top of page
বাংলা ই-বই 

পার্টনার

পার্টনার

পার্টনার

জীবনের সম্পর্কের সমীকরণ গুলো হামেশাই চেষ্টা করে নিজের মতো করে একটা সুন্দর সম্পর্কের বাতাবরণ তৈরি করতে, তাদের নাম আলাদা, সংজ্ঞাও আলাদা , সেই বাতাবরণে একটি নতুন সম্পর্কের সমীকরণ কি হতে পারে "পার্টনার" ? সে নিয়েই এই গল্প।

50

Buy From

আমরা ঠিকই পেরিয়ে যাব

আমরা ঠিকই পেরিয়ে যাব

আমরা ঠিকই পেরিয়ে যাব

কোনো কোনো বই ভোরের নরম আলোর মতন স্নিগ্ধতা ও প্রত্যয়ে ভরে দেয় অন্তর।আকাশে বাতাসে যেন রমিত হতে থাকে--- আমরা ঠিক-ই পেরিয়ে যাব আঁধার রাতের ঝড়/ আঁধার রাতের ঝড় পেরোতে মানুষ-ই তো নির্ভর। এমন-ই এক কাব্যগ্রন্থ অমিতাভ দাশশর্মার “আমরা ঠিকই পেরিয়ে যাব…”। এ বইতে দুটি পর্যায়ে বিন্যস্ত হয়েছে কবিতা। গার্হস্থ্য পর্যায় এবং অন্তরীণ পর্যায়। গার্হস্থ্য পর্যায়ে কবি ছুঁয়ে ফেলেন আমাদের নৈমিত্তিকতার নানান দিকচিহ্ন--- ভেজা কাঠে আঁচ দিলে ধোঁয়া ওঠে খুব… ধোঁয়ায় ঘর-দোর মলিন হয়ে যায়…। অন্তরীণ পর্যায়ে কবি-কলমে ধরা পড়েছে মানুষের বর্তমান গৃহবন্দিত্বের যন্ত্রণা, একই সঙ্গে এই অতিমারী জয় করার প্রত্যয়।

50

Buy From

শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত (সম্পূর্ণ)

শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত (সম্পূর্ণ)

শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত (সম্পূর্ণ)

শ্রীম- মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত শ্রীরামকৃষ্ণের ব্যক্তিত্বে আকর্ষিত হয়ে মহেন্দ্রনাথ তার কথোপকথন ও কার্যকলাপের স্টেনোগ্রাফিক রেকর্ড রাখতে শুরু করেন নিজের ডায়েরিতে। এই রেকর্ডটিই পরবর্তীকালে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত নামক বইয়ের আকার নেয়।
রচনাপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি লিখেছিলেন, "বাড়ি ফেরার পর স্মৃতি থেকে সব কিছু লিখে রাখতাম। মাঝে মাঝে সারা রাতও জেগে থাকতে হত...মাঝে মাঝে টানা সাত দিন বসে থেকে লিখতে হত। গানগুলিকে স্মরণে আনতে হত, কোন ক্রমে সেগুলি গাওয়া হয়েছিল, সেগুলিও মনে করতে হত, সমাধি ও অন্যান্য সব ঘটনার কথা মনে করতে হত।" কথামৃতের প্রতিটি পরিচ্ছেদে মহেন্দ্রনাথ তথ্যের পাশাপাশি সময় ও স্থানের উল্লেখ করেছেন। "কথামৃত" শব্দটি বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থ ভাগবত পুরাণ-এর ১০।৩১।৯ সংখ্যক শ্লোক থেকে গৃহীত।

50

Buy From

সহজ পাঠ - দ্বিতীয় ভাগ

সহজ পাঠ - দ্বিতীয় ভাগ

সহজ পাঠ - দ্বিতীয় ভাগ

মাতৃভাষা বাংলা ছড়িয়ে যাক বিশ্বের প্রতিটি কোণে, প্রবাসী বাঙালি পিতামাতারা যাতে সহজেই পরবর্তী প্রজন্মকে বাংলাভাষার সঙ্গে পরিচিত করাতে পারেন সেই উদ্দেশ্যে বইটির ই ভার্সন তৈরী করা হলো।

50

Buy From

অন্ধ প্রহর

অন্ধ প্রহর

অন্ধ প্রহর

দেশের অন্যতম প্রভাবশালী পরিবারের একমাত্র ছেলেকে ব্ল্যাকমেল করতে গিয়ে নিজেদেরই বিপদ ডেকে আনে দুই যুবক। ঘটনার ক্রমণিকায় তাদের সাথে জড়িয়ে পড়ে আরো অনেকেই। একটি মিথ্যে যেভাবে একাধিক মিথ্যের জন্ম দেয়, ঠিক একইভাবে একটি অপরাধের প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় আরো অপরাধের। কিছু মানুষের ভুল-ভ্রান্তি, লোভ-লালসা আর অপরাধের বিস্তৃত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় এক জটিল সমীকরণের। যে-সমীকরণের সমাধান নিহিত আছে এক অন্ধ প্রহরে।

50

Buy From

সপ্তপর্ণী

স��প্তপর্ণী

সপ্তপর্ণী

পনেরটি বাছাই করা গল্পের সংকলন,এই বইতে ভৌতিক-অতিলৌকিক থেকে মানবমনগহনের অলিগলির সন্ধান, অস্তিত্বের সংকট থেকে পুরাণের বিনির্মাণ, গেরস্থালির পিঞ্জরে বসা নারীসত্তার আর্তি থেকে তন্ত্রলোকে দিকভ্রান্ত আত্মার আর্তনাদ – সবরকম বিষয় নিয়ে লিখেছেন লেখকরা। সব চেয়ে বড় কথা, তাঁরা দেখাতে পেরেছেন, গল্প শুধু বললেই হয় না, বলতে জানতে হয়। অর্থাৎ, ভাষার মুনশিয়ানা ছাড়া, গল্প, গল্প হয়ে ওঠে না।
লেখক তালিকা : সংগ্রামী লাহিড়ী, রাজেশ্বরী সুর, দোলা সেন, শরণ্যা মুখোপাধ্যায়, অঙ্গিরা দত্ত দণ্ডপাট, সুষমা ব্যানার্জী, তিস্তা চক্রবর্তী, এস এস অরুন্ধতী, শাশ্বতী রায়, হৈমন্তী ভট্টাচার্য, অর্পিতা মন্ডল, রাণা মুখার্জী, ঋজু গাঙ্গুলী, নন্দিনী চট্টোপাধ্যায়, চয়ন সমাদ্দার

50

Buy From

সুকান্ত সমগ্র

সুকান্ত সমগ্র

সুকান্ত সমগ্র

সুকান্ত ভট্টাচার্য ! সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবন মাত্র মাত্র ২১ বছরের আর লেখালেখি করেন মাত্র ৬/৭ বছর। পরাধীন দেশের দুঃখ দুর্দশাজনিত বেদনা এবং শোষণ মুক্ত স্বাধীন সমাজের স্বপ্ন, শোষিত মানুষের কর্ম জীবন এবং ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য সংগ্রাম তাঁর কবিতার মূল প্রেরণা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, তেতাল্লিশের মম্বন্তর, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতির বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেন। অসুস্থতা অর্থাভাব তাকে কখনো দমিয়ে দেয়নি। মানুষের কল্যাণের জন্য সুকান্ত নিরন্তর নিবেদিত থেকেছেন। মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কাব্যধারার প্রচলিত প্রেক্ষাপটকে আমূল বদলে দিতে পেরেছিলেন।
সুকান্তের বাল্যবন্ধু ছিলেন কবি অরুনাচল বসু। এই বইয়ে অন্তর্ভুক্ত সুকান্তের চিঠিগুলির বেশিরভাগই অরুনাচল বসুকে লেখা। আর সঙ্গে রয়েছে তাঁর রচিত সমস্ত কবিতা।

50

Buy From

কালের যাত্রার ধ্বনি

কালের যাত্রার ধ্বনি

কালের যাত্রার ধ্বনি

ইতিহাসের কালচক্রের বৈশিষ্ট্য বড়ই বিচিত্র। যুগের সাথে সাথে সময়ের পালাবদলে হঠাৎ কেমন করে বদলে যায় মানুষের মুখ, মানুষের গল্প, রাজ্য রাজধানী...সব কিছুই।
শুধু রয়ে যায় যা কিছু শ্বাশ্বত, যা অমলিন, যা চিরায়ত।
সেই অনুভবটিকেই এবার দু'মলাটে আপনাদের জন্য তুলে ধরা। চেষ্টা করেছি বিবিধ যুগের একটা করে গল্প সাজিয়ে আপনাদের কাঙ্খিত পাঠ্যসুখ দেবার।
এই ধারার কাহিনীকথনে প্রতিটি একক রচনাই আমার শিক্ষক ও আজন্মকালের গুরু শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক শ্রী শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের চরণকমলের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। উনি বাঙালী পাঠকের চোখে ইতিহাসকে গল্পের আঙ্গিকে তুলে ধরে তাকে দেখতে না শেখালে হয়তো আমার কোনওকালেই ইতিহাসযাপন সম্ভব হত না।

50

Buy From

পাইরেট পাইরেট

পাইরেট পাইরেট

পাইরেট পাইরেট

পাইরেট বললেই আমাদের মনে আঠেরোশো শতকের কথা ভেসে আসে , কিন্তু বাস্তবে এখনো জলযাত্রা আধুনিক পাইরেটদের থেকে নিরাপদ নয় আর তার সঙ্গে যদি জড়িয়ে যায় নানা ষড়যন্ত্র , যেখানে নামতে হয় আমেরিকান এবং বৃটিশ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিকে তাহলে ব্যাপারটা আরো ঘোরালো হয়ে ওঠে। আবার এখানে দুই পশ্চিমা দেশের হয়ে কাজে নামে জন্মসূত্রে ভারত আর বাংলাদেশের দুই নারী পুরুষ। তারপর কি হলো? এই গতিশীল থ্রিলার পড়ে ফেলুন উত্তর জানতে।

50

Buy From

বাঙ্গালীর মস্তিষ্ক ও তাহার অপব্যবহার

বাঙ্গালীর মস্তিষ্ক ও তাহার অপব্যবহার

বাঙ্গালীর মস্তিষ্ক ও তাহার অপব্যবহার

কোন জাতির গৌরব ও মহত্ত্ব নিরূপণ করিতে হইলে, কি কি উপাদানে এই মহত্ত্ব গঠিত সর্বাগ্রে তাহারই পৰ্য্যালোচনা করিতে হইবে। আমার বোধ হয়, ভূদেব ও বঙ্কিমচন্দ্রের লিখিত অভিমতের উপর নির্ভর করিয়া যাহারা বাঙ্গালীর, এমন কি, হিন্দু জাতির গৌরবের শ্লাঘা করিয়া থাকেন, তাহারা অজ্ঞাতসারে ভ্রান্ত অভিমত পাের্ষণ করেন মাত্র। রঘুনন্দন ও কুল্লুকভট্টের টীকা টিপ্পনী শ্লাঘার বিষয় জ্ঞান করিয়া যদি উহারই আদেশ অভ্রান্ত সত্য মানিয়া, সেই অতীতপ্রায় কূট শিক্ষায় মনােনিবেশ আমাদের গৌরবের বিষয় বলিয়া অনুমিত হয়, আর বর্তমানের নূতন আশা, নুতন উদ্দীপনা ঠেলিয়া ফেলিয়া প্রাচীনের প্রচলন শান্তির ধীর কৰ্ম্ম বলিয়া আদৃত হয়, জানি না এ মৃতপ্রায় জাতি নূতনের প্রবল অসহনীয় সংঘর্ষে আর কত দিন বাঁচিতে সক্ষম হইবে !

50

Buy From

স্টিম হাউস

স্টিম হাউস

স্টিম হাউস

১৮ জুন, ১৮৫৮ সাল! গোয়ালিয়রের কাছে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের এক লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এক বীরাঙ্গনা! রানী লক্ষ্মী বাঈ! তাঁর বাহিনী মুখোমুখি হয়েছে জেনারেল হিউ রোজের নেতৃত্বে থাকা ব্রিটিশ বাহিনীর। গোয়ালিয়র পুনরুদ্ধারের জন্য পাল্টা আক্রমণে ইতোমধ্যেই ব্রিটিশরা হারিয়েছে তাদের বাহিনীর পনেরো শতাংশ।
ভয়ানক এই লড়াইয়ের ময়দানে বীরাঙ্গনা মুখোমুখি হলেন কর্নেল মুনরোর। যুদ্ধে মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন রানী। এই রানী লক্ষ্মী বাঈয়ের শেষ যুদ্ধ।
যুদ্ধ জয়ের আনন্দে থাকা কর্নেল মুনরো জানতেন না কানপুরে নানা সাহেবের নেতৃত্বে কি ঘটেছিলো! সেখানে মারা যান তাঁর স্ত্রী লরা !
নানা সাহেব জানতে পারলেন তাঁর গুরুত্ত্বপূর্ণ সহযোগী রানীর মৃত্যুর জন্যে দায়ী কে, কর্নেল মুনরোও জানতে পারলেন তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর জন্যে দায়ী কে। দুজনেই শপথ নিলেন প্রতিশোধের।
১৮৬৬ সালের কলকাতা, তখনও ভারতে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের স্মৃতি ফিকে হয় নি। তার একটা প্রধান কারণ নানা সাহেবের অন্তর্ধান! তাঁর মৃত্যুর খবর যদিও ছড়িয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল স্যার এডওয়ার্ড মুনরো তা বিশ্বাস করেন না। মুনরো এবং একদল ইউরোপীয় ভারত জুড়ে যাত্রার পরিকল্পনা করছেন। এই দলে রয়েছেন ব্যাংকস, একজন রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ার; ফরাসি অভিযাত্রী ম্যাকলার; একজন শিকারী, ক্যাপ্টেন হুড, এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল স্যার এডওয়ার্ড মুনরো। তাদের সাথে রয়েছে মুনরোর বিশ্বস্ত সার্জেন্ট ম্যাকনিল; ক্যাপ্টেন হুডের বিশ্বস্ত ভৃত্য এবং সহ-শিকারী ফক্স, ফরাসি বংশোদ্ভূত একজন রাঁধুনি মন্সিয়র প্যারাজার্ড; ব্রিটিশ ইঞ্জিন চালক স্টোর, সহকারী চালক কালাউথ, এবং কর্নেল মুনরোর বিশ্বস্ত গুর্খা ভৃত্য গৌমি।
তাঁরা যাত্রা করছেন কিভাবে? না ট্রেনে বা ঘোড়ার পিঠে করে না। তাদের সঙ্গে আছে ইঞ্জিনিয়ার ব্যাংকসের বেহেমথ! এক লোহার তৈরী হাতি, যে চলে স্টিম ইঞ্জিনে। উঁচিয়ে থাকা লোহার শুঁড়, লোহার দেহের বেহেমথ যখন ধোঁয়া ওগরাতে ওগরাতে দুখানি বগিকে টেনে নিয়ে যায়, সে দৃশ্য দেখতে লোক ভেঙে পড়ে!
এডওয়ার্ড মুনরোর এই যাত্রায় অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্য একটাই। তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর বদলা নেওয়া, যিনি মারা গিয়েছিলেন ১৮৫৭ সালের কানপুরের লড়াইয়ে, আর তার জন্যে তাঁকে খুঁজে বার করতে হবে নানা সাহেবকে!

শুরু হয় এক লোমহর্ষক যাত্রা, যার পদে পদে বিপদ। ভাগ্য নয় বছর পরে কি আবার মুখোমুখি করবে নানা সাহেব এবং কর্নেল মুনরোকে?

50

Buy From

বালুচরির সূচ

বালুচরির সূচ

বালুচরির সূচ

রয়েছে চারটি গল্প। জীবনপথে চলতে চলতে লেখক যা দেখেন তা উঠে আসে তার কলমের ডগাতে। সেরকমই কিছু গল্পের সংকলন।

50

Buy From

Heading 1

bottom of page