বাংলা ই-বই
কাব্য সংকলন

“এক বিমুঢ় যুগের বিভ্রান্ত কবি জীবনানন্দ। পৌষের চন্দ্রালোকিত মধ্যরাত্রির প্রকৃতির মতো তাঁর কাব্য কুহেলী কুহকে আচ্ছন্ন। স্বভাবোক্তি অলঙ্কার ও বাক্ প্রয়োগের দেশজ রীতির মিলনে সৃষ্ট তাঁর আপাত সুবোধ্যতার অন্তরালে এক দুর্ত্তেয় রহস্য বিরাজিত। বলতে কি, আধুনিক কবিদের মধ্যে একমাত্র তাঁর কাব্যেই এ যুগের সংশয়ী মানবাত্মার ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত পরিচয় ফুটে উঠেছে।” –জীবনানন্দ সম্বন্ধে ড. দীপ্তি ত্রিপাঠী-র এ বক্তব্য একদম খাঁটি। কারণ কবিতার ক্ষেত্রে রবীন্দ্র আনুগত্য নিয়েও তিনি এক নিজস্বতায়, স্বাতন্ত্র্যে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছিলেন। তবে সচেতন ভাবে রবীন্দ্র বিরোধিতা না থাকলেও নিজস্ব এক কাব্য জগতের বাসিন্দা হয়ে আত্মনিমগ্ন হয়েছিলেন। তাঁর কবিতা কখনোই দিক হারা নয়, হারিয়ে যাবার জন্যে তা সৃষ্টি হয়নি।কাব্য সম্বন্ধে রূঢ় কুশ্রী নিন্দা বাক্যে বার বার তাঁকে ক্ষত বিক্ষত হতে হলেও কাব্যের প্রতি তিনি ছিলেন নিষ্ঠাবান।
তোমার দেওয়া আমার কোনো নাম ছিলো না

ছোট্ট মফস্বল শহর জমশেদপুরের ইউনিভার্সিটির তিন বন্ধু ফারহান, নীলা এবং প্রদীপ, যারা প্রায় সন্ধায় দূত নামে এক অদ্ভুত লোকের কাছে যায়। শহরের কাছেই পরিত্যক্ত এক প্যাগোডায় তাদের সাথে আরও কিছু হতাশাগ্রস্ত ছেলেমেয়েরা মিলে একধরনের সমাবেশ বসায়। যেখানে সবাই নিজেদের দুঃখ-দুর্দশা-হতাশা এসবের ব্যাপারে কথা বলে।
এমনই সময় শহরে একের পর এক লাশ পাওয়া যেতে শুরু করল, শহর জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক সিরিয়াল কিলার।
প্রতিটা খুনের সাথে সাথে উপরমহলে চাপ বাড়ছে অপরদিকে মিডিয়া, সব সমস্যার সমাধান হেমিসাইড ডিপার্টমেন্ট যখন হিমশিম খাচ্ছে তখন এই কেইসের জন্য রেকমেন্ড করা হলো সিরিয়াল কিলিং কনসালটেন্ট শাহরিয়ার অর্ককে।
এদিকে তিন বন্ধুর একজন খোঁজ পায় কয়েক হাজার বছর আগের এক মিথের। হারিয়ে যাওয়া এক দেবতার গল্প, এক কলমের গল্প ; যে কলমটা জীবন্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে। হাজার বছর আগে যুবরাজ মিরান তৈয়রের না করতে পারা অসমাপ্ত কাজটা কি আবার কেউ শুরু করার চেষ্টা করছে? একবিংশ শতাব্দীতে এসব কি আদৌ সম্ভব? ...
ঠাকুরমার ঝুলি

ঠাকুরমার ঝুলিটির মত এত বড় স্বদেশী জিনিস আমাদের দেশে আর কি আছে? কিন্তু হায় এই মোহন ঝুলিটিও ইদানীং ম্যাঞ্চেস্টারের কল হইতে তৈরী হইয়া আসিতেছিল। এখনকার কালে বিলাতের “Fairy Tales” আমাদের ছেলেদের একমাত্র গতি হইয়া উঠিবার উপক্রম করিয়াছে। স্বদেশের দিদিমা কোম্পানী একেবারে দেউলে’। তাঁদের ঝুলি ঝাড়া দিলে কোন কোন স্থলে মার্টিনের এথিকস এবং বার্কের ফরাসী বিপ্লবের নোটবই বাহির হইয়া পড়িতে পারে, কিন্তু কোথায় গেল-রাজপুত্র পাত্তরের পুত্র, কোথায় বেঙ্গমা-বেঙ্গমী, কোথায়-সাত সমুদ্র তেরো নদী পারের সাত রাজার ধন মাণিক! “জ্যোচ্ছনা ফুল ফুটেছে”; মা’র মুখের এক একটি কথায় সেই আকাশনিখিল ভরা জ্যোৎস্নার রাজ্যে, জ্যোৎস্নার সেই নির্মল শুভ্র পটখানির উপর পলে পলে কত বিশাল “রাজ-রাজত্ব”, কত “অছিন্ অভিন্” রাজপুরী, কত চিরসুন্দর রাজপুত্র রাজকন্যার অবর্ণনীয় ছবি আমার শৈশব চুর সামনে সত্য কারটির মত হইয়া ফুটিয়া উঠিয়াছিল। আসুন আরেকবার ফিরে দেখি সেই স্বপ্নময় জগৎ।
গীতাঞ্জলি

Gitanjali - Song Offerings ইংরেজি ভাষায় অনূদিত রবীন্দ্রনাথের প্রথম সংকলনগ্রন্থ। ইংরেজি গীতাঞ্জলি বাংলা গীতাঞ্জলি'র থেকে অনেকটাই আলাদা। রবীন্দ্রনাথ বাংলা গীতাঞ্জলি'র ১৫৭টি গান/কবিতা থেকে ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে (Gitanjali:Song Offerings) মাত্র ৫৩টি সংকলিত করেছেন। বাকি ৫০টি বেছে নিয়েছেন গীতিমাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া, শিশু, কল্পনা, চৈতালি, উৎসর্গ, স্মরণ ও অচলায়তন থেকে। গীতিমাল্য থেকে ১৬টি, নৈবেদ্য থেকে ১৫টি, খেয়া থেকে ১১টি, শিশু থেকে ৩টি, কল্পনা থেকে ১টি, চৈতালি থেকে ১টি, উৎসর্গ থেকে ১টি, স্মরণ থেকে ১টি এবং অচলায়তন থেকে ১টি কবিতা/গান নিয়ে তিনি ইংরেজি গীতাঞ্জলির বিন্যাস করেছেন। ইংরেজি বইটির ইন্ট্রোডাকশন লিখেছিলেন W. B. YEATS. এই ই-বুকটিতে বাংলা এবং ইংরেজি তর্জমাগুলি একসাথে বিন্যাস করা হয়েছে।
আলালের ঘরের দুলাল

আলালের ঘরের দুলাল’ প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা একটি বাংলা উপন্যাস। লেখক এই উপন্যাসের জন্য টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। উপন্যাসে উনিশ শতকের কলকাতা সমাজ এবং নায়ক মতিলালের বোহেমিয়ান জীবনধারা বর্ণনা করা হয়েছে। উপন্যাসটি বাংলা ভাষা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি ল্যান্ডমার্ক, কারণ এটি বাংলা ভাষার কথ্য রূপ-চলিত ভাষায় লেখা। উপন্যাসটিও প্রাচীনতম বাংলা উপন্যাসের একটি। “আলালের ঘরের দুলাল” বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে আখ্যায়িত। সমাজআলেখ্য হিসেবেও এটি সেকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। সেকালের কলকাতার বিত্তবান সমাজের সন্তানদের নীতিহীনতা ও উচ্ছলতা এতে নিষ্ঠার সঙ্গে অঙ্কিত। গ্রন্থটিতে কথ্যভাষার ব্যবহার করে বাংলা সাহিত্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেন প্যারীচাঁদ। উপন্যাসে প্রচলিত সহজ গদ্যরীতি "আলালী ভাষা" নামে পরিচিতি লাভ করে। সাধু ও কথ্যভাষার সংমিশ্রণ রীতিই ওই ভাষার বিশেষত্ব। উপন্যাসটি প্রথম মহিলাদের হিতকারী মাসিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পরে 1857 সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।






