
বইরাগ পাবলিকেশন
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

In the light of words
This book, In the Light of Words / À la lumière des mots, is a testimony to the power of language—its ability to heal, to confront, to awaken, and to console. The poems oscillate between stark social commentary and transcendental musings. They do not shy away from darkness but dare to dwell in it, in search of the sacred light within.
The English section often reflects a stark reality. In "The World Falls Apart", we encounter a bleak portrait of societal collapse. In "A Piece of Furniture", a seemingly mundane table becomes a living relic of memory and intergenerational love. In "Ignorant Knowledge", there’s a poignant indictment of the very institutions meant to educate us, and a critique of modernity's obsession with data over wisdom.
The French poems bring in a different cadence—at times mystic, at times melancholic. « Qu’il demeure, qu’il s’écoule » is a lyrical meditation on impermanence and acceptance. « Un Monde en Déséquilibre » explores the moral inertia of modernity and its catastrophic consequences. « La Femme Médecin Disparue » echoes the English counterpart, speaking to gendered violence with haunting restraint.
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

ক্রিকেটের খেরোর খাতা: ফলো-অন
ক্রিকেটের খেরোর খাতা- আগের এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল লেখকের জীবনের প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ দেখবার অভিজ্ঞতা – পাঁচবছরের বালকের বিস্ময়বিমুগ্ধ দৃষ্টিতে গ্যারি সোবার্সের শতরান দর্শন থেকে, শেষ হয়েছিল , নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রিজ মাঠে, ক্রিকেটের ‘সুইসাইড স্কোয়্যাড’ দিয়ে।
এবার এসেছে “ক্রিকেটের খেরোর খাতা: ফলো-অন”, ২০২২ থেকে শুরু করে ২০২৫ পর্যন্ত হালফিলের ক্রিকেটের নানা গল্প নিয়ে।আশা করবো এই বইটিও আগেরটির মতন পাঠকের ভালোবাসা পাবে।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

চারণিক
মনীষীদের জীবন, সাধনা, কর্ম বিশেষত জীবনী আকারে বিবৃত করে থাকেন বিশিষ্ট জনেরা। সেরকমই এক যুগাবতার, স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে বহু জীবনীকার একাধিক গ্রন্থ রচনা করে গেছেন যেগুলি সম্পূর্ণরূপে আকর গ্রন্থ। সেসব গ্রন্থ সহজলভ্য হলেও বহু পাঠকের কাছে তার পঠন অনেকটাই ভারী হয়ে ওঠে। এমন ক্ষেত্রে উপন্যাস লেখকরা প্রকৃত তথ্য ও তত্ত্বকে অবিকৃত রেখে মনীষীর জীবন সরণি বেয়ে নিজেদের কল্পনাকে মিশিয়ে যে উপন্যাস পাঠকের সামনে তুলে ধরেন, তাতে পাঠকের পক্ষে ওই মনীষীকে জানা কিছুটা সহজ হয়ে ওঠে এবং জীবনী পাঠে পাঠককে আগ্রহী করে তোলে।
স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে এমনই এক উপন্যাস, ‘চারণিক, স্বামী বিবেকানন্দের পরিব্রাজক জীবনের অত্যাশ্চর্য কাহিনি’ রচিত হয়েছে। যেখানে গুরু গম্ভীর তথ্য ও তত্ত্বের ভান্ডার না যোগ করেও স্বামীজি পরিচয়ের আড়ালে কাছের মানুষ বিবেকানন্দকে পরিচয় করানো হয়েছে।
এ সত্য সকলেরই জানা , বিবেকানন্দ অত্যন্ত স্বল্পায়ু ছিলেন। ৩৯ বছর ৫ মাস ২৪ দিনের জীবনের মাত্র আটটি বছরকে এই উপন্যাসে ধরা আছে। সময় কাল ১৮৮৬ থেকে ১৮৯৩। ওনার ২৪ বছর বয়স অর্থাৎ রামকৃষ্ণ সঙ্ঘ স্থাপনার সময় থেকে ৩১ বছর যা শিকাগো বক্তৃতা দানের সময়, এই সময়টুকুতে স্বামীজির পর্যটক হয়ে ভারত ভ্রমণের যা যা কর্মকাণ্ড, সেটুকুই বিধৃত হয়েছে।
₹
50
Buy From
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

অগ্নিযুগের পথচারী
স্বাধীনতা পূর্বের সময়ে বাংলার ফরিদপুর জেলার এক ছোট গ্রামের ছেলে কিশোর বয়সেই ঝাঁপ দেন স্বাধীনতা আন্দোলনে, জেলেও যান, তিনিই এই বইটির লেখক ! তাঁর তরুণ বয়সে ক্রমে ক্রমে তিনি জড়িয়ে পড়েন বিপ্লবীদের দ্বারা সংঘটিত প্রেসিডেন্সি জেলের জেলার কে খুনের মামলায়!
আনাড়ি সন্ন্যাসীর ভেক ধরে ফেরারী হতে বাধ্য হন তিনি! তিনি হৃষিকেশ থেকে ব্রজ, এই বিশাল পথে ঘুরে বেড়ান আর সান্নিধ্যে আসেন যেমন সাধারণ মানুষের তেমনই ধর্মের ধ্বজাধারীদেরও ! তাঁর ভালো মন্দ অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতা হয়, আর সেই অভিজ্ঞতা ভাবায় এবং ঋদ্ধ করে পাঠকদেরও!
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিযুগে অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের যোগদান ছিল? তাঁরা তো ছিলেন ইউরোপিয়ান আর ভারতীয় এই দুইদিকের মাঝখানে! কিন্তু যাঁদের জন্ম এই দেশে তাঁদের কি কখনো স্বাধীনতা আন্দোলন ডাক দিয়েছিলো?
ভারতীয় দর্শনের একটা অংশ বলে জগৎ মায়া! কিন্তু সাধু সন্ন্যাসীরা যারা কিনা সংসার ত্যাগ করেছিলেন, তাঁদের বুকে কি ভারতের পরাধীনতা বিঁধতো? নাকি তাঁরা সংসার উদাসীন হয়েই থেকে গিয়েছিলেন! স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁরা কি কোনো ভাবে যোগ দিয়েছিলেন? কেমন ছিল বৃন্দাবন থেকে হৃষিকেশে থাকা সাধুসন্তদের স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগদান?
আর লেখক দেখেছিলেন সাধারণ মানুষ! ছাপোষা জমাদার নাথুয়া দোসাদ, অন্যের জীবন বাঁচিয়ে যে উঠে যায় এক অন্য স্তরে, লেখক তাকেই উৎসর্গ করেছেন বইটি! আর অনীতা, রতিয়া, নিরুদি, পারু-পরিতোষের কাহিনী যার সমান্তরালে চলে আলাউদ্দিনের আক্রমনে ধ্বংস হওয়া থানেশ্বর মন্দিরের পাশে এক নির্লোভ বাঙালি মুসলমান ফকির আর অশরীরী গঙ্গার কাহিনী, লছমী মহারাজসিং আর তাদের সন্তান বিঠ্ঠলের কাহিনী! অবধূত সদানন্দর কাহিনী, যাযাবর মহান্তজির কাহিনী, যার ইচ্ছে অবতারত্ত্বে উন্নীত হওয়া!
এইসব অকথিত কাহিনী নিয়ে প্রকাশিত এই অখণ্ড সংস্করণ যাতে আছে অগ্নিযুগের পথচারী এবং অগ্নিযুগের ফেরারি একসঙ্গে।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

পঁচিশ-কাহন
জীবনের প্রতিটি স্তরে মানুষ খোঁজে অর্থ, সম্পর্ক, ও আত্মপরিচয়ের সূত্র। পঁচিশটি ছোটগল্প নিয়ে এই সংকলনের প্রতিটি গল্ প—কখনও সূক্ষ্ম রসিকতায় মোড়া, কখনও বা নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাসে—আসে সমাজের গভীর প্রান্ত থেকে, যেখানে প্রতিদিনের খুঁটিনাটি ঘটনাই হয়ে ওঠে অন্তরের আয়না। এই সংকলন, গল্পগুলির কিছু প্রকাশিত হয়েছে সানন্দার কিছু সংখ্যায় ! নানা স্বাদের গল্পগুলি পাঠকের পছন্দ হবে আশা করি আমরা!
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

স্টিম হাউস
১৮ জুন, ১৮৫৮ সাল! গোয়ালিয়রের কাছে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের এক লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এক বীরাঙ্গনা! রানী লক্ষ্মী বাঈ! তাঁর বাহিনী মুখোমুখি হয়েছে জেনারেল হিউ রোজের নেতৃত্বে থাকা ব্রিটিশ বাহিনীর। গোয়ালিয়র পুনরুদ্ধারের জন্য পাল্টা আক্রমণে ইতোমধ্যেই ব্রিটিশরা হারিয়েছে তাদের বাহিনীর পনেরো শতাংশ।
ভয়ানক এই লড়াইয়ের ময়দানে বীরাঙ্গনা মুখোমুখি হলেন কর্নেল মুনরোর। যুদ্ধে মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন রানী। এই রানী লক্ষ্মী বাঈয়ের শেষ যুদ্ধ।
যুদ্ধ জয়ের আনন্দে থাকা কর্নেল মুনরো জানতেন না কানপুরে নানা সাহেবের নেতৃত্বে কি ঘটেছিলো! সেখানে মারা যান তাঁর স্ত্রী লরা !
নানা সাহেব জানতে পারলেন তাঁর গুরুত্ত্বপূর্ণ সহযোগী রানীর মৃত্যুর জন্যে দায়ী কে, কর্নেল মুনরোও জানতে পারলেন তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর জন্যে দায়ী কে। দুজনেই শপথ নিলেন প্রতিশোধের।
১৮৬৬ সালের কলকাতা, তখনও ভারতে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের স্মৃতি ফিকে হয় নি। তার একটা প্রধান কারণ নানা সাহেবের অন্তর্ধান! তাঁর মৃত্যুর খবর যদিও ছড়িয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল স্যার এডওয়ার্ড মুনরো তা বিশ্বাস করেন না। মুনরো এবং একদল ইউরোপীয় ভারত জুড়ে যাত্রার পরিকল্পনা করছেন। এই দলে রয়েছেন ব্যাংকস, একজন রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ার; ফরাসি অভিযাত্রী ম্যাকলার; একজন শিকারী, ক্যাপ্টেন হুড, এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল স্যার এডওয়ার্ড মুনরো। তাদের সাথে রয়েছে মুনরোর বিশ্বস্ত সার্জেন্ট ম্যাকনিল; ক্যাপ্টেন হুডের বিশ্বস্ত ভৃত্য এবং সহ-শিকারী ফক্স, ফরাসি বংশোদ্ভূত একজন রাঁধুনি মন্সিয়র প্যারাজার্ড; ব্রিটিশ ইঞ্জিন চালক স্টোর, সহকারী চালক কালাউথ, এবং কর্নেল মুনরোর বিশ্বস্ত গুর্খা ভৃত্য গৌমি।
তাঁরা যাত্রা করছেন কিভাবে? না ট্রেনে বা ঘোড়ার পিঠে করে না। তাদের সঙ্গে আছে ইঞ্জিনিয়ার ব্যাংকসের বেহেমথ! এক লোহার তৈরী হাতি, যে চলে স্টিম ইঞ্জিনে। উঁচিয়ে থাকা লোহার শুঁড়, লোহার দেহের বেহেমথ যখন ধোঁয়া ওগরাতে ওগরাতে দুখানি বগিকে টেনে নিয়ে যায়, সে দৃশ্য দেখতে লোক ভেঙে পড়ে!
এডওয়ার্ড মুনরোর এই যাত্রায় অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্য একটাই। তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর বদলা নেওয়া, যিনি মারা গিয়েছিলেন ১৮৫৭ সালের কানপুরের লড়াইয়ে, আর তার জন্যে তাঁকে খুঁজে বার করতে হবে নানা সাহেবকে!
শুরু হয় এক লোমহর্ষক যাত্রা, যার পদে পদে বিপদ। ভাগ্য নয় বছর পরে কি আবার মুখোমুখি করবে নানা সাহেব এবং কর্নেল মুনরোকে?
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

দি কল অব্ দি ওয়াইল্ড
জ্যাক লন্ডনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ “দি কল অব্ দি ওয়াইল্ড”-এর অনুবাদ প্রকাশিত হল। বাক নামে একটি কুকুর এই গ্রন্থের প্রধান চরিত্র। যে অপূর্ব কাহিনী এই আছে পরিবেশিত হয়েছে, জগৎ সাহিত্যে তার তুলনা নেই। দ্য কল অফ দ্য ওয়াইল্ড এর পটভূমি (১৯০৩) গোল্ড রাশ চলাকালীন ইউকন, কানাডা অঞ্চল! গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বাক, ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারা ভ্যালি থেকে চুরি হয়ে আলাস্কায় স্লেজ কুকুর হিসেবে বিক্রি হয়। কঠোর পরিবেশে টিকে থাকার সংগ্রামে সে ক্রমশ বন্য হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত তার আদিম প্রবৃত্তি ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দলের নেতা হয়ে ওঠে!
এই উপন্যাসটি মানুষের সভ্যতা বনাম প্রকৃতির আদিম শক্তির দ্বন্দ্বকে তুলে ধরে এবং জ্যাক লন্ডনের লেখনীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

লস্ট ওয়ার্ল্ড
‘লস্ট ওয়ার্ল্ড’ হল স্যর আর্থার কোনান ডয়েলের সুবিখ্যাত উপন্যাস-সমূহের অন্যতম। অলঙ্ঘ্য পর্বত-প্রাচীর দিয়ে ঘেরা দক্ষিণ আমেরিকার এক বিচ্ছিন্ন মালভূমিতে চারজন ব্যক্তির অভিযানের কাহিনী। সেখানে তাঁরা প্রাগৈতিহাসিক যুগের এমন অনেক প্রাণীর দেখা পান বর্তমান পৃথিবী থেকে যারা বহু যুগ হল নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে— যথা, বিরাটাকার টেরোড্যাক্টিল, চল্লিশ ফুট উঁচু ইগুয়ানোডন, মাংসাশী ডায়নোসর, বিকটাকৃতি নর-বানর প্রভৃতি। প্রফেসর চ্যালেঞ্জার, প্রফেসর সামারলি, লর্ড জন রক্সটন আর সাংবাদিক ম্যালোনের এই অভিযান কাহিনী রুদ্ধশ্বাসে পড়তে হবে।
পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ: অমলেন্দু সেন
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

অভ্যুদয়ের শার্লক হোমস্ সমগ্র, প্রথম খণ্ড– উপন্যাস
বহুদিন উৎসুক প্রতীক্ষার পর অবশেষে অসংখ্য শার্লক হোমস্ প্রেমীর জন্যে সুখবর। অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির থেকে প্রকাশিত সেই সাড়াজাগানো শার্লক হোমস্ সমগ্রের ই বই সংস্করণ। ১৯৮০ সালে প্রথম বাংলায় পূর্নাঙ্গ অনুবাদে শার্লক হোমস্ সমগ্র প্রকাশ করে অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির। দক্ষ অনুবাদকদের মূলানুগ ও সাবলীল অনুবাদ বিদগ্ধ পাঠক থেকে সাধারন পাঠক—সবার অকুণ্ঠ প্রশংসা কুড়োয়। কিন্তু তারপর দুর্ভাগ্যবশত বন্ধ হয়ে যায় অভ্যুদয়, সেইসঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় এই বইটির প্রকাশনা।
কিন্তু পাঠকের স্মৃতিতে চিরস্থায়ী হয়ে থেকে যায় এই বই, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয় সে স্মৃতি! ফলে প্রথম প্রকাশের চল্লিশ বছর পরেও বইটির জনপ্রিয়তা এখনও অটুট। পাঠকের মুখে মুখে ফেরে এই বইটির কথা। অনেকেই চাইছিলেন বইটি যাতে নতুন করে প্রকাশ পায়। তাই সবার দাবিকে সম্মান জানিয়ে অভ্যুদয় প্রকাশ- মন্দির থেকে নব সাজে সজ্জিত হয়ে আত্মপ্রকাশ করল শার্লক হোমস্ সমগ্র, প্রথম খণ্ড– উপন্যাস। আসবে বাকি গল্পগুলোও।
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

ক্রিকেটের খেরোর খাতা
কাহিনীর শুরু লেখকের জীবনের প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ দেখবার অভিজ্ঞতা – পাঁচবছরের বালকের বিস্ময়বিমুগ্ধ দৃষ্টিতে গ্যারি সোবার্সের শতরান দর্শন। তাও আবার ৫৬ বছর আগেকার ইডেনের গ্যালারি থেকে!
কিন্তু ক্রিকেটের ইতিহাস তারও অনেক আগের, কেমন ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ক্রিকেট, কে ছিলেন টেস্ট-ক্রিকেটের খাসমহলে পদার্পণকারী প্রথম ভারতীয়-বাঙালি? ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের স্বর্ণযুগ, ডন ব্র্যাডম্যান, প্রতিবেশী পাকিস্তানের ক্রিকেটে পরিপক্কতার কাহিনী, সময়ের সাথে কি ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে ক্রিকেট, হেলমেট থেকে বায়োমেকানিক্স , চায়নাম্যান বোলিংয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত, ক্রিকেটের খারাপ ছেলে শেন ওয়ার্ণ কিরকম অধিনায়ক ছিলেন? এই সবের সঙ্গে রয়েছে ক্রিকেটের নানা আকর্ষণীয় কাহিনী!
ক্রিকেট প্রেমীদের জন্যেই এই বই!
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

দ্যা লাভ কিলার্স
মাফিয়া সর্দার এনজিও বাসালিনো কাউকে তার পাকা ধানে মই দিতে দেয় না। তাই বিপলবী মার্গারেট ব্রাউনের ডাকে যখন যৌনকর্মীরা এক এক করে মূলস্রোতে ফিরে যাচ্ছে, এনজিও তাকে সরিয়ে দিল। তিনজন আকর্ষণীয় মহিলা এনজিওর তিন ছেলেকে কব্জা করে তার পতন চাইল। আপাত-নীরিহ, সংবেদনশীল বেথ নিউ ইয়র্কে ফ্র্যাঙ্কের কাছে যাবে; কামুক আন্ডারগ্রাউন্ড ফিল্মস্টার রিও লন্ডনে অ্যাঞ্জেলোর সঙ্গে ফষ্টিনষ্টি করবে; আর অপরূপা সুন্দরী, ফ্যাশন সচেতন, ভ্রমণ বিলাসী লারা লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়ে নিককে ফাঁদে ফেলবে। কিন্তু এটা খুব বিপজ্জনক এক খেলা। কামনা, আকাঙ্খা আর হত্যা চক্রান্তের এক মোহময় জাল বেছানো রয়েছে। আর আদিম, নিষিদ্ধ সেই প্রথম রিপুর তাড়না, কারণ বাসালিনোর তিন ছেলেদের জন্য তিন মহিলারই অস্ত্র এক…
বইটির প্রকাশক অর্ণব মুখার্জী!
I'm a title. To update me, go to the Data Manager.

চ্যান্সেস- জ্যাকি কলিন্স
আমেরিকার বহুল চর্চিত লেখিকা জ্যাকি কলিন্স, প্রায় পুরো জীবন কাটিয়েছেন লস এঞ্জেলেস এবং তাঁর লেখা ৩২টি উপন্যাস নিউ ইয়র্ক টাইমসের বেস্টসেলার তালিকায় রয়েছে। তাঁর বইগুলি ৫০০ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে এবং ৪০টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।
চ্যান্সেস, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তাঁর সর্বশ্রষ্ঠ লেখা বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।
প্রথম থেকে শেষ অবধি উপভোগ্য এবং টানটান থ্রিলিং এবং উত্তেজনার ভরপুর এই ৬০০ পাতার উপন্যাসটি পাঠককে টেনে রাখবে। উপন্যাসটি বর্তমানে শুরু হয়েছে তার পর অতীতে গেছে , প্রত্যেক জায়গাতেই চরিত্রের নাম এবং সাল দিয়ে শুরু করা আছে ফলে খেই হারিয়ে যাবার কোন ভয় নেই।
বইটার মধ্যে তিনটে পর্ব আছে! প্রথম পর্ব টা মুলত মূল চরিত্র জিনো এবং ক্যারীর অতীতের অন্ধকারময় জীবনের ঘটনা, দ্বিতীর পর্বে জিনোর মেয়ে লাকীর কর্মকান্ড! চক্রান্ত, পাল্টা চক্রান্ত, আইনের বেড়াজালে জিনোর ফেঁসে গিয়ে দেশ ছাড়া। তৃতীয় তথা শেষ পর্বে আছে জাল গুটোনো এবং প্রতিশোধের কাহিনী।
কাহিনীর পরতে পরতে আছে পাশে থেকে বিশ্বাস অর্জন করে সাপ হয়ে দংশন করা চরিত্র, ভালোবাসার মানুষের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে উন্মত্ত নারী, পতিতালয়, ড্রাগ সিন্ডিকেট, সংঘবদ্ধ অপরাধী, আইনের চাল, সবমিলিয়ে আগের শতাব্দীর আটের দশকের হলিউডের অন্যরকম, সাধারণ মানুষের চোখে না ধরা পড়া দিক।
বইটি অনুবাদ করেছেন ইন্দ্রাণী তুলি!
বইটির প্রকাশক অর্ণব মুখার্জী!
** উপন্যাসটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য**