বাংলা ই-বই
২৫শে মার্চ

মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে দেশে ফিরে অদ্ভুত এক রহস্যময় ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে অরণি। মৃত্যুর আগে তার মা রেখে গেছে অদ্ভুত এক ধাঁধা আর ধোঁয়াশা মেশানো অতীত। মায়ের মৃত্যু রহস্য উন্মোচিত করতে হলে তাকে সমাধান করতে হবে এই ধাঁধার এবং ডুব দিতে হবে অতীতে। পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়ে তাকে সাহায্য নিতে হয় মায়ের খুনের সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া মানুষটির কাছ থেকেই। ঘটনার পরিক্রমায় নিজেও সে নাম লেখায় পলাতক আসামির খাতায়। অদ্ভুত এই রহস্য সমাধান করতে গিয়ে একদিকে পুলিশের তাড়া, অন্যদিকে অদৃশ্যভাবে তাদেরকে সাহায্য করতে থাকে অচেনা একদল লোক। ঘটনার ঘাত প্রতিঘাতে সে জানতে পারে সমস্ত রহস্যের বীজ রোপিত আছে ইতিহাসের বিশেষ একটি দিনে, ২৫শে মার্চ, ১৯৭১।
আত্মার চুক্তিনামা

সদ্য বাবা হারানাে সাদিক একটি অদ্ভুত বইয়ের সন্ধান পায়। যেমন-তেমন কোন বই নয় বরং সেটি পড়তে হলে পূরণ করা প্রযােজন এক বিশেষ শর্ত। নতুবা কেউ তা খুলতেই পারবে না।
অতঃপর বইটি খুলতে সক্ষম হলে দেখা দেয় আরও নতুন কিছু শর্ত। সেগুলাে পালনের জন্য করতে হবে একটি চুক্তি। সাধারণ কারও সাথে নয়, চুক্তিনামা স্বাক্ষরিত হতে হবে স্বয়ং শয়তানের সঙ্গে; যা করলে কোনাে মানুষের জীবনই আর আগের মত থাকে না।
এই ভয়ানক বইতে আসলে কী আছে? কী ঐ শর্ত আর কেমন 'সেই চুক্তিনামা? সাদিক কি রাজি হবে? হলে কেমন রূপ নিবে তার পরবর্তী জীবন? এসব নির্ভর করে যার ওপর, সেটিই আত্মার চুক্তিনামা। একটি গ্রন্থ— যা বদলে দেয় মানুষের দুনিয়া....
ব্ল্যাক বুদ্ধা

সময়: ১৮০ খ্রিস্টপূবার্ব্দ। মৌর্য সাম্রাজ্যের পতন আর শুঙ্গ বংশের উত্থানের মধ্যে দিয়ে ভারতবর্ষ যখন ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম গণহত্যায় উত্তাল, এমনি এক বিক্ষুব্ধ সময়ে অপহৃত হলো তিব্বতের সবচেয়ে বড় মঠের প্রধান লামা। তাকে উদ্ধার করতে ভারতবর্ষের মাটিতে পা রাখলো তিব্বতের সেরা যোদ্ধাদের একজন। অন্যদিকে, বর্তমান সময়ে আসাম থেকে রিসার্চ প্রজেক্ট শেষ করে দেশে ফেরার পথে গায়েব হয়ে গেল শাবিপ্রবি’র একজন শিক্ষক। তাকে খুঁজে বের করতে সিলেট পাঠানো হলো অফিসার তানভীর মালিককে। একদিকে সিলেট শহরকে ঘিরে পুরনো ব্যক্তিগত তিক্ততা, অন্যদিকে ফিল্ড লেভেলে কাজের অনভিজ্ঞতায় দিশেহারা তানভীর মালিক প্রতি পদে হোঁচট খেতে-খেতে যখন প্রায় রহস্য উন্মোচনের দ্বারপ্রান্তে তখুনি সে আর তার আপারেটিভ টিম জানতে পারলো অতীত আর বর্তমানের এই জটপাকানো ঘটনার মূল নিহিত আছে এমন এক বিন্দুতে যেখানে অবস্থান করছে দুই হাজার বছরের পুরনো এক রহস্য মানব সভ্যতা যাকে বুদ্ধের অন্ধকার অবতার নামে জেনে এসেছে।
পজিটিভ থটস

চলছে করোনা মহামারি। গৃহবন্দি আমরা সকলে নিজেদের মতো করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। সর্বাত্মক চেষ্টা করছি এই বিপদ থেকে মুক্ত হতে। কিন্তু কেউই নিশ্চিতভাবে জানি না, সামনে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করে আছে। তাই স্বভাবতই অবসাদ্গ্রস্ত হয়ে পড়ছি অনেকে, নিমজ্জিত হচ্ছি হতাশায়। শত চেষ্টা সত্ত্বেও পারছি না মনোবল ধরে রাখতে।
প্রতিদিন সংবাদ দেখে, পড়ে কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ক্রল করতে গিয়ে সম্মুখীন হচ্ছি নানাবিধ বাজে খবরের, যা আমাদেরকে মানসিকভাবে আরো বিপর্যস্ত করে তুলছে। এছাড়া প্রত্যেকের নিজ নিজ জীবনের বিভিন্ন সমস্যা তো রয়েছেই। সব মিলিয়ে এ এক কঠিন দুঃসময়। এ সময়ে আমাদের খুব বেশি করে প্রয়োজন নিজেদের মনকে শান্ত রাখা, ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা।
এক্ষেত্রে ইতিবাচক কিছু লেখা হতে পারে বিশেষ সহায়ক। মূলত সেই চিন্তা থেকেই, গত কয়েক মাসের বিভিন্ন সময়ে এমন বিভিন্ন লেখা লিখেছি, যার মাধ্যমে নিজের ইতিবাচক চিন্তাকে অন্যদের সাথে ভাগ করে নেয়া যায়, এবং তার মাধ্যমে অন্যদেরকেও কিছুটা উজ্জীবিত করা যায়। আর সেই লেখাগুলোকেই এবার একত্র করে একটি সংকলনের মতো দাঁড় করানোর চেষ্টা করলাম।
এমনটি মোটেই দাবি করছি না যে এই সংকলনের প্রতিটি লেখাই খুব উঁচুদরের। আমি নেহাতই একজন সাধারণ মানুষ, তাই আমার চিন্তাভাবনা ও তার বহিঃপ্রকাশও নিতান্তই সাধারণ। কিন্তু এই সাধারণ কথামালা পড়েও যদি কেউ মানসিকভাবে কিছুটা শান্তি লাভ করেন বা সমৃদ্ধ হতে পারেন, এই কঠিন সময়ে কিছুটা আনন্দ লাভ করেন, তাহলে আমার এই প্রয়াস সফল হয়েছে বলে ধরে নেব।
আশা করি, সামনে আমাদের জন্য সুদিন অপেক্ষা করছে। আসুন, ভেঙে না পড়ে, প্রস্তুতি নিই সেই সুদিনকে দুহাত বাড়িয়ে বরণ করে নেয়ার।
বিশ্ব সৃষ্টির মিথ কথন -প্রথম খন্ড

মিথ কথনের জগতের সীমা নির্ধারণ করা হয়তো অসম্ভব কিন্তু মানুষ কখনোই সে চেষ্টা বন্ধ করেনি । যে গল্পগুলো এখানে সংকলিত হয়েছে সেগুলি সেই প্রচেষ্টার ফল । বিশ্বের অসংখ্য মিথ হতে ৫০টা আছে এই ই-বইয়েতে। পঞ্চাশ একটা সংখ্যা মাত্র। পড়তে পড়তে আপ নারা বুঝতে পারবেন গল্পের সংখ্যা আরো অনেক বেশি। কীভাবে? উত্তরটা আপনারাই খুঁজে পাবেন।
নিখুঁত খুন

ঘরের কোণায় ছোট্ট একটা ক্যামেরা। সাত্যকির ল্যাপটপে তখন দূর সম্পর্কের দাদার বক্ষলগ্না হয়ে বিছানা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তার সতীসাধ্বী স্ত্রী। বাইরে কলিং বেলের আওয়াজ। দরজা খুলতেই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি। লুটিয়ে পড়ল তানিয়া।
পুষ্পেন্দু আর সাত্যকি, ড্রাগের নেশায় আক্রান্ত দুই বন্ধু ভর্তি হল রিহ্যাবে। পূর্ণেন্দু স্যারের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তাদের ফিরে আসার লড়াই। কতটা মুক্ত হতে পারল তারা? কীভাবে তারা বেরিয়ে এল লাল-নীল মায়াবী রাতের হাতছানি এড়িয়ে ?
নিজের বিবাহিত স্ত্রী'কে অন্য পুরুষের আদর খেতে দেখলে কেমন অনুভূতি হয় স্বামীর? কে খুন করল তানিয়াকে ? তানিয়ার খুনের সময় তার বাবা-মা'ই বা বেড়াতে গেল কেন ? দুঁদে পুলিশ অফিসার উপমন্যু কেনই বা বস্তির ঘরে মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন ? দুই বন্ধুর রিহ্যাবে থাকাকালীন পূর্ণেন্দু স্যারের ভূমিকা কী ছিল ? কেমন সম্পর্ক ছিল পূর্ণেন্দু আর তানিয়ার মধ্যে ? কীভাবে রহস্যের জাল কেটে আসল অপরাধীকে সনাক্ত করলেন উপমন্যু ?
নির্বাচিত কবিতা সংগ্রহ - শ্যামাপ্রসাদ সরকার

দিনান্তে যখন অন্তরমহলে ফিরে একটু অন্তরঙ্গতা আশা করে ফেলি তা কখন যেন কবিতার ভাষায় কথা ওঠে বলে যেন স্বস্তি পাই।
এই ই-বইএর এই পনেরটি কবিতা আসলে একজন গৃহস্থ ও আটপৌরে কবির অন্তরদহনের পোড়া ছাই। শব্দহীনতার বাহ্যিক আবেশ তাকে তাকে অন্তত কবিতার জগতে ব্রাত্য করেনি। এদের সবকটিকেই পাঠক পাঠিকাদের দরবারে পেশ করার দুঃসাহস দেখাতে সাহায্য করেছেন বইরাগ পাবলিকেশনের সকলে। এমনকি শ্রী অনির্বাণ দাস মহাশয় প্রচ্ছদ এঁকে দেওয়ার ঝক্কি সামলেছেন।
পঞ্চামৃত

ছোটদের গল্প লেখা যে ছোটোখাটো ব্যাপার না তা আমরা জানি কিন্তু তা সত্ত্বেও সে বই যখন অলোকবাবুর লিখিত হয় তখন তার ব্যঞ্জনা অন্যরকম হতে বাধ্য। অলোকবাবু পরিচিত 'সর্ষে তিসির খেত' এবং 'আশ্বিনের শিউলি' এই বই দুটোর জন্যে। ওনার জঁর হচ্ছে কৌতুকে মোড়া সামাজিক এবং সম্পর্কের গল্প, লেখার মূল রস স্নিগ্ধ কৌতুক। আর সেই রসই তিনি এনেছেন এই ছোটদের গল্পে , নিখাদ চেনাজানা আটপৌরে চারপাশ থেকে তিনি অক্লেশে চলে যান বাঘমামার গল্পে কি গুপ্তধনের খোঁজে ।
এই বইটিতে সোৎসাহে যোগদান করেছে কয়েকটি বাচ্চা, প্রচ্ছদের ছবি থেকে ভেতরের ছবি সব তাদেরই আঁকা। বইটিতে ছবি এঁকেছে - শরণ্য সিনহা, দেবোপমা পট্টনায়ক, ঐশিক গুপ্ত, চৈত্রীজা রায়, অর্ণব সেনগুপ্ত এবং ইরাবতী ব্যানার্জী।
অনুরোধ রইল আপনার ঘরের বাচ্চার হাতের মোবাইল বা ট্যাবলেট কেড়ে না নিয়ে তাদের নিয়ে আসুন ই-বুকের দুনিয়াতে, তারা এই বই পড়ুক, তাদের কল্পনা জাগ্রত হোক।
আর আপনি?
জানাই তো আছে - 'ঘুমিয়ে আছে সব শিশুই তাদের পিতামাতার অন্তরে', আপনিও নিজের মধ্যে সংগোপনে লুকিয়ে রাখা শিশুটিকে পড়তে দিন এই একই বই।
দেশ দেশান্তর (দেশ-বিদেশের কবিতার অনুবাদ)

শতঞ্জিৎবাবু প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের ছাত্র, প্রবাসী, এখন অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁর ভালোলাগা বিষয় - কবিতা। রুচি রাজনীতি ও সামাজিক বিষয়ে । এই ভুবনগ্রামে মানুষ সাগর পাহাড় কি ভাষা - যার দ্বারাই আপাত গন্ডিবদ্ধ থাকুক না কেন, মানুষের জীবনযাপন, কষ্ট, আশা, নিরাশা, পীড়ন, অন্যায়, ভালোবাসা - এইসব কিন্তু প্রায় একরকম। আর কবিতার ভাষা সর্বজনীন, তা দেশকালের গন্ডিতে আবদ্ধ না। তাই ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল বা বিদেশ - কবিদের প্রকাশ সমধর্মী - শতঞ্জিৎবাবু তাঁর রুচিমতো এরকমই কিছু কবিতার বাংলা অনুবাদ করেছেন।
আশা করি পাঠকদের ভালো লাগবে।



