বাংলা ই-বই
পুরুলিয়া রুখামাটি সংবাদ শারদীয় সংখ্যা - 2026

সূচিপত্র
সম্পাদকীয় ৩
পুজো নির্ঘন্ট ৪
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
মাটির গায়ে লেখা এক অলিখিত ইতিহাস
▪️ দিব্যেন্দু শেখর বন্দ্যোপাধ্যায় ৫
গল্প
লাস্ট প্যাসেঞ্জার
▪️ বিমল লামা ৭
স্মার্টু আর রামসম্পত
▪️ অরিন্দম চাটুজ্যে ৯
দাগ
▪️ রূপম চট্টোপাধ্যায় ১০
গলার দাগ
▪️ বামাচরণ ভট্টাচার্য ১২
কবিতা
▪️ উৎপল দাস ২৪
প্রবন্ধ
স্বামী বিবেকানন্দের মানসপুত্র অগ্নিযুগের বাঘাযতীন
▪️ চয়ন মুখার্জি ১৫
সম্পূর্ণ উপন্যাস
বিপ্লবের বাইরে
▪️ সিতম চক্রবর্তী ২৫
ক্রোড়পত্র
১. শরৎচন্দ্র জন্ম সার্ধশতবর্ষ স্মরণ
লাঞ্ছিত শরৎচন্দ্র
▪️ সুবীর বিশ্বাস ১৭
২. উত্তমকুমার জন্মশতবর্ষ স্মরণ
যুগ দর্পণ ▪️ সুজয় দত্ত ২১
গোধূলি - প্রথম বর্ষ, শারদীয়া সংখ্যা

গোধূলি - প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকার মূল উদ্দেশ্য একটি সৃজনশীল সাহিত্যভুবন তৈরি করা এবং পাঠকের কাছে বৈচিত্র্যময় বাংলা সাহিত্য পৌঁছে দেওয়া। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু লেখা প্রকাশ করা নয়; বরং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসাকে আরও বিস্তৃত করা, নতুন সৃষ্টিশীল কণ্ঠকে সামনে নিয়ে আসা এবং সাহিত্যপ্রেমী মানুষের জন্য একটি সুন্দর পাঠভুবন তৈরি করা।
গোধূলির প্রতিটি সংখ্যায় আমরা চেষ্টা করব বৈচিত্র্যময় সাহিত্যকর্মকে একত্রিত করতে। পরিচিত লেখার পাশাপাশি নতুন লেখকের সৃষ্টিকেও আমরা সমান গুরুত্ব দিতে চাই। কারণ প্রতিটি নতুন কণ্ঠের মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে একটি নতুন গল্প, একটি নতুন অনুভব কিংবা একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।
প্রকাশিত হল এ বছরের শারদীয়া সংখ্যা।
গোধূলি - প্রথম বর্ষ, প্রথম সংখ্যা

গোধূলি - প্রথম বর্ষ, প্রথম সংখ্যা, আগস্ট, ২০২৬
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকার মূল উদ্দেশ্য একটি সৃজনশীল সাহিত্যভুবন তৈরি করা এবং পাঠকের কাছে বৈচিত্র্যময় বাংলা সাহিত্য পৌঁছে দেওয়া। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু লেখা প্রকাশ করা নয়; বরং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসাকে আরও বিস্তৃত করা, নতুন সৃষ্টিশীল কণ্ঠকে সামনে নিয়ে আসা এবং সাহিত্যপ্রেমী মানুষের জন্য একটি সুন্দর পাঠভুবন তৈরি করা।
গোধূলির প্রতিটি সংখ্যায় আমরা চেষ্টা করব বৈচিত্র্যময় সাহিত্যকর্মকে একত্রিত করতে। পরিচিত লেখার পাশাপাশি নতুন লেখকের সৃষ্টিকেও আমরা সমান গুরুত্ব দিতে চাই। কারণ প্রতিটি নতুন কণ্ঠের মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে একটি নতুন গল্প, একটি নতুন অনুভব কিংবা একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।
প্রকাশিত হল প্রথম সংখ্যাটি।
গোধূলি - প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় সংখ্যা

গোধূলি - প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকার মূল উদ্দেশ্য একটি সৃজনশীল সাহিত্যভুবন তৈরি করা এবং পাঠকের কাছে বৈচিত্র্যময় বাংলা সাহিত্য পৌঁছে দেওয়া। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু লেখা প্রকাশ করা নয়; বরং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসাকে আরও বিস্তৃত করা, নতুন সৃষ্টিশীল কণ্ঠকে সামনে নিয়ে আসা এবং সাহিত্যপ্রেমী মানুষের জন্য একটি সুন্দর পাঠভুবন তৈরি করা।
গোধূলির প্রতিটি সংখ্যায় আমরা চেষ্টা করব বৈচিত্র্যময় সাহিত্যকর্মকে একত্রিত করতে। পরিচিত লেখার পাশাপাশি নতুন লেখকের সৃষ্টিকেও আমরা সমান গুরুত্ব দিতে চাই। কারণ প্রতিটি নতুন কণ্ঠের মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে একটি নতুন গল্প, একটি নতুন অনুভব কিংবা একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।
এই সংখ্যায় আছে :
সোমনাথ চক্রবর্তী : রূপলাগি (গল্প), তোলা (গল্প)
ঋগ্বেদ চক্রবর্তী : কালাপাহাড়ীর রাত (গল্প), শ্রাবণের মেলা (গল্প)
রসগল্প : একটি সৎ ছেলের গল্প, ব্যথা (কবিতা)
শুভ্রনীল চক্রবর্তী : মা (কবিতা)
নির্জনতার নিভৃতে

কবিতাকে সব যুগেই সস্নেহ আশ্রয়ে লালন পালন করে এসেছে নির্জনতা ও নিভৃতি। সেখানে প্রতিটি কবি আর তার সৃজন মুখোমুখি হয় দিনশেষের ধারাপাতে। তাই হয়ত নিরন্তর গরল, বিষাদ ও অমৃতের চেনা অলৌকিক মেলবন্ধন নিয়ত ধরা পড় ে কবিতায় ও কল্পনায়। হয়ত সেজন্য কবিদের অক্ষরমালা সর্বদা জেগে থাকে 'সব রাঙা কামনার শিয়রে'!
ক্রিকেটের চোদ্দ প্রদীপ

চোদ্দটা ক্রিকেটীয় রচনার সঙ্কলন। ১৯৩২ থেকে ২০২৬, প্রায় সাড়ে-নয় দশকের এই দীর্ঘ সময়ের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও আইপিএল প্রতিযোগিতা, বল-বিকৃতি ও স্লোয়ার-বল, এই শতকের মাঝামাঝির কল্প-ক্রিকেট, মাঠের পুরোহিতদের প্রতি অ-সংবেদনশীল অসহিষ্ণু দর্শককুল, দেশ-বিদেশের নামী-অনামী বৈচিত্রময় ক্রিকেটীয় চরিত্রদের মধ্যে কয়েকজন, এবং গ্যারি সোবার্সের স্মৃতিচারণ!
অযোধ্যার প্রেমকথা

পুরুলিয়ার পুরোনো কথা যেন আজও সোমের কানে বাজে। টিউশনের বন্ধুত্ব ও দ্বন্দ্ব, সেই বিকেলের সাইকেল, সেই অদ্ভুত টানাপোড়েন, সবকিছুই যেন আবার ফিরে আসে। বিচ্ছেদ ও দূরত্বের শুরু এর পর থেকে, সময়টা বদলে যায়; সময়, শহর ও সোমের একাকীত্ব তাকে আরও নিঃশব্দ করে তোলে।
অযোধ্যা পাহাড়ে শেষ সূর্য যখন তার সামনে ডুবে যাচ্ছিল, তখন সে জানত এগোনোই তার শেষ উত্তর।
পন্নিয়িন সেলভান - প্রথম খন্ড

কল্কি কৃষ্ণমূর্তি, পন্নিয়িন সেলভান স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তার নিজের পত্রিকাতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করেছিলেন যা দীর্ঘ চার বছর ধরে চলেছিল। তামিল ইতিহাসের এই স্বর্ণযুগের কাহিনী অত্যন্ত জনপ্রিয় হযেছিল, সাপ্তাহিক সংখ্যা সংগ্রহ করার জন্যে লোকে ভোর থেকে রেলস্টেশনে লাইন দিত।
এক হাজার দুশো বছর আগে, রাজা বিজয়ালয় চোল (846 – 871 অব্দ) যখন পল্লব রাজ্য জয় করেন এবং থাঞ্জাভুরকে চোলদের রাজধানী শহর হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন তখন থেকেই দক্ষিণ ভারতের চোলরা রাজনৈতিক ভাবে শিখরে উঠেছিল। এরা ইতিহাসে পরিচিত ইম্পেরিয়াল চোল নামে। ইম্পেরিয়াল চোল যুগকে দক্ষিণ ভারতীয় ইতিহাসে একটি স্বর্ণযুগ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
একসময় যখন চোলসম্রাট সুন্দর চোল থাঞ্জাভূরে অসুস্থ এবং তার দুই পুত্রই দূরে, যুবরাজ আদিত্য চোলরাজ্যের উত্তরে কাঞ্চিতে যুদ্ধরত এবং আরুলমোঝি দক্ষিণে সমুদ্রপারের এলংগাইতে, রাজধানীতে এক রহস্যময় নারী নন্দিনী শুরু করল এক সাম্রাজ্যের পতনের ষড়যন্ত্র, তার ঊর্ণজালে আবদ্ধ চোলরাজ্যের সবথেকে ক্ষমতাশালী অভিজাত বংশ। রাজকুমারী কুন্দাভাই একাকীনী রাজধানীতে, তিনি হাল ছেড়ে দিলেন না কিন্তু তাঁর দরকার তাঁর ভাইদের। এখান থেকেই আমাদের গল্পের শুরু!
সুন্দরবনের নরখাদক

তাহাওয়ার আলী খান ছিলেন সুন্দরবনের ইতিহাসে এক অনন্য শিকারি—দক্ষতা, সাহস এবং অভিজ্ঞতার এক বিরল সমন্বয়। শিকারের জন্যে তিনি কখনোই অকারণে গুলি চালাতেন না; প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল গভীর। তবু তিনি কয়েকটি নরখাদক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার শিকার করেন, যার মধ্যে ১৯৬৭ সালের এক নরখাদক বাঘ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী Man Eaters of Sundarbans সুন্দরবনের বাঘ শিকার নিয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ। সেটির বঙ্গানুবাদ করেন অমিয়কুমার চক্রবর্তী। ১৯৬৮ সালে বাংলাতে প্রথম প্রকাশিত হয় অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির দ্বারা। এবার এলো এটির ই বুক। এখানে রয়েছে নিচের গল্পগুলি:
সুন্দরবন
জঙ্গলের রাজা
মরণ-দ্বীপ
এক অসম্ভব পরিস্থিতি
নীলকমল খালের বাঘিনী
চাঁদপাই বাঘ
আবদুল গফুরের খাজনা
বিদ্যুতের রেখা
পুটিয়া আর তার বন্দুক ফাঁদ
রায়মঙ্গলের মানুষখেকো
ক্রিকেটের এক ডজন

বিগত ফেব্রুয়ারি মাসে টি২০ বিশ্বকাপের সময়ে এসেছিল “ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার”। এবার ভারতের আফগান-আইরিশ-ইংলিশ প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে টক্কর চালু হওয়ার সময়ে আসতে চলেছে “ক্রিকেটের এক ডজন” – বারোটা ক্রিকেটীয় রচনার সঙ্কলন।
১৯৩২ থেকে ২০২৬ প্রায় সাড়ে-নয় দশকের এই দীর্ঘ করিডরের অসংখ্য কোণের মধ্যে মাত্র কয়েকটার ওপর কিঞ্চিৎ আলোকপাত করা হয়েছে এই বইয়ে – সফরকারী দল, বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা, উপমহাদেশের বিভাজন, অজি-ক্যারিবীয় ও দিশি-বিলিতি ক্রিকেটার, বর্ণবাদের প্রতিবাদ – এইসবের মধ্যে দিয়ে লেখক ছুঁয়ে গেছেন :
• আদিবাসী অজি ক্রিকেটারদের বিলেত সফর
• বিশ্বকাপে অঘটন-ঘটানো কেনিয়ার ক্রিকেট, এবং লড়াই-জাগানো ডিউকস বলের প্রভাব
• প্রথম স্বাধীনতা দিবসের প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী ক্রিকেটার
• ক্যারিবীয় ক্রিকেটের সুপার-ক্যাটের করিশমা
• রাজনৈতিক বা আইনশৃঙ্খলা-জনিত কারণে অনিশ্চয়তায় ভোগা কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ
• লারউডকে দমন করতে ডনের কৌশলী পরিকল্পনা
• দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তর ক্রিকেটে কীপার-অলরাউন্ডারদের পথিকৃৎ যোগাভ্যাসী এক ইংরেজ
• ভারতের সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ক্রিকেট-অধিনায়ক
• ক্রিকেট মাঠে বর্ণবিদ্বেষের দলবদ্ধ বিরোধী প্রতিবাদ
• তালগাছের মাথায় ছয়-হাঁকানো ভারতীয় ‘পহল(বা)ন’
• ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ের নীরব এক বার্বাডিয়ান নায়ক
এই ই-বুক সংস্করণ আশা করি পাঠকদের মনে ক্রিকেট সম্বন্ধে আগ্রহ, চর্চা ও সুস্থ আলোচনার পরিসর বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
পন্নিয়িন সেলভান - দ্বিতীয় খন্ড

কল্কি কৃষ্ণমূর্তি, পন্নিয়িন সেলভান স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তার নিজের পত্রিকাতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করেছিলেন যা দীর্ঘ চার বছর ধরে চলেছিল। তামিল ইতিহাসের এই স্বর্ণযুগের কাহিনী অত্যন্ত জনপ্রিয় হযেছিল, সাপ্তাহিক সংখ্যা সংগ্রহ করার জন্যে লোকে ভোর থেকে রেলস্টেশনে লাইন দিত।
এক হাজার দুশো বছর আগে, রাজা বিজয়ালয় চোল (846 – 871 অব্দ) যখন পল্লব রাজ্য জয় করেন এবং থাঞ্জাভুরকে চোলদের রাজধানী শহর হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন তখন থেকেই দক্ষিণ ভারতের চোলরা রাজনৈতিক ভাবে শিখরে উঠেছিল। এরা ইতিহাসে পরিচিত ইম্পেরিয়াল চোল নামে। ইম্পেরিয়াল চোল যুগকে দক্ষিণ ভারতীয় ইতিহাসে একটি স্বর্ণযুগ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
একসময় যখন চোলসম্রাট সুন্দর চোল থাঞ্জাভূরে অসুস্থ এবং তার দুই পুত্রই দূরে, যুবরাজ আদিত্য চোলরাজ্যের উত্তরে কাঞ্চিতে যুদ্ধরত এবং আরুলমোঝি দক্ষিণে সমুদ্রপারের এলংগাইতে, রাজধানীতে এক রহস্যময় নারী নন্দিনী শুরু করল এক সাম্রাজ্যের পতনের ষড়যন্ত্র, তার ঊর্ণজালে আবদ্ধ চোলরাজ্যের সবথেকে ক্ষমতাশালী অভিজাত বংশ। রাজকুমারী কুন্দাভাই একাকীনী রাজধানীতে, তিনি হাল ছেড়ে দিলেন না কিন্তু তাঁর দরকার তাঁর ভাইদের।
এখান থেকেই শুরু গল্পের, এবার এলো দ্বিতীয় তথা শেষ খন্ড!
অভ্যুদয়ের শার্লক হোমস্ সমগ্র - দ্বিতীয় খণ্ড - গল্প

