ভূত
দি গ্রেট প্রবলেম সলভার

কিছু বন্ধন সময়ের নিয়ম মানে না—না দূরত্ব, না মৃত্যু। শুভময় ঘোষের জীবনে অনিরুদ্ধ ছিল ঠিক এমনই এক অদৃশ্য টান, যা বহু বছর পরেও তাকে টেনে নিয়ে আসে সেই পুরোনো বাড়ির সামনে। এক আমগাছ, ধুলো জমা একটি গাড়ি, আর এক অচেনা ভদ্রমহিলার হাতে এগিয়ে দেওয়া এক কাপ চা—সব মিলিয়ে যেন অনিরুদ্ধ নিজেই তাকে পথ দেখায়।
এই বই সেই অদ্ভুত পুনর্মিলনের গল্প—যেখানে স্মৃতি, ভালোবাসা, আর ইচ্ছাশক্তি মিলেমিশে তৈরি করে এক রহস্যময় যাত্রা। বাস্তব আর অবাস্তবের মাঝখানে দাঁড়িয়ে শুভময় যেন শুনতে পায় বন্ধুর কণ্ঠস্বর, “সাবাস শুভময় ঘোষ… এই না হলে The Great Problem Solver!” বন্ধুত্বের এই অপ্রকাশিত শক্তি, এই অদ্ভুত টান—এই বই তারই সাক্ষ্য ।
ড্রাকুলা

কিছু নাম আছে, যা শরীরে শিহরণ জাগানোর জন্য যথেষ্ট। যেমন ব্রাম স্টোকারের ‘ড্রাকুলা’। ১৮৯৭ সালে লেখা তাঁর এই বইয়ের অনুপ্রেরণায় একাধিক চলচ্চিত্র, অনুষ্ঠান, ভ্যাম্পায়ার বা রক্তপায়ীদের নিয়ে কাহিনি তৈরি হয়েছে এবং হয়ে চলেছে। দর্শক এবং পাঠকদের মনে কাউন্ট ড্রাকুলার কাহিনি গেঁথে গিয়েছে। অবশ্য 'কাউন্ট ড্রাকুলা'-র বেশির ভাগটাই লেখকের কল্পনা। তবে ব্রাম স্টোকার তাঁর উপন্যাসের চরিত্রের নামকরণ করেছিলেন বাস্তবে্র এক 'ড্রাকুলা'র নামানুসারেই। বাস্তবের কাউন্ট ড্রাকুলা হলেন ভ্লাদ দ্য ইম্পেলার। রোমানিয়ার এক ঐতিহাসিক অঞ্চল ওয়ালাশিয়া। তারই প্রিন্স ছিলেন ভ্লাদ দ্য ইম্পেলার বা তৃতীয় ভ্লাদ। এই প্রিন্সেরই আর এক নাম ছিল ড্রাকুলা। যদিও ওই নামটি ছাড়া কাহিনির ড্রাকুলা এবং ওয়ালাশিয়ার প্রিন্সের আর কোনও চারিত্রিক মিল ছিল না। ইতিহাসবিদদের মতে, উপন্যাসটি লেখার আগে ওয়ালাশিয়াতে এসেছিলেন ব্রাম। সেখানেই ভ্লাদ দ্য ইম্পেলারের কথা শোনেন এবং সেখান থেকেই উপন্যাসের চরিত্রের জন্য ‘ড্রাকুলা’ শব্দটি নেন তিনি।
আত্মার চুক্তিনামা

সদ্য বাবা হারানাে সাদিক একটি অদ্ভুত বইয়ের সন্ধান পায়। যেমন-তেমন কোন বই নয় বরং সেটি পড়তে হলে পূরণ করা প্রযােজন এক বিশেষ শর্ত। নতুবা কেউ তা খুলতেই পারবে না।
অতঃপর বইটি খুলতে সক্ষম হলে দেখা দেয় আরও নতুন কিছু শর্ত। সেগুলাে পালনের জন্য করতে হবে একটি চুক্তি। সাধারণ কারও সাথে নয়, চুক্তিনামা স্বাক্ষরিত হতে হবে স্বয়ং শয়তানের সঙ্গে; যা করলে কোনাে মানুষের জীবনই আর আগের মত থাকে না।
এই ভয়ানক বইতে আসলে কী আছে? কী ঐ শর্ত আর কেমন 'সেই চুক্তিনামা? সাদিক কি রাজি হবে? হলে কেমন রূপ নিবে তার পরবর্তী জীবন? এসব নির্ভর করে যার ওপর, সেটিই আত্মার চুক্তিনামা। একটি গ্রন্থ— যা বদলে দেয় মানুষের দুনিয়া....
ভয় - বইরাগ ভৌতিক গল্প সংকলন

বইরাগ শুরু করেছিল ভূত চতুর্দশী উপলক্ষে ভৌতিক গল্প লেখার প্রতিযোগিতা। গল্প এমন গা ছমছমে, মাথার চুল খাড়া করা হবে যা পড়ে কিনা আমাদের রাতের ঘুম উড়ে যায়।
ভূত চতুর্দশী উপলক্ষ্যে গল্প প্রতিযোগিতায় আমরা বেশ ভালো সাড়া পেলাম। সমস্ত লেখাগুলোকে নিয়ে প্রকাশিত হল বইরাগের ভৌতিক গল্প সংকলনের ই-বুক “ভয়”।
অপ্রাকৃত সমগ্র

রয়েছে একচল্লিশটি গল্প : নব-বৃন্দাবন, মেঘমল্লার,তিরোলের বালা, ছেলেধরা, বোমাইবুরুর জঙ্গলে, সোনাকরা যাদুকর, খোলা দরজার ইতিহাস,পথিকের বন্ধু, অভিশাপ, অভিশপ্ত, হাসি, প্রত্নতত্ত্ব,রহস্য, আরক, ছায়াছবি, রঙ্কিনীদেবীর খড়গ, মেডেল, পেয়ালা, ভৌতিক পালঙ্ক, গঙ্গাধরের বিপদ, মশলা-ভূত, কাশী কবিরাজের গল্প, বিরজা হোম ও তার বাধা, মায়া, টান, বউ চণ্ডীর মাঠ, খুঁটি দেবতা, পৈতৃক ভিটা, অশরীরী, বরো বাগদিনী, বাঘের মন্তর, নুটি মন্তর, কবিরাজের বিপদ, মাতু পাগলি - তারানাথ তান্ত্রিকের গল্প, মধুসুন্দরীদেবী - তারানাথ তান্ত্রিকের দ্বিতীয় গল্প, নাস্তিক, দাতার-স্বর্গ, স্বপ্ন-বাসুদেব, শেষ লেখা, পিদিমের নিচে, উডুম্বর এবং একটি উপন্যাস : দেবযান !
রঞ্জনা ডাকছে আমায়

ভালোবাসা কি কোনো বাধা মানে? হয়তো না, কিন্তু মাঝে বিচ্ছেদ আসতে পারে, কারণ মানুষের লোভ, নির্মমতা। রঞ্জনা ভালোবেসেছিল, শুভও। কিন্তু তাদের ভালোবাসা পূর্ণতা পায়নি এক মর্মান্তিক ঘটনাতে। কিন্তু সবকিছু সেখানেই কি শেষ হয়ে গেছিল? হয় নি। অপার্থিব অপেক্ষায় থাকা রঞ্জনা আর শুভ কি মিলিত হতে পেরেছিলো? সেই নিয়েই এই উপন্যাসিকা।
এবং গল্পেরা

সমাজ ক্ষতবিক্ষত। এইসময়ে মানুষ হয়ে মানুষের মনের কথা বলা দরকার। কোনো একজন নির্দিষ্ট মানুষ নন, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কথা। 'এবং গল্পেরা' নামক এই গল্প সংগ্রহে একজন মানুষ তার চারপাশের আর কয়েকজন মানুষের কথা বলতে চেয়েছেন, তাই এই এই সংগ্রহে তীব্র প্রেম আছে, পরকীয়া আছে, সম্প্রদায়গত ঘৃণার গল্প আছে, ভূত আছে, গোয়েন্দা আছে, খুন আছে, অনুবাদ আছে সাথে আবার নিছক মানুষের গল্পেরাও আছে।
আমাদের এই সংকলন নির্দিষ্ট কোনো জঁরের আওতায় আসে না। বরং এই সংকলনের নবীন লেখকেরা চেয়েছেন তাঁর নিজের গল্পটা বলতে। যে গল্পটা হয়তো ওই লেখক না বললে, তার চারপাশের যোজন যোজন মাইল ব্যাসার্ধের আর কেউই বলে উঠতে পারত না।
লিখেছেন:
অপর্ণা চৌধুরী অমিতাভ দাশশর্মা অমৃতা মুখার্জী অলোক রায় আঞ্জনেয় ভট্টাচার্য ইন্দ্রলেখা ভট্টাচার্য্য এস এস অরুন্ধতী জয়দীপ গুপ্ত জাহাঙ্গীর হোসেন তাসনিয়া আহমেদ তীর্থপতি গুপ্ত দিবাকর দাস দোলা সেন দীপ ঘোষ নাঈম হাসান পপি দে পৌষালী সেনগুপ্ত বামাচরণ ভট্টাচার্য মলয় সরকার মাহমুদুর রহমান মিতা ঘোষ মিত্রা হাজরা রুমা চৌধুরী রূপম চট্টোপাধ্যায় রূপসা নাথ শাশ্বতী রায় শুভব্রত বসু শ্যামাপ্রসাদ সরকার সন্ধ্যা বোস সুচরিতা ঘোষ সুচেতনা সেন কুমার সুজয় দত্ত সুবীর বিশ্বাস সুষমা ব্যানার্জী সৌম্যসুন্দর মুখোপাধ্যায় সৌভিক দাস হিমাদ্রী মৈত্র !
ভয় (গল্প সংকলন)

ভয় - এই শিরোনামের আড়ালে কয়েকটি গল্প। আমাদের ভয়ের কতই তো কারণ থাকে। তবে অশরীরীর ভয়ই সম্ভবত আমাদের সবচেয়ে প্রাচীন ভয়। যারা একসময়ে মানুষ ছিল কিন্তু এখন আর নেই, তারাও কোনো না কোনো ভাবে থেকে যায় জীবন্ত মানুষগুলোর সাথে, হয়তো ফিরে আস্তে চায়, হয়তো সঙ্গী চায়। এসব নিয়েই এই গল্প ক'টি।

