বাংলা ই-বই
ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার

ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার
“ক্রিকেটের খেরোর খাতা” এবং দ্বিভাষিক কপিল-নামা–র পর গত তিন বছরে কখনও অনুরোধে, কখনও নিজের খেয়ালে আবারও ক্রিকেট-লেখার মাঠে নামতে হয়েছে। সেই বিচ্ছিন্ন লেখাগুলোরই সংহত রূপ এই ‘কুড়ি ওভার’। এখানে উঠে এসেছে অধিনায়কত্বে গাভাস্কর, গাঙ্গুলি ও ধোনির ভূমিকা; বিভিন্ন যুগের কম আলোচিত ক্রিকেটারদের স্মৃতি; অ্যাশেজ ট্রফির জন্মকথা; ইমরান খানের টেস্ট ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পথ; ভারতের কয়েকটি রোমাঞ্চকর টেস্ট ম্যাচ; বেসিল ডি’ওলিভেইরার সংগ্রাম; প্রথম টি–২০ বিশ্বকাপজয়ের সময়কার প্রেক্ষাপট; ১৯৯২ বিশ্বকাপের এক নিয়মের বিবর্তন; ভারতীয় ক্রিকেটের তিন-নম্বর ব্যাটারদের বিশ্লেষণ; বেতার ধারাভাষ্যের পথিকৃৎদের অবদান এবং শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের শুরুর ইতিহাস।
দিন শেষে

দিন শেষে
দেশের অন্যতম প্রভাবশালী এক গডফাদারের প্রধান সহকারী আহত অবস্থায় মারা যায় ডাক্তার তুলির তত্বাবধানে। তার মৃত্যুর সাথে সাথে অপরাধ জগত থেকে শুরু করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক দল সক্রিয় হয়ে ওঠে ডাক্তারকে নিজেদের করায়ত্ব করতে। প্রাণ বাঁচাতে ডাক্তার তুলিকে সাহায্য গ্রহণ করতে হয় অচেনা একজন মানুষের কাছ থেকে। দুজনে মিলে নিজেদের রক্ষা করতে গিয়ে ঢুকে পড়ে অপরাধ জগতের অন্দর মহলে। একটি মৃত্যুকে ঘিরে আবর্তিত হওয়া তিনজন মানুষ; একজন ডাক্তার, এক খুনি আর একজন পুলিশ অফিসার। আবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে সক্রিয় ক্ষমতা, লোভ, প্রতিহিংসা আর বিশ্বাসঘাতকতা মানুষগুলোকে ঠেলে দেয় পরিশিষ্ট পরিণতির দিকে।
ভারত মঙ্গল

ভারত মঙ্গল
ভাবতে অবাক লাগে যে রতিরঙ্গ ধ্রুপদী ভারতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল প্রাক ইসলাম পর্বেও, মধ্যযুগে এসে তা যেন একটি বদ্ধ নীতিবাগীশ শাসনে শুধু মুখ লুকিয়েই থেকে গেল। বৈষ্ণবপদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম মুক্তি পেলেও তা দেহাতীত নিকষিত হেম হয়ে সীমারেখা টেনে সামলে নিল। মানুষ মানুষীর মিলন মান্যতা পেল না। যৌনতার বিষয়ে মঙ্গলকাব্যেও সেই সাবধানী গা বাঁচানো রীতিটিই অকারণে বহাল রইলো।
অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগে ভারতচন্দ্র যেন 'প্রমিথিয়ূস' হয়ে এসে সেই নিষিদ্ধ রতিমঞ্জরীটিকে রসিকজনের সামনে নতুন অলঙ্কারে সাজিয়ে আনলেন। বাংলাভাষা সমৃদ্ধ হল ফার্সী আর হিন্দীর শব্দপ্রয়োগে। এভাবেই নিশ্চুপ হয়ে ভারত কৃষ্ণনগরে বসে বসে ধীরে ধীরে প্রাক উনিশশতকের আধুনিক ভাষা প্রবাহের প্রথম ইঁটটি গাঁথলেন। একদিন সেই পথ দিয়েই স্বচ্ছসলিলা ভাষার গঙ্গাটিকে বয়ে আনবেন ভগীরথসদৃশ স্বয়ং বিদ্যাসাগর।
'ভারতমঙ্গল' আদতে একটি উপন্যাস ই। ইতিহাস বর্ণনা নয়, বরং ইতিহাস যাপন। কল্পনা ও সত্যের মিশেলে সেই দিনগুলিতে একটু স্বপ্নিল পদচারণের প্রচেষ্টা মাত্র।
পদ্মানদীর মাঝি

পদ্মানদীর মাঝি
পদ্মানদীর মাঝি ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পঠিত, আলোচিত ও একাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। প্রকাশকালের আনুমানিক হিসাবে পুতুলনাচের ইতিকথাকে তৃতীয় উপন্যাস ধরলে পদ্মানদীর মাঝি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চতুর্থ উপন্যাস।
দশগ্রীব

দশগ্রীব
শস্ত্র কি ? অস্ত্র কি ? মহাদেবের ব্রহ্মাস্ত্র চন্দ্রহাস কি শস্ত্র না অস্ত্র ? রাম, রামায়ন , রাবণ, নানা পৌরাণিক ঘটনা দেন শুরু করে মহামতি সম্রাট অশোক আর গুপ্ত সঙ্ঘ, এইরকম সুদূর বিস্তৃত এবং অনভিপ্রেত জটিল এক রহস্যের জালে জড়িয়ে গেল দুই প্রত্নতাত্ত্বিক। প্রাচীন পুঁথির সোঁদা ঘ্রাণে ভেজা অদ্ভুতে এক ঐতিহাসিক স্মারকের সন্ধানে ছুটে চলেছে সমস্ত ঘটনা প্রবাহ। যেখানে শত-সহস্র শতাব্দী ধরে সত্যের মহীরূহ ঢেকে দিয়েছে ধীরে ধীরে জমতে থাকা অসত্যের আগাছা। যখন উন্মোচিত হতে থাকে এই পুঁথির আসল রহস্য যা বিস্তৃত বাংলাদেশ থেকে শ্রীলংকা, মৌর্য আমল থেকে রামায়ণের সময়ের ভারত পর্যন্ত তার আসল রহস্য কি ? যে ভয়াবহ মিথকে এই পুঁথি নির্দেশ করছে সেটি কি আসলেই আছে নাকি এটি শুধুই একটি মিথ ? যদি তা থেকেই থাকে তাহলে কে শেষ পর্যন্ত হাতে পাবে এই মিথিক্যাল বস্তু ?
দশগ্রীব এক ঐতিহাসিক রহস্য-রোমাঞ্চ আখ্যান। প্রাচীন কথকতার তমসা ভেদ করে দ্ব্যর্থহীন গন্তব্যের পথে বিস্ময়কর, অবিশ্বাস্য এক যাত্রা। ক্ষমতা, রাজনীতি আর ধর্মের ঘোলা কাঁচের নিচে দম আটকে থাকা প্রকৃত ঐতিহাসিক উপাখ্যান উদ্ধারের প্রচেষ্টা।
পাঠক আপনাকে প্রহেলিকাময় অতীত এবং বর্তমানের সত্য এবং অসত্যের মায়াজাল নিরূপণে স্বাগতম।
মুর্শিদাবাদ হাজির হে

মুর্শিদাবাদ হাজির হে
একদার রাজধানী নগরী মুর্শিদাবাদ আজ মফস্বলে পরিণত হয়েছে।পুরনো রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে অবহেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তাঁর গৌরবময় অতীতের বহু স্মৃতিচিহ্ন। যার অধিকাংশই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে,তবুও যেগুলি আছে সেগুলিও অত্যন্ত অবহেলায় ধ্বংসের প্রহর গুনছে।সেদিনের নবাবি কেল্লা আজ আর আলাদা করে চেনার উপায় নেই,কেল্লার ভেতরের বহু প্রাসাদ আজ হারিয়ে গেছে কালের করাল গ্রাসে, কিছু জরাজীর্ণ প্রাসাদ দীর্ঘ অবহেলা সহ্য করে ধ্বংসের প্রহর গুনছে।তবুও কেল্লার ভেতরের হজারদুয়ারী, ইমামবাড়া,ওয়াসিফ মঞ্জিল সরকারি সাহায্য কোনো মতে টিকে আছে।
“মুর্শিদাবাদ হাজির হে” নামক ছবির বইটিতে বর্তমান মুর্শিদাবাদ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা অতীতের স্মৃতিচিহ্ন গুলি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে সেই সাথে নবাবি আমলের কিছু হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি তুলে ধরারও সামান্য চেষ্টা করা হয়েছে।
অপ্সরা

অপ্সরা
‘অপ্সরা’ সেলফ-মোটিভেটেড এবং সেলফ-গাইডেড এক মেয়ের কাহিনি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সহজ-সরল মেয়ে হৃদির নাম কেন অপ্সরা হলো এবং পরবর্তীতে সেই নামেই কেন সে পরিচিত হতে চাইল, তার পেছনেও রয়েছে দৃঢ় প্রত্যয় ও কঠিন সংকল্পের গল্প। সহজ-সরল-প্রণোচ্ছ্বল অপ্সরার জীবনে এক পর্যায়ে আঘাত হানে ভয়াবহ কষ্টের টাইফুন। তবে নিজগুণে সেই শোককেই শক্তিতে কনভার্ট করে অপ্সরা! বেগুনি রঙের তেজস্বিতা এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান নিয়ামক। বেগুনি রঙ দেখলে তার ভেতরের শোকের অণুগুলো যেন শক্তির অণুতে রূপান্তরিত হয়! রহস্যেঘেরা ম্যাজিকাল চরিত্রের অধিকারী অপ্সরা হাসলে তার চারপাশের প্রকৃতি ও জীবনও যেন হেসে ওঠে! আবার, অপ্সরা কাঁদলে চতুর্পাশও যেন কেঁদে ওঠে! শঠতা, কপটতা, অন্যায়, অবিচার প্রতিহত করার শপথে বাংলার পথে অপ্সরার পথচলা।
প্রবাসে দৈবের বশে

প্রবাসে দৈবের বশে
প্রবাসে দৈবের বশে' সাতটি ছোট গল্পের সংকলন। এক প্রবাসী বাঙালী, অনুষ্টুপের সফরনামা। তার জীবন, তার পরিবার, সম্পর্কের ভাঙা গড়া, ভ্রমণ অভিজ্ঞতা, এই সবকিছু নিয়েই লেখা এই ধারাবাহিক।
গল্পের সূত্রপাত অনুষ্টুপের মধ্যবিত্ত পরিবারে। অনুষ্টুপ সাহিত্যিক হতে চেয়েছিল। কিন্তু পরিবার আর সমাজের চাপে সে ইচ্ছায় জলাঞ্জলি দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং পরে পারিবারিক ইচ্ছায় উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ যাত্রা করে। নিজের অনিচ্ছায়, স্বজনদের থেকে দূরে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে হতাশা গ্রস্ত অনুষ্টুপের ঘুরে দাঁড়ানো এবং সবকিছু আবার নতুন করে, অপ্রত্যাশিত এবং অন্যরকম ভাবে ফিরে পাওয়ারই গল্প 'প্রবাসে দৈবের বশে'।
দেজা ভ্যু

দেজা ভ্যু
ঘন বড় বড় গাছগুলো আকাশটাকে ঢেকে রেখেছে। এই ভর দুপুর বেলাতেও প্রায় অন্ধকার লাগছে বনের ভেতর থেকে। অন্ধকার লাগাই তো স্বাভাবিক এ যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বন। হ্যাঁ আমাজনেরই গহীনে অবস্থান করছে ছয়জনের দলটা। ......
আপনি রাস্তা দিয়ে আপনমনে হ াঁটছেন, হঠাৎ করে কোনো বাড়ি, মানুষ বা অন্য কিছু দেখে আপনার মনে হলো আপনি এটি আগে দেখেছেন। খুব চেনা চেনা লাগছে মানুষ বা জিনিসটি। অথচ, আপনি সত্যিই তা আগে কখনো দেখেন নি। বিজ্ঞানের ভাষায়, আমাদের হঠাৎ এই প্রতিক্রিয়ার নাম হলো ‘দেজা ভ্যু।
কিন্তু এই জিনিস যদি আপনার সঙ্গে ঘটে আমাজনে বা আরো ভয়ানক কোনো জায়গায়?
পজিটিভ থটস

পজিটিভ থটস
চলছে করোনা মহামারি। গৃহবন্দি আমরা সকলে নিজেদের মতো করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। সর্বাত্মক চেষ্টা করছি এই বিপদ থেকে মুক্ত হতে। কিন্তু কেউই নিশ্চিতভাবে জানি না, সামনে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করে আছে। তাই স্বভাবতই অবসাদ্গ্রস্ত হয়ে পড়ছি অনেকে, নিমজ্জিত হচ্ছি হতাশায়। শত চেষ্টা সত্ত্বেও পারছি না মনোবল ধরে রাখতে।
প্রতিদিন সংবাদ দেখে, পড়ে কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ক্রল করতে গিয়ে সম্মুখীন হচ্ছি নানাবিধ বাজে খবরের, যা আমাদেরকে মানসিকভাবে আরো বিপর্যস্ত করে তুলছে। এছাড়া প্রত্যেকের নিজ নিজ জীবনের বিভিন্ন সমস্যা তো রয়েছেই। সব মিলিয়ে এ এক কঠিন দুঃসময়। এ সময়ে আমাদের খুব বেশি করে প্রয়োজন নিজেদের মনকে শান্ত রাখা, ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা।
এক্ষেত্রে ইতিবাচক কিছু লেখা হতে পারে বিশেষ সহায়ক। মূলত সেই চিন্তা থেকেই, গত কয়েক মাসের বিভিন্ন সময়ে এমন বিভিন্ন লেখা লিখেছি, যার মাধ্যমে নিজের ইতিবাচক চিন্তাকে অন্যদের সাথে ভাগ করে নেয়া যায়, এবং তার মাধ্যমে অন্যদেরকেও কিছুটা উজ্জীবিত করা যায়। আর সেই লেখাগুলোকেই এবার একত্র করে একটি সংকলনের মতো দাঁড় করানোর চেষ্টা করলাম।
এমনটি মোটেই দাবি করছি না যে এই সংকলনের প্রতিটি লেখাই খুব উঁচুদরের। আমি নেহাতই একজন সাধারণ মানুষ, তাই আমার চিন্তাভাবনা ও তার বহিঃপ্রকাশও নিতান্তই সাধারণ। কিন্তু এই সাধারণ কথামালা পড়েও যদি কেউ মানসিকভাবে কিছুটা শান্তি লাভ করেন বা সমৃদ্ধ হতে পারেন, এই কঠিন সময়ে কিছুটা আনন্দ লাভ করেন, তাহলে আমার এই প্রয়াস সফল হয়েছে বলে ধরে নেব।
আশা করি, সামনে আমাদের জন্য সুদিন অপেক্ষা করছে। আসুন, ভেঙে না পড়ে, প্রস্তুতি নিই সেই সুদিনকে দুহাত বাড়িয়ে বরণ করে নেয়ার।


