বাংলা ই-বই
পথের পাঁচালি ও অপরাজিত

পথের পাঁচালি ও অপরাজিত
‘পথের পাঁচালী' উপন্যাস নিশ্চিন্দিপুর গ্রামকে আশ্রয় করে প্রধানতঃ অপু ও দুর্গার শৈশব-কৈশোরের বয়স ঘেরা দেহ মনের রূপকথা। এই রূপকথাময় কল্পনার দেশের পরিচয় দেওয়া হয়েছে প্রধানতঃ অপুর দৃষ্টিকোণে। তাই “সে বেতসী কণ্টকিত তট, বিচিত্র পুলিন গোদাবরী, সে শ্যামল জন্মস্থান, নীল মেঘমেলায় ঘেরা সে অপূর্ব শৈলপ্রস্থ, রামায়ণে বর্ণিত কোনো দেশে ছিল না। বাল্মীকি বা ভবভূতিও তাহাদের সৃষ্টিকর্তা নহেন। কেবল অতীত দিনের কোনো পাখিডাকা গ্রাম্য সন্ধ্যায় এক মুগ্ধমতি গ্রাম্যবালকের অপরিণত শিশুকল্পনার দেশে তাহারা ছিল বাস্তব, একেবারে খাঁটি, অতি সুপরিচিত।” তবু শিশুর কল্পনাময় জগতের পাশে ‘বল্লালী বলাই’ অংশে স্থান পেয়েছে ইন্দিরা ঠাকরুণের কথা, যা লেখকের সমাজ সচেতন ঐতিহ্যচেতনাকে চিহ্নিত করে। 'পথের পাঁচালী'র পরবর্তী অংশ ‘অপরাজিত'। এখানে অপুর কৈশোর ও যৌবনের কাহিনী বর্ণিত। এখানে অপুর কলকাতাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে জীবনযাপন ও ভ্রমণ, অপর্ণার সঙ্গে বিবাহ ও স্ত্রীর মৃত্যু শেষে পুত্র কাজলকে নিয়ে গ্রামে ফিরে আসার বিচিত্র ঘটনাধারা বিবৃতি।
পরশুরাম গল্প সমগ্র

পরশুরাম গল্প সমগ্র
পরশুরামের গল্পের জনপ্রিয়তার পিছনে বড় কারণ এদের কৌতুক, wit, humor আর satire, এই তিনধরণের কৌতুকের মধ্যে পরশুরাম বেছে নিয়েছিলেন satire কেই। আর তার ফল অমর সব চরিত্র , গন ্ডেরিরাম বাটপারিয়া, কারিয়া পিরেত, জাবালি পত্নী হিন্দ্রলিনী। শ্যামানন্দ ব্রহ্মচারী, বিরিঞ্চিবাবা, হনুমান প্রেমিকা চিলিম্পা— আরও কত সব।
প্রখর বুদ্ধির দীপ্তিতে উজ্জ্বল তাঁর হাস্যরসাত্মক গল্পগুলি জীবনের নানা অসঙ্গতিকে অবলম্বন করে রচিত। দীর্ঘকাল তাঁর এইসব রচনা বাঙালীকে নির্মল আনন্দ দিয়েছে। আশা করি পাঠকের ভালো লাগবে।
২৫শে মার্চ

২৫শে মার্চ
মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে দেশে ফিরে অদ্ভুত এক রহস্যময় ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে অরণি। মৃত্যুর আগে তার মা রেখে গেছে অদ্ভুত এক ধাঁধা আর ধোঁয়াশা মেশানো অতীত। মায়ের মৃত্যু রহস্য উন্মোচিত করতে হলে তাকে সমাধান করতে হবে এই ধাঁধার এবং ডুব দিতে হবে অতীতে। পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়ে তাকে সাহায্য নিতে হয় মায়ের খুনের সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া মানুষটির কাছ থেকেই। ঘটনার পরিক্রমায় নিজেও সে নাম লেখায় পলাতক আসামির খাতায়। অদ্ভুত এই রহস্য সমাধান করতে গিয়ে একদিকে পুলিশের তাড়া, অন্যদিকে অদৃশ্যভাবে তাদেরকে সাহায্য করতে থাকে অচেনা একদল লোক। ঘটনার ঘাত প্রতিঘাতে সে জানতে পারে সমস্ত রহস্যের বীজ রোপিত আছে ইতিহাসের বিশেষ একটি দিনে, ২৫শে মার্চ, ১৯৭১।
চার ইয়ারি কথা

চার ইয়ারি কথা
ঘড়িতে রাত দশটা ! ঝড়বৃষ্টি আসবার আশু সম্ভাবনা ! কে সমস্ত আকাশটিকে একখানি একরঙা মেঘের ঘেরাটোপ পরিয়ে দিয়েছে, এবং সে রং কালোও নয়, ঘনও নয়; কেননা তার ভিতর থেকে আলো দেখা যাচ্ছে। ছাই-রঙের কাচের ঢাকনির ভিতর থেকে আলো দেখা যায়, সেইরকম আলো। আকাশ-জোড়া এমন মলিন, এমন মরা আলোতে বাইরে যা-কিছু আছে, সব কিরকম নিস্পন্দ, নিস্পন্দ, নিস্তব্ধ হয়ে গেছে; যা জীবন্ত তাও মৃতের মত দেখাচ্ছে; বিশ্বের হৃৎপিণ্ড যেন জড়পিণ্ড হয়ে গেছে, তার নিশ্বাসরোধ হয়ে গেছে, রক্ত-চলাচল বন্ধ হয়েছে; মনে হচ্ছে যেন সব শেষ হয়ে গেছে যেন আর এক পৃথিবীর আর এক আকাশ;-দিনের কি রাত্তিরের বলা শক্ত।
এ আলোর স্পর্শে পৃথিবী যেন অভিভূত, স্তম্ভিত, মূৰ্জিত হয়ে পড়েছিল। চারপাশে তাকিয়ে দেখি,গাছ-পালা, বাড়ী ঘর-দোর, সব যেন কোনও আসন্ন প্রলয়ের আশঙ্কায় মরার মত দাঁড়িয়ে আছে ! পৃথিবীর উপরে সে রাত্তিরে যেন শনির দৃষ্টি পড়েছিল।
আর এরকম পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছে চার ইয়ার। সেন, সীতেশ, সোমনাথ এবং আমি।
সেন বল্লেন—”যেরকম আকাশের গতিক দেখছি, তাতে বোধ হয়। এখানেই রাত কাটাতে হবে।”
কি ঘটলো সেই রাতে? চেনাজানা পরিধি ছাড়িয়ে চার ইয়ার কি অন্য কিছুর স্পর্শ পেলো ? পড়ুন প্রমথ চৌধুরীর অনবদ্য গ্রন্থ -চার ইয়ারি কথা।
চাঁদ ওঝার সপ্ত আশ্চর্য

চাঁদ ওঝার সপ্ত আশ্চর্য
চাঁদ ওঝা কে? বা, প্রশ্ন করা যেতে পারেঃ চাঁদ ওঝা কেন? দুটো প্রশ্নের উত্তর একই। এক ভ্রাতৃপ্রতিম সাহিত্যিকের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতে হঠাৎ একদিন চাঁদ ওঝার আইডিয়ার জন্ম। সেই আলোচনাতেই ঠিক করা হয়, যেধরণের তন্ত্রসাধনাসংক্রান্ত হরর গল্প একশ্রেণির পাঠক প্রচুর পড়ছেন এবং কিছু লেখক প্রচুর লিখছেন, সেই লেখাকে ব্যঙ্গ করেই এক প্রতিনায়ককে খাড়া করা হবে, যার প্রবল প্রতাপে বাকি তান্ত্রিকরা থরহরিকম্প হয়ে যাবে। “শ্মশান-মশান কাঁপানো তান্ত্রিক” (ভাইটির কথা ধার করে বলি) এই চাঁদ ওঝা পারে না হেন কাজ নেই। তার গতিবিধি শুধু এই পৃথিবীতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ছড়িয়ে আছে গোটা মহাবিশ্বে এবং অন্যান্য প্যারালাল ইউনিভার্সেও।
পাঠক, ‘চাঁদ ওঝার সপ্ত আশ্চর্য’-এ আপনাকে স্বাগত।
ভারতের আখ্যান - মহাভারতে বর্ণিত আখ্যান সমূহ

ভারতের আখ্যান - মহাভারতে বর্ণিত আখ্যান সমূহ
যা নেই ভারতে তা নেই ভারতে , এই কথাটা কেন বলা হয় ? তার একটা কারণ মহাভারতে ছড়িয়ে থাকা আখ্যান সমূহ, বেশির ভাগ সময়ই এই সব আখ্যানের সরাসরি কোনো যোগ নেই মূল কাহিনীর সঙ্গে। কিন্তু এগুলো বলা হয়েছে উপদেশ দেবার ছলে। এর থেকেই বোঝা যায় প্রাচীন ভারতীয় মন ও মানসিকতা। কেমন ছিল তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা, কেমন ছিল তৎকালীন মরাল , নীতি দুর্নীতির মাপকাঠি। সেই জন্যেই এই গল্পগুলিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আর মহাভারতে বর্ণিত এই সব আখ্যান সমূহের্ সংখ্যা কিন্তু কম নয়। এগুলি কে নিয়েই আলাদা ভাবে এই বই।
অরণ্য জাতক

অরণ্য জাতক
“যখন হারাবার কিছু থাকে না তখন জীবনটা যেন বন্ধনহীন হয়ে দেখা দেয়। অমিত সম্ভাবনা নিয়ে যার প্রগতি হচ্ছে, মসৃন পথে যে সদম্ভে ঝরঝর করে এগিয়ে যাচ্ছে, সে সদা পদস্খলনের ভয় পায়। সদ্য চাকরি ছাড়ার দরখাস্ত দিয়ে আশু মুক্তিপ্রাপ্তির আশা নিয়ে অরণ্য আজ থেকে ঊনপঞ্চাশ বায়ুবেগে চলতে থাকবে।“
অরণ্য হয়ত বা আপনিই, যদি আপনার নিজের কৈশোরের তারুণ্যের যৌবনের দিন গুলির কথা আপনি স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে। কেমন ছিল কোন সদ্য কিশোরীর মুখের অভিঘাত, কেমন ছিল কোন তরুণীর হাসিমুখের দিকে চেয়ে থাকা দিনগুলি… কিন্তু শুধু প্রেম ই তো নয়, সদ্য চাকরিতে ঢোকার পর কি সামনাসামনি হতে হয়নি নানা চ্যালেঞ্জের…এই সব নিয়েই অরণ্য জাতক , আরবান লিজেন্ড নয়, আমার আপনার জীবনের ই কাহিনি ।
চতুর্বর্গ

চতুর্বর্গ
চারটি উপন্যাস ভিন্ন ভিন্ন চারটি যুগকে চিহ্নিত করেছে নির্মোক দৃষ্টি আবাহনে।
আধেকলীন হৃদয়ে দূরগামী- এটিকে উপন্যাসিকা বলাই যথোপযুক্ত হবে , আধুনিক কালে এক সম্পর্কের গল্প এটি!
কুসুমহার - ওই যে দীর্ঘদেহী এক আয়তচোখের অমিতকান্তি যুবা এগিয়ে আসছে ক্রমশঃ। সেই স্বয়ং নবদ্বীপ- চন্দ্র গৌরহরি। তাঁর অপরূপ কান্তি দেখলে মনে হয় যেন স্বয়ং বংশীধর যেন লীলাচ্ছলে আবার ধূলোমাখা এই মর্ত্যেভূমির বুকে নেমে এসেছেন। আমরা তাঁর ফেলে আসা সেই পথটি ধরে একবার চলে যাই সেই পাঁচটি শতাব্দীর অতিক্রমণে। অন্য এক কাহিনীর মোড়কে দেখাই যাক না সেই গৌরসুন্দর'কে আর একটি বার।
বহুযুগের ওপার হতে - ভূগোলের একটা নিজস্ব সীমাবদ্ধতা আছে। স্থান কাল পাত্রের স্হিরতা নিয়ে তার হিসেবের নড়চড় হয়না। তবু মানুষ যেখানে কাহিনীর কেন্দ্রে থাকে পটভূমিকা সেখানে অবান্তর না হলেও গৌণ। এই গল্পের 'গড়শ্রীখন্ডপুর' ভারতের মানচিত্রে খুঁজলে ঠকতে হবে। কিন্তু মানুষগুলো সব আসল।
নষ্ট-ছন্দ - নীললোহিত, তোমাকেই উদ্দেশ্য করে লেখা, এই উপন্যাসিকাটির অবতারণায় 'সীতাংশু', " সাম্য", "তরী" " সুনীতা আফরিন" এই চরিত্রগুলির সবটাই যে নিছক গল্পকথন নয় সেটা পাঠ করলে পাঠকপাঠিকা নিজেই বুঝেই যাবে অক্লেশে।
হৃদয়ের তরবারি, মৃত্যু দাঁড়ালে

হৃদয়ের তরবারি, মৃত্যু দাঁড়ালে
অসীম দাস, জন্ম ১৯৫৯ সালে, ২৪শে ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদে। বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে রসায়নে স্ নাতক। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম টেক করে চাকরী জীবনে প্রবেশ। কিন্তু আদতে তিনি কবি। এই বদলে যাওয়া সময়েও জীবনের অনেক ধ্রুবক আজ ধ্রুব ই আছে , তারই ছোঁয়া পাবেন পাঠকেরা এই কবিতা সংকলনে।
মাকাল সাহেব

মাকাল সাহেব
“আসার রাস্তা যেমন ফুরোতে চায় না, ফেরার রাস্তা ঠিক উল্টো। বৃষ্টি আসবে? অনন্ত একবার উপরে মুখ তুলে দেখে।
ভেজাবে নাকি হে আমাকে! ভেজাও, ভেজাও। অনন্তর সর্বাঙ্গ যে পুড়ে গেল হে তোমার নাটকের জুড়িদারি করে। তার বুক নাই, মন নাই, অন্তরে খাঁ খাঁ শুধু তুমি তাকে নদীর উছালে উছালে ভাসিয়ে বেড়ালে বলে। রুখাসুখা মাটিকে এইবারে খানিক ভেজাও হে; নইলে কিসের ভরসায় বসে থাকে সে!
এইপাড়ে নাই হোক, অন্তত ওইপাড়ে ঘর অনন্ত বসাবেই। …..”
- এক বহমান জীবনের গল্প মাকাল সাহেব।
ফেলুদা ফ্যানফিকশন

ফেলুদা ফ্যানফিকশন
ফ্যান ফিকশন ধারণাটা বাংলাসাহিত্যে কিছুটা নতুন, তবে এখন তা বেশ ভালই জনপ্রিয়তা পেয়েছে , এই ধারার সাহিত্যে কোন জনপ্রিয় চরিত্রকে নিয়ে মূল লেখক ব্যতীত উৎসাহী পাঠকরা গল্প লিখে ফেলেন। বাঙালী পাঠককূলে সবথেকে বেশী জনপ্রিয় গোয়েন্দাচরিত্রগুলোর অন্যতম ফেলুদা, সুতরাং তাকে নিয়ে যে ফ্যান ফিকশন লেখা হবে তাতে আর আশ্চর্য কি, বাজারে এরকম কিছু লেখা এসে গেছে, সেখানেই যোগ হলো আরো তিনটে গল্প।
এখন এধরণের লেখা ফ্যান ফিকশন না প্যাস্টিশ তা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে, তবে আমরা তা স্থির করার ভার পাঠকের হাতেই তুলে দিলাম।
গোলপোস্টের এপার ওপার

গোলপোস্টের এপার ওপার
রাসেল এবং মাইকেল ক্ল্যাডিয়াস দুই ভাই। রাসেল কলকাতার এক নামী ফুটবল দলের অতিদামী গোলরক্ষক। আর মাইকেল তাদের বাবার মতোই হকি প্লেয়ার। কলকাতা মাঠে। তাদের বাস বো ব্যারাকে। বাবা সরকারী আধিকারিক, মা প্রতিষ্ঠিত স্কুলের শিক্ষয়ত্রী।
ফুটবল পাগল সুজাট রাসেলের বান্ধবী-কাম-প্রেমিকা । আর মাইকেল সুজাটের ছোট বোন, মিলাটকে ততোধিক ভালবাসে; যতখানি কিনা মিলাট তা অমূল্য মনে করে না। সে শহরের এক নামী র্যাপ-ড্যান্সার। উচ্ছল , প্রাণবন্ত বন্ধুপ্রিয় যুবতী। তাদের বাবা শহরের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। মা গৃহবধূ।
অতি গুরুত্বপূর্ণ বছরের শেষ খেলায় প্রতিপক্ষের খেলোয়ারের জোড়াল এক গড়ানো শটে রাসেল পরাজিত হয় এবং তাতে ক্লাব তো ক্লাব, তারও বদনাম রটে, সে কিনা অর্থের বিনিময়ে গোল ছেড়ে দিয়েছে। বিশাল অঙ্কের পারিতোষিক হাত ছাড়া হয় ক্লাবের। ক্লাব তাকে সাসপেন্ড করে।
এই পরাজয় নিয়ে সুজাটের অভিমান, মন কষাকষি। যা রাসেলকে আত্মহননের দিকে ঠেলে দেয় এবং তার ফুটবল জীবনের সমাপ্তিতে পর্যবসিত হবার উপক্রম হয়। সেখান থেকে সুজাটই তাকে উদ্ধার করে। সম্পূর্ণ নিজের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রচেষ্টা এবং স্বীয় জীবনের ক্ষতি স্বীকার করেও। বিদেশে নিয়ে গিয়ে বিচক্ষণ চিকিৎসা এবং পুনরায় গোলরক্ষকের ট্রেনিং প্রাপ্ত করিয়ে রাসেলকে খ্যাতনামা গোলকিপারে পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেওয়ায়।
তার সাহা্য্যে এগিয়ে এসেছে সুজাট-মিলাট এবং রাসেল-মাইকেলের পুরো পরিবার। বিশেষ করে র্যাপ ডান্সে প্রতিষ্ঠিত মিলাট ক্লডিয়াস। এবং তা করতে গিয়ে মিলাটের জীবনেও দুর্যোগ ঘনিয়ে আসে যা থেকে তাকে উদ্ধার করে মাইকেল, নিজের জীবনীকে বাজী রেখে। এর পরেও কিন্তু মিলাট নারী-বুভুক্ষু এই পুরুষ প্রাধান্য সমাজের কাছে হার মানে। কেন, কিভাবে, কখন? -এই কাজে মিলাটের অবদান কি- সব জানতে গেলে পড়তে হবে দেশ-বিদেশের ঘটনাবহুল নানান কাহিনীতে সমৃদ্ধ সম্পূর্ণ উপন্যাসটি।
