শিশু-কিশোর
ক্রিকেটের চোদ্দ প্রদীপ

চোদ্দটা ক্রিকেটীয় রচনার সঙ্কলন। ১৯৩২ থেকে ২০২৬, প্রায় সাড়ে-নয় দশকের এই দীর্ঘ সময়ের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও আইপিএল প্রতিযোগিতা, বল-বিকৃতি ও স্লোয়ার-বল, এই শতকের মাঝামাঝির কল্প-ক্রিকেট, মাঠের পুরোহিতদের প্রতি অ-সংবেদনশীল অসহিষ্ণু দর্শককুল, দেশ-বিদেশের নামী-অনামী বৈচিত্রময় ক্রিকেটীয় চরিত্রদের মধ্যে কয়েকজন, এবং গ্যারি সোবার্সের স্মৃতিচারণ!
ক্রিকেটের এক ডজন

বিগত ফেব্রুয়ারি মাসে টি২০ বিশ্বকাপের সময়ে এসেছিল “ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার”। এবার ভারতের আফগান-আইরিশ-ইংলিশ প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে টক্কর চালু হওয়ার সময়ে আসতে চলেছে “ক্রিকেটের এক ডজন” – বারোটা ক্রিকেটীয় রচনার সঙ্কলন।
১৯৩২ থেকে ২০২৬ প্রায় সাড়ে-নয় দশকের এই দীর্ঘ করিডরের অসংখ্য কোণের মধ্যে মাত্র কয়েকটার ওপর কিঞ্চিৎ আলোকপাত করা হয়েছে এই বইয়ে – সফরকারী দল, বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা, উপমহাদেশের বিভাজন, অজি-ক্যারিবীয় ও দিশি-বিলিতি ক্রিকেটার, বর্ণবাদের প্রতিবাদ – এইসবের মধ্যে দিয়ে লেখক ছুঁয়ে গেছেন :
• আদিবাসী অজি ক্রিকেটারদের বিলেত সফর
• বিশ্বকাপে অঘটন-ঘটানো কেনিয়ার ক্রিকেট, এবং লড়াই-জাগানো ডিউকস বলের প্রভাব
• প্রথম স্বাধীনতা দিবসের প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী ক্রিকেটার
• ক্যারিবীয় ক্রিকেটের সুপার-ক্যাটের করিশমা
• রাজনৈতিক বা আইনশৃঙ্খলা-জনিত কারণে অনিশ্চয়তায় ভোগা কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ
• লারউডকে দমন করতে ডনের কৌশলী পরিকল্পনা
• দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তর ক্রিকেটে কীপার-অলরাউন্ডারদের পথিকৃৎ যোগাভ্যাসী এক ইংরেজ
• ভারতের সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ক্রিকেট-অধিনায়ক
• ক্রিকেট মাঠে বর্ণবিদ্বেষের দলবদ্ধ বিরোধী প্রতিবাদ
• তালগাছের মাথায় ছয়-হাঁকানো ভারতীয় ‘পহল(বা)ন’
• ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ের নীরব এক বার্বাডিয়ান নায়ক
এই ই-বুক সংস্করণ আশা করি পাঠকদের মনে ক্রিকেট সম্বন্ধে আগ্রহ, চর্চা ও সুস্থ আলোচনার পরিসর বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
The other side of Australia

This cute story is written by Orvo Reza, who is a class three (year three) student. He was born on November 2015, in Sydney, Australia. His origin lies in Bangladesh. He is younger of two brothers. Apart from attending school, rest of his time is spent on bicycle.
Book price is AUD $ 2.20 only.
অভ্যুদয়ের শার্লক হোমস্ সমগ্র - দ্বিতীয় খণ্ড - গল্প

শার্লক হোমস: রহস্যের অমর কিংবদন্তি - রক্তমাংসের মানুষ না হয়েও যিনি আজও ২২১বি বেকার স্ট্রিটে চিঠি পান—তিনি শার্লক হোমস। ‘এ স্টাডি ইন স্কার্লেট’-এ প্রথম আবির্ভাবের পর থেকেই তাঁর তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণশক্তি, ড. ওয়াটসনের সঙ্গে বন্ধুত্ব, আর একের পর এক রোমাঞ্চকর কেস বিশ্বজুড়ে পাঠকদের মুগ্ধ করে রেখেছে। লেখক যখন তাঁকে “শেষ মামলা”-য় মৃত্যুর মুখে ফেললেন, পাঠকের দাবিতেই তিনি ফিরে এলেন—আরও জনপ্রিয়, আরও কিংবদন্তি হয়ে।
বাস্তবের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের কাজের সঙ্গে হোমসের পদ্ধতির মিল আজও বিস্মিত করে। রহস্যভেদে তাঁর যুক্তি, পর্যবেক্ষণ আর মানবমনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ তাঁকে করেছে অপরিবর্তনীয়। স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের মৃত্যুর নব্বই বছর পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা অটুট।
এই অনুবাদে বজায় রাখা হয়েছে মূল রচনার স্বাদ, ভাষার সাবলীলতা এবং কোনান ডয়েলের স্বকীয় শৈলী—যা নতুন পাঠক ও পুরোনো ভক্ত, উভয়ের মনেই আবার জাগিয়ে তুলবে শার্লক হোমসের অমোঘ আকর্ষণ !
অমলতাস - কালজয়ী শিশু কিশোর সমগ্র

লীলা মজুমদারের লেখা মানেই হলো হারানো শৈশবে ফিরে যাওয়া আর কল্পনার জগতে ডুব দেওয়া। তাঁর সেই সমস্ত লেখা একত্রিত করেই তৈরী হলো এই বইটি, ১২০০ পাতার এই সুবিশাল ই বুকে পাবেন :
টং লিং
খেরোর খাতা
পাকদণ্ডী
বেড়ালের বই
বাঘের চোখ
বদ্যিনাথের বড়ি
পদিপিসীর বর্মিবাক্স
গুপির গুপ্তখাতা
হলদে পাখির পালক
ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার

“ক্রিকেটের খেরোর খাতা” এবং দ্বিভাষিক কপিল-নামা–র পর গত তিন বছরে কখনও অনুরোধে, কখনও নিজের খেয়ালে আবারও ক্রিকেট-লেখার মাঠে নামতে হয়েছে। সেই বিচ্ছিন্ন লেখাগুলোরই সংহত রূপ এই ‘কুড়ি ওভার’। এখানে উঠে এসেছে অধিনায়কত্বে গাভাস্কর, গাঙ্গুলি ও ধোনির ভূমিকা; বিভিন্ন যুগের কম আলোচিত ক্রিকেটারদের স্মৃতি; অ্যাশেজ ট্রফির জন্মকথা; ইমরান খানের টেস্ট ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পথ; ভারতের কয়েকটি রোমাঞ্চকর টেস্ট ম্যাচ; বেসিল ডি’ওলিভেইরার সংগ্রাম; প্রথম টি–২০ বিশ্বকাপজয়ের সময়কার প্রেক্ষাপট; ১৯৯২ বিশ্বকাপের এক নিয়মের বিবর্তন; ভারতীয় ক্রিকেটের তিন-নম্বর ব্যাটারদের বিশ্লেষণ; বেতার ধারাভাষ্যের পথিকৃৎদের অবদান এবং শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের শুরুর ইতিহাস।
গোয়েন্দা রাজের গোয়েন্দাগিরি

ভালোবাসা, বিশ্বাস, সহানুভূতি আর বিবেককে ছাপিয়ে যখন সমাজে প্রতিহিংসা আর বিকৃতি ছায়া ফেলে, তখনই জন্ম নেয় এক সাহসী চরিত্র—রাজ।
দুই বছর আগে প্রকাশিত "গোয়েন্দা রাজে"–র সাফল্যের পর এবার ফিরছে তার নতুন অভিযান, "গোয়েন্দা রাজে'র গোয়েন্দাগিরি"।
কিশোর প্রেমের আবহে গাঁথা এই রহস্য উপন্যাস পাঠককে টানবে প্রথম পাতা থেকেই, ছুঁয়ে যাবে বিবেক, মনন আর সাহসিকতার গভীরতম স্তর।
এই বই শুধু কিশোরদের নয়—যে কোনও পাঠকের জন্য এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো এক উত্তেজনাময় যাত্রা।
ফেলুদা ফ্যানফিকশন

ফ্যান ফিকশন ধারণাটা বাংলাসাহিত্যে কিছুটা নতুন, তবে এখন তা বেশ ভালই জনপ্রিয়তা পেয়েছে , এই ধারার সাহিত্যে কোন জনপ্রিয় চরিত্রকে নিয়ে মূল ল েখক ব্যতীত উৎসাহী পাঠকরা গল্প লিখে ফেলেন। বাঙালী পাঠককূলে সবথেকে বেশী জনপ্রিয় গোয়েন্দাচরিত্রগুলোর অন্যতম ফেলুদা, সুতরাং তাকে নিয়ে যে ফ্যান ফিকশন লেখা হবে তাতে আর আশ্চর্য কি, বাজারে এরকম কিছু লেখা এসে গেছে, সেখানেই যোগ হলো আরো তিনটে গল্প।
এখন এধরণের লেখা ফ্যান ফিকশন না প্যাস্টিশ তা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে, তবে আমরা তা স্থির করার ভার পাঠকের হাতেই তুলে দিলাম।
পঞ্চামৃত

ছোটদের গল্প লেখা যে ছোটোখাটো ব্যাপার না তা আমরা জানি কিন্তু তা সত্ত্বেও সে বই যখন অলোকবাবুর লিখিত হয় তখন তার ব্যঞ্জনা অন্যরকম হতে বাধ্য। অলোকবাবু পরিচিত 'সর্ষে তিসির খেত' এবং 'আশ্বিনের শিউলি' এই বই দুটোর জন্যে। ওনার জঁর হচ্ছে কৌতুকে মোড়া সামাজিক এবং সম্পর্কের গল্প, লেখার মূল রস স্নিগ্ধ কৌতুক। আর সেই রসই তিনি এনেছেন এই ছোটদের গল্পে , নিখাদ চেনাজানা আটপৌরে চারপাশ থেকে তিনি অক্লেশে চলে যান বাঘমামার গল্পে কি গুপ্তধনের খোঁজে ।
এই বইটিতে সোৎসাহে যোগদান করেছে কয়েকটি বাচ্চা, প্রচ্ছদের ছবি থেকে ভেতরের ছবি সব তাদেরই আঁকা। বইটিতে ছবি এঁকেছে - শরণ্য সিনহা, দেবোপমা পট্টনায়ক, ঐশিক গুপ্ত, চৈত্রীজা রায়, অর্ণব সেনগুপ্ত এবং ইরাবতী ব্যানার্জী।
অনুরোধ রইল আপনার ঘরের বাচ্চার হাতের মোবাইল বা ট্যাবলেট কেড়ে না নিয়ে তাদের নিয়ে আসুন ই-বুকের দুনিয়াতে, তারা এই বই পড়ুক, তাদের কল্পনা জাগ্রত হোক।
আর আপনি?
জানাই তো আছে - 'ঘুমিয়ে আছে সব শিশুই তাদের পিতামাতার অন্তরে', আপনিও নিজের মধ্যে সংগোপনে লুকিয়ে রাখা শিশুটিকে পড়তে দিন এই একই বই।
সব্যসাচী অন্তর্ধান রহস্য ও অন্যান্য

ছোটবেলার দুই বন্ধু, বড় হয়ে একজন এখন ক্রিপ্টোলজি বিশেষজ্ঞ আরেকজন আই পি এস অফিসার! ঘটনার ঘনঘটা তাদেরকে নিয়ে যায় ভারতেই এমন এক অঞ্চলে যা শহুরে ভারতের দৈনিক চিন্তাভাবনার বাইরেই থেকে যায় সাধারণত! সন্ত্রাসবাদীরা সেখানে পরিকল্পনা করছে বড়সড় কিছু ঘটানোর! লিখেছেন অপর্ণা চৌধুরী!
অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র

কে না এডভেঞ্চার ভালোবাসে? আর তা যদি হয় এই চিরপরিচিত সমতল বাংলার ভূমি থেকে বহু বহু দূরে গহীন, বন্য, সভ্যতার আলোকহীন আফ্রিকায়, mountain of moon এ। বিভূতিভূষণ লিখেছিলেন এরকম কিছু এডভেঞ্চার যার সবকটিতেই আছে পাড়াগেঁয়ে বাঙালি। অত্যন্ত স্বাদু এই উপন্যাস গুলি প্রিয় সব বয়সেরই।
সুকুমার রায় কবিতা সংকলন

বাংলা ভাষায় ননসেন্স ছড়ার প্রবর্তন করেন সুকুমার রায়। তাঁর লেখা বিখ্যাত “ননসেন্স ছড়া” সংকলন আবোল তাবোল, ১৯২৩ সালে, সুকুমারের মৃত্যুর পর ইউ রায় এন্ড সন্স থেকে প্রকাশিত হয়। এই ‘আবোল তাবোল’ শুধু বাংলা সাহিত্যে নয়, বিশ্বসাহিত্যের অঙ্গনে নিজস্ব জায়গার দখল করে নেয়। বইরাগ পাবলিকেশন সুকুমারের ছড়া ও কবিতা নিয়ে প্রকাশ করল এই ই-বুক।
সংক্ষিপ্ত মহাভারত

মহাভারতের এত সব চরিত্র, দোষে-গুণে, ভালোয়-মন্দে মেশানো , মহাভারতের ঘটনাবলীর বিশালতা জটিলতা ,যুক্তি, নৈতিকতা, তা থেকে সৃষ্ট জটিল সব ঘটনাবলি, সেসব ঘটনাবলীর আরও জটিল ব্যাপ্তি , এই নিয়ে এই মহাকাব্য পড়তে গিয়ে মহাভারত পড়তে গিয়ে বয়স্কজনেরাই পথ হারিয়ে ফেলেন।
সেই কাহিনী অল্পবয়স্কদের জন্যে খুব সরলভাবে উপস্থাপন উপেন্দ্রকিশোর করেছেন সাফল্যের সাথে, কিন্তু এই বই শুধু অল্পবয়স্কদের জন্যেই নয় ! আমাদের মনে জীবনে মহাভারত এমন ভাবে জড়িয়ে আছে আর এত এত বিশ্লেষণ অহর্নিশ হয়ে চলেছে যে আমরা অনেকেই হয়তো খেয়াল করিনা যে সমগ্র মহাভারত একবারও পড়েই দেখা হয় নি , সেই ক্ষেত্রেও চট করে মহাভারতের ঘটনাবলী আরেকবার পড়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বড়দের জন্যেও , কারণ উপেন্দ্রকিশোর কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে বাদ দেন নি।
মেঘকেতন

“মেঘকেতন” পরিণতমনা পাঠক-পাঠিকাদের জন্য রচিত “রূপন্যাস”( রূপকথা - উপন্যাস )। এই রূপন্যাসের বৈশিষ্ট্য এই যে , এর মধ্যে রাজা - রাণী, রাজপুত্র - রাজকন্যা , দানব ইত্যাদি থাকলেও প্রচলিত রূপকথায় সব কিছু আমরা যেভাবে ঘটতে দেখি , এখানে সেভাবে ঘটে না। অন্য রূপকথা শুধুই দেখায় আর শোনায়। ”মেঘকেতন”তার সঙ্গে ভাবাবেও , এই আমাদের ধারণা। পাঠক - পাঠিকা সজাগ এবং মনস্ক থাকলে স্তরের পর স্তর অভিনবত্বের উন্মেষ ঘটবে তাঁদের দৃষ্টি এবং বোধের সম্মুখে।
এ কাহিনীতে রাজা এবং রাজপুত্রেরাই শুধু যুদ্ধ এবং অন্যান্য বিদ্যায় পারদর্শী নন। রাণী এবং রাজকন্যারাও তাঁদের যোগ্য সহযোগিনী। অন্য রূপকথায় রাজা - রাজপুত্রদের বীরত্বের কথা থাকে। এখানেও আছে। কিন্তু সেইসঙ্গে আছে তাঁদের ধীশক্তির পরীক্ষা , রহস্যের অবগুণ্ঠন উন্মোচনে দক্ষতার পরিচয়। আছে এমন আরও অনেক প্রাপ্তির সম্ভাবনা , যা পাঠক - পাঠিকা নিজেরাই আবিষ্কার করুন এমনটিই লেখকের সাগ্রহ আকাঙ্ক্ষা ।
চাঁদ ওঝার সপ্ত আশ্চর্য

চাঁদ ওঝা কে? বা, প্রশ্ন করা যেতে পারেঃ চাঁদ ওঝা কেন? দুটো প্রশ্নের উত্তর একই। এক ভ্রাতৃপ্রতিম সাহিত্যিকের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতে হঠাৎ একদিন চাঁদ ওঝার আইডিয়ার জন্ম। সেই আলোচনাতেই ঠিক করা হয়, যেধরণের তন্ত্রসাধনাসংক্রান্ত হরর গল্প একশ্রেণির পাঠক প্রচুর পড়ছেন এবং কিছু লেখক প্রচুর লিখছেন, সেই লেখাকে ব্যঙ্গ করেই এক প্রতিনায়ককে খাড়া করা হবে, যার প্রবল প্রতাপে বাকি তান্ত্রিকরা থরহরিকম্প হয়ে যাবে। “শ্মশান-মশান কাঁপানো তান্ত্রিক” (ভাইটির কথা ধার করে বলি) এই চাঁদ ওঝা পারে না হেন কাজ নেই। তার গতিবিধি শুধু এই পৃথিবীতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ছড়িয়ে আছে গোটা মহাবিশ্বে এবং অন্যান্য প্যারালাল ইউনিভার্সেও।
পাঠক, ‘চাঁদ ওঝার সপ্ত আশ্চর্য’-এ আপনাকে স্বাগত।
ফেলুদা ২

ফ্যান ফিকশন ধারণাটা বাংলাসাহিত্যে যে খুব নতুন তা আর বলা যাবে না, এখন তা বেশ ভালই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাঙালী পাঠককূলে সবথেকে বেশী জনপ্রিয় গোয়েন্দাচরিত্রগুলোর অন্যতম ফেলুদা, তাকে নিয়ে এর আগেও একটি ফ্যানফিকশন লিখেছেন এই লেখক, সেই লেখা পাঠকমহলে সমাদৃত হওয়ার পর এবার এলো আরো দুটি বড় গল্প ফেলুদাকে নিয়ে।
সুকুমার - গল্প সংকলন

সুকুমার রায়, শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে "ননসেন্স ছড়া"র প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সন্তান এবং তার পুত্র খ্যাতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। তার লেখা কবিতার বই আবোল তাবোল, গল্প হ-য-ব-র-ল, গল্প সংকলন পাগলা দাশু, এবং নাটক চলচ্চিত্তচঞ্চরী বিশ্বসাহিত্যে সর্বযুগের সেরা "ননসেন্স" ধরনের ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের অন্যতম বলে মনে করা হয়, কেবল অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড ইত্যাদি কয়েকটি মুষ্টিমেয় ধ্রুপদী সাহিত্যই যাদের সমকক্ষ। মৃত্যুর বহু বছর পরেও তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম শিশুসাহিত্যিকদের একজন। এখানে রইলো তাঁর গল্পগুলি।
সুকুমার - প্রবন্ধ সংকলন

সুকুমার রায়কে আমরা মূলতঃ বাংলা হাস্যকৌতুক শৈলীর পুরোধা বলেই জানি। কিন্তু তাঁর পরিচয় বহুমুখী। সন্দেশ পত্রিকার জন্যে তিনি লিখতেন ছোটদের উপযোগী অনেক প্রবন্ধ। তার বিষয়বস্তু ছিল অনেক ছড়ানো , বিজ্ঞান থেকে ইতিহাস সেগুলি ছুঁয়ে গেছে সব কিছুকেই। আর আজ এত বছর পরেও এগুলোর প্রাসঙ্গিকতা ফুরিয়ে যায় নি।
শিশু যখন বড় হয়ে উঠতে থাকে তখন এ ই বিপুল আর আশ্চর্য পৃথিবীর নানা রহস্য তাকে ভাবিয়ে তোলে , ঠিক এই সময়ের উপযোগী করেই লেখা হয়েছিল এই প্রবন্ধগুলি। তবে নিতান্ত বড় বয়সেও খারাপ লাগেনা পড়তে ।







