top of page
চিরায়ত

পরশুরাম গল্প সমগ্র

Image-empty-state.png

পরশুরামের গল্পের জনপ্রিয়তার পিছনে বড় কারণ এদের কৌতুক, wit, humor আর satire, এই তিনধরণের কৌতুকের মধ্যে পরশুরাম বেছে নিয়েছিলেন satire কেই। আর তার ফল অমর সব চরিত্র , গন্ডেরিরাম বাটপারিয়া, কারিয়া পিরেত, জাবালি পত্নী হিন্দ্রলিনী। শ্যামানন্দ ব্রহ্মচারী, বিরিঞ্চিবাবা, হনুমান প্রেমিকা চিলিম্পা— আরও কত সব।
প্রখর বুদ্ধির দীপ্তিতে উজ্জ্বল তাঁর হাস্যরসাত্মক গল্পগুলি জীবনের নানা অসঙ্গতিকে অবলম্বন করে রচিত। দীর্ঘকাল তাঁর এইসব রচনা বাঙালীকে নির্মল আনন্দ দিয়েছে। আশা করি পাঠকের ভালো লাগবে।

50

Buy From

আরণ্যক

Image-empty-state.png

বাংলা কথাসাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৮৯৪-১৯৫০) ক্লাসিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে প্রধানতম হলো ‘আরণ্যক’।১৯২৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভাগলপুরে থাকাকালে তিনি ‘আরণ্যক’ লেখার পরিকল্পনা করেন। ঐ সময় পাথুরিয়াঘাটা এস্টেটের সহকারী ম্যানেজার হিসেবে ইসমাইলপুর এবং আজমাবাদের অরণ্য-পরিবেশে থাকার ফলে আজন্ম নিসর্গরূপকার বিভূতিভূষণ ব্যাপক পরিভ্রমণ ও নানা বিষয়ে পর্যবক্ষেণ করেন। চাকরির সুবাদে তিনি যা কিছু পর্যবেক্ষণ করেছেন, উপলব্ধি করেছেন, তারই জীবন-ঘন বর্ণনা আমরা পাই আরণ্যক উপন্যাসে।
উপন্যাসের মূল প্রটাগনিস্ট সত্যচরণ নামে এক যুবকের পনেরো-ষোলো বছর পূর্বের স্মৃতিচারণে গড়ে উঠেছে এর কাহিনী।
বিহারের পূর্ণিয়া জেলায় কুশী নদীর অপর পারের আজমাবাদ, লবটুলিয়া, ইসমাইলপুর সংলগ্ন বিস্তৃত অরণ্যময় অঞ্চলটি হচ্ছে আরণ্যক উপন্যাসের মূল পটভূমি। বন্য-অশিক্ষিত-দরিদ্র-অসহায় মানুষের অদ্ভুত-অজ্ঞাত জীবনধারা আর প্রকৃতির ভিন্নতর এক মুগ্ধতার আবেশ তাঁর এই কাহিনীর ক্যানভাস।

50

Buy From

পদ্মানদীর মাঝি

Image-empty-state.png

পদ্মানদীর মাঝি ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পঠিত, আলোচিত ও একাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। প্রকাশকালের আনুমানিক হিসাবে পুতুলনাচের ইতিকথাকে তৃতীয় উপন্যাস ধরলে পদ্মানদীর মাঝি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চতুর্থ উপন্যাস।

50

Buy From

স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা সমগ্র

Image-empty-state.png

স্বামী বিবেকানন্দ সম্পূর্ণ রচনাবলী (১-১০ খন্ড), এতে রয়েছে চিকাগো বক্তৃতা সমেত স্বামীজীর সমস্ত বক্তৃতা, তাঁর লেখা প্রবন্ধাবলী যেমন রাজযোগ, কর্মযোগ, পাতঞ্জল যোগ ইত্যাদি, তাঁর রচিত গান এবং কবিতা। তাঁর সম্পূর্ণ পত্রাবলী। তাঁর উপদেশাবলী ( স্বামী-শিষ্য সংবাদ) এবং বিদেশে অবস্থানকালে সেখানকার নানান সংবাদপত্রে বেরোনো কাটিংয়ের বঙ্গানুবাদ।

100

Buy From

অব্যক্ত

Image-empty-state.png

অব্যক্ত আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু রচিত কুড়িটি প্রবন্ধের সংকলন। কতকগুলি প্রবন্ধ বৈজ্ঞানিক চিন্তার ফল। কিছু প্রবন্ধ ইতঃপূর্বে মুকুল, দাসী, প্রবাসী, সাহিত্য এবং ভারতবর্ষে প্রকাশিত হয়েছিল। বইটি বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ থেকে ১৩২৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রথম প্রকাশ পায়।

50

Buy From

তরুণের স্বপ্ন

Image-empty-state.png

বর্তমানে দেশের পারিপার্শ্বিক বাতাবরণ এবং দেশবাসীর চিন্তাধারার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে কিন্তু ‘তরুণের স্বপ্ন’-র যে “গোড়ার কথা” তার সত্যতা আরও তীব্রভাবে প্রতিভাত।স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে হলে যে ঐকান্তিকতা, আগ্রহ ও সাধনার দরকার তা আজও আমাদের নাগালের বাইরে। দেশে শিক্ষিতের সংখ্যা বেড়েছে, ব্যবসা হয়তো বেড়েছে কিন্তু নতুন কর্মস্রোতের অভাব প্রকট। সংখ্যা বৃদ্ধি হয়তো পরিসংখ্যানগত ভাবে বোঝাবে উন্নতি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? সমস্ত চিন্তা-ভাবনা ও কর্ম্মধারাকে সফল করার একমাত্র ভিত্তি—ব্যক্তিগত চরিত্রের উৎকর্ষ সাধন এবং তা অর্জনে আমরা কতটা সফল, তাই হলো ‘তরুণের স্বপ্ন’র প্রথম ও শেষ প্রশ্ন। এবং এই ক্ষেত্রে যে আদর্শ মানুষ আমাদের রোল মডেল হতে পারেন, সেই মানুষের সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।দরকার এমন একজন এই চরিত্রবান পুরুষের যিনি তারন চিন্তা ভাবনা কর্মপদ্ধতির মধ্যে দিয়ে তরুণ যুব সমাজকে সঠিক দিশা দেখাতে পারবেন।এটাই তরুণের স্বপ্ন হওয়া উচিত। তাই নেতাজীর ভাবনা দেশের মানুষকে জাগ্রত করে তুলুক, উদ্বুদ্ধ করুক।

50

Buy From

নীলদর্পণ- Neel Darpan

Image-empty-state.png

নীলদর্পণ নাটকের মূখ্য উপজীব্য বিষয় হল বাঙালার কৃষক ও ভদ্রলোক শ্রেণীর প্রতি নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচারের কাহিনী। কিভাবে সম্পন্ন কৃষক গোলকমাধবের পরিবার নীলকরদের অত্যাচারে ধ্বংস হয়ে গেল এবং সাধুচরণের কন্যা ক্ষেত্রমণির মৃত্যু হল, তার এক মর্মস্পর্শী চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে এই নাটকে। এই নাটকের অত্যন্ত শক্তিশালী এক চরিত্র হল তোরাপ; যার তুলনা বাংলা সাহিত্যে খুব কমই আছে। এই নাটকের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল আঞ্চলিক ভাষার সাবলীল প্রয়োগ। কর্মসূত্রে পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় যে দক্ষতা দীনবন্ধু আয়ত্ত করেছিলেন, তারই এক প্রতিফলন দেখা যায় এই নাটকের চরিত্রচিত্রণে ও বাক্যবিন্যাসে।
(**This book has both Bengali and English version together)

50

Buy From

পথের পাঁচালি ও অপরাজিত

Image-empty-state.png

‘পথের পাঁচালী' উপন্যাস নিশ্চিন্দিপুর গ্রামকে আশ্রয় করে প্রধানতঃ অপু ও দুর্গার শৈশব-কৈশোরের বয়স ঘেরা দেহ মনের রূপকথা। এই রূপকথাময় কল্পনার দেশের পরিচয় দেওয়া হয়েছে প্রধানতঃ অপুর দৃষ্টিকোণে। তাই “সে বেতসী কণ্টকিত তট, বিচিত্র পুলিন গোদাবরী, সে শ্যামল জন্মস্থান, নীল মেঘমেলায় ঘেরা সে অপূর্ব শৈলপ্রস্থ, রামায়ণে বর্ণিত কোনো দেশে ছিল না। বাল্মীকি বা ভবভূতিও তাহাদের সৃষ্টিকর্তা নহেন। কেবল অতীত দিনের কোনো পাখিডাকা গ্রাম্য সন্ধ্যায় এক মুগ্ধমতি গ্রাম্যবালকের অপরিণত শিশুকল্পনার দেশে তাহারা ছিল বাস্তব, একেবারে খাঁটি, অতি সুপরিচিত।” তবু শিশুর কল্পনাময় জগতের পাশে ‘বল্লালী বলাই’ অংশে স্থান পেয়েছে ইন্দিরা ঠাকরুণের কথা, যা লেখকের সমাজ সচেতন ঐতিহ্যচেতনাকে চিহ্নিত করে। 'পথের পাঁচালী'র পরবর্তী অংশ ‘অপরাজিত'। এখানে অপুর কৈশোর ও যৌবনের কাহিনী বর্ণিত। এখানে অপুর কলকাতাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে জীবনযাপন ও ভ্রমণ, অপর্ণার সঙ্গে বিবাহ ও স্ত্রীর মৃত্যু শেষে পুত্র কাজলকে নিয়ে গ্রামে ফিরে আসার বিচিত্র ঘটনাধারা বিবৃতি।

50

Buy From

পালামৌ

Image-empty-state.png

ভ্রমণপ্রিয় মানুষ যারা পাহাড় আর সাগরের প্রেমে মজেছেন তারা সকলেই বলে থাকেন যে পাহাড় বা সাগর তাদের নীরবে আহ্বান করে । বিশেষ করে এই দুই জায়গার স্থির একঘেয়ে রূপ সত্ত্বেও এক অজানা মায়ার টান অনুভব করেন নাবিকেরা, অনেক পর্বতারোহীরা। এই মায়ার খেলা যুগ-যুগান্তর ধরে চলে এসেছে। “পালামৌ” গল্পে লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এমনই মায়ার বাঁধনে বাঁধা পড়ার অভিজ্ঞতার গল্প শুনিয়েছেন। যদিও এই ভ্রমণ কাহিনী যতটা না ভ্রমণ কাহিনী, তার চেয়ে মানবিক উপাখ্যানের গল্প হিসেবেই ধরা দেবে পাঠকের হৃদয়ে।

50

Buy From

বাঙ্গালীর মস্তিষ্ক ও তাহার অপব্যবহার

Image-empty-state.png

কোন জাতির গৌরব ও মহত্ত্ব নিরূপণ করিতে হইলে, কি কি উপাদানে এই মহত্ত্ব গঠিত সর্বাগ্রে তাহারই পৰ্য্যালোচনা করিতে হইবে। আমার বোধ হয়, ভূদেব ও বঙ্কিমচন্দ্রের লিখিত অভিমতের উপর নির্ভর করিয়া যাহারা বাঙ্গালীর, এমন কি, হিন্দু জাতির গৌরবের শ্লাঘা করিয়া থাকেন, তাহারা অজ্ঞাতসারে ভ্রান্ত অভিমত পাের্ষণ করেন মাত্র। রঘুনন্দন ও কুল্লুকভট্টের টীকা টিপ্পনী শ্লাঘার বিষয় জ্ঞান করিয়া যদি উহারই আদেশ অভ্রান্ত সত্য মানিয়া, সেই অতীতপ্রায় কূট শিক্ষায় মনােনিবেশ আমাদের গৌরবের বিষয় বলিয়া অনুমিত হয়, আর বর্তমানের নূতন আশা, নুতন উদ্দীপনা ঠেলিয়া ফেলিয়া প্রাচীনের প্রচলন শান্তির ধীর কৰ্ম্ম বলিয়া আদৃত হয়, জানি না এ মৃতপ্রায় জাতি নূতনের প্রবল অসহনীয় সংঘর্ষে আর কত দিন বাঁচিতে সক্ষম হইবে !

50

Buy From

বিষাদ-সিন্ধু

Image-empty-state.png

'বিষাদ-সিন্ধু' উপাখ্যানটি নানাভাবে পাঠ করা যায়। এতে ইতিহাস আছে মনে করে বা, এতে ধর্মীয় পুরাণ মিশ্রিত, সেই আগ্রহে। বিষাদ-সিন্ধুর মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে- মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর জন্য দায়ী ঘটনাসমূহ। বিষাদ-সিন্ধু উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলির সন্ধান ইতিহাসে পাওয়া যায়, কিন্তু কোনো কোনো অপ্রধান চরিত্রের উল্লেখ বা সন্ধান ঐতিহাসিক কোনো গ্রন্থে পাওয়া যায় না। এটি কাব্যিক শৈলীতে রচিত এবং এতে অনেক নাটকীয় পর্ব রয়েছে। বইটি শুধু কারবালা-র যুদ্ধের ঘটনা কেন ঘটে তা বুঝে নিতেই সাহায্য করে না, ইমাম হোসেনের মৃত্যুর ফলে যে সকল ঘটনা ঘটেছিল তারও বর্ণনা রয়েছে এ গ্রন্থে। এই ঐতিহাসিক উপন্যাসে বিষাদ-সিন্ধুর বিষাদ কোন ধরনের বিষাদ তা যেমন বোঝা যায় তেমনই উপন্যাসের চরিত্রচিত্রণ, মানবজীবনের দুঃখ-যন্ত্রণা, হিংসা-বিদ্বেষ,ইতিহাসের পটভূমিকায় সিংহাসন নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংগ্রাম, রক্তপাত, হত্যাকাণ্ড ইত্যাদিও চিত্রিত হয়েছে।

50

Buy From

মদ খাওয়া বড় দায়

Image-empty-state.png

ঊনিশ শতকের কলকাতা। বঙ্গ দেশের বাবুদিগের নিমিত্ত সে বড় সুখের সময়। দেশে আছে জমিদারি, আর রাজধানীতে বাসা। ঘরে সতী সাধ্বীর স্ত্রীদের সতীত্ব রক্ষা নিয়ে প্রবল আচার, বিধি নিষেধ আর বাইরে বারবধূ সংসর্গেই সামাজিক প্রতিষ্ঠা।সে বড়োই রঙ্গ। একদিকে মদ্যপান নিবারণে প্রবল হৈ চৈ আর অন্যদিকে দ্বার বন্ধ করে প্রবল মদ্যচর্চা।
চারিদিকে মদ খাওয়ার ওই রমরমা দেখে এগিয়ে এলেন কিছু সমাজমনষ্ক কিছু মানুষ। পত্র-পত্রিকাতেও লেখালিখি শুরু হলো। মদ্যপান বিরোধী ওই আন্দোলনে এগিয়ে এলেন এক ডিরোজিয়ান প্যারীচাঁদ মিত্র এবং ডেভিড হেয়ারের এবং হিন্দু কলেজের উত্তর-ডিরোজিও পর্বের ছাত্র প্যারীচরণ সরকার। প্যারীচাঁদ মিত্র মদ খাওয়ার বিরোধিতা করে ‘মাসিক পত্রিকায়’ কয়েকটি প্রবন্ধ লিখলেন এবং তারপর আজ থেকে একশ বাষট্টি বছর পূর্বে টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে ‘মদ খাওয়া বড় দায়, জাত থাকার কি উপায়’ নামে মদ্যপানের কুফল সম্পর্কে ব্যাঙ্গাত্মক এই উপন্যাসটি লিখে ফেলেন।

50

Buy From

ত্রৈলোক্যনাথ রচনা সংগ্রহ

Image-empty-state.png

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় ব্যঙ্গকৌতুক রসের স্রষ্টা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে এক নতুন রকমের উদ্ভট হাস্যরসের প্রবর্তক ছিলেন।
​​​​​​​এতে আছেঃ- ফোকলা দিগম্বর, ডমরু চরিত, বাঙ্গাল-নিধিরাম, বীরবালা, লুল্লু, কঙ্কাবতী

100

Buy From

সেরা অবনীন্দ্রনাথ

Image-empty-state.png

রয়েছে অবনীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কাহিনীগুলি, যার কিছু পরিচিত কিছু অপরিচিত, রাজকাহিনী,খাতাঞ্চির খাতা, নালক. শকুন্তলা,ক্ষীরের পুতুল, বুড়ো আংলা, ভূতপতরীর দেশ,লম্বকর্ণ পালা !

75

Buy From

সুকুমার - গল্প সংকলন

Image-empty-state.png

সুকুমার রায়, শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে "ননসেন্স ছড়া"র প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সন্তান এবং তার পুত্র খ্যাতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। তার লেখা কবিতার বই আবোল তাবোল, গল্প হ-য-ব-র-ল, গল্প সংকলন পাগলা দাশু, এবং নাটক চলচ্চিত্তচঞ্চরী বিশ্বসাহিত্যে সর্বযুগের সেরা "ননসেন্স" ধরনের ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের অন্যতম বলে মনে করা হয়, কেবল অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড ইত্যাদি কয়েকটি মুষ্টিমেয় ধ্রুপদী সাহিত্যই যাদের সমকক্ষ। মৃত্যুর বহু বছর পরেও তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম শিশুসাহিত্যিকদের একজন। এখানে রইলো তাঁর গল্পগুলি।

75

Buy From

সুকুমার - প্রবন্ধ সংকলন

Image-empty-state.png

সুকুমার রায়কে আমরা মূলতঃ বাংলা হাস্যকৌতুক শৈলীর পুরোধা বলেই জানি। কিন্তু তাঁর পরিচয় বহুমুখী। সন্দেশ পত্রিকার জন্যে তিনি লিখতেন ছোটদের উপযোগী অনেক প্রবন্ধ। তার বিষয়বস্তু ছিল অনেক ছড়ানো , বিজ্ঞান থেকে ইতিহাস সেগুলি ছুঁয়ে গেছে সব কিছুকেই। আর আজ এত বছর পরেও এগুলোর প্রাসঙ্গিকতা ফুরিয়ে যায় নি।
শিশু যখন বড় হয়ে উঠতে থাকে তখন এই বিপুল আর আশ্চর্য পৃথিবীর নানা রহস্য তাকে ভাবিয়ে তোলে , ঠিক এই সময়ের উপযোগী করেই লেখা হয়েছিল এই প্রবন্ধগুলি। তবে নিতান্ত বড় বয়সেও খারাপ লাগেনা পড়তে ।

125

Buy From

গোপাল ভাঁড়

Image-empty-state.png

গোপাল ভাঁড় চরিত্রটি ঐতিহাসিক, গবেষক ও ভাষাবিদদের কাছে বিতর্কের বিষয় বহুকাল থেকে। গোপালের গল্পগুলি সমাজে চূড়ান্ত জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত হলেও গোপাল ভাঁড় বাস্তবে ছিলেন কিনা সে নিয়ে মতভেদ আছে। অনেকেই মনে করেন গোপাল ভাঁড় নামে কেউ নির্দিষ্ট করে ছিলেননা। তবে কোনো না কোনো বিদূষক রাজার প্রিয়পাত্র হন। সেরকম গোপাল নাম্নী নাপিত বংশীয় কোনো ব্যক্তি ছিলেন। গোপালের জন্ম কত বঙ্গাব্দে তা কোথাও লেখা নেই। তার জন্মস্থানের পক্ষেও কোনো নথি নেই, কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা হিসেবে তার সম্পত্তির কিংবা জায়গা-জমির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। গোপালের বাবার নাম জানা গেলেও তার মা ও স্ত্রী সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। নগেন্দ্রনাথ দাসের মতে গোপালের পদবী ছিল 'নাই'। মহারাজ তাকে হাস্যার্ণব উপাধী দান করেন। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও ভাষাবিদ সুকুমার সেন বলেছেন ‘গোপাল ভাঁড় সম্পর্কে আধুনিক বাঙালির কৌতূহল থাকার ফলে বাস্তব অথবা কল্পিত ব্যক্তিটির সম্পর্কে যে জনশ্রুতি জাতীয় ঐতিহ্য গজিয়ে উঠেছে ও উঠছে তার বীজ হচ্ছে ভাঁড় নামের অংশটি, গোপাল ভাঁড়ের ভাঁড়টুকু সংস্কৃত শব্দ ভাণ্ডারের ‘ভাণ্ড’-জাত মনে করে অনেক গোপালের জাতি নির্ণয় করেছেন। পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তি যাই হোক, গোপাল ভাঁড় বাঙালি রসিক ও লৌকিক সংস্কৃতিতে অমলিন হয়ে আছেন।

75

Buy From

কাব্য সংকলন

Image-empty-state.png

“এক বিমুঢ় যুগের বিভ্রান্ত কবি জীবনানন্দ। পৌষের চন্দ্রালোকিত মধ্যরাত্রির প্রকৃতির মতো তাঁর কাব্য কুহেলী কুহকে আচ্ছন্ন। স্বভাবোক্তি অলঙ্কার ও বাক্ প্রয়োগের দেশজ রীতির মিলনে সৃষ্ট তাঁর আপাত সুবোধ্যতার অন্তরালে এক দুর্ত্তেয় রহস্য বিরাজিত। বলতে কি, আধুনিক কবিদের মধ্যে একমাত্র তাঁর কাব্যেই এ যুগের সংশয়ী মানবাত্মার ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত পরিচয় ফুটে উঠেছে।” –জীবনানন্দ সম্বন্ধে ড. দীপ্তি ত্রিপাঠী-র এ বক্তব্য একদম খাঁটি। কারণ কবিতার ক্ষেত্রে রবীন্দ্র আনুগত্য নিয়েও তিনি এক নিজস্বতায়, স্বাতন্ত্র্যে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছিলেন। তবে সচেতন ভাবে রবীন্দ্র বিরোধিতা না থাকলেও নিজস্ব এক কাব্য জগতের বাসিন্দা হয়ে আত্মনিমগ্ন হয়েছিলেন। তাঁর কবিতা কখনোই দিক হারা নয়, হারিয়ে যাবার জন্যে তা সৃষ্টি হয়নি।কাব্য সম্বন্ধে রূঢ় কুশ্রী নিন্দা বাক্যে বার বার তাঁকে ক্ষত বিক্ষত হতে হলেও কাব্যের প্রতি তিনি ছিলেন নিষ্ঠাবান।

100

Buy From

পুতুল নাচের ইতিকথা

Image-empty-state.png

বাংলা চির স্মরণীয় সাহিত্যিকদের লেখাগুলি এখন পান eবই রূপেও। নিজে পড়ুন, পড়ান পরবর্তী প্রজন্মকে যাতে তারা এইসব মণিমাণিক্যের থেকে বঞ্চিত না হয়।

51

Buy From

রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস সংকলন

Image-empty-state.png

গোরা (১৯১০), ঘরে বাইরে (১৯১৬),চতুরঙ্গ (১৯১৬), চার অধ্যায়(১৯৩৪), চোখের বালি (১৯০৩), দুই বোন (১৯৩৩), নৌকাডুবি (১৯০৬), প্রজাপতির নির্বন্ধ (১৯০৮), বউ-ঠাকুরানীর হাট (১৮৮৩), মালঞ্চ (১৯৩৪), যোগাযোগ (১৯২৯), রাজর্ষি (১৮৮৭), শেষের কবিতা (১৯২৯)

99

Buy From

শ্রীকান্ত

Image-empty-state.png

বাংলা চিরস্মরণীয় সাহিত্যিকদের লেখাগুলি এখন পান eবই রূপেও। নিজে পড়ুন, পড়ান পরবর্তী প্রজন্মকে যাতে তারা এইসব মণিমাণিক্যের থেকে বঞ্চিত না হয়।

51

Buy From

গীতাঞ্জলি

Image-empty-state.png

Gitanjali - Song Offerings ইংরেজি ভাষায় অনূদিত রবীন্দ্রনাথের প্রথম সংকলনগ্রন্থ। ইংরেজি গীতাঞ্জলি বাংলা গীতাঞ্জলি'র থেকে অনেকটাই আলাদা। রবীন্দ্রনাথ বাংলা গীতাঞ্জলি'র ১৫৭টি গান/কবিতা থেকে ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে (Gitanjali:Song Offerings) মাত্র ৫৩টি সংকলিত করেছেন। বাকি ৫০টি বেছে নিয়েছেন গীতিমাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া, শিশু, কল্পনা, চৈতালি, উৎসর্গ, স্মরণ ও অচলায়তন থেকে। গীতিমাল্য থেকে ১৬টি, নৈবেদ্য থেকে ১৫টি, খেয়া থেকে ১১টি, শিশু থেকে ৩টি, কল্পনা থেকে ১টি, চৈতালি থেকে ১টি, উৎসর্গ থেকে ১টি, স্মরণ থেকে ১টি এবং অচলায়তন থেকে ১টি কবিতা/গান নিয়ে তিনি ইংরেজি গীতাঞ্জলির বিন্যাস করেছেন। ইংরেজি বইটির ইন্ট্রোডাকশন লিখেছিলেন W. B. YEATS. এই ই-বুকটিতে বাংলা এবং ইংরেজি তর্জমাগুলি একসাথে বিন্যাস করা হয়েছে।

51

Buy From

গল্পগুচ্ছ

Image-empty-state.png

গল্পগুচ্ছ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের সংকলন। কবি ১২৯৮ থেকে ১৩১০ বঙ্গাব্দের মধ্যে বেশিরভাগ গল্প লিখেছেন সেগুলি রয়েছে ৫০০ পাতারও বেশি এই বইয়ে।

100

Buy From

আলালের ঘরের দুলাল

Image-empty-state.png

আলালের ঘরের দুলাল’ প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা একটি বাংলা উপন্যাস। লেখক এই উপন্যাসের জন্য টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। উপন্যাসে উনিশ শতকের কলকাতা সমাজ এবং নায়ক মতিলালের বোহেমিয়ান জীবনধারা বর্ণনা করা হয়েছে। উপন্যাসটি বাংলা ভাষা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি ল্যান্ডমার্ক, কারণ এটি বাংলা ভাষার কথ্য রূপ-চলিত ভাষায় লেখা। উপন্যাসটিও প্রাচীনতম বাংলা উপন্যাসের একটি। “আলালের ঘরের দুলাল” বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে আখ্যায়িত। সমাজআলেখ্য হিসেবেও এটি সেকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। সেকালের কলকাতার বিত্তবান সমাজের সন্তানদের নীতিহীনতা ও উচ্ছলতা এতে নিষ্ঠার সঙ্গে অঙ্কিত। গ্রন্থটিতে কথ্যভাষার ব্যবহার করে বাংলা সাহিত্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেন প্যারীচাঁদ। উপন্যাসে প্রচলিত সহজ গদ্যরীতি "আলালী ভাষা" নামে পরিচিতি লাভ করে। সাধু ও কথ্যভাষার সংমিশ্রণ রীতিই ওই ভাষার বিশেষত্ব। উপন্যাসটি প্রথম মহিলাদের হিতকারী মাসিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পরে 1857 সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

75

Buy From

bottom of page