top of page
বাংলা ই-বই 

তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না

তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না

তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না

ছোট্ট মফস্বল শহর জমশেদপুরের ইউনিভার্সিটির তিন বন্ধু ফারহান, নীলা এবং প্রদীপ, যারা প্রায় সন্ধায় দূত নামে এক অদ্ভুত লোকের কাছে যায়। শহরের কাছেই পরিত্যক্ত এক প্যাগোডায় তাদের সাথে আরও কিছু হতাশাগ্রস্ত ছেলেমেয়েরা মিলে একধরনের সমাবেশ বসায়। যেখানে সবাই নিজেদের দুঃখ-দুর্দশা-হতাশা এসবের ব্যাপারে কথা বলে।
এমনই সময় শহরে একের পর এক লাশ পাওয়া যেতে শুরু করল, শহর জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক সিরিয়াল কিলার।
প্রতিটা খুনের সাথে সাথে উপরমহলে চাপ বাড়ছে অপরদিকে মিডিয়া, সব সমস্যার সমাধান হেমিসাইড ডিপার্টমেন্ট যখন হিমশিম খাচ্ছে তখন এই কেইসের জন্য রেকমেন্ড করা হলো সিরিয়াল কিলিং কনসালটেন্ট শাহরিয়ার অর্ককে।
এদিকে তিন বন্ধুর একজন খোঁজ পায় কয়েক হাজার বছর আগের এক মিথের। হারিয়ে যাওয়া এক দেবতার গল্প, এক কলমের গল্প ; যে কলমটা জীবন্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে। হাজার বছর আগে যুবরাজ মিরান তৈয়রের না করতে পারা অসমাপ্ত কাজটা কি আবার কেউ শুরু করার চেষ্টা করছে? একবিংশ শতাব্দীতে এসব কি আদৌ সম্ভব? ...

75

Buy From

সংক্ষিপ্ত মহাভারত

সংক্ষিপ্ত মহাভারত

সংক্ষিপ্ত মহাভারত

মহাভারতের এত সব চরিত্র, দোষে-গুণে, ভালোয়-মন্দে মেশানো , মহাভারতের ঘটনাবলীর বিশালতা জটিলতা ,যুক্তি, নৈতিকতা, তা থেকে সৃষ্ট জটিল সব ঘটনাবলি, সেসব ঘটনাবলীর আরও জটিল ব্যাপ্তি , এই নিয়ে এই মহাকাব্য পড়তে গিয়ে মহাভারত পড়তে গিয়ে বয়স্কজনেরাই পথ হারিয়ে ফেলেন।
সেই কাহিনী অল্পবয়স্কদের জন্যে খুব সরলভাবে উপস্থাপন উপেন্দ্রকিশোর করেছেন সাফল্যের সাথে, কিন্তু এই বই শুধু অল্পবয়স্কদের জন্যেই নয় ! আমাদের মনে জীবনে মহাভারত এমন ভাবে জড়িয়ে আছে আর এত এত বিশ্লেষণ অহর্নিশ হয়ে চলেছে যে আমরা অনেকেই হয়তো খেয়াল করিনা যে সমগ্র মহাভারত একবারও পড়েই দেখা হয় নি , সেই ক্ষেত্রেও চট করে মহাভারতের ঘটনাবলী আরেকবার পড়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বড়দের জন্যেও , কারণ উপেন্দ্রকিশোর কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে বাদ দেন নি।

75

Buy From

সুকুমার - গল্প সংকলন

সুকুমার - গল্প সংকলন

সুকুমার - গল্প সংকলন

সুকুমার রায়, শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে "ননসেন্স ছড়া"র প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সন্তান এবং তার পুত্র খ্যাতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। তার লেখা কবিতার বই আবোল তাবোল, গল্প হ-য-ব-র-ল, গল্প সংকলন পাগলা দাশু, এবং নাটক চলচ্চিত্তচঞ্চরী বিশ্বসাহিত্যে সর্বযুগের সেরা "ননসেন্স" ধরনের ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের অন্যতম বলে মনে করা হয়, কেবল অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড ইত্যাদি কয়েকটি মুষ্টিমেয় ধ্রুপদী সাহিত্যই যাদের সমকক্ষ। মৃত্যুর বহু বছর পরেও তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম শিশুসাহিত্যিকদের একজন। এখানে রইলো তাঁর গল্পগুলি।

75

Buy From

পদ্মা নদীর মাঝি ও পুতুলনাচের-ইতিকথা

পদ্মা নদীর মাঝি ও পুতুলনাচের-ইতিকথা

পদ্মা নদীর মাঝি ও পুতুলনাচের-ইতিকথা

পদ্মা নদীর মাঝি’তে ,পদ্মার মতো রহস্যময়ী কপিলা কখনো অবাধ্য বাঁশের কঞ্চির মতো নুয়ে পড়েছে কুবেরের দিকে। আবার কখনো সোজা হয়ে সরে শ্যামা দাসের কাছে, আর দশটা সাধারণ রমণীর মতো গৃহস্থালির কাজ করেছে। পদ্মার গভীরতাহার মতোই তাহার মনের তল খুঁজে পাওয়া কুবেরের মতো পাকা মাঝিরও অসাধ্য হয়ে পড়ে।
পুতুলনাচের ইতিকথা তে গ্রামের ডাক্তার শশী। ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়েই গড়ে উঠেছে উপন্যাসটির কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রেম, বিরহ, দ্বেষ ও পারস্পরিক সহমর্মিতাকে উপজীব্য করে লেখা এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ !

75

Buy From

দাহপুরুষ

দাহপুরুষ

দাহপুরুষ

হোটেল ক্যালকাটা’র চারতলার বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে অহ্ন, ওরফে আহ্নিক রায়চৌধুরী। এখান থেকে সদাব্যস্ত মহানগরীর রাজপথ দেখা যায়। বিয়াল্লিশ বছরের প্রায় ছয় ফুট উচ্চতার আহ্নিক বর্তমান বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একজন সেলিব্রেটি।
ক্রমাগত চলমান জনঅরণ্যের দিকে চেয়ে থাকে অহ্ন, মনে মনে খোঁজে সেই শুরুর দিনগুলো, খোঁজে নিজেকে। মন-খারাপের দিনে মনে মনে যার সঙ্গে দেখা হয় তার। পড়াশোনায় গভীর মনোযোগ। হাঁটতে হাঁটতে কবিতা এসে যাওয়া মাথা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো সেই গ্রাম্য লাজুক স্বভাবের রোগা ফর্সা ছেলেটি...
অহ্ন দাঁড়িয়ে আছে। চোখ চলে যাচ্ছে প্রায় পশ্চিমের সূর্যালোকের আলোয় সদ্য বোয়া নীল আকাশ থেকে সবুজ গাছেদের পাতা ছুঁয়ে দিগন্তের দিকে। এখান থেকে হোটেলের প্রবেশপথটি দেখা যায়। আজকে একটা বিশেষ দিন, অহ্ন জানে এক-এক করে আসবে অতনু, সুমিত, জুয়েল, দেবলীনা, ত্রিপর্ণা, শ্রীতমা, দেবর্ষি, শতরূপা, সোহিনী, অমলকান্তি এবং জুবিন......
কি হবে তারপরে? পরতে পরতে খুলে যাবে তার ফেলে আসা দিন গুলো, মনে এসে যাবে খুলে যাওয়া সম্পর্কের সুতোগুলো ?

75

Buy From

তন্ত্রের কথা

তন্ত্রের কথা

তন্ত্রের কথা

তন্ত্র-সম্পর্কে সাধারণ বাঙালীর ধারণা আদৌ স্বচ্ছ নয়। হয় তন্ত্রকে একটি অতি জটিল, প্রায়-অনাচরণীয় ধর্মপদ্ধতি হিসাবে গণ্য করা হয়, নয় অসামাজিক ও অশালীন পঞ্চ‘ম’-কার চর্চার মার্গরূপে জ্ঞান করা হয়। কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের ‘তন্ত্রসার’ গ্রন্থটি দুষ্প্রাপ্য এবং তন্ত্রশাস্ত্রের আরও যে-সব বই পাওয়া যায় তা সকলের বোধগম্য নয়। এই 'তন্ত্রের কথা' গ্রন্থে লেখক অতি সহজ কথায় তন্ত্র ও তান্ত্রিক সাধনার বিভিন্ন ধারার আলোচনা করে একটি সুসম্পূর্ণ রূপরেখা দেওয়ার প্রয়াস করেছেন। পাঠকেরা তন্ত্র সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য তো পাবেনই, সাথে বাঙ্গালির তন্ত্রচর্চার ইতিহাসও জানতে পারবেন।

75

Buy From

গল্প সংকলন - মনোরঞ্জন গরাই

গল্প সংকলন - মনোরঞ্জন গরাই

গল্প সংকলন - মনোরঞ্জন গরাই

মনোরঞ্জন গরাইয়ের গল্প সংকলন

75

Buy From

আত্মার চুক্তিনামা

আত্মার চুক্তিনামা

আত্মার চুক্তিনামা

সদ্য বাবা হারানাে সাদিক একটি অদ্ভুত বইয়ের সন্ধান পায়। যেমন-তেমন কোন বই নয় বরং সেটি পড়তে হলে পূরণ করা প্রযােজন এক বিশেষ শর্ত। নতুবা কেউ তা খুলতেই পারবে না।
অতঃপর বইটি খুলতে সক্ষম হলে দেখা দেয় আরও নতুন কিছু শর্ত। সেগুলাে পালনের জন্য করতে হবে একটি চুক্তি। সাধারণ কারও সাথে নয়, চুক্তিনামা স্বাক্ষরিত হতে হবে স্বয়ং শয়তানের সঙ্গে; যা করলে কোনাে মানুষের জীবনই আর আগের মত থাকে না।
এই ভয়ানক বইতে আসলে কী আছে? কী ঐ শর্ত আর কেমন 'সেই চুক্তিনামা? সাদিক কি রাজি হবে? হলে কেমন রূপ নিবে তার পরবর্তী জীবন? এসব নির্ভর করে যার ওপর, সেটিই আত্মার চুক্তিনামা। একটি গ্রন্থ— যা বদলে দেয় মানুষের দুনিয়া....

75

Buy From

গোপাল ভাঁড়

গোপাল ভাঁড়

গোপাল ভাঁড়

গোপাল ভাঁড় চরিত্রটি ঐতিহাসিক, গবেষক ও ভাষাবিদদের কাছে বিতর্কের বিষয় বহুকাল থেকে। গোপালের গল্পগুলি সমাজে চূড়ান্ত জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত হলেও গোপাল ভাঁড় বাস্তবে ছিলেন কিনা সে নিয়ে মতভেদ আছে। অনেকেই মনে করেন গোপাল ভাঁড় নামে কেউ নির্দিষ্ট করে ছিলেননা। তবে কোনো না কোনো বিদূষক রাজার প্রিয়পাত্র হন। সেরকম গোপাল নাম্নী নাপিত বংশীয় কোনো ব্যক্তি ছিলেন। গোপালের জন্ম কত বঙ্গাব্দে তা কোথাও লেখা নেই। তার জন্মস্থানের পক্ষেও কোনো নথি নেই, কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা হিসেবে তার সম্পত্তির কিংবা জায়গা-জমির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। গোপালের বাবার নাম জানা গেলেও তার মা ও স্ত্রী সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। নগেন্দ্রনাথ দাসের মতে গোপালের পদবী ছিল 'নাই'। মহারাজ তাকে হাস্যার্ণব উপাধী দান করেন। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও ভাষাবিদ সুকুমার সেন বলেছেন ‘গোপাল ভাঁড় সম্পর্কে আধুনিক বাঙালির কৌতূহল থাকার ফলে বাস্তব অথবা কল্পিত ব্যক্তিটির সম্পর্কে যে জনশ্রুতি জাতীয় ঐতিহ্য গজিয়ে উঠেছে ও উঠছে তার বীজ হচ্ছে ভাঁড় নামের অংশটি, গোপাল ভাঁড়ের ভাঁড়টুকু সংস্কৃত শব্দ ভাণ্ডারের ‘ভাণ্ড’-জাত মনে করে অনেক গোপালের জাতি নির্ণয় করেছেন। পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তি যাই হোক, গোপাল ভাঁড় বাঙালি রসিক ও লৌকিক সংস্কৃতিতে অমলিন হয়ে আছেন।

75

Buy From

আলালের ঘরের দুলাল

আলালের ঘরের দুলাল

আলালের ঘরের দুলাল

আলালের ঘরের দুলাল’ প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা একটি বাংলা উপন্যাস। লেখক এই উপন্যাসের জন্য টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। উপন্যাসে উনিশ শতকের কলকাতা সমাজ এবং নায়ক মতিলালের বোহেমিয়ান জীবনধারা বর্ণনা করা হয়েছে। উপন্যাসটি বাংলা ভাষা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি ল্যান্ডমার্ক, কারণ এটি বাংলা ভাষার কথ্য রূপ-চলিত ভাষায় লেখা। উপন্যাসটিও প্রাচীনতম বাংলা উপন্যাসের একটি। “আলালের ঘরের দুলাল” বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে আখ্যায়িত। সমাজআলেখ্য হিসেবেও এটি সেকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। সেকালের কলকাতার বিত্তবান সমাজের সন্তানদের নীতিহীনতা ও উচ্ছলতা এতে নিষ্ঠার সঙ্গে অঙ্কিত। গ্রন্থটিতে কথ্যভাষার ব্যবহার করে বাংলা সাহিত্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেন প্যারীচাঁদ। উপন্যাসে প্রচলিত সহজ গদ্যরীতি "আলালী ভাষা" নামে পরিচিতি লাভ করে। সাধু ও কথ্যভাষার সংমিশ্রণ রীতিই ওই ভাষার বিশেষত্ব। উপন্যাসটি প্রথম মহিলাদের হিতকারী মাসিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পরে 1857 সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

75

Buy From

সেরা অবনীন্দ্রনাথ

সেরা অবনীন্দ্রনাথ

সেরা অবনীন্দ্রনাথ

রয়েছে অবনীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কাহিনীগুলি, যার কিছু পরিচিত কিছু অপরিচিত, রাজকাহিনী,খাতাঞ্চির খাতা, নালক. শকুন্তলা,ক্ষীরের পুতুল, বুড়ো আংলা, ভূতপতরীর দেশ,লম্বকর্ণ পালা !

75

Buy From

অলাতশান্তি

অলাতশান্তি

অলাতশান্তি

আগে মহাকাব্য লেখা হতো, বিরাট সেই মহাকাব্যের কাল ও স্থানগত প্রেক্ষাপট। সময় এবং ভঙ্গিমা বদলেছে। আজ মহাকাব্য পরিণত হয়েছে উপন্যাসে। এটিও সেরকম এক প্রচেষ্টা!
এই উপন্যাসটি পাঠের এক মনোগত প্রস্তুতি প্রয়োজন। প্রথম অধ্যায় অর্থাৎ অথাতো ভিক্ষুককথা আসলে ভারতের মহাযানি থেকে হীনযানি বৌদ্ধধর্মে প্রত্যাবর্তন। এর সঙ্গে টিকে থাকবে তান্ত্রিক বজ্রযান যা প্রায় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে চলেছিলো তখন।
এরপরের অধ্যায়ে অর্থাৎ অথাতো তৃতীয় পথ-এ এই মহাযান এবং সংশ্লিষ্ট বজ্রযান তান্ত্রিকতার সপক্ষে আসবেন আচার্য নাগার্জুন। সবকিছুই যে প্রতীত্যসমুৎপাদ তথা পারস্পরিক সাপেক্ষতা, একটি ছাড়া যে অপরটির অস্তিত্ব নেই, এটাই শূন্যতা।পথ এবং পথিক,গতি এবং স্থিতি,সংসার এবং নির্বাণ যে এই পারস্পরিক সাপেক্ষতার কারণেই স্বভাবশূন্য ও এক, এটাই অদ্বয় শূন্যতার অনুভব। নাগার্জুনের এই উপস্থিতি ছাড়া আজ বেদান্তকে আমরা যেভাবে বুঝি, বৌদ্ধদর্শনকে, তন্ত্রদর্শনকে যেভাবে বুঝি, তা সম্ভব হতো না কখনো।
পরের অধ্যায়ে অর্থাৎ অথাতো জন্মবৃত্তান্ত-তে বোঝা যাবে, হীনযান মহাযান কিছুই নেই আর ভারতে, আছে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক তান্ত্রিক বজ্রযান আর সেই প্রেক্ষিতে শঙ্করাচার্যের জন্ম।
এরপরের অধ্যায় অর্থাৎ অথাতো হননশৈলী-তে শঙ্কর দিগ্বিজয় বর্ণনা যা মূলত শুরু হবে কুমারিল ভট্টের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকারের পর থেকেই। বড়োই আশ্চর্য সেই সাক্ষাৎকার।
শেষ অধ্যায় অর্থাৎ অথাতো মৃতদেহে প্রবেশ, সেই শরীর ত্যাগ করে নিজের দীক্ষা শরীরে ফিরে যাওয়ার আকুতি ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে, তখন হীনযান, মহাযান, কামনাসিদ্ধ বজ্রযান সবই শঙ্করের কাছে বিজ্ঞানবাদে লোপ পেয়েছে যার উপলব্ধি তাঁর হয়েছিলো মাত্র বারোটি মন্ত্রে রচিত মাণ্ডুক্য উপনিষদের উপরে রচিত আচার্য গৌড়পাদের মাণ্ডুক্যকারিকা পাঠ থেকেই যা পরবর্তী কালে খ্যাত হবে অদ্বৈত বেদান্ত নামে।

75

Buy From

Heading 1

bottom of page