বাংলা ই-বই
রাই

রাই
কমলালেবুর কোয়ার মতন গৈরিক বিকেলে তার সাথে আবার ফিরে দেখা। ছাতে শুকনো কাপড় গুছিয়ে নেমে যাওয়ার সময় হঠাৎ সলজ্জ দৃষ্টিপাতে সে মাথার ওপরে উড়ে যাওয়া এরোপ্লেনের ছায়াটাকে গায়ে মাখতে মাখতে সেই পুরনো দিনগুলোকে আচারের বৈয়ামের থেকে ছিটকে আসা রোদুরের মত স্মৃতির সহবাসে নতুন করে ফিরে পায়....রোজ!
যদিও তার এখন আগের চপলতা অনেকটাই কমেছে। সে সংসারী হয়েছে। তবুও সে একটুও বদলায়নি আমার চোখে।
তার জন্য আজও কৃষ্ণচূড়া আর পলাশের বনে রক্তিম আগুন জ্বলে। নির্জনতার শীতলপাটীটিও তার অন্দরেই পেতে রাখতে আজও ভয় করেনা আমার।
তাই 'মুহুর্তবদল' উপন্যাসিকা আর তার সঙ্গে বারোটি কবিতায় তাকে ঘিরে বলা না বলা আখরগুলিকেই নতুন করে আর একবার সাজানো!
দি গ্রেট প্রবলেম সলভার

দি গ্রেট প্রবলেম সলভার
কিছু বন্ধন সময়ের নিয়ম মানে না—না দূরত্ব, না মৃত্যু। শুভময় ঘোষের জীবনে অনিরুদ্ধ ছিল ঠিক এমনই এক অদৃশ্য টান, যা বহু বছর পরেও তাকে টেনে নিয়ে আসে সেই পুরোনো বাড়ির সামনে। এক আমগাছ, ধুলো জমা একটি গাড়ি, আর এক অচেনা ভদ্রমহিলার হাতে এগিয়ে দেওয়া এক কাপ চা—সব মিলিয়ে যেন অনিরুদ্ধ নিজেই তাকে পথ দেখায়।
এই বই সেই অদ্ভুত পুনর্মিলনের গল্প—যেখানে স্মৃতি, ভালোবাসা, আর ইচ্ছাশক্তি মিলেমিশে তৈরি করে এক রহস্যময় যাত্রা। বাস্তব আর অবাস্তবের মাঝখানে দাঁড়িয়ে শুভময় যেন শুনতে পায় বন্ধুর কণ্ঠস্বর, “সাবাস শুভময় ঘোষ… এই না হলে The Great Problem Solver!” বন্ধুত্বের এই অপ্রকাশিত শক্তি, এই অদ্ভুত টান—এই বই তারই সাক্ষ্য ।
ক্রিকেটের চোদ্দ প্রদীপ

ক্রিকেটের চোদ্দ প্রদীপ
চোদ্দটা ক্রিকেটীয় রচনার সঙ্কলন। ১৯৩২ থেকে ২০২৬, প্রায় সাড়ে-নয় দশকের এই দীর্ঘ সময়ের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও আইপিএল প্রতিযোগিতা, বল-বিকৃতি ও স্লোয়ার-বল, এই শতকের মাঝামাঝির কল্প-ক্রিকেট, মাঠের পুরোহিতদের প্রতি অ-সংবেদনশীল অসহিষ্ণু দর্শককুল, দেশ-বিদেশের নামী-অনামী বৈচিত্রময় ক্রিকেটীয় চরিত্রদের মধ্যে কয়েকজন, এবং গ্যারি সোবার্সের স্মৃতিচারণ!
স্বপ্নের সোপান

স্বপ্নের সোপান
স্বপ্নের সোপান’ মনোরঞ্জন গরাই-এর তিনটি গল্প সংকলন “স্বপ্নের সোপান”, “অপরাজিত” ও “সৃষ্টির মিস্ট্রি” থেকে সংকলিত ছোটোগল্পের সমাহার। গল্পগুলো শিশুকিশোরদের ভাল লাগবে। গল্পের কোথাও কোথাও লেখক তাদের বেড়ে ওঠার সময়ে যে মানবিকতা, নৈতিকতাসহ অন্যান্য গুণাবলির প্রয়োজন রয়েছে সেকথাও ছড়িয়ে রয়েছে। আশা করা যায় পাঠক-পাঠিকাদের ভালো লাগবে।
মেঘকেতন

মেঘকেতন
“মেঘকেতন” পরিণতমনা পাঠক-পাঠিকাদের জন্য রচিত “রূপন্যাস”( রূপকথা - উপন্যাস )। এই রূপন্যাসের বৈশিষ্ট্য এই যে , এর মধ্যে রাজা - রাণী, রাজপুত্র - রাজকন্যা , দানব ইত্যাদি থাকলেও প্রচলিত রূপকথায় সব কিছু আমরা যেভাবে ঘটতে দেখি , এখানে সেভাবে ঘটে না। অন্য রূপকথা শুধুই দেখায় আর শোনায়। ”মেঘকেতন”তার সঙ্গে ভাবাবেও , এই আমাদের ধারণা। পাঠক - পাঠিকা সজাগ এবং মনস্ক থাকলে স্তরের পর স্তর অভিনবত্বের উন্মেষ ঘটবে তাঁদের দৃষ্টি এবং বোধের সম্মুখে।
এ কাহিনীতে রাজা এবং রাজপুত্রেরাই শুধু যুদ্ধ এবং অন্যান্য বিদ্যায় পারদর্শী নন। রাণী এবং রাজকন্যারাও তাঁদের যোগ্য সহযোগিনী। অন্য রূপকথায় রাজা - রাজপুত্রদের বীরত্বের কথা থাকে। এখানেও আছে। কিন্তু সেইসঙ্গে আছে তাঁদের ধীশক্তির পরীক্ষা , রহস্যের অবগুণ্ঠন উন্মোচনে দক্ষতার পরিচয়। আছে এমন আরও অনেক প্রাপ্তির সম্ভাবনা , যা পাঠক - পাঠিকা নিজেরাই আবিষ্কার করুন এমনটিই লেখকের সাগ্রহ আকাঙ্ক্ষা ।
দেশ দেশান্তর (দেশ-বিদেশের কবিতার অনুবাদ)

দেশ দেশান্তর (দেশ-বিদেশের কবিতার অনুবাদ)
শতঞ্জিৎবাবু প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের ছাত্র, প্রবাসী, এখন অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁর ভালোলাগা বিষয় - কবিতা। রুচি রাজনীতি ও সামাজিক বিষয়ে । এই ভুবনগ্রামে মানুষ সাগর পাহাড় কি ভাষা - যার দ্বারাই আপাত গন্ডিবদ্ধ থাকুক না কেন, মানুষের জীবনযাপন, কষ্ট, আশা, নিরাশা, পীড়ন, অন্যায়, ভালোবাসা - এইসব কিন্তু প্রায় একরকম। আর কবিতার ভাষা সর্বজনীন, তা দেশকালের গন্ডিতে আবদ্ধ না। তাই ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল বা বিদেশ - কবিদের প্রকাশ সমধর্মী - শতঞ্জিৎবাবু তাঁর রুচিমতো এরকমই কিছু কবিতার বাংলা অনুবাদ করেছেন। আশা করি পাঠকদের ভালো লাগবে।
বাচিকের কন্ঠস্বরে নির্বাচিত শতক

বাচিকের কন্ঠস্বরে নির্বাচিত শতক
কবিতা বাচিক শিল্পের পরিধিতেই আবদ্ধ নয়,কবিতা বৈশ্বিক,কবিতা হল কবি আর পাঠকের মধ্যের সেতু রচয়িতা। আবার জ্ঞান সংরক্ষণ ও বিতরণের প্রাচীন অবলম্বন হচ্ছে আবৃত্তি। আবৃত্তি হচ্ছে শিল্পীর স্মৃতির ধারাবাহিক সবাক চিত্র। শিল্পী যে কাজ করেন রঙ দিয়ে, কবি যে কাজ করেন শব্দ দিয়ে, আবৃত্তি শিল্পী সে কাজ করেন কণ্ঠস্বর দিয়ে। আবৃত্তিকারের নিজস্ব আবেগ, অনুভব, মেধা, মনন, বোধ ইত্যাদির সমন্বিত প্রয়োগে উচ্চারণের বিশুদ্ধতা রক্ষা করে কবিতার অন্তর্নিহিত মর্মার্থের বাচিক উপস্থাপনাই হচ্ছে আবৃত্তি - এ সব কথা আমরা জানি ও বুঝি। তাই বাচিক শিল্পের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ অবশ্যই কবিতা।
এই কবিতাগুলি নানা সময় পাঠ করেছেন নানা বাচিক শিল্পী। তাই এই একশোটি কবিতাকে দুই মলাটের মধ্যে আনার সময় "বাচিকের কন্ঠস্বরে নির্বাচিত শতক" নামটিই যথাযথ বলে মনে হল ।
বাকি সবকিছু পাঠকের ওপরে ছেড়ে দিলাম।
মন খারাপের বিনুনিরা

মন খারাপের বিনুনিরা
প্রতিটি কবিতার শিরোনাম শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এক একটি উপন্যাস বা গল্পের নামে। বিখ্যাত সাহিত্যিকের লেখা নিয়ে প্যাশটিশ লেখা হয় তা আমরা জানি। হতেই পারতো শীর্ষেন্দুর উপন্যাসগুলোর এক একটা থীম,শীর্ষেন্দুর লেখার গ্র্যান্ড ন্যারেটিভ ধরে যাকে বলা যায় অলঙ্কারবর্জিত শান্ত, নিরাসক্ত অবলোকন, আর জীবন সম্পর্কে অদ্ভুত এক মমত্ব, এই সব কিছুকে উপজীব্য করে কবিতাগুলো লেখা হয়েছে। হয়তো ঘুনপোকার শ্যাম, পারাপারের ললিত, দূরবীনের ধ্রুব, আশ্চর্য্য ভ্রমণের ইন্দ্রজিৎ , সাঁতারু ও জলকন্যার অলক , নরনারীকথার পরাণ ও মারিয়া, ওয়ারিশের নিরাপদ, বিকেলের মৃত্যুর ববি , লীনা বা চেনা অচেনার নচিকেতারা তাঁদের দ্বিধা-দ্বন্দ্বময়, ক্ষোভময় অসহায় জীবনযাপনের দোলাচল নিয়ে ভীড় করে দাঁড়াত তাঁর কবিতা ঘিরে, ঘনঘন গাঢ় শ্বাস ফেলতো তাঁর কবিতার লাইনগুলোর ঘাড়ে। কিন্তু কবির অভিপ্রায় তা নয় , এ কবিতাগুলো সেরকম নয় । বরং কবির এই প্রথম বইয়েই সুজয়ের নিজস্ব সিগনেচার কাউন্টারের উলটো দিক থেকেই দিব্যি চেনা যাচ্ছে এবং শিরোনামগুলো ছাড়া শীর্ষেন্দুর কোন ছায়া কবিতাগুলোতে নেই।
দাবনিশ আখ্যান

দাবনিশ আখ্যান
লেখকের তরফ থেকে কল্পনার ঘোড়া ছোটানো বা পাঠকের পক্ষ থেকে অভিনব কল্পনার রস আস্বাদন করা, দুটোই হয় ফ্যান্টাসিতে। আর সেটাও যদি হয় এপিক বা হাই ফ্যান্টাসি, তাহলে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবটা আরো বেড়ে যায়। সম্ভবত সবচেয়ে বেশি কল্পনা শক্তির প্রয়োগ ঘটে এ জনরাটিতেই। একদম গোড়া থেকে একটা দুনিয়া গড়ে তোলা, সে দুনিয়ার ভূখণ্ড, নিয়ম কানুন বা ইতিহাস, মানুষ বা অন্যান্য জীবের প্রজাতি, সে দুনিয়ার বিজ্ঞান যেটা অনেক ক্ষেত্রেই আবার জাদুর মতো অভিনব ব্যাপার সমর্থন করে বিভিন্ন উদ্ভিদ, মানব সংস্কৃতি; কাজ করার সুযোগ থাকে অনেক কিছুতেই। পাঠকও এ জনরায় খুঁজে পায় বুঁদ হয়ে থাকার মতো হাজারও উপাদান।
এইসব মাথায় রেখেই দাবনিশ লেখা শুরু। দাবনিশ আখ্যান হবে একটা সিরিজ। আসমানের আঁধার এর শুরু ।
ধম্মপদ

ধম্মপদ
ধম্মপদ বা ধর্ম্মপদ বৌদ্ধ-ধর্ম্ম শাস্ত্রের নীতি সংগ্রহ গ্রন্থ। ত্রিপিটক, এই তিন শ্রেণী বা পিটকত্রয়ের নাম—সূত্র (সুত্ত), বিনয় ও অভিধর্ম্ম (অভিধম্ম)। সূত্রপিটকে বুদ্ধদেব কর্ত্তৃক ধর্ম্মতত্ত্বালোচনের বিষয়, বিনয়পিটকে সংযম (Discipline) ও অভিধর্ম্মে আধ্যাত্মিক তত্ত্বাবলী (Metaphysics) আলোচিত হইয়াছে। এতন্মধ্যে সূত্রপিটকে ধর্ম্মতত্ত্বসন্ধন্ধীয় বুদ্ধোক্তিসমূহ নিবদ্ধ হয়। এইজন্য সূত্রপিটকের অন্য নাম বুদ্ধবচন ও “মূলগ্রন্থ”। এই উক্তি সমূহ হইতে সারনীতি সংগ্রহ করিয়া যে সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ সম্পাদিত হয়, তাহারই নাম ধম্মপদ। বুদ্ধদেব কখন কোথায়, কোন্ অবস্থায় কাহার সহিত কথােপকথনচ্ছলে কোন্ কথা বলিয়াছিলেন, সেই সমস্ত সূত্র পিটকে সংরক্ষিত হইয়াছে। ধম্মপদ গ্রন্থ ঐ সকল বাক্য হইতে নীতিমালা সংগ্রহ করিয়া শ্রেণীবদ্ধ ভাবে সম্পাদিত হইয়াছে। অন্যান্য বৌদ্ধ ধর্ম শাস্ত্রের ন্যায় ইহাও পালিভাষায় লিখিত। ধম্মপদ শব্দের সাধারণ অথ ধৰ্ম্মের পথ বা সােপান।
তরুণের স্বপ্ন

তরুণের স্বপ্ন
বর্তমানে দেশের পারিপার্শ্বিক বাতাবরণ এবং দেশবাসীর চিন্তাধারার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে কিন্তু ‘তরুণের স্বপ্ন’-র যে “গোড়ার কথা” তার সত্যতা আরও তীব্রভাবে প্রতিভাত।স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে হলে যে ঐকান্তিকতা, আগ্রহ ও সাধনার দরকার তা আজও আমাদের নাগালের বাইরে। দেশে শিক্ষিতের সংখ্যা বেড়েছে, ব্যবসা হয়তো বেড়েছে কিন্তু নতুন কর্মস্রোতের অভাব প্রকট। সংখ্যা বৃদ্ধি হয়তো পরিসংখ্যানগত ভাবে বোঝাবে উন্নতি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? সমস্ত চিন্তা-ভাবনা ও কর্ম্মধারাকে সফল করার একমাত্র ভিত্তি—ব্যক্তিগত চরিত্রের উৎকর্ষ সাধন এবং তা অর্জনে আমরা কতটা সফল, তাই হলো ‘তরুণের স্বপ্ন’র প্রথম ও শেষ প্রশ্ন। এবং এই ক্ষেত্রে যে আদর্শ মানুষ আমাদের রোল মডেল হতে পারেন, সেই মানুষের সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।দরকার এমন একজন এই চরিত্রবান পুরুষের যিনি তারন চিন্তা ভাবনা কর্মপদ্ধতির মধ্যে দিয়ে তরুণ যুব সমাজকে সঠিক দিশা দেখাতে পারবেন।এটাই তরুণের স্বপ্ন হওয়া উচিত। তাই নেতাজীর ভাবনা দেশের মানুষকে জাগ্রত করে তুলুক, উদ্বুদ্ধ করুক।

