বাংলা ই-বই
ক্রিকেটের খেরোর খাতা: ফলো-অন

ক্রিকেটের খেরোর খাতা: ফলো-অন
ক্রিকেটের খেরোর খাতা - আগের এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল লেখকের জীবনের প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ দেখবার অভিজ্ঞতা – পাঁচবছরের বালকের বিস্ময়বিমুগ্ধ দৃষ্টিতে গ্যারি সোবার্সের শতরান দর্শন থেকে, শেষ হয়েছিল , নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রিজ মাঠে, ক্রিকেটের ‘সুইসাইড স্কোয়্যাড’ দিয়ে।
এবার এসেছে “ক্রিকেটের খেরোর খাতা: ফলো-অন”, ২০২২ থেকে শুরু করে ২০২৫ পর্যন্ত হালফিলের ক্রিকেটের নানা গল্প নিয়ে। আশা করবো এই বইটিও আগেরটির মতন পাঠকের ভালোবাসা পাবে!
পঞ্চামৃত

পঞ্চামৃত
ছোটদের গল্প লেখা যে ছোটোখাটো ব্যাপার না তা আমরা জানি কিন্তু তা সত্ত্বেও সে বই যখন অলোকবাবুর লিখিত হয় তখন তার ব্যঞ্জনা অন্যরকম হতে বাধ্য। অলোকবাবু পরিচিত 'সর্ষে তিসির খেত' এবং 'আশ্বিনের শিউলি' এই বই দুটোর জন্যে। ওনার জঁর হচ্ছে কৌতুকে মোড়া সামাজিক এবং সম্পর্কের গল্প, লেখার মূল রস স্নিগ্ধ কৌতুক। আর সেই রসই তিনি এনেছেন এই ছোটদের গল্পে , নিখাদ চেনাজানা আটপৌরে চারপাশ থেকে তিনি অক্লেশে চলে যান বাঘমামার গল্পে কি গুপ্তধনের খোঁজে ।
এই বইটিতে সোৎসাহে যোগদান করেছে কয়েকটি বাচ্চা, প্রচ্ছদের ছবি থেকে ভেতরের ছবি সব তাদেরই আঁকা। বইটিতে ছবি এঁকেছে - শরণ্য সিনহা, দেবোপমা পট্টনায়ক, ঐশিক গুপ্ত, চৈত্রীজা রায়, অর্ণব সেনগুপ্ত এবং ইরাবতী ব্যানার্জী।
অনুরোধ রইল আপনার ঘরের বাচ্চার হাতের মোবাইল বা ট্যাবলেট কেড়ে না নিয়ে তাদের নিয়ে আসুন ই-বুকের দুনিয়াতে, তারা এই বই পড়ুক, তাদের কল্পনা জাগ্রত হোক।
আর আপনি?
জানাই তো আছে - 'ঘুমিয়ে আছে সব শিশুই তাদের পিতামাতার অন্তরে', আপনিও নিজের মধ্যে সংগোপনে লুকিয়ে রাখা শিশুটিকে পড়তে দিন এই একই বই।
বিশ্ব সৃষ্টির মিথ কথন -প্রথম খন্ড

বিশ্ব সৃষ্টির মিথ কথন -প্রথম খন্ড
মিথ কথনের জগতের সীমা নির্ধারণ করা হয়তো অসম্ভব কিন্তু ম ানুষ কখনোই সে চেষ্টা বন্ধ করেনি । যে গল্পগুলো এখানে সংকলিত হয়েছে সেগুলি সেই প্রচেষ্টার ফল । বিশ্বের অসংখ্য মিথ হতে ৫০টা আছে এই ই-বইয়েতে। পঞ্চাশ একটা সংখ্যা মাত্র। পড়তে পড়তে আপনারা বুঝতে পারবেন গল্পের সংখ্যা আরো অনেক বেশি। কীভাবে? উত্তরটা আপনারাই খুঁজে পাবেন।
হুতোম প্যাঁচার নকশা

হুতোম প্যাঁচার নকশা
হুতোম প্যাঁচার নকশা কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শুরুর সময়ে রচিত একটি গদ্য উপাখ্যান, যা তিনি “হুতোম প্যাঁচা” ছদ্মনামে লিখেছেন। এটি মূলত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক সামাজিক নকশা জাতীয় রচনা। এতে কলকাতার সামাজিক ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কন করা হয়েছে এবং কলকাতার কথ্য ভাষাকে প্রথম সাহিত্যে স্থান দেওয়া হয়েছে। ১৮৬১ সালে “চড়ক” শিরোনামে একটি নকশায় এটি প্রকাশিত হয়, পরবর্তীতে ১৮৬৩ সালে প্রথম ভাগ এবং ১৮৬৪ সালে দ্বিতীয় ভাগ প্রকাশিত হয়।
ফেলুদা ২

ফেলুদা ২
ফ্যান ফিকশন ধারণাটা বাংলাসাহিত্যে যে খুব নতুন তা আর বলা যাবে না, এখন তা বেশ ভালই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাঙালী পাঠককূলে সবথেকে বেশী জনপ্রিয় গোয়েন্দাচরিত্রগুলোর অন্যতম ফেলুদা, তাকে নিয়ে এর আগেও একটি ফ্যানফিকশন লিখেছেন এই লেখক, সেই লেখা পাঠকমহলে সমাদৃত হওয়ার পর এবার এলো আরো দুটি বড় গল্প ফেলুদাকে নিয়ে।
নির্জনতার নিভৃতে

নির্জনতার নিভৃতে
কবিতাকে সব যুগেই সস্নেহ আশ্রয়ে লালন পালন করে এসেছে নির্জনতা ও নিভৃতি। সেখানে প্রতিটি কবি আর তার সৃজন মুখোমুখি হয় দিনশেষের ধারাপাতে। তাই হয়ত নিরন্তর গরল, বিষাদ ও অমৃতের চেনা অলৌকিক মেলবন্ধন নিয়ত ধরা পড়ে কবিতায় ও কল্পনায়। হয়ত সেজন্য কবিদের অক্ষরমালা সর্বদা জেগে থাকে 'সব রাঙা কামনার শিয়রে'!
নীলদর্পণ- Neel Darpan

নীলদর্পণ- Neel Darpan
নীলদর্পণ নাটকের মূখ্য উপজীব্য বিষয় হল বাঙালার কৃষক ও ভদ্রলোক শ্রেণীর প্রতি নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচারের কাহিনী। কিভাবে সম্পন্ন কৃষক গোলকমাধবের পরিবার নীলকরদের অত্যাচারে ধ্বংস হয়ে গেল এবং সাধুচরণের কন্যা ক্ষেত্রমণির মৃত্যু হল, তার এক মর্মস্পর্শী চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে এই নাটকে। এই নাটকের অত্যন্ত শক্তিশালী এক চরিত্র হল তোরাপ; যার তুলনা বাংলা সাহিত্যে খুব কমই আছে। এই নাটকের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল আঞ্চলিক ভাষার সাবলীল প্রয়োগ। কর্মসূত্রে পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় যে দক্ষতা দীনবন্ধু আয়ত্ত করেছিলেন, তারই এক প্রতিফলন দেখা যায় এই নাটকের চরিত্রচিত্রণে ও বাক্যবিন্যাসে।
(**This book has both Bengali and English version together)
কলিকাতা কল্পলতা

কলিকাতা কল্পলতা
“কলিকাতা কল্পলতা” গ্রন্থটি সম্ভবত বাংলা ভাষায় কোলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। তত্কালীন কলকাতা কেমন ছিল, তার এক সুন্দর বর্ণনা এখানে পাওয়া যায়। কলকাতার নামকরণ কি ভাবে হল তার একটা ব্যাখ্যা এখানে পাওয়া যায়। এপ্রসঙ্গে “কলিকাতা কল্পলতা’ থেকে ছোট একটি উদ্ধৃতি দেয়া যেতে পারে: এক রহস্যজনক জনশ্রুতি এই যে, ইংরাজেরা যখন প্রথমতঃ এইস্থানে বাণিজ্যালয় স্থাপনার্থ আগমন করিলেন তখন গঙ্গাতীরে দণ্ডায়মান কোন লোককে অঙ্গুলী প্রসারণ পূর্বক স্থানের নাম জিজ্ঞাসা করাতে সে ব্যক্তি সেইদিকে শায়িত এক ছিন্নবৃক্ষ দেখিয়া মনে করিল সাহেবরা কবে ঐ বৃক্ষছেদন হইয়াছে, তাহাই জিজ্ঞাসা করিতেছেন। অতএব সে উত্তরচ্ছলে কহিল— “কালকাটা”। সেই হইতে ইংরাজেরা ইহার নাম “ক্যালকাটা” রাখিলেন। জনশ্রুতি থেকে সাহিত্যিক উপাদান আর নথিপত্র, বহুবিধ উৎসের তথ্য বাছ-বিচার করে রঙ্গলাল কোলকাতার ইতিহাস রচনা করেন।
মরমিয়া

মরমিয়া
মরমিয়া আসলে একটি মুক্তগদ্যে লেখা নিভৃত দিনলিপি, যেখানে প্রকৃতির মোহময়তায় লেখক বিলীন হয়ে যান। এই গ্রন্থে লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃতি চেতনা আর জীবনানন ্দ দাশের সুররিয়ালিজমের সার্থক মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন অনুপম ব্যঞ্জনায়। এই বর্ণনার নিজস্ব একটা ভাষা আছে। এই ভাষা কখনো বা ইমন কল্যাণের সুরে বিষাদের বাঁশির মতো হৃদয়স্পর্শী; কখনো বা রাতজাগা কোনো পিউকাঁহা পাখির হাহাকারের মতো মর্মন্তুদ। প্রকৃতির এক অনন্ত সৌন্দর্য ভান্ডার থেকে এভাবেই বিরহ দিনের শব্দ কুড়িয়ে দিনযাপনের মালা গেঁথেছেন লেখক।



