বাংলা ই-বই
তন্ত্রের কথা

তন্ত্র-সম্পর্কে সাধারণ বাঙালীর ধারণা আদৌ স্বচ্ছ নয়। হয় তন্ত্রকে একটি অতি জটিল, প্রায়-অনাচরণীয় ধর্মপদ্ধতি হিসাবে গণ্য করা হয়, নয় অসামাজিক ও অশালীন পঞ্চ‘ম’-কার চর্চার মার্গরূপে জ্ঞান করা হয়। কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের ‘তন্ত্রসার’ গ্রন্থটি দুষ্প্রাপ্য এবং তন্ত্রশাস্ত্রের আরও যে-সব বই পাওয়া যায় তা সকলের বোধগম্য নয়। এই 'তন্ত্রের কথা' গ্রন্থে লেখক অতি সহজ কথায় তন্ত্র ও তান্ত্রিক সাধনার বিভিন্ন ধারার আলোচনা করে একটি সুসম্পূর্ণ রূপরেখা দেওয়ার প্রয়াস করেছেন। পাঠকেরা তন্ত্র সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য তো পাবেনই, সাথে বাঙ্গালির তন্ত্রচর্চার ইতিহাসও জানতে পারবেন।
সুকুমার - গল্প সংকলন

সুকুমার রায়, শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে "ননসেন্স ছড়া"র প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সন্তান এবং তার পুত্র খ্যাতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। তার লেখা কবিতার বই আবোল তাবোল, গল্প হ-য-ব-র-ল, গল্প সংকলন পাগলা দাশু, এবং নাটক চলচ্চিত্তচঞ্চরী বিশ্বসাহিত্যে সর্বযুগের সেরা "ননসেন্স" ধরনের ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের অন্যতম বলে মনে করা হয়, কেবল অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড ইত্যাদি কয়েকটি মুষ্টিমেয় ধ্রুপদী সাহিত্যই যাদের সমকক্ষ। মৃত্যুর বহু বছর পরেও তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম শিশুসাহিত্যিকদের একজন। এখানে রইলো তাঁর গল্পগুলি।
অতীত নামা

মুর্শিদাবাদ বলতেই আমাদের মনে ভেসে ওঠে ইতিহাসের কথা। তবে মাত্র আড়াইশো বছর আগের ইতিহাস হলেও তার অনেকটাই হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে, হারিয়ে গেছে প্রাসাদ, মহল, বাগ বাগিচা। কিছু হারিয়েছে যুদ্ধে, কিছু মানুষের লোভের ফলে আর কিছু হারিয়ে গেছে গঙ্গাগর্ভে। হীরাঝিল, মতিঝিল, চমন মহল, জাফরাগঞ্জ প্রাসাদ, কিছু টিকে আছে, কিছু নেই, হয়তো কোনো এক চাঁদনী রাতে ইতিহাস মুখর হয়ে ওঠে গঙ্গার তীরে।
তবে এই ইতিহাস কেবল নবাবদের নয় বেগমদেরও। নৌসেরি বেগম, আজিমুন্নেসা, এরকম আরো কত নারী ছিলেন সেই ইতিহাসের অংশ, তাঁরা স্থাপন করে গেছেন কত মসজিদ ।
এই ছোট্ট বইটিতে মুর্শিদাবাদের নবাবী আমলের ইতিহাস বলা হয়েছে গল্পের আকারে, আছে কিছু বর্তমান বংশধরের সাক্ষাৎকার। অসংখ্য ছবি। পাঠক চট করে একবার সেই আমল থেকে ঘুরে আসতে পারবেন এই বইটি পড়ে।
পুরুলিয়া রুখামাটি সংবাদ শারদীয় সংখ্যা - 2023

পুরুলিয়া থেকে প্রকাশিত রুখামাটি সংবাদ পত্রিকার শারদীয় ২০২৩ সংখ্যা এবার ইবুকেও !
সূচিপত্র:
ভাগ্য পরীক্ষা - বিমল লামা
মানবী ঈশ্বরী ভাদু - দিব্যেন্দু শেখর বন্দোপাধ্যায়
মরমিয়া মুজিবর - মুজিবর আনসারী
ডিভোর্সি - দেবাশিস বন্দোপাধ্যায়
বাসিফুল - সুচরিতা ঘোষ
দৃষ্টি প্রদীপ - আঞ্জনেয় ভট্টাচার্য
তিন রকম - সুবীর বিশ্বাস
বাইশ গজের নবাব - রূপম চট্টোপাধ্যায়
গন্তব্য গোমুখ - স্নেহা চট্টোপাধ্যায়
বিশেষ ক্রোড়পত্র : সোনার কেল্লা ৫০
গুহাচিত্র রহস্য - সিতম চক্রবর্তী
নাম তার ফেলু কেন - দেবরাজ গোস্বামী
এ আই ফাঁদে শঙ্কু - বামাচরণ ভট্টাচার্য
স্মৃতি সত্তা সত্যজিৎ - সুজয় দত্ত
সুকুমার - প্রবন্ধ সংকলন

সুকুমার রায়কে আমরা মূলতঃ বাংলা হাস্যকৌতুক শৈলীর পুরোধা বলেই জানি। কিন্তু তাঁর পরিচয় বহুমুখী। সন্দেশ পত্রিকার জন্যে তিনি লিখতেন ছোটদের উপযোগী অনেক প্রবন্ধ। তার বিষয়বস্তু ছিল অনেক ছড়ানো , বিজ্ঞান থেকে ইতিহাস সেগুলি ছুঁয়ে গেছে সব কিছুকেই। আর আজ এত বছর পরেও এগুলোর প্রাসঙ্গিকতা ফুরিয়ে যায় নি।
শিশু যখন বড় হয়ে উঠতে থাকে তখন এই বিপুল আর আশ্চর্য পৃথিবীর নানা রহস্য তাকে ভাবিয়ে তোলে , ঠিক এই সময়ের উপযোগী কর েই লেখা হয়েছিল এই প্রবন্ধগুলি। তবে নিতান্ত বড় বয়সেও খারাপ লাগেনা পড়তে ।
তিলোত্তমা ও ২০৮ নম্বর রুম

ঠিক গল্প নয়, যা কিনা জীবনের নানান অভিজ্ঞতা, বাঁক, ধাক্কা-এবং অনিবার্যভাবে এসবের সাথে মিশে থাকা মনের আবেগিক সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ। আকারে বড় নয়, একদম ছোট্ট- যেন ছোট্ট একটা চাদর, শৈত্যপ্রবাহের দিনে খুব সহজে আঁটসাঁট ভাবে শরীরকে ঢেকে ফেলে, যাকে অবলম্বন করে উষ্ণতার আশ্রয় খুঁজে পাওয়া যায়।
এই ছোট্ট গল্পগুলো লেখার সময় জবুথবু মন নিয়ে সেগুলোর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কথা বলতাম।
আমার বিশ্বাস, এগুলো এখনও সেই উচ্ছ্বাস ধরে রেখেছে। পাঠকের কানে উষ্ণ নিঃশ্বাস ফেলে ফেলে গল্পগুলো
এখনও সেসব কথা বলতে পারবে।
শ্ৰীমদ্ভগবদগীতা ( বঙ্কিমচন্দ্ৰ)

বঙ্কিমচন্দ্ৰ শ্ৰীমদ্ভগবদগীতাকে পৃথিবীর যাবতীয় ধৰ্ম্মমগ্রন্থের মধ্যে শ্ৰেষ্ঠতম স্থান দিয়াছেন। কাজেই ধৰ্ম্মশাস্ত্র আলোচনা কালে তিনি ইহার আলোচনায়ও যে লিপ্ত হইবেন তাহা সহজেই অনুমেয়। বস্তুতঃ ১২৯৩, শ্রাবণ সংখ্যা ‘প্রচারে' তিনি ইহার ব্যাখ্যান আরম্ভ করিয়া দিয়াছিলেন। গীতার মাত্র দ্বিতীয় অধ্যায় পর্য্যন্ত ব্যাখ্যান ১২৯৫ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যায় সমাপ্ত হয়। ইহার পর তৎকৃত গীতা-ব্যাখ্যা আর কোথাও প্রকাশিত হয় নাই। কিন্তু চতুৰ্থ অধ্যায়ের ১৯শ শ্লোক পৰ্যন্ত ব্যাখ্যান পাণ্ডুলিপি অবস্থায় ছিল। বঙ্কিমচন্দ্রের মৃত্যুর পরে ১৯০২ খ্ৰীষ্টাব্দে তাঁহার দৌহিত্র দিব্যেন্দুসুন্দর বন্দ্যোপাধ্যায় ‘প্রচারে’ প্রকাশিত এবং পান্ডুলিপি অবস্থায় প্রাপ্ত অংশ কালীপ্রসন্ন সিংহকৃত অবশিষ্ট ভাগের মূল ও অনুবাদদ্বারা সম্পূর্ণ করিয়া পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।





