গল্প
জীবন সৈকতে

জীবন যেমন---সময়ের হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে কতবার হোঁচট খেতে হয় ।অসংখ্য বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে জীবন এগিয়েই চলে, এগিয়ে চলে জীবনের গল্প। সেই জীবন কে ছোঁয়ার চেষ্টায় এই ছোটগল্প গুলি আমার কলমে সৃষ্টি হয়েছে। নিজেদের চারপাশের বাস্তব জীবন---- অনিশ্চয়তা, আশাভঙ্গতা, জটিলতায় সম্পৃত হয়েও সে ঠিক পথ খুঁজে নেয় উত্তরণের।
আশ্বিনের শিউলি চৈত্রের পলাশ

বনে চলার পথ যে সব ঘটনা ঘটে সেই সব ছোট ছোট ঘটনা নিয়ে লেখা পঞ্চাশের অধিক ছোট ছোট গল্প, জীবন যেরকম কখনো তিক্ত, কখনো কষায় কখনো অম্ল কখনো মধুর, এই গল্পগুলিও তেমন, তবে কিনা জীবন আসলে উপভোগ করারই , এই গল্পগুলিও তাই, উপভোগ করার, পাঠকের মুখে মৃদু হাসি ফুটিয়ে তুলবেই এইসব গল্প।
পাঁচফোড়ন

‘পাঁচফোড়ন’ বিভিন্ন স্বাদের তিরিশটি ছোট বড় গল্পের সংকলন। জীবনের ঘটে যাওয়া বা না ঘটা কথা, ঘাত-প্রতিঘাত, রোমাঞ্চ, বেদনা – এই সবই এই লেখার মশলা বা ফোড়ন, যা দুই মলাটের ভেতরে এসে পাঁচফোড়ন। বহমান জীবনে শহরে গ্রামে - এই পৃথিবীর নানা কোণে ঘটে যাচ্ছে কতশত ক্ষুদ্র ঘটনা যা মানুষের জীবনকে পরিবর্তিত করে দিচ্ছে। প্রেম অপ্রেম প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি এই সব নিয়েই তো জীবন।
প্রবাসে দৈবের বশে

প্রবাসে দৈবের বশে' সাতটি ছোট গল্পের সংকলন। এক প্রবাসী বাঙালী, অনুষ্টুপের সফরনামা। তার জীবন, তার পরিবার, সম্পর্কের ভাঙা গড়া, ভ্রমণ অভিজ্ঞতা, এই সবকিছু নিয়েই লেখা এই ধারাবাহিক।
গল্পের সূত্রপাত অনুষ্টুপের মধ্যবিত্ত পরিবারে। অনুষ্টুপ সাহিত্যিক হতে চেয়েছিল। কিন্তু পরিবার আর সমাজের চাপে সে ইচ্ছায় জলাঞ্জলি দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং পরে পারিবারিক ইচ্ছায় উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ যাত্রা করে। নিজের অনিচ্ছায়, স্বজনদের থেকে দূরে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে হতাশা গ্রস্ত অনুষ্টুপের ঘুরে দাঁড়ানো এবং সবকিছু আবার নতুন করে, অপ্রত্যাশিত এবং অন্যরকম ভাবে ফিরে পাওয়ারই গল্প 'প্রবাসে দৈবের বশে'।
ভয়বৃত্ত

ভয় কি শুধু ভূতেই? নাহঃ, আরো আছে অনেক ভয়ের জিনিস এই পৃথিবীতে! ভয়বৃত্ত কোনও ভৌতিক গল্প সংকলন নয়। এর বারোটি গল্পের প্রত্যেকটির কেন্দ্রে রয়েছে মানুষের বিভিন্নধরনের ভীত ি বা ফোবিয়া। উচ্চতা, মাকড়সা, অন্ধকার, কুকুর বা টিকটিকিকে ভয়।
চরিত্রদের সাথে তাদের ফোবিয়ার যাত্রাপথ নিয়ে গড়ে উঠেছে একেকটি গল্প। কখনও সেই ভয় , আক্রান্তকে নিয়ে যাচ্ছে সাফল্যের দিকে, কখনও সাহসিকতার দিকে কখনও বা মৃত্যুর দিকে। ভীত ব্যক্তি কখনও যেমন ভয়কে উপেক্ষা করছেন তেমনি কোনও কোনও ক্ষেত্রে সেই ভয়ের কাছে হয়ে উঠছেন কৃতজ্ঞ। ভয় পালটে দিচ্ছে জীবন, সিদ্ধান্ত, ভাবধারা।
মরমিয়া

মরমিয়া আসলে একট ি মুক্তগদ্যে লেখা নিভৃত দিনলিপি, যেখানে প্রকৃতির মোহময়তায় লেখক বিলীন হয়ে যান। এই গ্রন্থে লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃতি চেতনা আর জীবনানন্দ দাশের সুররিয়ালিজমের সার্থক মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন অনুপম ব্যঞ্জনায়। এই বর্ণনার নিজস্ব একটা ভাষা আছে। এই ভাষা কখনো বা ইমন কল্যাণের সুরে বিষাদের বাঁশির মতো হৃদয়স্পর্শী; কখনো বা রাতজাগা কোনো পিউকাঁহা পাখির হাহাকারের মতো মর্মন্তুদ। প্রকৃতির এক অনন্ত সৌন্দর্য ভান্ডার থেকে এভাবেই বিরহ দিনের শব্দ কুড়িয়ে দিনযাপনের মালা গেঁথেছেন লেখক।
স্বপ্নের সোপান

স্বপ্নের সোপান’ মনোরঞ্জন গরাই-এর তিনটি গল্প সংকলন “স্বপ্নের সোপান”, “অপরাজিত” ও “সৃষ্টির মিস্ট্রি” থেকে সংকলিত ছোটোগল্পের সমাহার। গল্পগুলো শিশুকিশোরদের ভাল লাগবে। গল্পের কোথাও কোথাও লেখক তাদের বেড়ে ওঠার সময়ে যে মানবিকতা, নৈতিকতাসহ অন্যান্য গুণাবলির প্রয়োজন রয়েছে সেকথাও ছড়িয়ে রয়েছে। আশা করা যায় পাঠক-পাঠিকাদের ভালো লাগবে।
সুকুমার - গল্প সংকলন

সুকুমার রায়, শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে "ননসেন্স ছড়া"র প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সন্তান এবং তার পুত্র খ্যাতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। তার লেখা কবিতার বই আবোল তাবোল, গল্প হ-য-ব-র-ল, গল্প সংকলন পাগলা দাশু, এবং নাটক চলচ্চিত্তচঞ্চরী বিশ্বসাহিত্যে সর্বযুগের সেরা "ননসেন্স" ধরনের ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের অন্যতম বলে মনে করা হয়, কেবল অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড ইত্যাদি কয়েকটি মুষ্টিমেয় ধ্রুপদী সাহিত্যই যাদের সমকক্ষ। মৃত্যুর বহু বছর পরেও তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম শিশুসাহিত্যিকদের একজন। এখানে রইলো তাঁর গল্পগুলি।
তিলোত্তমা ও ২০৮ নম্বর রুম

ঠিক গল্প নয়, যা কিনা জীবনের নানান অভিজ্ঞতা, বাঁক, ধাক্কা-এবং অনিবার্যভাবে এসবের সাথে মিশে থাকা মনের আবেগিক সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ। আকারে বড় নয়, একদম ছোট্ট- যেন ছোট্ট একটা চাদর, শৈত্যপ্রবাহের দিনে খুব সহজে আঁটসাঁট ভাবে শরীরকে ঢেকে ফেলে, যাকে অবলম্বন করে উষ্ণতার আশ্রয় খুঁজে পাওয়া যায়।
এই ছোট্ট গল্পগুলো লেখার সময় জবুথবু মন নিয়ে সেগুলোর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কথা বলতাম।
আমার বিশ্বাস, এগুলো এখনও সেই উচ্ছ্বাস ধরে রেখেছে। পাঠকের কানে উষ্ণ নিঃশ্বাস ফেলে ফেলে গল্পগুলো
এখনও সেসব কথা বলতে পারবে।






