top of page

Bengali

Image-empty-state.png

অমলতাস - কালজয়ী শিশু কিশোর সমগ্র

লীলা মজুমদারের লেখা মানেই হলো হারানো শৈশবে ফিরে যাওয়া আর কল্পনার জগতে ডুব দেওয়া। তাঁর সেই সমস্ত লেখা একত্রিত করেই তৈরী হলো এই বইটি, ১২০০ পাতার এই সুবিশাল ই বুকে পাবেন :
টং লিং
খেরোর খাতা
পাকদণ্ডী
বেড়ালের বই
বাঘের চোখ
বদ্যিনাথের বড়ি
পদিপিসীর বর্মিবাক্স
গুপির গুপ্তখাতা
হলদে পাখির পালক

Buy From

Image-empty-state.png

পন্নিয়িন সেলভান - দ্বিতীয় খন্ড

কল্কি কৃষ্ণমূর্তি, পন্নিয়িন সেলভান স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তার নিজের পত্রিকাতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করেছিলেন যা দীর্ঘ চার বছর ধরে চলেছিল। তামিল ইতিহাসের এই স্বর্ণযুগের কাহিনী অত্যন্ত জনপ্রিয় হযেছিল, সাপ্তাহিক সংখ্যা সংগ্রহ করার জন্যে লোকে ভোর থেকে রেলস্টেশনে লাইন দিত।
এক হাজার দুশো বছর আগে, রাজা বিজয়ালয় চোল (846 – 871 অব্দ) যখন পল্লব রাজ্য জয় করেন এবং থাঞ্জাভুরকে চোলদের রাজধানী শহর হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন তখন থেকেই দক্ষিণ ভারতের চোলরা রাজনৈতিক ভাবে শিখরে উঠেছিল। এরা ইতিহাসে পরিচিত ইম্পেরিয়াল চোল নামে। ইম্পেরিয়াল চোল যুগকে দক্ষিণ ভারতীয় ইতিহাসে একটি স্বর্ণযুগ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
একসময় যখন চোলসম্রাট সুন্দর চোল থাঞ্জাভূরে অসুস্থ এবং তার দুই পুত্রই দূরে, যুবরাজ আদিত্য চোলরাজ্যের উত্তরে কাঞ্চিতে যুদ্ধরত এবং আরুলমোঝি দক্ষিণে সমুদ্রপারের এলংগাইতে, রাজধানীতে এক রহস্যময় নারী নন্দিনী শুরু করল এক সাম্রাজ্যের পতনের ষড়যন্ত্র, তার ঊর্ণজালে আবদ্ধ চোলরাজ্যের সবথেকে ক্ষমতাশালী অভিজাত বংশ। রাজকুমারী কুন্দাভাই একাকীনী রাজধানীতে, তিনি হাল ছেড়ে দিলেন না কিন্তু তাঁর দরকার তাঁর ভাইদের।
এখান থেকেই শুরু গল্পের, এবার এলো দ্বিতীয় তথা শেষ খন্ড!

Buy From

Image-empty-state.png

দি গ্রেট প্রবলেম সলভার

কিছু বন্ধন সময়ের নিয়ম মানে না—না দূরত্ব, না মৃত্যু। শুভময় ঘোষের জীবনে অনিরুদ্ধ ছিল ঠিক এমনই এক অদৃশ্য টান, যা বহু বছর পরেও তাকে টেনে নিয়ে আসে সেই পুরোনো বাড়ির সামনে। এক আমগাছ, ধুলো জমা একটি গাড়ি, আর এক অচেনা ভদ্রমহিলার হাতে এগিয়ে দেওয়া এক কাপ চা—সব মিলিয়ে যেন অনিরুদ্ধ নিজেই তাকে পথ দেখায়।
এই বই সেই অদ্ভুত পুনর্মিলনের গল্প—যেখানে স্মৃতি, ভালোবাসা, আর ইচ্ছাশক্তি মিলেমিশে তৈরি করে এক রহস্যময় যাত্রা। বাস্তব আর অবাস্তবের মাঝখানে দাঁড়িয়ে শুভময় যেন শুনতে পায় বন্ধুর কণ্ঠস্বর, “সাবাস শুভময় ঘোষ… এই না হলে The Great Problem Solver!” বন্ধুত্বের এই অপ্রকাশিত শক্তি, এই অদ্ভুত টান—এই বই তারই সাক্ষ্য ।

Buy From

Image-empty-state.png

মুর্শিদাবাদ হাজির হে

একদার রাজধানী নগরী মুর্শিদাবাদ আজ মফস্বলে পরিণত হয়েছে।পুরনো রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে অবহেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তাঁর গৌরবময় অতীতের বহু স্মৃতিচিহ্ন। যার অধিকাংশই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে,তবুও যেগুলি আছে সেগুলিও অত্যন্ত অবহেলায় ধ্বংসের প্রহর গুনছে।সেদিনের নবাবি কেল্লা আজ আর আলাদা করে চেনার উপায় নেই,কেল্লার ভেতরের বহু প্রাসাদ আজ হারিয়ে গেছে কালের করাল গ্রাসে, কিছু জরাজীর্ণ প্রাসাদ দীর্ঘ অবহেলা সহ্য করে ধ্বংসের প্রহর গুনছে।তবুও কেল্লার ভেতরের হজারদুয়ারী, ইমামবাড়া,ওয়াসিফ মঞ্জিল সরকারি সাহায্য কোনো মতে টিকে আছে।
“মুর্শিদাবাদ হাজির হে” নামক ছবির বইটিতে বর্তমান মুর্শিদাবাদ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা অতীতের স্মৃতিচিহ্ন গুলি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে সেই সাথে নবাবি আমলের কিছু হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি তুলে ধরারও সামান্য চেষ্টা করা হয়েছে।

Buy From

Image-empty-state.png

আলো ও ছায়ার সংলাপ

মানুষের ইতিহাসে এমন বহু মুহূর্ত এসেছে যখন পৃথিবী যেন নিজের সন্তানদের দিকে তাকিয়ে নিঃশব্দে প্রশ্ন তোলে—“তোমরা আমাকে কোথায় টেনে নিয়ে যাচ্ছ?” যুদ্ধের দহন, হিংসার কালো ছায়া, ক্ষমতার উন্মত্ত নেশা, অনাহার আর অবিচারের ভারে ক্লান্ত এই গ্রহ আজও আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে এক গভীর আর্তিতে। অচেতন সহমরণ সেই ক্লান্ত পৃথিবীরই কণ্ঠস্বর—মানুষের উন্মত্ততার বিপরীতে প্রকৃতির অসহায় আবেদন। কবি যেন নরম অথচ দৃঢ় স্পর্শে আমাদের কাঁধে হাত রেখে মনে করিয়ে দেন—এই গ্রহ আমাদেরই, তাকে রক্ষা করাই আমাদের প্রথম ও চিরন্তন দায়িত্ব।
তারপর কবিতা আমাদের ফিরিয়ে আনে জীবনের অন্তরঙ্গ পরিসরে। সংসারের টানাপোড়েন, সম্মান-অপমানের ক্ষণস্থায়ী ঢেউ, সম্পর্কের ভঙ্গুরতা—সবকিছুর মাঝেও কবি খুঁজে পান এক গভীর সত্য: জীবনের স্বার্থকতা লুকিয়ে আছে বর্তমান মুহূর্তে, এখন-এখানে, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সহজ অথচ মহৎ কাজে। এই কবিতা পাঠকের হাত ধরে বলে—যা সত্য, যা স্থায়ী, যা হৃদয়ের আলো—তাকেই আঁকড়ে ধরো।
এইভাবে বইটি হয়ে ওঠে কবিতার এক অনন্য যাত্রাপথ—ধ্বংস থেকে পুনর্জন্মে, হতাশা থেকে আশায়, অন্ধকার থেকে আলোয়, বিচ্ছিন্নতা থেকে গভীর মানবিক সংহতিতে। পাঠকের কাছে এটি কেবল কবিতার সংকলন নয়—এ এক আত্মসমীক্ষা, এক মানবিক আহ্বান, এক নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন। প্রতিটি কবিতা যেন নীরবে মনে করিয়ে দেয়— পৃথিবীকে বাঁচানো, মানুষকে ভালোবাসা, আর নিজের ভেতরের আলোকে জাগিয়ে তোলা — এই তিনটিই আমাদের চিরন্তন দায়িত্ব। এই বই সেই দায়িত্বেরই এক কাব্যিক দলিল।

Buy From

Image-empty-state.png

ক্রিকেটের কুড়িটা ওভার

“ক্রিকেটের খেরোর খাতা” এবং দ্বিভাষিক কপিল-নামা–র পর গত তিন বছরে কখনও অনুরোধে, কখনও নিজের খেয়ালে আবারও ক্রিকেট-লেখার মাঠে নামতে হয়েছে। সেই বিচ্ছিন্ন লেখাগুলোরই সংহত রূপ এই ‘কুড়ি ওভার’। এখানে উঠে এসেছে অধিনায়কত্বে গাভাস্কর, গাঙ্গুলি ও ধোনির ভূমিকা; বিভিন্ন যুগের কম আলোচিত ক্রিকেটারদের স্মৃতি; অ্যাশেজ ট্রফির জন্মকথা; ইমরান খানের টেস্ট ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পথ; ভারতের কয়েকটি রোমাঞ্চকর টেস্ট ম্যাচ; বেসিল ডি’ওলিভেইরার সংগ্রাম; প্রথম টি–২০ বিশ্বকাপজয়ের সময়কার প্রেক্ষাপট; ১৯৯২ বিশ্বকাপের এক নিয়মের বিবর্তন; ভারতীয় ক্রিকেটের তিন-নম্বর ব্যাটারদের বিশ্লেষণ; বেতার ধারাভাষ্যের পথিকৃৎদের অবদান এবং শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের শুরুর ইতিহাস।

Buy From

Image-empty-state.png

কৃত্রিম আকাশে সত্যের খোঁজ

আজকের কিশোর-কিশোরীদের জীবন প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগের আলোকে ঘিরে বেড়ে উঠছে। তারা প্রতিদিন স্ক্রিনে সংযুক্ত থাকে, সামাজিক প্ল্যাটফর্মে নিজের পরিচয় তৈরি করে, ভিউ, লাইক, কমেন্ট এবং ফলোয়ারের সংখ্যা দিয়ে নিজেদের মূল্যায়ন করে। কিন্তু কি স্ক্রিনের আয়নায় থাকা ব্যক্তিই সত্যিকারের তুমি? কি সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় তোমার আত্মসম্মান? এই প্রশ্নগুলোর মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় “কৃত্রিম আকাশে সত্যের খোঁজ” উপন্যাস।

Buy From

Image-empty-state.png

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় গল্প সমগ্র ১

বিভূতিভূষণের লেখনীর পটভূমি পল্লীবাংলার গ্রামাঞ্চল এবং শহর জুড়ে বিস্তৃত, চব্বিশ পরগনা, নদীয়া, যশোর প্রভৃতি জেলার গ্রামাঞ্চল, বনগাঁ, রাণাঘাট মহকুমা শহর এবং কলকাতা মহানগরী। বিভূতিভূষণের সমগ্র উপন্যাসের কালগত বিস্তারও খুব সামান্য নয়।
শহরের জীবনে যখন নিরবচ্ছিন্ন ক্ষতির খতিয়ান—তখন এই বাংলাদেশেরই গ্রামপ্রান্তে একটা ‘সব পেয়েছি-র জগৎ' আছে। সেখানে দারিদ্র্য, দুঃখ, বেদনা, শোক সবই আছে, কিন্তু তাদের সমস্ত কিছুতে এমন একটি প্রশান্তি বিকীর্ণ হয়ে রয়েছে যে তার আশ্রয়ে এখনো নিশ্চিন্তে নিমগ্ন হয়ে থাকা যেতে পারে। সে ধরণের গল্পগুলিই এখানে একত্রিত করা হয়েছে। এটি গল্পসমগ্র প্রথম খন্ড!

Buy From

Image-empty-state.png

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় গল্প সমগ্র ২

বিভূতিভূষণের লেখনীর পটভূমি পল্লীবাংলার গ্রামাঞ্চল এবং শহর জুড়ে বিস্তৃত, চব্বিশ পরগনা, নদীয়া, যশোর প্রভৃতি জেলার গ্রামাঞ্চল, বনগাঁ, রাণাঘাট মহকুমা শহর এবং কলকাতা মহানগরী। বিভূতিভূষণের সমগ্র উপন্যাসের কালগত বিস্তারও খুব সামান্য নয়।
শহরের জীবনে যখন নিরবচ্ছিন্ন ক্ষতির খতিয়ান—তখন এই বাংলাদেশেরই গ্রামপ্রান্তে একটা ‘সব পেয়েছি-র জগৎ' আছে। সেখানে দারিদ্র্য, দুঃখ, বেদনা, শোক সবই আছে, কিন্তু তাদের সমস্ত কিছুতে এমন একটি প্রশান্তি বিকীর্ণ হয়ে রয়েছে যে তার আশ্রয়ে এখনো নিশ্চিন্তে নিমগ্ন হয়ে থাকা যেতে পারে। সে ধরণের গল্পগুলিই এখানে একত্রিত করা হয়েছে। এটি গল্পসমগ্র দ্বিতীয় খন্ড!

Buy From

Image-empty-state.png

পদ্মা নদীর মাঝি ও পুতুলনাচের-ইতিকথা

পদ্মা নদীর মাঝি’তে ,পদ্মার মতো রহস্যময়ী কপিলা কখনো অবাধ্য বাঁশের কঞ্চির মতো নুয়ে পড়েছে কুবেরের দিকে। আবার কখনো সোজা হয়ে সরে শ্যামা দাসের কাছে, আর দশটা সাধারণ রমণীর মতো গৃহস্থালির কাজ করেছে। পদ্মার গভীরতাহার মতোই তাহার মনের তল খুঁজে পাওয়া কুবেরের মতো পাকা মাঝিরও অসাধ্য হয়ে পড়ে।
পুতুলনাচের ইতিকথা তে গ্রামের ডাক্তার শশী। ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়েই গড়ে উঠেছে উপন্যাসটির কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রেম, বিরহ, দ্বেষ ও পারস্পরিক সহমর্মিতাকে উপজীব্য করে লেখা এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ !

Buy From

Image-empty-state.png

শেষ বৃষ্টির পর

শ্রাবণের শেষ বিকেলে, যখন বৃষ্টি আর বাতাসে ভিজে ওঠে চারদিক, ঠিক তখনই যেন কেউ ধীরে ধীরে জেগে ওঠে—অতীতের ভেজা স্মৃতি, অচেনা টান, আর অমোঘ আকর্ষণ। নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সেই কবিতার আবহ যেন হঠাৎ বাস্তব হয়ে দাঁড়ায় মাঠকোঠার দরজায়—একজন অপেক্ষমাণ মানুষের ছায়ায়।

কলেজে প্রথম দেখা হয়েছিল ঋত্বিক আর অর্পিতার। একজন তীক্ষ্ণ-দৃষ্টির সাংবাদিক, অন্যজন শান্ত অথচ দৃঢ়স্বভাবের শিক্ষিকা। কথার পর কথা, চোখের পর চোখ—মন দেওয়া-নেওয়ার সেই নরম সময়টুকু যেন বৃষ্টির মতোই স্বাভাবিকভাবে নেমে এসেছিল তাদের জীবনে।

কিন্তু বৃষ্টি যেমন থেমে গেলে রেখে যায় ভেজা মাটি আর অদৃশ্য দাগ, তেমনি তাদের সম্পর্কেও কি জমে উঠেছিল কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন?

শেষ বৃষ্টির পর কী রয়ে গেল—অপেক্ষা, অনুতাপ, না কি নতুন কোনো শুরু?

মনোরঞ্জন গরাইয়ের **‘শেষ বৃষ্টির পর’**—একটি গল্প, যেখানে শ্রাবণ শুধু ঋতু নয়, অনুভূতিরও পুনর্জন্ম। পড়তে শুরু করলে মনে হবে, বৃষ্টির ফোঁটা যেন পাতার ওপর নয়, সরাসরি হৃদয়ে পড়ছে।

Buy From

Image-empty-state.png

প্রেম-সংসারের গল্পপুঁথি

এ শুধু গল্পের বই নয়, বরং জীবনের আঙিনায় ছড়িয়ে থাকা প্রেম, সংসার, হাসি-কান্না, আলো-অন্ধকারের রঙিন চিত্রপট।
এই সংকলনের গল্পগুলোতে একদিকে যেমন আছে প্রেমিক-প্রেমিকার মিষ্টি কথোপকথন, অন্যদিকে আছে পরিবারের টানাপোড়েন, সমাজের শিক্ষা, অভিমান ভাঙার আলোর স্নিগ্ধতা। কোথাও আছে পরনিন্দার পচন, কোথাও আবার গ্রামের পোটলিতে ভর করে সরল আনন্দের ছবি।
কখনো হারানো চিঠির নীরবতা, কখনো ডিজিটাল দিগন্তের সূর্যালোক, আবার কখনো “গরু হারানো প্রেমকথা”-র মতো খাঁটি হাস্যরস—সব মিলিয়ে এ এক অনন্য যাত্রা।
এই গল্পগুলো পাঠককে মনে করিয়ে দেবে—
প্রেম শুধু রোমান্টিকতার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, সংসার শুধু দায়িত্বের কাঁধে চাপ নয়। বরং প্রেম-সংসার মিলেই তৈরি হয় মানুষের আসল কাব্য, আসল গল্পপুঁথি।
“প্রেম-সংসারের গল্পপুঁথি” সেই কাব্যেরই আংশিক প্রতিচ্ছবি।
এখানে প্রতিটি গল্প একেকটি আয়না—যেখানে পাঠক দেখবেন নিজের হাসি, নিজের অভিমান, নিজের জীবনেরই ছোট ছোট ছায়া।

Buy From

bottom of page