বাংলা ই-বই
ভয় (গল্প সংকলন)

ভয় - এই শিরোনামের আড়ালে কয়েকটি গল্প। আমাদের ভয়ের কতই তো কারণ থাকে। তবে অশরীরীর ভয়ই সম্ভবত আমাদের সবচেয়ে প্রাচীন ভয়। যারা একসময়ে মানুষ ছিল কিন্তু এখন আর নেই, তারাও কোনো না কোনো ভাবে থেক ে যায় জীবন্ত মানুষগুলোর সাথে, হয়তো ফিরে আস্তে চায়, হয়তো সঙ্গী চায়। এসব নিয়েই এই গল্প ক'টি।
জীবন সৈকতে

জীবন যেমন---সময়ের হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে কতবার হোঁচট খেতে হয় ।অসংখ্য বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে জীবন এগিয়েই চলে, এগিয়ে চলে জীবনের গল্প। সেই জীবন কে ছোঁয়ার চেষ্টায় এই ছোটগল্প গুলি আমার কলমে সৃষ্টি হয়েছে। নিজেদের চারপাশের বাস্তব জীবন---- অনিশ্চয়তা, আশাভঙ্গতা, জটিলতায় সম্পৃত হয়েও সে ঠিক পথ খুঁজে নেয় উত্তরণের।
স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা সমগ্র

স্বামী বিবেকানন্দ সম্পূর্ণ রচনাবলী (১-১০ খন্ড), এতে রয়েছে চিকাগো বক্তৃতা সমেত স্বামীজীর সমস্ত বক্তৃতা, তাঁর লেখা প্রবন্ধাবলী যেমন রাজযোগ, কর্মযোগ, পাতঞ্জল যোগ ইত্যাদি, তাঁর রচিত গান এবং কবিতা। তাঁর সম্পূর্ণ পত্রাবলী। তাঁর উপদেশাবলী ( স্বামী-শিষ্য সংবাদ) এবং বিদেশে অবস্থানকালে সেখানকার নানান সংবাদপত্রে বেরোনো কাটিংয়ের বঙ্গানুবাদ।
মহাভারত - কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত - তৃতীয় খন্ড

কালীপ্রসন্ন সিংহের সব থেকে বড় কীর্তি হল মহাভারতের অনুবাদ। তাঁর সম্পাদনায়, আঠারো পর্ব মহাভারত গদ্য আকারে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে, যা এখনও ব্যাপকভাবে পঠিত এবং প্রকাশিত হয়। পুরো প্রকল্পটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তদারকিতে হয়েছিল। এই অনুবাদটি ১৮৫৮ থেকে ১৮৬৬ এর ভিতরে প্রকাশিত হয়েছিল। সমগ্র অনুবাদকরণ প্রক্রিয়াটি উত্তর কলকাতার বরাহনগরে অবস্থিত সারস্বতাশ্রম নামে একটি বাড়িতে সম্পন্ন হয়েছিল।
টানা আট বছর ধরে উদয়-অস্ত পরিশ্রমের পর ১৮৬৬ সালে শেষ হল অনুবাদের কাজ।
কালীপ্রসন্ন বিনামূল্যে মহাভারত বিতরণ করেছিলেন। এই বিপুল খরচ বহন করতে তিনি তাঁর বিভিন্ন মহল অর্থাৎ নিজস্ব মালিকানাধীন জমি বিক্রয় করে দিয়েছিলেন। সেই সময়ে পুরো আড়াই লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই মহাভারত বিতরণে।
উদ্দেশ্য একটাই, দেশের সাধারণ মানুষ ভারতের এই মহান মহাকাব্যকে জানুক, নিজের দেশের অসামান্য সাহিত্যকীর্তির সঙ্গে পরিচিত হোক !
মহাভারত - কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত - দ্বিতীয় খন্ড

কালীপ্রসন্ন সিংহের সব থেকে বড় কীর্তি হল মহাভারতের অনুবাদ। তাঁর সম্পাদনায়, আঠারো পর্ব মহাভারত গদ্য আকারে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে, যা এখনও ব্যাপকভাবে পঠিত এবং প্রকাশিত হয়। পুরো প্রকল্পটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তদারকিতে হয়েছিল। এই অনুবাদটি ১৮৫৮ থেকে ১৮৬৬ এর ভিতরে প্রকাশিত হয়েছিল। সমগ্র অনুবাদকরণ প্রক্রিয়াটি উত্তর কলকাতার বরাহনগরে অবস্থিত সারস্বতাশ্রম নামে একটি বাড়িতে সম্পন্ন হয়েছিল।
টানা আট বছর ধরে উদয়-অস্ত পরিশ্রমের পর ১৮৬৬ সালে শেষ হল অনুবাদের কাজ।
কালীপ্রসন্ন বিনামূল্যে মহাভারত বিতরণ করেছিলেন। এই বিপুল খরচ বহন করতে তিনি তাঁর বিভিন্ন মহল অর্থাৎ নিজস্ব মালিকানাধীন জমি বিক্রয় করে দিয়েছিলেন। সেই সময়ে পুরো আড়াই লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই মহাভারত বিতরণে।
উদ্দেশ্য একটাই, দেশের সাধারণ মানুষ ভারতের এই মহান মহাকাব্যকে জানুক, নিজের দেশের অসামান্য সাহিত্যকীর্তির সঙ্গে পরিচিত হোক !
মহাভারত - কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত - প্রথম খন্ড

কালীপ্রসন্ন সিংহের সব থেকে বড় কীর্তি হল মহাভারতের অনুবাদ। তাঁর সম্পাদনায়, আঠারো পর্ব মহাভারত গদ্য আকারে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে, যা এখনও ব্যাপকভাবে পঠিত এবং প্রকাশিত হয়। পুরো প্রকল্পটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তদারকিতে হয়েছিল। এই অনুবাদটি ১৮৫৮ থেকে ১৮৬৬ এর ভিতরে প্রকাশিত হয়েছিল। সমগ্র অনুবাদকরণ প্রক্রিয়াটি উত্তর কলকাতার বরাহনগরে অবস্থিত সারস্বতাশ্রম নামে একটি বাড়িতে সম্পন্ন হয়েছিল।
টানা আট বছর ধরে উদয়-অস্ত পরিশ্রমের পর ১৮৬৬ সালে শেষ হল অনুবাদের কাজ।
কালীপ্রসন্ন বিনামূল্যে মহাভারত বিতরণ করেছিলেন। এই বিপুল খরচ বহন করতে তিনি তাঁর বিভিন্ন মহল অর্থাৎ নিজস্ব মালিকানাধীন জমি বিক্রয় করে দিয়েছিলেন। সেই সময়ে পুরো আড়াই লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই মহাভারত বিতরণে।
উদ্দেশ্য একটাই, দেশের সাধারণ মানুষ ভারতের এই মহান মহাকাব্যকে জানুক, নিজের দেশের অসামান্য সাহিত্যকীর্তির সঙ্গে পরিচিত হোক !
আমার জীবন

বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ আত্মজীবনী কোনো পুরুষ সাহিত্যিকের হাত দিয়ে রচিত হয়নি। রচিত হয়েছে একজন অখ্যাত নারীর মাধ্যমে। রাজবাড়ী জেলার অখ্যাত এক গ্রাম 'ভর রামদিয়া'র এক বধূ লিখেছেন এই আত্মজীবনী। তিনি হলেন রাসসুন্দরী দেবী।
তাঁর এই আত্মজীবনীতে উঠে এসেছে ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধের গ্রাম বাংলার কুসংস্কারসমৃদ্ধ সমাজ ব্যবস্থা, গৃহে আবদ্ধ বিদ্যাশিক্ষা বঞ্চিত নারীর নিগৃহীত জীবনের সকরুণ বিবরণী এই আত্মজীবনী। এটা শুধু একজন নারীর জীবনবৃত্তান্তই নয়, হয়ে উঠেছে ইতিহাসের এক প্রামাণ্য দলিলও।
এটি পড়ে মুগ্ধ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন,“এ গ্রন্থখানি একজন রমণীর লেখা। শুধু তাহা নহে, ৮৮ বৎসরের একজন বর্ষীয়সী প্রাচীনা রমণীর লেখা। তাই বিশেষ কৌতুহলী হইয়া আমি এই গ্রন্থপাঠে প্রবৃত্ত হই। মনে করিয়াছিলাম যেখানে কোন ভাল কথা পাইব সেইখানে পেনসিলের দাগ দিব। পড়িতে পড়িতে দেখি, পেনসিলের দাগে গ্রন্থকলেবর ভরিয়া গেল। বস্তুতঃ ইহার জীবনের ঘটনাবলী এমন বিস্ময়জনক এবং ইহার লেখায় এমন একটি অকৃত্রিম সরল মাধুর্য আছে যে, গ্রন্থখানি পড়িতে বসিয়া শেষ না করিয়া থাকা যায় না।”
এবার বইরাগ প্রকাশনী দুটি ভাগ নিয়ে প্রকাশ করল এর ই-বুক। আশা দেশ-বিদেশের পাঠকের হাতে যাতে ছড়িয়ে পড়ে এই বইটি।
আমার কথা ও বঙ্গ-রঙ্গালয়ে শ্রীমতী বিনোদিনী

বাংলা পেশাদারি থিয়েটারের সূচনাপর্ব ‘গিরিশ যুগ’ নামে চিহ্নিত, যিনি গিরিশচন্দ্র ঘোষের নাট্যস্বপ্ন ও ভাবনার প্রতিটি কণা দিয়ে নির্মিত, তাঁর নাম— শ্রীমতী বিনোদিনী দাসী। এই অবিস্মরণীয় অভিনেত্রীর প্রতিভা বর্ণময় বললেও কম বলা হয়।
গিরিশচন্দ্র-র নাট্যস্বপ্ন প্রথম থেকেই সফলতার রাস্তা খুঁজে পাওয়ার পেছনে,এই বরেণ্য অভিনেত্রীর অবদান ছিল সীমাহীন। গিরিশচন্দ্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে ছিল গুরু-শিষ্যর মতো,আবার বিনোদিনীর জীবনে অনেক বঞ্চনার ক্ষেত্রে,গিরিশ ঘোষের নাম জড়িয়ে গিয়ে একটা বিতর্কের বাতাবরণও আছে। কিন্তু, বিনোদিনী নিজে কখনও তাঁর গুরুর বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি বা লেখেননি।
এই বইটিতে পাবেন গিরিশচন্দ্রের বিনোদিনীর ওপরে লেখা একটি মুখবন্ধ এবং বিনোদিনীর অকপট আত্মজীবনী , এক মলাটে গুরুশিষ্যার লেখা।
নেতাজির মৃত্যুযোগ

সুভাষ কবে থেকে নেতাজি হয়ে উঠলেন তা আমরা খেয়াল করিনি, স্রোতের প্রতিকূলে সাঁতরে যাওয়ার ক্ষমতা ছিল তাঁর, অসম্ভব স্বপ্নপূরণের আশায় ছুটে বেড়ানোর মতো বুকের পাটা ছিল একমাত্র তাঁরই, এসব কারণেই সুভাষ যে নেতাজি হবেন তা নিয়ে ভাবার কি আছে ? কিন্তু তার পরে ? তার মহানিষ্ক্রমণের কথা , পরবর্তি কাহিনী আমাদের ঠোঁটস্থ , তারপর ? তারপর আমাদের সম্বল কিছু শব্দ মাত্র , শৌলমারীর সাধু ,গুমনামি বাবা, সারদানন্দজি , যুদ্ধাপরাধী ??, জাল চিঠি ? ,ডিএনএ, ডিক্লাসিফাইড নথি , এই সব শব্দজালে আমরা জড়িয়ে আছি কত দিন ধরে। অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নানা তথ্য ঘেঁটে চেষ্টা করেছেন নানা প্রশ্নের জবাব দেওয়ার , আশা করি তা পাঠকদের ভালো লাগবে।



