
বইরাগ পাবলিকেশন
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

আবার এসো ফিরে
যে জীবন ইতিহাসে লিপিবদ্ধ, তার বাইরেও থাকে এক অলিখিত জীবন—স্বপ্নের, সম্ভাবনার, এবং কল্পনার। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন যেমন এক দীপ্তিমান প্রদীপ, তেমনি এই গ্রন্থে তিনি হয়ে উঠেছেন এক কাব্যিক চরিত্র, যাঁর অন্তরঙ্গতা, দ্বন্দ্ব, এবং নিঃসঙ্গতা আমাদের নতুন করে ভাবায়।
এই বই কোনো তথ্যভিত্তিক জীবনচরিত নয়, বরং এক সাহিত্যিক অন্বেষণ—যেখানে বিদ্যাসাগর কেবল সমাজ সংস্কারক নন, তিনি এক কবি, এক প্রেমিক, এক নিঃসঙ্গ পথিক। তাঁর চোখে জ্বলছে যুক্তির দীপ্তি, কিন্তু হৃদয়ে বাজছে আবেগের মৃদু সুর। তাঁর পদচারণা যেন এক দীর্ঘ গদ্যকবিতা, যেখানে প্রতিটি শব্দে লুকিয়ে আছে এক নতুন বাংলার স্বপ্ন।
এই কাল্পনিক জীবনীর প্রতিটি অধ্যায় যেন এক গল্প, এক কবিতা, এক নাট্যাংশ—যেখানে ইতিহাসের ছায়া আছে, কিন্তু আলোটা সম্পূর্ণ সাহিত্যিক। পাঠক, আপনি যখন এই বইয়ের পৃষ্ঠাগুলো উল্টাবেন, তখন আপনি শুধু একজন মনীষীকে নয়, বরং এক চরিত্রকে আবিষ্কার করবেন—যিনি আমাদের মতোই মানুষ, কিন্তু আমাদের চেয়ে অনেক বেশি স্বপ্নদ্রষ্টা।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

পঁচিশ-কাহন
জীবনের প্রতিটি স্তরে মানুষ খোঁজে অর্থ, সম্পর্ক, ও আত্মপরিচয়ের সূত্র। পঁচিশটি ছোটগল্প নিয়ে এই সংকলনের প্রতিটি গল্প—কখনও সূক্ষ্ম রসিকতায় মোড়া, কখনও বা নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাসে—আসে সমাজের গভীর প্রান্ত থেকে, যেখানে প্রতিদিনের খুঁটিনাটি ঘটনাই হয়ে ওঠে অন্তরের আয়না। এই সংকলন, গল্পগুলির কিছু প্রকাশিত হয়েছে সানন্দার কিছু সংখ্যায় ! নানা স্বাদের গল্পগুলি পাঠকের পছন্দ হবে আশা করি আমরা!
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

গোলপোস্টের এপার ওপার
রাসেল এবং মাইকেল ক্ল্যাডিয়াস দুই ভাই। রাসেল কলকাতার এক নামী ফুটবল দলের অতিদামী গোলরক্ষক। আর মাইকেল তাদের বাবার মতোই হকি প্লেয়ার। কলকাতা মাঠে। তাদের বাস বো ব্যারাকে। বাবা সরকারী আধিকারিক, মা প্রতিষ্ঠিত স্কুলের শিক্ষয়ত্রী।
ফুটবল পাগল সুজাট রাসেলের বান্ধবী-কাম-প্রেমিকা । আর মাইকেল সুজাটের ছোট বোন, মিলাটকে ততোধিক ভালবাসে; যতখানি কিনা মিলাট তা অমূল্য মনে করে না। সে শহরের এক নামী র্যাপ-ড্যান্সার। উচ্ছল , প্রাণবন্ত বন্ধুপ্রিয় যুবতী। তাদের বাবা শহরের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। মা গৃহবধূ।
অতি গুরুত্বপূর্ণ বছরের শেষ খেলায় প্রতিপক্ষের খেলোয়ারের জোড়াল এক গড়ানো শটে রাসেল পরাজিত হয় এবং তাতে ক্লাব তো ক্লাব, তারও বদনাম রটে, সে কিনা অর্থের বিনিময়ে গোল ছেড়ে দিয়েছে। বিশাল অঙ্কের পারিতোষিক হাত ছাড়া হয় ক্লাবের। ক্লাব তাকে সাসপেন্ড করে।
এই পরাজয় নিয়ে সুজাটের অভিমান, মন কষাকষি। যা রাসেলকে আত্মহননের দিকে ঠেলে দেয় এবং তার ফুটবল জীবনের সমাপ্তিতে পর্যবসিত হবার উপক্রম হয়। সেখান থেকে সুজাটই তাকে উদ্ধার করে। সম্পূর্ণ নিজের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রচেষ্টা এবং স্বীয় জীবনের ক্ষতি স্বীকার করেও। বিদেশে নিয়ে গিয়ে বিচক্ষণ চিকিৎসা এবং পুনরায় গোলরক্ষকের ট্রেনিং প্রাপ্ত করিয়ে রাসেলকে খ্যাতনামা গোলকিপারে পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেওয়ায়।
তার সাহা্য্যে এগিয়ে এসেছে সুজাট-মিলাট এবং রাসেল-মাইকেলের পুরো পরিবার। বিশেষ করে র্যাপ ডান্সে প্রতিষ্ঠিত মিলাট ক্লডিয়াস। এবং তা করতে গিয়ে মিলাটের জীবনেও দুর্যোগ ঘনিয়ে আসে যা থেকে তাকে উদ্ধার করে মাইকেল, নিজের জীবনীকে বাজী রেখে। এর পরেও কিন্তু মিলাট নারী-বুভুক্ষু এই পুরুষ প্রাধান্য সমাজের কাছে হার মানে। কেন, কিভাবে, কখন? -এই কাজে মিলাটের অবদান কি- সব জানতে গেলে পড়তে হবে দেশ-বিদেশের ঘটনাবহুল নানান কাহিনীতে সমৃদ্ধ সম্পূর্ণ উপন্যাসটি।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

পদ্মা নদীর মাঝি ও পুতুলনাচের-ইতিকথা
পদ্মা নদীর মাঝি’তে ,পদ্মার মতো রহস্যময়ী কপিলা কখনো অবাধ্য বাঁশের কঞ্চির মতো নুয়ে পড়েছে কুবেরের দিকে। আবার কখনো সোজা হয়ে সরে শ্যামা দাসের কাছে, আর দশটা সাধারণ রমণীর মতো গৃহস্থালির কাজ করেছে। পদ্মার গভীরতাহার মতোই তাহার মনের তল খুঁজে পাওয়া কুবেরের মতো পাকা মাঝিরও অসাধ্য হয়ে পড়ে।
পুতুলনাচের ইতিকথা তে গ্রামের ডাক্তার শশী। ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়েই গড়ে উঠেছে উপন্যাসটির কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রেম, বিরহ, দ্বেষ ও পারস্পরিক সহমর্মিতাকে উপজীব্য করে লেখা এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ!
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

শেষ বৃষ্টির পর
শ্রাবণের শেষ বিকেলে, যখন বৃষ্টি আর বাতাসে ভিজে ওঠে চারদিক, ঠিক তখনই যেন কেউ ধীরে ধীরে জেগে ওঠে—অতীতের ভেজা স্মৃতি, অচেনা টান, আর অমোঘ আকর্ষণ। নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সেই কবিতার আবহ যেন হঠাৎ বাস্তব হয়ে দাঁড়ায় মাঠকোঠার দরজায়—একজন অপেক্ষমাণ মানুষের ছায়ায়।
কলেজে প্রথম দেখা হয়েছিল ঋত্বিক আর অর্পিতার। একজন তীক্ষ্ণ-দৃষ্টির সাংবাদিক, অন্যজন শান্ত অথচ দৃঢ়স্বভাবের শিক্ষিকা। কথার পর কথা, চোখের পর চোখ—মন দেওয়া-নেওয়ার সেই নরম সময়টুকু যেন বৃষ্টির মতোই স্বাভাবিকভাবে নেমে এসেছিল তাদের জীবনে।
কিন্তু বৃষ্টি যেমন থেমে গেলে রেখে যায় ভেজা মাটি আর অদৃশ্য দাগ, তেমনি তাদের সম্পর্কেও কি জমে উঠেছিল কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন?
শেষ বৃষ্টির পর কী রয়ে গেল—অপেক্ষা, অনুতাপ, না কি নতুন কোনো শুরু?
মনোরঞ্জন গরাইয়ের **‘শেষ বৃষ্টির পর’**—একটি গল্প, যেখানে শ্রাবণ শুধু ঋতু নয়, অনুভূতিরও পুনর্জন্ম। পড়তে শুরু করলে মনে হবে, বৃষ্টির ফোঁটা যেন পাতার ওপর নয়, সরাসরি হৃদয়ে পড়ছে।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

সামাজিক উপন্যাস - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বিভূতিভূষণের উপন্যাসের পটভূমি পল্লীবাংলার গ্রামাঞ্চল এবং শহর জুড়ে বিস্তৃত। এখানে আছে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া, যশোর প্রভৃতি জেলার গ্রামাঞ্চল, বনগাঁ, রাণাঘাট মহকুমা শহর এবং কলকাতা মহানগরী। বিভূতিভূষণের সমগ্র উপন্যাসের কালগত বিস্তারও খুব সামান্য নয়। সমালোচক শ্রী সৌরেন বিশ্বাস জানিয়েছেন—“বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসে ১৮৩০ খ্রীস্টাব্দ থেকে ১৯৪৩ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত কালগত বিস্তার বিদ্যমান”
শহরের জীবনে যখন নিরবচ্ছিন্ন ক্ষতির খতিয়ান—তখন এই বাংলাদেশেরই গ্রামপ্রান্তে একটা ‘সব পেয়েছি-র জগৎ' আছে। সেখানে দারিদ্র্য, দুঃখ, বেদনা, শোক সবই আছে, কিন্তু তাদের সমস্ত কিছুতে এমন একটি প্রশান্তি বিকীর্ণ হয়ে রয়েছে যে তার আশ্রয়ে এখনো নিশ্চিন্তে নিমগ্ন হয়ে থাকা যেতে পারে।
সে ধরণের উপন্যাসগুলিই এখানে একত্রিত করা হয়েছে।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

সুকান্ত সমগ্র
সুকান্ত ভট্টাচার্য ! সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবন মাত্র মাত্র ২১ বছরের আর লেখালেখি করেন মাত্র ৬/৭ বছর। পরাধীন দেশের দুঃখ দুর্দশাজনিত বেদনা এবং শোষণ মুক্ত স্বাধীন সমাজের স্বপ্ন, শোষিত মানুষের কর্ম জীবন এবং ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য সংগ্রাম তাঁর কবিতার মূল প্রেরণা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, তেতাল্লিশের মম্বন্তর, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতির বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেন। অসুস্থতা অর্থাভাব তাকে কখনো দমিয়ে দেয়নি। মানুষের কল্যাণের জন্য সুকান্ত নিরন্তর নিবেদিত থেকেছেন। মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কাব্যধারার প্রচলিত প্রেক্ষাপটকে আমূল বদলে দিতে পেরেছিলেন।
সুকান্তের বাল্যবন্ধু ছিলেন কবি অরুনাচল বসু। এই বইয়ে অন্তর্ভুক্ত সুকান্তের চিঠিগুলির বেশিরভাগই অরুনাচল বসুকে লেখা। আর সঙ্গে রয়েছে তাঁর রচিত সমস্ত কবিতা।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

গল্প সংগ্রহ - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
মানিক বন্দ্যোপাধ্যা য় বন্ধুদের সঙ্গে বাজি রেখে প্রবেশ করেছিলেন সাহিত্যজগতে, ‘পদ্মানদীর মাঝি’, ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’, এই দুটি উপন্যাসই তাকে কিংবদন্তীর লেখকে পরিণত করেছে, কিন্তু উপন্যাসের তুলনায় তাঁর ছোটগল্পের সম্ভার থেকে গেছে অনালোচিত, অজস্র গল্পে তাঁর যে-সিদ্ধি তা অজ্ঞাতই থেকে গেছে। বিচিত্রা-র মত তখনকার দিনের শ্রেষ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো তার প্রথম গল্প ‘অতসী মামী'!
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টিমুখর তিন দশকে রচিত তিন শতাধিক গল্প থেকে কিছু গল্প সযত্নে সংকলিত হয়েছে এই বইটিতে , আশা করি পাঠকের ভালো লাগবে।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

গোয়েন্দা রাজের গোয়েন্দাগিরি
ভালোবাসা, বিশ্বাস, সহানুভূতি আর বিবেককে ছাপিয়ে যখন সমাজে প্রতিহিংসা আর বিকৃতি ছায়া ফেলে, তখনই জন্ম নেয় এক সাহসী চরিত্র—রাজ।
দুই বছর আগে প্রকাশিত "গোয়েন্দা রাজে"–র সাফল্যের পর এবার ফিরছে তার নতুন অভিযান, "গোয়েন্দা রাজে'র গোয়েন্দাগিরি"।
কিশোর প্রেমের আবহে গাঁথা এই রহস্য উপন্যাস পাঠককে টানবে প্রথম পাতা থেকে ই, ছুঁয়ে যাবে বিবেক, মনন আর সাহসিকতার গভীরতম স্তর।
এই বই শুধু কিশোরদের নয়—যে কোনও পাঠকের জন্য এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো এক উত্তেজনাময় যাত্রা।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

অগ্নিযুগের পথচারী
স্বাধীনতা পূর্বের সময়ে বাংলার ফরিদপুর জেলার এক ছোট গ্রামের ছেলে কিশোর বয়সেই ঝাঁপ দেন স্বাধীনতা আন্দোলনে, জেলেও যান, তিনিই এই বইটির লেখক ! তাঁর তরুণ বয়সে ক্রমে ক্রমে তিনি জড়িয়ে পড়েন বিপ্লবীদের দ্বারা সংঘটিত প্রেসিডেন্সি জেলের জেলার কে খুনের মামলায়!
আনাড়ি সন্ন্যাসীর ভেক ধরে ফেরারী হতে বাধ্য হন তিনি! তিনি হৃষিকেশ থেকে ব্রজ, এই বিশাল পথে ঘুরে বেড়ান আর সান্নিধ্যে আসেন যেমন সাধারণ মানুষের তেমনই ধর্মের ধ্বজাধারীদেরও ! তাঁর ভালো মন্দ অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতা হয়, আর সেই অভিজ্ঞতা ভাবায় এবং ঋদ্ধ করে পাঠকদেরও!
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিযুগে অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের যোগদান ছিল? তাঁরা তো ছিলেন ইউরোপিয়ান আর ভারতীয় এই দুইদিকের মাঝখানে! কিন্তু যাঁদের জন্ম এই দেশে তাঁদের কি কখনো স্বাধীনতা আন্দোলন ডাক দিয়েছিলো?
ভারতীয় দর্শনের একটা অংশ বলে জগৎ মায়া! কিন্তু সাধু সন্ন্যাসীরা যারা কিনা সংসার ত্যাগ করেছিলেন, তাঁদের বুকে কি ভারতের পরাধীনতা বিঁধতো? নাকি তাঁরা সংসার উদাসীন হয়েই থেকে গিয়েছিলেন! স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁরা কি কোনো ভাবে যোগ দিয়েছিলেন? কেমন ছিল বৃন্দাবন থেকে হৃষিকেশে থাকা সাধুসন্তদের স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগদান?
আর লেখক দেখেছিলেন সাধারণ মানুষ! ছাপোষা জমাদার নাথুয়া দোসাদ, অন্যের জীবন বাঁচিয়ে যে উঠে যায় এক অন্য স্তরে, লেখক তাকেই উৎসর্গ করেছেন বইটি! আর অনীতা, রতিয়া, নিরুদি, পারু-পরিতোষের কাহিনী যার সমান্তরালে চলে আলাউদ্দিনের আক্রমনে ধ্বংস হওয়া থানেশ্বর মন্দিরের পাশে এক নির্লোভ বাঙালি মুসলমান ফকির আর অশরীরী গঙ্গার কাহিনী, লছমী মহারাজসিং আর তাদের সন্তান বিঠ্ঠলের কাহিনী! অবধূত সদানন্দর কাহিনী, যাযাবর মহান্তজির কাহিনী, যার ইচ্ছে অবতারত্ত্বে উন্নীত হওয়া!
এইসব অকথিত কাহিনী নিয়ে প্রকাশিত এই অখণ্ড সংস্করণ যাতে আছে অগ্নিযুগের পথচারী এবং অগ্নিযুগের ফেরারি একসঙ্গে।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

কবিতা সংকলন - তারাপদ রায়
"আমি যে জীবনযাপন করি, সে নেহাতই ঘরগৃহস্থী। সে কোন কবির জীবন নয়। আমি জানি আমার চেহারায়, চরিত্রে, আচার-আচরণে কোথাও একবিন্দু কবিত্ব নেই। সকালে ঘুম থেকে উঠে বাজারে যাই,খবরের কাগজ একটু পড়ি, তারপর অফিস, সেখানে এক ধুলিমলিন জরাজীর্ণ প্রাসাদের অন্ধকার কক্ষে আমার দিন শেষ হয়ে যায়, সন্ধ্যাবেলায় বাড়িতে সংসারের কাছ ফিরে আসি। স্ত্রী-পুত্র, ভাই এবং একাধিক নিম্ন বংশজাত সারমেয় নিয়ে আমার সামান্য সংসার, কয়েকজন সুহৃদ, কয়েকজন আত্মীয়। যখন কোনদিন কুয়াশায় ছেয়ে ছেয়ে যায় চরাচর, মধ্যরাতে ডাকবাংলোর জানালায় চাঁদ উঠে আসে দেবদারু পাতার মধ্যে, কিংবা যখন এসব কিছুই হয় না ধুলোপায়ে গ্রামের কৃষক সামনে এসে সোজা হয়ে দাঁড়ায়, বলে, ‘আমার বিষয়টা কি হল’, কোথায় যেন সব কিছু আগাগোড়া এক হয়ে যায়। কোন পার্থক্য থাকে না পরিশ্রমে ও কল্পনায়, কোন প্রভেদ থাকে না জীবিকা ও কবিতায়। সেই আমার আনন্দ।" - ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি লিখেছিলেন তারাপদ রায়।
কিন্তু আমরা পাঠকেরা তাঁর সব কথার সঙ্গে একমত নই, আমরা জানি তাঁর কবিতা আমাদের মনে কি অনুভূতি আনে, আমাদের কোথায় নিয়ে যায়। তাই চলুন আমরা তাঁর কবিতার আস্বাদ গ্রহণ করি, এখানে রয়েছে তাঁর ২২০ টি কবিতা।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

ভারতের আখ্যান - মহাভারতে বর্ণিত আখ্যান সমূহ
যা নেই ভারতে তা নেই ভারতে , এই কথাটা কেন বলা হয় ? তার একটা কারণ মহাভারতে ছড়িয়ে থাকা আখ্যান সমূহ, বেশির ভাগ সময়ই এই সব আখ্যানের সরাসরি কোনো যোগ নেই মূল কাহিনীর সঙ্গে। কিন্তু এগুলো বলা হয়েছে উপদেশ দেবার ছলে। এর থেকেই বোঝা যায় প্রাচীন ভারতীয় মন ও মানসিকতা। কেমন ছিল তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা, কেমন ছিল তৎকালীন মরাল , নীতি দুর্নীতির মাপকাঠি। সেই জন্যেই এই গল্পগুলিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আর মহাভারতে বর্ণিত এই সব আখ্যান সমূহের্ সংখ্যা কিন্তু কম নয়। এগুলি কে নিয়েই আলাদা ভাবে এই বই।
