বাংলা ই-বই
মহাশয় শুনঃশেপ

মহাশয় শুনঃশেপ
শুনঃশেপ, অজীগর্ত এবং রাজা হরিশচন্দ্র পৌরাণিক চরিত্র। কিন্তু বাস্তবের মাটিতে তাদের আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাই। মহাশয় শুনঃশেপ কায়াভূত বিবেক। অন্নক্লিষ্ট জীবনেও খাবোকি’র মা আতিথ্য এবং সেবার ইচ্ছে পরিপূর্তির কথাভাবে। জীবনের স্তরে স্তরে আমরাই হয়ে উঠি অজীগর্ত অথবা হরিশচন্দ্র।
জীবন আদতে আলোর দিকেই প্রধাবিত। আলোই তো দিশা। কখনও দীপ্র, প্রখর-মায়াবি মেদুর কোথাও বা মহিমার অনির্বাণ দীপ। চলিত জীবনের বাইরে যে জীবন আছে- জীবনখনিজে মণিময়-মহাশয় শুনঃশেপ তার মার্গদর্শী। মার্গ-প্রদর্শকও বটে।
মহারাণী স্বর্ণময়ী

মহারাণী স্বর্ণময়ী
উনিশ শতকে বাঙ্গালি নারীর জীবন শিক্ষার আলোক থেকে বঞ্চিত ছিল। সেই অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলোর জয়যাত্রা সূচিত করেছেন যে কয়জন বঙ্গনারী তাঁদের মধ্যে মহারাণী স্বর্ণময়ী অন্যতম । তিনি শুধু কাশিমবাজার রাজপরিবারের রাণী ছিলেন না, তিনি ছিলেন তৎকালীন সমাজের রাণী। সংস্কৃতিবান নারী, যে তাঁর সবটুকু দিয়েছেন সমাজ ও শিক্ষার উন্নতিকল্পে। জাতি গঠনে শিক্ষার প্রয়োজন সর্বাগ্রে। সেই লক্ষ্যে তিনি অকৃপণ হাতে ব্যয় করে গেছেন।
তাঁর মহৎ হৃদয়ের মর্মস্পর্শ পেয়ে সবাই কৃতার্থ হয়েছে। অথচ এই মহৎপ্রাণ ইতিহাসের গর্ভে বিলীয়মান। তাঁকে নিয়ে চর্চা প্রায় নেই বললেই চলে। হয়তো নারী বলেই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ তাঁকে নিয়ে ভাবিত হয়নি। এই শতাব্দীতে আজ বহরমপুর সংস্কৃতির কেন্দ্র হয়ে ওঠার পেছনে যাঁর অসামান্য অবদান, তিনি পেছনেই থেকে গিয়েছেন।
রাণী স্বর্ণময়ী দেবীর চর্চার মাধ্যমে নারীরা আজও নতুন করে উজ্জীবিত হবেন। তাঁর জীবনী চর্চার মাধ্যমে আংশিক ঋণ স্বীকার করা হবে, মানুষ আলোকিত হবেন।
তাই বইরাগ পাবলিকেশন নতুন করে প্রকাশ করল বহু বছর আগে প্রকাশিত বিহারীলাল সরকার বিরচিত "মহারাণী স্বর্ণময়ী "।
ইউক্রেন রাশিয়া সংঘর্ষ

ইউক্রেন রাশিয়া সংঘর্ষ
সাধারণত কোনও সমরসাহিত্য রচনা করা হয়ে থাকে যুদ্ধটি সমাপ্ত হয়ে যাওয়ার বহু বছর পর এবং লেখক সেই ঘটনা সম্বন্ধিত গ্রন্থগুলি দেশ ও বিদেশ থেকে সংগ্রহ করার পরেই। অতঃপর তিনি তাঁর সুললিত ভাষায় অনেক সময় নিয়েই গ্রন্থটি রচনা করে থাকেন, স্বাভাবিক ভাবেই সে সমস্ত গ্রন্থ বহু বড় বড় পুরষ্কারও পেয়ে থাকে।তবে আমার এ সামান্য গ্রন্থটি লিপিবদ্ধ করার জন্যে আমি তেমন কোনো সময়ই পাই নি। এটি বরং বলা যায় যে, যুদ্ধের একটি ধারাবিবরণী দেওয়াই হয়েছে,এই গ্রন্থটিতে প্রথম পনেরো মাসের যুদ্ধের বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ইচ্ছে রয়েছে যে, পরবর্তী পনেরো মাসের যুদ্ধ শেষ হলেই সেই উপাদানের সাহায্য নিয়ে আবার দ্বিতীয় খণ্ডটি প্রকাশ করতে পারা যাবে।
এই লেখার পুরো অংশটাই লেখকের নিজস্ব দৃষ্টি ভঙ্গী। সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, ভারত সরকারের পাবলিক ডোমেন ও ইন্টারনেট ঘেঁটে তিনি এটি লিখেছেন। এখানে বইরাগ পাব্লিকেশনের কোনও মতামত নেই।
জীবন সৈকতে

জীবন সৈকতে
জীবন যেমন---সময়ের হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে কতবার হোঁচট খেতে হয় ।অসংখ্য বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে জীবন এগিয়েই চলে, এগিয়ে চলে জীবনের গল্প। সেই জীবন কে ছোঁয়ার চেষ্টা য় এই ছোটগল্প গুলি আমার কলমে সৃষ্টি হয়েছে। নিজেদের চারপাশের বাস্তব জীবন---- অনিশ্চয়তা, আশাভঙ্গতা, জটিলতায় সম্পৃত হয়েও সে ঠিক পথ খুঁজে নেয় উত্তরণের।
এবং গল্পেরা

এবং গল্পেরা
সমাজ ক্ষতবিক্ষত। এইসময়ে মানুষ হয়ে মানুষের মনের কথা বলা দরকার। কোনো একজন নির্দিষ্ট মানুষ নন, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কথা। 'এবং গল্পেরা' নামক এই গল্প সংগ্রহে একজন মানুষ তার চারপাশের আর কয়েকজন মানুষের কথা বলতে চেয়েছেন, তাই এই এই সংগ্রহে তীব্র প্রেম আছে, পরকীয়া আছে, সম্প্রদায়গত ঘৃণার গল্প আছে, ভূত আছে, গোয়েন্দা আছে, খুন আছে, অনুবাদ আছে সাথে আবার নিছক মানুষের গল্পেরাও আছে।
আমাদের এই সংকলন নির্দিষ্ট কোনো জঁরের আওতায় আসে না। বরং এই সংকলনের নবীন লেখকেরা চেয়েছেন তাঁর নিজের গল্পটা বলতে। যে গল্পটা হয়তো ওই লেখক না বললে, তার চারপাশের যোজন যোজন মাইল ব্যাসার্ধের আর কেউই বলে উঠতে পারত না।
লিখেছেন:
অপর্ণা চৌধুরী অমিতাভ দাশশর্মা অমৃতা মুখার্জী অলোক রায় আঞ্জনেয় ভট্টাচার্য ইন্দ্রলেখা ভট্টাচার্য্য এস এস অরুন্ধতী জয়দীপ গুপ্ত জাহাঙ্গীর হোসেন তাসনিয়া আহমেদ তীর্থপতি গুপ্ত দিবাকর দাস দোলা সেন দীপ ঘোষ নাঈম হাসান পপি দে পৌষালী সেনগুপ্ত বামাচরণ ভট্টাচার্য মলয় সরকার মাহমুদুর রহমান মিতা ঘোষ মিত্রা হাজরা রুমা চৌধুরী রূপম চট্টোপাধ্যায় রূপসা নাথ শাশ্বতী রায় শুভব্রত বসু শ্যামাপ্রসাদ সরকার সন্ধ্যা বোস সুচরিতা ঘোষ সুচেতনা সেন কুমার সুজয় দত্ত সুবীর বিশ্বাস সুষমা ব্যানার্জী সৌম্যসুন্দর মুখোপাধ্যায় সৌভিক দাস হিমাদ্রী মৈত্র !
শিবাজী

শিবাজী
আচার্য্য যদুনাথের মধ্যে ইতিহাস রচনার দু'টি দিক বিশ্লেষণাত্নক বিজ্ঞানধর্মী ও কাহিনী নির্ভরতার অনবদ্য সমন্বয় সাধিত হয়েছিল। ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা তাঁর লেখা ইতিহাসকে কাষ্ঠশুষ্কতার পরিবর্তে প্রাঞ্জল ও সুখপাঠ্য করেছে। যদুনাথের মতে, লেখা হওয়া উচিত প্রাঞ্জল ও সংহত, সব তথ্য একত্রে সন্নিবিষ্ট করা সম্ভব নয়, লেখকের উচিত নিরপেক্ষভাবে তথ্য নির্বাচন।
যদুনাথ মনে করতেন, সাল-তারিখের ঘেরাটোপের বাইরেও ইতিহাসের একটি ব্যাপক রূপ আছে যা কাব্যধর্মী। তাঁর কথায়, "ইতিহাসকে যে আর্যগন ইতিকাব্য নাম দেন, সেটা বিদ্রূপের বিষয় নহে, এই নামের মধ্যে একটি নিগূঢ় মানব-সত্য নিহিত আছে।" তাঁর ব্যাখ্যায়, "ঐতিহাসিকের পক্ষেও কল্পনাশক্তির আবশ্যক। সত্যের ভিত্তিতে স্থাপিত সহস্র সহস্র ক্ষুদ্র তথ্যের সমাবেশের ফলে গঠিত, সংযত নিয়ন্ত্রিত কল্পনার সাহায্যে অগ্রসর, কবির মহান গঠনশক্তিতে রচিত, ভাষা ও ভাবের সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যে যে ইতিকাব্য, তাহাই প্রকৃত ইতিহাস নামের যোগ্য।"
তার লেখা অসংখ্য গ্রন্থের মধ্যেও "শিবাজী" একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে, মুঘল যুগের পতনের ক্ষেত্রে আচার্যের কাজ যেমন অমূল্য, তেমনই শিবাজী ও আসলে তার সেই কাজেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কল্পতরুমূলে

কল্পতরুমূলে
বঙ্গদেশের জনমানস প্রাচীনকাল থেকেই মাতৃপূজায় নিবেদিত। ঘোর কৃষ্ণবর্ণা, মুক্তকেশী সেই দিগম্বরা মাতৃকামূর্তি আকার ও প্রকারভেদে গঙ্গারিডি সভ্যতার কাল থেকেই বঙ্গভাষীদের ধমনীতে চিরপ্রোথিত।
তাই বোধকরি ভক্তির আতিশয্য ছেড়ে এই নিবেদিত চর্যাটি সহজেই আবর্তিত হয়েছে মাতৃনামের রসবন্যায়। আর যুগ যুগ ধরে ভাবসম্মিলনের সেই পীযূষ ধারাটি বেয়ে যেমন এসেছেন কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ, রামপ্রসাদ সেন, রাজা রামকৃষ্ণ, কমলাকান্ত প্রভৃতি ভক্তচূড়ামণিগণ , আবার তেমনই পরবর্তীতে আমরা পেয়েছি রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, বামদেব সহ বহু কালজয়ী দেবকল্প সাধক ও কবিগীতিকারদের পরম আশ্রয়।
তাই সেই অতুল বারিধি থেকে কয়েক গন্ডুষ জল তুলে এনে পরম যোগাদ্যা ও সর্বকারণস্বরূপার চরণে এবারে নিবেদন করলাম অর্বাচীনের মত। চতুর্বর্গ ফলপ্রদায়ীনী মাতৃকা এই নিতান্ত বালখিল্যতায় আশাকরি কূপিতা হবেন না।
নেতাজির মৃত্যুযোগ

নেতাজির মৃত্যুযোগ
সুভাষ কবে থেকে নেতাজি হয়ে উঠলেন তা আমরা খেয়াল করিনি, স্রোতের প্রতিকূলে সাঁতরে যাওয়ার ক্ষমতা ছিল তাঁর, অসম্ভব স্বপ্নপূরণের আশায় ছুটে বেড়ানোর মতো বুকের পাটা ছিল একমাত্র তাঁরই, এসব কারণেই সুভাষ যে নেতাজি হবেন তা নিয়ে ভাবার কি আছে ? কিন্তু তার পরে ? তার মহানিষ্ক্রমণের কথা , পরবর্তি কাহিনী আমাদের ঠোঁটস্থ , তারপর ? তারপর আমাদের সম্বল কিছু শব্দ মাত্র , শৌলমারীর সাধু ,গুমনামি বাবা, সারদানন্দজি , যুদ্ধাপরাধী ??, জাল চিঠি ? ,ডিএনএ, ডিক্লাসিফাইড নথি , এই সব শব্দজালে আমরা জড়িয়ে আছি কত দিন ধরে। অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নানা তথ্য ঘেঁটে চেষ্টা করেছেন নানা প্রশ্নের জবাব দেওয়ার , আশা করি তা পাঠকদের ভালো লাগবে।
ভয়বৃত্ত

ভয়বৃত্ত
ভয় কি শুধু ভূতেই? নাহঃ, আরো আছে অনেক ভয়ের জিনিস এই পৃথিবীতে! ভয়বৃত্ত কোনও ভৌতিক গল্প সংকলন নয়। এর বারোটি গল্পের প্রত্যেকটির কেন্দ্রে রয়েছে মানুষের বিভিন্নধরনের ভীতি বা ফোবিয়া। উচ্চতা, মাকড়সা, অন্ধকার, কুকুর বা টিকটিকিকে ভয়।
চরিত্রদের সাথে তাদের ফোবিয়ার যাত্রাপথ নিয়ে গড়ে উঠেছে একেকটি গল্প। কখনও সেই ভয় , আক্রান্তকে নিয়ে যাচ্ছে সাফল্যের দিকে, কখনও সাহসিকতার দিকে কখনও বা মৃত্যুর দিকে। ভীত ব্যক্তি কখনও যেমন ভয়কে উপেক্ষা করছেন তেমনি কোনও কোনও ক্ষেত্রে সেই ভয়ের কাছে হয়ে উঠছেন কৃতজ্ঞ। ভয় পালটে দিচ্ছে জীবন, সিদ্ধান্ত, ভাবধারা।
আটচল্লিশ ঘন্টা

আটচল্লিশ ঘন্টা
পুলিশের সিনিয়র এএসপি মনিরুল আলম মারুফের সাথে তুচ্ছ কারণে ঝগড়া হবার কিছুক্ষণ পরেই খুন হয়ে যায় বড়লোকের বখাটে ছেলে এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জাকির আদনান। সমস্ত দোষ গিয়ে পড়ে মারুফের ওপরে। ডিপার্টমেন্ট, মিডিয়া থেকে শুরু করে খোদ হোম মিনিস্টারও উঠে পড়ে লাগে ওকে খুনি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে। এমন পরিস্থিতিতে বড়কর্তা তাকে সাসপেন্ড করে অ্যারেস্ট করার আগে আটচল্লিশ ঘন্টা সময় বেঁধে দেয় খুনি ‘কে’ সেটা খুজে বের করার জন্যে। ওকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে ডিপার্টমেন্টের জুনিয়র মাহবুব এবং আইটি এক্সপার্ট আলীম পাটোয়ারী। খুনিকে খুজে বের করার জন্যে ওদের হাতে সময় আছে মাত্র আটচল্লিশ ঘন্টা... জীবন এবং মৃত্যুর মাঝখানে বেঁধে দেওয়া আটচল্লিশ ঘন্টা...


