বাংলা ই-বই
রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ

রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ
রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ শিবনাথ শাস্ত্রী রচিত একটি গ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৯ শতকের বাঙ্গালীর সমাজ-সংস্কৃতি-রাষ্ট্রনীতির এক উৎকৃষ্ট নির্ভরযোগ্য দলিল রূপে পরিচিত। রামতনু লাহিড়ীর সঙ্গে শিবনাথ শাস্ত্রীর পরিচয় ২২শে আগস্ট ১৮৬৯ সালে ও তার পর থেকে তা দীর্ঘ ২৯ বছরের গাঢ় পরিচয় ঘনীভূত হয়েছিল। প্রথমে শাস্ত্রী মশাই শুধু মাত্র রামতনু লাহিড়ীর জীবনী লিখবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু পরে তিনি দেখেছিলেন ১৮১৩ সাল থেকে ১৮৯৮ সাল পর্যন্ত রামতনু লাহিড়ীর জীবন ১৯ শতকের বাঙ্গালীর সমাজ-সংস্কৃতি-রাষ্ট্রনীতির ইতিহাসের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। তাই পরে ‘তৎকালীন বঙ্গসমাজ’ যুক্ত করেন। স্বভাবতই রামতনু লাহিড়ীর জীবনীসূত্রে ১৯ শতকের যেসব মনীষী নবজাগরণের সাথে প্রত্যক্ষ বা অপ্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন তারাও এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছেন। জীবনীগ্রন্থ হিসাবে রচিত হলেও বইটির মূল্য যে এর ঐতিহাসিকতায় এ সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন।
লস্ট ওয়ার্ল্ড

লস্ট ওয়ার্ল্ড
‘লস্ট ওয়ার্ল্ড’ হল স্যর আর্থার কোনান ডয়েলের সুবিখ্যাত উপন্যাস-সমূহের অন্যতম। অলঙ্ঘ্য পর্বত-প্রাচীর দিয়ে ঘেরা দক্ষিণ আমেরিকার এক বিচ্ছিন্ন মালভূমিতে চারজন ব্যক্তির অভিযানের কাহিনী। সেখানে তাঁরা প্রাগৈতিহাসিক যুগের এমন অনেক প্রাণীর দেখা পান বর্তমান পৃথিবী থেকে যারা বহু যুগ হল নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে— যথা, বিরাটাকার টেরোড্যাক্টিল, চল্লিশ ফুট উঁচু ইগুয়ানোডন, মাংসাশী ডায়নোসর, বিকটাকৃতি নর-বানর প্রভৃতি। প্রফেসর চ্যালেঞ্জার, প্রফেসর সামারলি, লর্ড জন রক্সটন আর সাংবাদিক ম্যালোনের এই অভিযান কাহিনী রুদ্ধশ্বাসে পড়তে হবে।
পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ: অমলেন্দু সেন
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় গল্প সমগ্র ১

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় গল্প সমগ্র ১
বিভূতিভূষণের লেখনীর পটভূমি পল্লীবাংলার গ্রামাঞ্চল এবং শহর জুড়ে বিস্তৃত, চব্বিশ পরগনা, নদীয়া, যশোর প্রভৃতি জেলার গ্রামাঞ্চল, বনগাঁ, রাণাঘাট মহকুমা শহর এবং কলকাতা মহানগরী। বিভূতিভূষণের সমগ্র উপন্যাসের কালগত বিস্তারও খুব সামান্য নয়।
শহরের জীবনে যখন নিরবচ্ছিন্ন ক্ষতির খতিয়ান—তখন এই বাংলাদেশেরই গ্রামপ্রান্তে একটা ‘সব পেয়েছি-র জগৎ' আছে। সেখানে দারিদ্র্য, দুঃখ, বেদনা, শোক সবই আছে, কিন্তু তাদের সমস্ত কিছুতে এমন একটি প্রশান্তি বিকীর্ণ হয়ে রয়েছে যে তার আশ্রয়ে এখনো নিশ্চিন্তে নিমগ্ন হয়ে থাকা যেতে পারে। সে ধরণের গল্পগুলিই এখানে একত্রিত করা হয়েছে। এটি গল্পসমগ্র প্রথম খন্ড!
যুদ্ধের সহস্র বছর পর

যুদ্ধের সহস্র বছর পর
‘গল্পটা এক অন্ধকার দ্বীপের, সমুদ্র পেরিয়ে অন্ধকার অংশে যে দ্বীপের অবস্থান। যে দ্বীপে আছে অসম্ভব শক্তিশালী এক পাথর। আর পাথরের পাহারায় আছে রূপকথার ভয়ংকর প্রাণী । তিন তিনবার যেখানে গিয়ে বিফল হয়েছে নেহরার রাজ্যের যোদ্ধারা। ফিরে এসেছে মাত্র একজন, মৃত্যুঞ্জয়; যে মানুষটা মরতে জানে না, যার সূত্রপাত সহস্র বছর আগের সেই যুদ্ধে; যে যুদ্ধে মানবজাতি নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল শয়তানের অনুসারী দিদিয়ানদের। আবারও যোদ্ধাদের পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় নেহরার রাজা। এবারের অভিযান কি সফল হবে?
মাঝ সমুদ্রে হঠাৎ দ্বীপের অভিযানে শত্রু হিসেবে আবির্ভাব হয় সমুদ্রের ত্রাস জলদস্যু ডাওমিস। কেটে যায় সহস্র বছর, প্রধান চত্বরে থেমে যায় গাড়ি। হ্যান আর সায়ার গাড়ি থেকে নেমে ভাড়া মিটিয়ে সামনে তাকায়। সামনে তামা রঙের বিশাল দুটি মূর্তি, পরনে যোদ্ধার পোশাক। সামনের মূর্তিটা মহাবীর সেনাধ্যক্ষ ডিওডেরাসের আর ঠিক তার কাঁধের সাথে কাঁধ মিশিয়ে বাম দিকে ঘুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য একটা মূর্তি ! আশিহা- প্রাচীন সেই মহাবীরের এই মূর্তিি শ্রদ্ধা এনে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। মহান আশিহা; সহস্র বছর আগে যার কারণেই রক্ষা পেয়েছিল সমগ্র মানবজাতি।
বাড়িঘর

বাড়িঘর
বাড়িটা আসলে কার- যার জমি না যার ইট বালি সিমেন্ট অজিত ঘোষাল ভেবে ভেবে কোনো কূল কিনারা পান না। বাড়ি করতে শুধু ইট, কাঠ, বালি ছাড়াও যে স্বপ্ন লাগে— সেই স্বপ্ন টুকু শুধু তাঁর।
মেয়েদের কি ঘর হয়। ঘরের ঘেরাটোপে আর রাষ্ট্রের উঠোনে সন্ত্রাসের চেহারা পাল্টায় না। সে জেনেছে সম্প্রদায়বোধ কিভাবে সৃষ্টি হয়, কিভাবে হঠাৎ জেগে ওঠে একটি জাতিসত্বা। এর প্রথম প্রক্রিয়াই বিচ্ছিন্নকরণ। মানুষকে যখনই বহুত্বের অস্তিত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়, সামনে লোভনীয় কোনো গাজর ঝুলিয়ে, তখনই সে একাকী, কোণঠাসা, সন্দিগ্ধ এবং হিংস্র। এই বিচ্ছিন্নতা কোনো নির্জন এককের গানের জন্ম দেয় না, দেয় না সাধকের মগ্নতা। বৃহতের শুভবোধ থেকে বিচ্ছিন্ন মানুষ কেবলই হিংসা ছড়ায়।
তবুও বাড়িঘর শব্দটি নারীর বুকে জাগায় এক আশ্চর্য দ্যোতনা। সে সব নিয়েই এই গল্প।
প্রেম-সংসারের গল্পপুঁথি

প্রেম-সংসারের গল্পপুঁথি
এ শুধু গল্পের বই নয়, বরং জীবনের আঙিনায় ছড়িয়ে থাকা প্রেম, সংসার, হাসি-কান্না, আলো-অন্ধকারের রঙিন চিত্রপট।
এই সংকলনের গল্পগুলোতে একদিকে যেমন আছে প্রেমিক-প্রেমিকার মিষ্টি কথোপকথন, অন্যদিকে আছে পরিবারের টানাপোড়েন, সমাজের শিক্ষা, অভিমান ভাঙার আলোর স্নিগ্ধতা। কোথাও আছে পরনিন্দার পচন, কোথাও আবার গ্রামের পোটলিতে ভর করে সরল আনন্দের ছবি।
কখনো হারানো চিঠির নীরবতা, কখনো ডিজিটাল দিগন্তের সূর্যালোক, আবার কখনো “গরু হারানো প্রেমকথা”-র মতো খাঁটি হাস্যরস—সব মিলিয়ে এ এক অনন্য যাত্রা।
এই গল্পগুলো পাঠককে মনে করিয়ে দেবে—
প্রেম শুধু রোমান্টিকতার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, সংসার শুধু দায়িত্বের কাঁধে চাপ নয়। বরং প্রেম-সংসার মিলেই তৈরি হয় মানুষের আসল কাব্য, আসল গল্পপুঁথি।
“প্রেম-সংসারের গল্পপুঁথি” সেই কাব্যেরই আংশিক প্রতিচ্ছবি।
এখানে প্রতিটি গল্প একেকটি আয়না—যেখানে পাঠক দেখবেন নিজের হাসি, নিজের অভিমান, নিজের জীবনেরই ছোট ছোট ছায়া।
ক্রিকেটের এক ডজন

ক্রিকেটের এক ডজন
বিগত ফেব্রুয়ারি মাসে টি২০ বিশ্বকাপের সময়ে এসেছিল “ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার”। এবার ভারতের আফগান-আইরিশ-ইংলিশ প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে টক্কর চালু হওয়ার সময়ে আসতে চলেছে “ক্রিকেটের এক ডজন” – বারোটা ক্রিকেটীয় রচনার সঙ্কলন।
১৯৩২ থেকে ২০২৬ প্রায় সাড়ে-নয় দশকের এই দীর্ঘ করিডরের অসংখ্য কোণের মধ্যে মাত্র কয়েকটার ওপর কিঞ্চিৎ আলোকপাত করা হয়েছে এই বইয়ে – সফরকারী দল, বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা, উপমহাদেশের বিভাজন, অজি-ক্যারিবীয় ও দিশি-বিলিতি ক্রিকেটার, বর্ণবাদের প্রতিবাদ – এইসবের মধ্যে দিয়ে লেখক ছুঁয়ে গেছেন :
• আদিবাসী অজি ক্রিকেটারদের বিলেত সফর
• বিশ্বকাপে অঘটন-ঘটানো কেনিয়ার ক্রিকেট, এবং লড়াই-জাগানো ডিউকস বলের প্রভাব
• প্রথম স্বাধীনতা দিবসের প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী ক্রিকেটার
• ক্যারিবীয় ক্রিকেটের সুপার-ক্যাটের করিশমা
• রাজনৈতিক বা আইনশৃঙ্খলা-জনিত কারণে অনিশ্চয়তায় ভোগা কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ
• লারউডকে দমন করতে ডনের কৌশলী পরিকল্পনা
• দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তর ক্রিকেটে কীপার-অলরাউন্ডারদের পথিকৃৎ যোগাভ্যাসী এক ইংরেজ
• ভারতের সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ক্রিকেট-অধিনায়ক
• ক্রিকেট মাঠে বর্ণবিদ্বেষের দলবদ্ধ বিরোধী প্রতিবাদ
• তালগাছের মাথায় ছয়-হাঁকানো ভারতীয় ‘পহল(বা)ন’
• ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ের নীরব এক বার্বাডিয়ান নায়ক
এই ই-বুক সংস্করণ আশা করি পাঠকদের মনে ক্রিকেট সম্বন্ধে আগ্রহ, চর্চা ও সুস্থ আলোচনার পরিসর বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
অন্যরুপের সন্ধানে

অন্যরুপের সন্ধানে
সান্ধ্য আড্ডায় স্ট্র্যান্ড রোজকের মতোই প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে। কচিকাঁচা থেকে কলেজ পড়ুয়া, এযুগের প্রেমিক প্রেমিকা থেকে অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই নিজের নিজের গল্পে মজেছে। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ফাস্ট ফুডের দোকান গুলোয় অবিশ্বাস্য রকমের ভিড়। রাস্তা দিয়ে সশব্দে ছুটে চলেছে হরেক রকমের গাড়ি। এই চিত্রেই স্পষ্ট, ইতিহাস প্রসিদ্ধ শহরটির গতিময়তা একটুও হ্রাস পায়নি, গঙ্গাতীরের মধুর হাওয়া শুধু অনিরুদ্ধের মন ছুঁতে পারেনি। ফ্যাকাসে মুখ করে প্রবাহমান নদীর দিকে তাকিয়ে, ভেবে চলেছে ইশিকার কথা।
অনিরুদ্ধ আর ইশিকার যাত্রা তাদের কোথায় নিয়ে গেলো তাই নিয়ে এই উপন্যাস।
আমার কথা ও বঙ্গ-রঙ্গালয়ে শ্রীমতী বিনোদিনী

আমার কথা ও বঙ্গ-রঙ্গালয়ে শ্রীমতী বিনোদিনী
বাংলা পেশাদারি থিয়েটারের সূচনাপর্ব ‘গিরিশ যুগ’ নামে চিহ্নিত, যিনি গিরিশচন্দ্র ঘোষের নাট্যস্বপ্ন ও ভাবনার প্রতিটি কণা দিয়ে নির্মিত, তাঁর নাম— শ্রীমতী বিনোদিনী দাসী। এই অবিস্মরণীয় অভিনেত্রীর প্রতিভা বর্ণময় বললেও কম বলা হয়।
গিরিশচন্দ্র-র নাট্যস্বপ্ন প্রথম থেকেই সফলতার রাস্তা খুঁজে পাওয়ার পেছনে,এই বরেণ্য অভিনেত্রীর অবদান ছিল সীমাহীন। গিরিশচন্দ্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে ছিল গুরু-শিষ্যর মতো,আবার বিনোদিনীর জীবনে অনেক বঞ্চনার ক্ষেত্রে,গিরিশ ঘোষের নাম জড়িয়ে গিয়ে একটা বিতর্কের বাতাবরণও আছে। কিন্তু, বিনোদিনী নিজে কখনও তাঁর গুরুর বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি বা লেখেননি।
এই বইটিতে পাবেন গিরিশচন্দ্রের বিনোদিনীর ওপরে লেখা একটি মুখবন্ধ এবং বিনোদিনীর অকপট আত্মজীবনী , এক মলাটে গুরুশিষ্যার লেখা।
আলো ও ছায়ার সংলাপ

আলো ও ছায়ার সংলাপ
মানুষের ইতিহাসে এমন বহু মুহূর্ত এসেছে যখন পৃথিবী যেন নিজের সন্তানদের দিকে তাকিয়ে নিঃশব্দে প্রশ্ন তোলে—“তোমরা আমাকে কোথায় টেনে নিয়ে যাচ্ছ?” যুদ্ধের দহন, হিংসার কালো ছায়া, ক্ষমতার উন্মত্ত নেশা, অনাহার আর অবিচারের ভারে ক্লান্ত এই গ্রহ আজও আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে এক গভীর আর্তিতে। অচেতন সহমরণ সেই ক্লান্ত পৃথিবীরই কণ্ঠস্বর—মানুষের উন্মত্ততার বিপরীতে প্রকৃতির অসহায় আবেদন। কবি যেন নরম অথচ দৃঢ় স্পর্শে আমাদের কাঁধে হাত রেখে মনে করিয়ে দেন—এই গ্রহ আমাদেরই, তাকে রক্ষা করাই আমাদের প্রথম ও চিরন্তন দায়িত্ব।
তারপর কবিতা আমাদের ফিরিয়ে আনে জীবনের অন্তরঙ্গ পরিসরে। সংসারের টানাপোড়েন, সম্মান-অপমানের ক্ষণস্থায়ী ঢেউ, সম্পর্কের ভঙ্গুরতা—সবকিছুর মাঝেও কবি খুঁজে পান এক গভীর সত্য: জীবনের স্বার্থকতা লুকিয়ে আছে বর্তমান মুহূর্তে, এখন-এখানে, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সহজ অথচ মহৎ কাজে। এই কবিতা পাঠকের হাত ধরে বলে—যা সত্য, যা স্থায়ী, যা হৃদয়ের আলো—তাকেই আঁকড়ে ধরো।
এইভাবে বইটি হয়ে ওঠে কবিতার এক অনন্য যাত্রাপথ—ধ্বংস থেকে পুনর্জন্মে, হতাশা থেকে আশায়, অন্ধকার থেকে আলোয়, বিচ্ছিন্নতা থেকে গভীর মানবিক সংহতিতে। পাঠকের কাছে এটি কেবল কবিতার সংকলন নয়—এ এক আত্মসমীক্ষা, এক মানবিক আহ্বান, এক নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন। প্রতিটি কবিতা যেন নীরবে মনে করিয়ে দেয়— পৃথিবীকে বাঁচানো, মানুষকে ভালোবাসা, আর নিজের ভেতরের আলোকে জাগিয়ে তোলা — এই তিনটিই আমাদের চিরন্তন দায়িত্ব। এই বই সেই দায়িত্বেরই এক কাব্যিক দলিল।


