবারে খাঁটি, অতি সুপরিচিত।” তবু শিশুর কল্পনাময় জগতের পাশে ‘বল্লালী বলাই’ অংশে স্থান পেয়েছে ইন্দিরা ঠাকরুণের কথা, যা লেখকের সমাজ সচেতন ঐতিহ্যচেতনাকে চিহ্নিত করে। 'পথের পাঁচালী'র পরবর্তী অংশ ‘অপরাজিত'। এখানে অপুর কৈশোর ও যৌবনের কাহিনী বর্ণিত। এখানে অপুর কলকাতাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে জীবনযাপন ও ভ্রমণ, অপর্ণার সঙ্গে বিবাহ ও স্ত্রীর মৃত্যু শেষে পুত্র কাজলকে নিয়ে গ্রামে ফিরে আসার বিচিত্র ঘটনাধারা বিবৃতি।
পালামৌ

ভ্রমণপ্রিয় মানুষ যারা পাহাড় আর সাগরের প্রেমে মজেছেন তারা সকলেই বলে থাকেন যে পাহাড় বা সাগর তাদের নীরবে আহ্বান করে । বিশেষ করে এই দুই জায়গার স্থির একঘেয়ে রূপ সত্ত্বেও এক অজানা মায়ার টান অনুভব করেন নাবিকেরা, অনেক পর্বতারোহীরা। এই মায়ার খেলা যুগ-যুগান্তর ধরে চলে এসেছে। “পালামৌ” গল্পে লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্ যায় এমনই মায়ার বাঁধনে বাঁধা পড়ার অভিজ্ঞতার গল্প শুনিয়েছেন। যদিও এই ভ্রমণ কাহিনী যতটা না ভ্রমণ কাহিনী, তার চেয়ে মানবিক উপাখ্যানের গল্প হিসেবেই ধরা দেবে পাঠকের হৃদয়ে।


