বাংলা ই-বই
মহাভারত - কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত - পঞ্চম খন্ড

কালীপ্রসন্ন সিংহের সব থেকে বড় কীর্তি হল মহাভারতের অনুবাদ। তাঁর সম্পাদনায়, আঠারো পর্ব মহাভারত গদ্য আকারে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে, যা এখনও ব্যাপকভাবে পঠিত এবং প্রকাশিত হয়। পুরো প্রকল্পটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তদারকিতে হয়েছিল। এই অনুবাদটি ১৮৫৮ থেকে ১৮৬৬ এর ভিতরে প্রকাশিত হয়েছিল। সমগ্র অনুবাদকরণ প্রক্রিয়াটি উত্তর কলকাতার বরাহনগরে অবস্থিত সারস্বতাশ্রম নামে একটি বাড়িতে সম্পন্ন হয়েছিল।
টানা আট বছর ধরে উদয়-অস্ত পরিশ্রমের পর ১৮৬৬ সালে শেষ হল অনুবাদের কাজ।
কালীপ্রসন্ন বিনামূল্যে মহাভারত বিতরণ করেছিলেন। এই বিপুল খরচ বহন করতে তিনি তাঁর বিভিন্ন মহল অর্থাৎ নিজস্ব মালিকানাধীন জমি বিক্রয় করে দিয়েছিলেন। সেই সময়ে পুরো আড়াই লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই মহাভারত বিতরণে।
উদ্দেশ্য একটাই, দেশের সাধারণ মানুষ ভারতের এই মহান মহাকাব্যকে জানুক, নিজের দেশের অসামান্য সাহিত্যকীর্তির সঙ্গে পরিচিত হোক !
নির্বাচিত কবিতা সংগ্রহ - শ্যামাপ্রসাদ সরকার

দিনান্তে যখন অন্তরমহলে ফিরে একটু অন্তরঙ্গতা আশা করে ফেলি তা কখন যেন কবিতার ভাষায় কথা ওঠে বলে যেন স্বস্তি পাই।
এই ই-বইএর এই পনেরটি কবিতা আসলে একজন গৃহস্থ ও আটপৌরে কবির অন্তরদহনের পোড়া ছাই। শব্দহীনতার বাহ্যিক আবেশ তাকে তাকে অন্তত কবিতার জগতে ব্রাত্য করেনি। এদের সবকটিকেই পাঠক পাঠিকাদের দরবারে পেশ করার দুঃসাহস দেখাতে সাহায্য করেছেন বইরাগ পাবলিকেশনের সকলে। এমনকি শ্রী অনির্বাণ দাস মহাশয় প্রচ্ছদ এঁকে দেওয়ার ঝক্কি সামলেছেন।
দি কল অব্ দি ওয়াইল্ড

জ্যাক লন্ডনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ “দি কল অব্ দি ওয়াইল্ড”-এর অনুবাদ প্রকাশিত হল। বাক নামে একটি কুকুর এই গ্রন্থের প্রধান চরিত্র। যে অপূর্ব কাহিনী এই আছে পরিবেশিত হয়েছে, জগৎ সাহিত্যে তার তুলনা নেই। দ্য কল অফ দ্য ওয়াইল্ড এর পটভূমি (১৯০৩) গোল্ড রাশ চলাকালীন ইউকন, কানাডা অঞ্চল! গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বাক, ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারা ভ্যালি থেকে চুরি হয়ে আলাস্কায় স্লেজ কুকুর হিসেবে বিক্রি হয়। কঠোর পরিবেশে টিকে থাকার সংগ্রামে সে ক্রমশ বন্য হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত তার আদিম প্রবৃত্তি ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দলের নেতা হয়ে ওঠে!
এই উপন্যাসটি মানুষের সভ্যতা বনাম প্রকৃতির আদিম শক্তির দ্বন্দ্বকে তুলে ধরে এবং জ্যাক লন্ডনের লেখনীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
পুরুলিয়া রুখামাটি সংবাদ 2025

পুরুলিয়া থেকে প্রকাশিত রুখামাটি সংবাদ পত্রিকার শারদীয় 2025 সংখ্যা এবার ইবুকেও!
সূচিপত্র
▪️প্রচ্ছদ নিবন্ধ : পুজোয় বলিদান কেন? - দিব্যেন্দু শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়
▪️গল্প
আমাদের পেরি আঙ্কেল - সুবীর বিশ্বাস
ঘোস্ট রাইটার - বিমল লামা
প্রতিধ্বনি - দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়
কাটাকুটি - রূপম চট্টোপাধ্যায়
যুদ্ধের পরে - অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়
▪️কবিতা
সোমেন মুখোপাধ্যায়
▪️প্রবন্ধ
পুরুলিয়ার লৌকিক দেবদেবী - উৎপল দাস
▪️ফ্যান ফিকশনে ফেলুদা স্মরণ সম্পূর্ণ উপন্যাস
হায়দ্রাবাদে মরণফাঁদ - সিতম চক্রবর্তী
▪️সম্পূর্ণ উপন্যাস
খুঁজে ফিরি ঈশ্বর - দীপ মাহান্তী
পঁচিশ-কাহন

জীবনের প্রতিটি স্তরে মানুষ খোঁজে অর্থ, সম্পর্ক, ও আত্মপরিচয়ের সূত্র। পঁচিশটি ছোটগল্প নিয়ে এই সংকলনের প্রতিটি গল্প—কখনও সূক্ষ্ম রসিকতায় মোড়া, কখনও বা নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাসে—আসে সমাজের গভীর প্রান্ত থেকে, যেখানে প্রতিদিনের খুঁটিনাটি ঘটনাই হয়ে ওঠে অন্তরের আয়ন া। এই সংকলন, গল্পগুলির কিছু প্রকাশিত হয়েছে সানন্দার কিছু সংখ্যায় ! নানা স্বাদের গল্পগুলি পাঠকের পছন্দ হবে আশা করি আমরা!
ঠাকুর বাড়ির লেখা

জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে কয়েক প্রজন্ম ধরে সাহিত্যের ধারা বহমান ছিল, রবীন্দ্রনাথ ছাড়াও তাঁর পিতা, দাদা, দিদি এবং অন্যান্য পরিজন সাহিত্য চর্চা করেছেন । দেবেন্দ্রনাথের ব্রাহ্মধর্মের ওপরের লেখাগুলি, জ্ঞানদানন্দিনী দেবী এবং সত্যেন্দ্রনাথের স্মৃতিকথা, স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত দুটি উপন্যাস, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধ এবং অনুবাদ, এই সবই পাবেন এই ই-বইটিতে।
গোলপোস্টের এপার ওপার

রাসেল এবং মাইকেল ক্ল্যাডিয়াস দুই ভাই। রাসেল কলকাতার এক নামী ফুটবল দলের অতিদামী গোলরক্ষক। আর মাইকেল তাদের বাবার মতোই হকি প্লেয়ার। কলকাতা মাঠে। তাদের বাস বো ব্যারাকে। বাবা সরকারী আধিকারিক, মা প্রতিষ্ঠিত স্কুলের শিক্ষয়ত্রী।
ফুটবল পাগল সুজাট রাসেলের বান্ধবী-কাম-প্রেমিকা । আর মাইকেল সুজাটের ছোট বোন, মিলাটকে ততোধিক ভালবাসে; যতখানি কিনা মিলাট তা অমূল্য মনে করে না। সে শহরের এক নামী র্যাপ-ড্যান্সার। উচ্ছল , প্রাণবন্ত বন্ধুপ্রিয় যুবতী। তাদের বাবা শহরের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। মা গৃহবধূ।
অতি গুরুত্বপূর্ণ বছরের শেষ খেলায় প্রতিপক্ষের খেলোয়ারের জোড়াল এক গড়ানো শটে রাসেল পরাজিত হয় এবং তাতে ক্লাব তো ক্লাব, তারও বদনাম রটে, সে কিনা অর্থের বিনিময়ে গোল ছেড়ে দিয়েছে। বিশাল অঙ্কের পারিতোষিক হাত ছাড়া হয় ক্লাবের। ক্লাব তাকে সাসপেন্ড করে।
এই পরাজয় নিয়ে সুজাটের অভিমান, মন কষাকষি। যা রাসেলকে আত্মহননের দিকে ঠেলে দেয় এবং তার ফুটবল জীবনের সমাপ্তিতে পর্যবসিত হবার উপক্রম হয়। সেখান থেকে সুজাটই তাকে উদ্ধার করে। সম্পূর্ণ নিজের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রচেষ্টা এবং স্বীয় জীবনের ক্ষতি স্বীকার করেও। বিদেশে নিয়ে গিয়ে বিচক্ষণ চিকিৎসা এবং পুনরায় গোলরক্ষকের ট্রেনিং প্রাপ্ত করিয়ে রাসেলকে খ্যাতনামা গোলকিপারে পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেওয়ায়।
তার সাহা্য্যে এগিয়ে এসেছে সুজাট-মিলাট এবং রাসেল-মাইকেলের পুরো পরিবার। বিশেষ করে র্যাপ ডান্সে প্রতিষ্ঠিত মিলাট ক্লডিয়াস। এবং তা করতে গিয়ে মিলাটের জীবনেও দুর্যোগ ঘনিয়ে আসে যা থেকে তাকে উদ্ধার করে মাইকেল, নিজের জীবনীকে বাজী রেখে। এর পরেও কিন্তু মিলাট নারী-বুভুক্ষু এই পুরুষ প্রাধান্য সমাজের কাছে হার মানে। কেন, কিভাবে, কখন? -এই কাজে মিলাটের অবদান কি- সব জানতে গেলে পড়তে হবে দেশ-বিদেশের ঘটনাবহুল নানান কাহিনীতে সমৃদ্ধ সম্পূর্ণ উপন্যাসটি।
ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার

“ক্রিকেটের খেরোর খাতা” এবং দ্বিভাষিক কপিল-নামা–র পর গত তিন বছরে কখনও অনুরোধে, কখনও নিজের খেয়ালে আবারও ক্রিকেট-লেখার মাঠে নামতে হয়েছে। সেই বিচ্ছিন্ন লেখাগুলোরই সংহত রূপ এই ‘কুড়ি ওভার’। এখানে উঠে এসেছে অধিনায়কত্বে গাভাস্কর, গাঙ্গুলি ও ধোনির ভূমিকা; বিভিন্ন যুগের কম আলোচিত ক্রিকেটারদের স্মৃতি; অ্যাশেজ ট্রফির জন্মকথা; ইমরান খানের টেস্ট ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পথ; ভারতের কয়েকটি রোমাঞ্চকর টেস্ট ম্যাচ; বেসিল ডি’ওলিভেইরার সংগ্রাম; প্রথম টি–২০ বিশ্বকাপজয়ের সময়কার প্রেক্ষাপট; ১৯৯২ বিশ্বকাপের এক নিয়মের বিবর্তন; ভারতীয় ক্রিকেটের তিন-নম্বর ব্যাটারদের বিশ্লেষণ; বেতার ধারাভাষ্যের পথিকৃৎদের অবদান এবং শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের শুরুর ইতিহাস।
আবার এসো ফিরে

যে জীবন ইতিহাসে লিপিবদ্ধ, তার বাইরেও থাকে এক অলিখিত জীবন—স্বপ্নের, সম্ভাবনার, এবং কল্পনার। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন যেমন এক দীপ্তিমান প্রদীপ, তেমনি এই গ্রন্থে তিনি হয়ে উঠেছেন এক কাব্যিক চরিত্র, যাঁর অন্তরঙ্গতা, দ্বন্দ্ব, এবং নিঃসঙ্গতা আমাদের নতুন করে ভাবায়।
এই বই কোনো তথ্যভিত্তিক জীবনচরিত নয়, বরং এক সাহিত্যিক অন্বেষণ—যেখানে বিদ্যাসাগর কেবল সমাজ সংস্কারক নন, তিনি এক কবি, এক প্রেমিক, এক নিঃসঙ্গ পথিক। তাঁর চোখে জ্বলছে যুক্তির দীপ্তি, কিন্তু হৃদয়ে বাজছে আবেগের মৃদু সুর। তাঁর পদচারণা যেন এক দীর্ঘ গদ্যকবিতা, যেখানে প্রতিটি শব্দে লুকিয়ে আছে এক নতুন বাংলার স্বপ্ন।
এই কাল্পনিক জীবনীর প্রতিটি অধ্যায় যেন এক গল্প, এক কবিতা, এক নাট্যাংশ—যেখানে ইতিহাসের ছায়া আছে, কিন্তু আলোটা সম্পূর্ণ সাহিত্যিক। পাঠক, আপনি যখন এই বইয়ের পৃষ্ঠাগুলো উল্টাবেন, তখন আপনি শুধু একজন মনীষীকে নয়, বরং এক চরিত্রকে আবিষ্কার করবেন—যিনি আমাদের মতোই মানুষ, কিন্তু আমাদের চেয়ে অনেক বেশি স্বপ্নদ্রষ্টা।
অভ্যুদয়ের শার্লক হোমস্ সমগ্র - প্রথম খণ্ড– উপন্যাস

বহুদিন উৎসুক প্রতীক্ষার পর অবশেষে অসংখ্য শার্লক হোমস্ প্রেমীর জন্যে সুখবর। অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির থেকে প্রকাশিত সেই সাড়াজাগানো শার্লক হোমস্ সমগ্রের ই বই সংস্করণ। ১৯৮০ সালে প্রথম বাংলায় পূর্নাঙ্গ অনুবাদে শার্লক হোমস্ সমগ্র প্রকাশ করে অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির। দক্ষ অনুবাদকদের মূলানুগ ও সাবলীল অনুবাদ বিদগ্ধ পাঠক থেকে সাধারন পাঠক—সবার অকুণ্ঠ প্রশংসা কুড়োয়। কিন্তু তারপর দুর্ভাগ্যবশত বন্ধ হয়ে যায় অভ্যুদয়, সেইসঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় এই বইটির প্রকাশনা।
কিন্তু পাঠকের স্মৃতিতে চিরস্থায়ী হয়ে থেকে যায় এই বই, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয় সে স্মৃতি! ফলে প্রথম প্রকাশের চল্লিশ বছর পরেও বইটির জনপ্রিয়তা এখনও অটুট। পাঠকের মুখে মুখে ফেরে এই বইটির কথা। অনেকেই চাইছিলেন বইটি যাতে নতুন করে প্রকাশ পায়। তাই সবার দাবিকে সম্মান জানিয়ে অভ্যুদয় প্রকাশ- মন্দির থেকে নব সাজে সজ্জিত হয়ে আত্মপ্রকাশ করল শার্লক হোমস্ সমগ্র, প্রথম খণ্ড– উপন্যাস। আসবে বাকি গল্পগুলোও।
ক্রিকেটের খেরোর খাতা

কাহিনীর শুরু লেখকের জীবনের প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ দেখবার অভিজ্ঞতা – পাঁচবছরের বালকের বিস্ময়বিমুগ্ধ দৃষ্টিতে গ্যারি সোবার্সের শতরান দর্শন। তাও আবার ৫৬ বছর আগেকার ইডেনের গ্যালারি থেকে!
কিন্তু ক্রিকেটের ইতিহাস তারও অনেক আগের, কেমন ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ক্রিকেট, কে ছিলেন টেস্ট-ক্রিকেটের খাসমহলে পদার্পণকারী প্রথম ভারতীয়-বাঙালি? ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের স্বর্ণযুগ, ডন ব্র্যাডম্যান, প্রতিবেশী পাকিস্তানের ক্রিকেটে পরিপক্কতার কাহিনী, সময়ের সাথে কি ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে ক্রিকেট, হেলমেট থেকে বায়োমেকানিক্স , চায়নাম্যান বোলিংয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত, ক্রিকেটের খারাপ ছেলে শেন ওয়ার্ণ কিরকম অধিনায়ক ছিলেন? এই সবের সঙ্গে রয়েছে ক্রিকেটের নানা আকর্ষণীয় কাহিনী!
ক্রিকেট প্রেমীদের জন্যেই এই বই!
কলিকাতা কল্পলতা

“কলিকাতা কল্পলতা” গ্রন্থটি সম্ভবত বাংলা ভাষায় কোলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। তত্কালীন কলকাতা কেমন ছিল, তার এক সুন্দর বর্ণনা এখানে পাওয়া যায়। কলকাতার নামকরণ কি ভাবে হল তার একটা ব্যাখ্যা এখানে পাওয়া যায়। এপ্রসঙ্গে “কলিকাতা কল্পলতা’ থেকে ছোট একটি উদ্ধৃতি দেয়া যেতে পারে: এক রহস্যজনক জনশ্রুতি এই যে, ইংরাজেরা যখন প্রথমতঃ এইস্থানে বাণিজ্যালয় স্থাপনার্থ আগমন করিলেন তখন গঙ্গাতীরে দণ্ডায়মান কোন লোককে অঙ্গুলী প্রসারণ পূর্বক স্থানের নাম জিজ্ঞাসা করাতে সে ব্যক্তি সেইদিকে শায়িত এক ছিন্নবৃক্ষ দেখিয়া মনে করিল সাহেবরা কবে ঐ বৃক্ষছেদন হইয়াছে, তাহাই জিজ্ঞাসা করিতেছেন। অতএব সে উত্তরচ্ছলে কহিল— “কালকাটা”। সেই হইতে ইংরাজেরা ইহার নাম “ক্যালকাটা” রাখিলেন। জনশ্রুতি থেকে সাহিত্যিক উপাদান আর নথিপত্র, বহুবিধ উৎসের তথ্য বাছ-বিচার করে রঙ্গলাল কোলকাতার ইতিহাস রচনা করেন।
