বাংলা ই-বই
চন্দ্রকান্তা

আজ থেকে প্রায় ১৪০ বছর আগে একজন বিখ্যাত হিন্দি লেখক বাবু দেবকীনন্দন খত্রী চন্দ্রকান্তা নামে একটা উপন্যাস রচনা করেছিলেন, যেটা প্রকাশিত হবার পরেই তৎকালীন হিন্দি, উর্দু সাহিত্যের জগতে তো বটেই বরং আসমুদ্রহিমাচল জুড়ে আলোড়ন পড়ে গেছিল। মূলত প্রেম কাহিনী হলেও এর মধ্যে রহস্য রোমাঞ্চ গুপ্তচরবৃত্তি চক্রান্ত রাজতন্ত্র সবকিছুই আছে।
কোন যুদ্ধে জয়লাভ করতে গেলে রণনীতিই প্রথম এবং অন্তিম বিকল্প হওয়া উচিত, সংখ্যা দিয়ে যুদ্ধকে এড়ানো সম্ভব, জেতা সম্ভব নয়, চন্দ্রকান্তা উপন্যাস পড়তে এই কথার অর্থটা মর্মে মর্মে পাঠক উপলব্ধি করতে পারবেন।
চন্দ্রকান্তা উপন্যাসকে অনুবাদক সিমরান দাস প্রথমবারের জন্য আনকাট এবং আনসেন্সার্ড অনুবাদের মাধ্যমে বাঙালী পাঠকদের কাছে পৌছে দিলেন। চন্দ্রকান্তা উপন্যাসের মধ্যে প্রচুর উর্দু শব্দের উপস্থিতি আছে অনুবাদিকা সিমরান দাস সেগুলোকে বাংলাতে সুন্দর ভাবে সহজ ভাষাতে অনুবাদ করেছেন।
বইটির প্রকাশক অর্ণব মুখার্জী!
ডিভোর্সী নারীদের পৃথিবী

দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ফুল অফ ডিভোর্সড উওমেন, আমেরিকার বিতর্কিত লেখিকা জ্যাকি কলিন্স ২৪টিরও বেশি বই লিখেছেন। তাঁর বই এ পর্যন্ত ৪০টি ভাষায় ৪০০ মিলিয়ন কপিরও বেশি বিক্রি হয়েছে। জ্যাকি কলিন্সের বই মানুষ এমন উন্মুখ হয়ে পড়ে কারণ জ্যাকি সহজ-সরল ভাষায় পাশ্চাত্য সমাজের নানান দিক চমৎকারভাবে তুলে আনেন। তাঁর কাহিনীতে থাকে আঁটসাঁট গাঁথুনি, একবার হাতে নেয়ার পরে শেষ না করে ওঠার জো নেই। জ্যাকি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি যা লেখেন, প্রায় সবই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে। এজন্যেই তাঁর কাহিনীর সঙ্গে পাঠক একাত্ম হয়ে যায়। দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ফুল অব ডিভোর্সড উওমেন সুলিখিত একটি উপন্যাস। এ বইকে ইরোটিক-রোমান্টিক হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। কারণ প্রেম-ভালোবাসার সঙ্গে অনুষঙ্গ হিসেবে অনিবার্যভাবে এসেছে যৌনতা। তবে কোথাও অপ্রাসঙ্গিক যৌন-বর্ণনা এতে নেই এবং অনুবাদক হিসেবে আমি তা সেন্সর করতেও যাইনি। এটি আনসেন্সরড এবং আনকাট একটি বই। যারা ইরোটিক রোমান্টিক উপন্যাস পছন্দ করেন, তাদের ভালো লাগবে এ বই।
বইটির প্রকাশক অর্ণব মুখার্জী!
পঞ্চম

একজন মানুষ যে কিনা আন্ডার ওয়ার্ল্ডের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য যাকে বলা চলে মাফিয়া জগতের তথ্যের খনি , সেই মানুষটাই কিনা খুন হয়ে গেলেন ঢাকার এক অভিজাত এলাকায়? এর পেছনে কারণ কি ? মানে মাফিয়া জগতেও অন্তর্দ্বন্দ্ব নাকি দামী তথ্যভান্ডার হাতানোর চেষ্টা ? স্থানীয় থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসে ঘটনাস্থলে খুঁজে পেলেন এক কিশোরকে। প্রাথমিক সন্দেহে গ্রেফতার করা হলো তাকে। বর্তমানে কিশোররা অনেক ভয়ংকর। বেশ কিছু কেসে এমনটা দেখা গেছে।
কিন্তু, পরদিন পাশা উল্টে গেলো। খুনের অস্ত্রে পাওয়া গেলো বাসার দারোয়ানের হাতের ছাপ। ছেলেটাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হলো পুলিশ। ধরলো বাসার দারোয়ানকে। অকাট্য প্রমাণ। খুন করার সুযোগ আর মোটিভ দুটোই ছিল।
কিন্তু, পুরো পরিস্থিতি উল্টেপাল্টে তদন্তে এলো এনএসআই এর দুই ডিটেকটিভ সোহেল আর তার সহকারী সোহান। পাশার দান আবার বদলাতে লাগলো। অভিজ্ঞ অফিসার সোহেল পড়লো মহাধন্ধে। কোন জীবিত মানুষ তাকে কখনো যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি, একটা মৃত মানুষ তাকে সে দেয়ালের সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিলো।
আদাজল খেয়ে লাগলো সে। শুরু হলো কখনো ব্যর্থ না হওয়া সোহেলের জীবনের প্রথম অসফল হতে যাওয়া কেসের তদন্ত।
ড্রাকুলা

কিছু নাম আছে, যা শরীরে শিহরণ জাগানোর জন্য যথেষ্ট। যেমন ব্রাম স্টোকারের ‘ড্রাকুলা’। ১৮৯৭ সালে লেখা তাঁর এই বইয়ের অনুপ্রেরণায় একাধিক চলচ্চিত্র, অনুষ্ঠান, ভ্যাম্পায়ার বা রক্তপায়ীদের নিয়ে কাহিনি তৈরি হয়েছে এবং হয়ে চলেছে। দর্শক এবং পাঠকদের মনে কাউন্ট ড্রাকুলার কাহিনি গেঁথে গিয়েছে। অবশ্য 'কাউন্ট ড্রাকুলা'-র বেশির ভাগটাই লেখকের কল্পনা। তবে ব্রাম স্টোকার তাঁর উপন্যাসের চরিত্রের নামকরণ করেছিলেন বাস্তবে্র এক 'ড্রাকুলা'র নামানুসারেই। বাস্তবের কাউন্ট ড্রাকুলা হলেন ভ্লাদ দ্য ইম্পেলার। রোমানিয়ার এক ঐতিহাসিক অঞ্চল ওয়ালাশিয়া। তারই প্রিন্স ছিলেন ভ্লাদ দ্য ইম্পেলার বা তৃতীয় ভ্লাদ। এই প্রিন্সেরই আর এক নাম ছিল ড্রাকুলা। যদিও ওই নামটি ছাড়া কাহিনির ড্রাকুলা এবং ওয়ালাশিয়ার প্রিন্সের আর কোনও চারিত্রিক মিল ছিল না। ইতিহাসবিদদের মতে, উপন্যাসটি লেখার আগে ওয়ালাশিয়াতে এসেছিলেন ব্রাম। সেখানেই ভ্লাদ দ্য ইম্পেলারের কথা শোনেন এবং সেখান থেকেই উপন্যাসের চরিত্রের জন্য ‘ড্রাকুলা’ শব্দটি নেন তিনি।
কালের যাত্রার ধ্বনি

ইতিহাসের কালচক্রের বৈশিষ্ট্য বড়ই বিচিত্র। যুগের সাথে সাথে সময়ের পালাবদলে হঠাৎ কেমন করে বদলে যায় মানুষের মুখ, মানুষের গল্প, রাজ্য রাজধানী...সব কিছুই।
শুধু রয়ে যায় যা কিছু শ্বাশ্বত, যা অমলিন, যা চিরায়ত।
সেই অনুভবটিকেই এবার দু'মলাটে আপনাদের জন্য তুলে ধরা। চেষ্টা করেছি বিবিধ যুগের একটা করে গল্প সাজিয়ে আপনাদের কাঙ্খিত পাঠ্যসুখ দেবার।
এই ধারার কাহিনীকথনে প্রতিটি একক রচনাই আমার শিক্ষক ও আজন্মকালের গুরু শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক শ্রী শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের চরণকমলের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। উনি বাঙালী পাঠকের চোখে ইতিহাসকে গল্পের আঙ্গিকে তুলে ধরে তাকে দেখতে না শেখালে হয়তো আমার কোনওকালেই ইতিহাসযাপন সম্ভব হত না।
রাই

কমলালেবুর কোয়ার মতন গৈরিক বিকেলে তার সাথে আবার ফিরে দেখা। ছাতে শুকনো কাপড় গুছিয়ে নেমে যাওয়ার সময় হঠাৎ সলজ্জ দৃষ্টিপাতে সে মাথার ওপরে উড়ে যাওয়া এরোপ্লেনের ছায়াটাকে গায়ে মাখতে মাখতে সেই পুরনো দিনগুলোকে আচারের বৈয়ামের থেকে ছিটকে আসা রোদুরের মত স্মৃতির সহবাসে নতুন করে ফিরে পায়....রোজ!
যদিও তার এখন আগের চপলতা অনেকটাই কমেছে। সে সংসারী হয়েছে। তবুও সে একটুও বদলায়নি আমার চোখে।
তার জন্য আজও কৃষ্ণচূড়া আর পলাশের বনে রক্তিম আগুন জ্বলে। নির্জনতার শীতলপাটীটিও তার অন্দরেই পেতে রাখতে আজও ভয় করেনা আমার।
তাই 'মুহুর্তবদল' উপন্যাসিকা আর তার সঙ্গে বারোটি কবিতায় তাকে ঘিরে বলা না বলা আখরগুলিকেই নতুন করে আর একবার সাজানো!
দাহপুরুষ

হোটেল ক্যালকাটা’র চারতলার বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে অহ্ন, ওরফে আহ্নিক রায়চৌধুরী। এখান থেকে সদাব্যস্ত মহানগরীর রাজপথ দেখা যায়। বিয়াল্লিশ বছরের প্রায় ছয় ফুট উচ্চতার আহ্নিক বর্তমান বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একজন সেলিব্রেটি।
ক্রমাগত চলমান জনঅরণ্যের দিকে চেয়ে থাকে অহ্ন, মনে মনে খোঁজে সেই শুরুর দিনগুলো, খোঁজে নিজেকে। মন-খারাপের দিনে মনে মনে যার সঙ্গে দেখা হয় তার। পড়াশোনায় গভীর মনোযোগ। হাঁটতে হাঁটতে কবিতা এসে যাওয়া মাথা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো সেই গ্রাম্য লাজুক স্বভাবের রোগা ফর্সা ছেলেটি...
অহ্ন দাঁড়িয়ে আছে। চোখ চলে যাচ্ছে প্রায় পশ্চিমের সূর্যালোকের আলোয় সদ্য বোয়া নীল আকাশ থেকে সবুজ গাছেদের পাতা ছুঁয়ে দিগন্তের দিকে। এখান থেকে হোটেলের প্রবেশপথটি দেখা যায়। আজকে একটা বিশেষ দিন, অহ্ন জানে এক-এক করে আসবে অতনু, সুমিত, জুয়েল, দেবলীনা, ত্রিপর্ণা, শ্রীতমা, দেবর্ষি, শতরূপা, সোহিনী, অমলকান্তি এবং জুবিন......
কি হবে তারপরে? পরতে পরতে খুলে যাবে তার ফেলে আসা দিন গুলো, মনে এসে যাবে খুলে যাওয়া সম্পর্কের সুতোগুলো ?
বইঘরে বারুদ

তিন যুগের তিনটি সমান্তরাল কাহিনি নিয়ে তৈরী হয়েছে এই উপন্যাস। প্রতিটি কাহিনীর কেন্দ্রবিন্দুতে আছে গ্রন্থাগার বা গ্রন্থভাণ্ডার। সমান্তরাল রেখা কখনও পরস্পরকে ছোঁয় না। এই উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য এই সমান্তরাল তিন যুগের কাহিনি এক কেন্দ্রবিন্দুতে পরস্পরকে স্পর্শ করেছে— বলাবাহুল্য সেটি কোনও এক গ্রন্থাগার বা জ্ঞানভাণ্ডার।
তবে এই গ্রন্থে শুধু রহস্যকাহিনিই তো নেই, আছে আর্কিমিডিসের যুগান্তকারী আবিষ্কারের কাহিনি, যুদ্ধ জয়ের জন্য বৈজ্ঞানিক কৌশল এবং সেই সঙ্গে তার করুণ মৃত্যুকাহিনি। আছে গণিতজ্ঞ দার্শনিক ইউক্লিড ও এরাটস থেনোসর কথা। আছে জুলিয়াস সিজারের যুদ্ধজয়ের কৌশল। রহস্যকাহিনীর সঙ্গে জুড়ে গেছে এক মনোমুগ্ধকর ঐতিহাসিক উপাখ্যান।
খ্রিস্টপূর্ব প্রায় তিনশত বৎসর পূর্বে, বিংশ শতাব্দীর প্রথম পাদ এবং বর্তমান একবিংশ শতাব্দী এই বিস্তৃত সময়কাল জুড়ে এই কাহিনি। আফ্রো-এশিয় এক দেশ, পাহাড়ে ঘেরা এক বিতর্কিত অঞ্চল এবং কলকাতা—এই তিন স্থানের পটভূমি ব্যাপে গড়ে উঠেছে গ্রন্থের কাহিনি। সমান্তরাল রেখা কখনও এক বিন্দুতে মেশে না, কিন্তু এই গ্রন্থের সমান্তরাল তিনটি কাহিনিই এক কেন্দ্রবিন্দুতে মিলেছে। বলা বাহুল্য, সেটা বইঘর বা গ্রন্থাগার।
অলাতশান্তি

আগে মহাকাব্য লেখা হতো, বিরাট সেই মহাকাব্যের কাল ও স্থানগত প্রেক্ষাপট। সময় এবং ভঙ্গিমা বদলেছে। আজ মহাকাব্য পরিণত হয়েছে উপন্যাসে। এটিও সেরকম এক প্রচেষ্টা!
এই উপন্যাসটি পাঠের এক মনোগত প্রস্তুতি প্রয়োজন। প্রথম অধ্যায় অর্থাৎ অথাতো ভিক্ষুককথা আসলে ভারতের মহাযানি থেকে হীনযানি বৌদ্ধধর্মে প্রত্যাবর্তন। এর সঙ্গে টিকে থাকবে তান্ত্রিক বজ্রযান যা প্রায় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে চলেছিলো তখন।
এরপরের অধ্যায়ে অর্থাৎ অথাতো তৃতীয় পথ-এ এই মহাযান এবং সংশ্লিষ্ট বজ্রযান তান্ত্রিকতার সপক্ষে আসবেন আচার্য নাগার্জুন। সবকিছুই যে প্রতীত্যসমুৎপাদ তথা পারস্পরিক সাপেক্ষতা, একটি ছাড়া যে অপরটির অস্তিত্ব নেই, এটাই শূন্যতা।পথ এবং পথিক,গতি এবং স্থিতি,সংসার এবং নির্বাণ যে এই পারস্পরিক সাপেক্ষতার কারণেই স্বভাবশূন্য ও এক, এটাই অদ্বয় শূন্যতার অনুভব। নাগার্জুনের এই উপস্থিতি ছাড়া আজ বেদান্তকে আমরা যেভাবে বুঝি, বৌদ্ধদর্শনকে, তন্ত্রদর্শনকে যেভাবে বুঝি, তা সম্ভব হতো না কখনো।
পরের অধ্যায়ে অর্থাৎ অথাতো জন্মবৃত্তান্ত-তে বোঝা যাবে, হীনযান মহাযান কিছুই নেই আর ভারতে, আছে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক তান্ত্রিক বজ্রযান আর সেই প্রেক্ষিতে শঙ্করাচার্যের জন্ম।
এরপরের অধ্যায় অর্থাৎ অথাতো হননশৈলী-তে শঙ্কর দিগ্বিজয় বর্ণনা যা মূলত শুরু হবে কুমারিল ভট্টের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকারের পর থেকেই। বড়োই আশ্চর্য সেই সাক্ষাৎকার।
শেষ অধ্যায় অর্থাৎ অথাতো মৃতদেহে প্রবেশ, সেই শরীর ত্যাগ করে নিজের দীক্ষা শরীরে ফিরে যাওয়ার আকুতি ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে, তখন হীনযান, মহাযান, কামনাসিদ্ধ বজ্রযান সবই শঙ্করের কাছে বিজ্ঞানবাদে লোপ পেয়েছে যার উপলব্ধি তাঁর হয়েছিলো মাত্র বারোটি মন্ত্রে রচিত মাণ্ডুক্য উপনিষদের উপরে রচিত আচার্য গৌড়পাদের মাণ্ডুক্যকারিকা পাঠ থেকেই যা পরবর্তী কালে খ্যাত হবে অদ্বৈত বেদান্ত নামে।
সরষে তিসির খেত

সরষে তিসির খেত’ গল্প সংকলনটি প্রকৃতপক্ষেই একটি ছোটগল্পের সংকলন। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিফলন দেখতে পাই প্রায় প্রতিটি গল্পেই। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো লেখকের ন্যারেটিভ টেকনিক – সহজ সরল ভাষায় লেখা একমু খী জটিলতাহীন লেখা, গল্প পাঠ করার পর সেই অসম্পূর্ণতার ছোঁয়া। কিন্তু তার মধ্যেই দেখতে পাই মানব চরিত্র ও মননের জটিল বিশ্লেষণ যা হিউমর এলিমেন্টস – এর সাথে ব্লেন্ড করে উপস্থাপন করা হয়েছে।
শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত (সম্পূর্ণ)

শ্রীম- মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত শ্রীরামকৃষ্ণের ব্যক্তিত্বে আকর্ষিত হয়ে মহেন্দ্রনাথ তার কথোপকথন ও কার্যকলাপের স্টেনোগ্রাফিক রেকর্ড রাখতে শুরু করেন নিজের ডায়েরিতে। এই রেকর্ডটিই পরবর্তীকালে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত নামক বইয়ের আকার নেয়।
রচনাপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি লিখেছিলেন, "বাড়ি ফেরার পর স্মৃতি থেকে সব কিছু লিখে রাখতাম। মাঝে মাঝে সারা রাতও জেগে থাকতে হত...মাঝে মাঝে টানা সাত দিন বসে থেকে লিখতে হত। গানগুলিকে স্মরণে আনতে হত, কোন ক্রমে সেগুলি গাওয়া হয়েছিল, সেগুলিও মনে করতে হত, সমাধি ও অন্যান্য সব ঘটনার কথা মনে করতে হত।" কথামৃতের প্রতিটি পরিচ্ছেদে মহেন্দ্রনাথ তথ্যের পাশাপাশি সময় ও স্থানের উল্লেখ করেছেন। "কথামৃত" শব্দটি বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থ ভাগবত পুরাণ-এর ১০।৩১।৯ সংখ্যক শ্লোক থেকে গৃহীত।

