সহযোগী পাবলিকেশন
সুন্দরবনের নরখাদক

তাহাওয়ার আলী খান ছিলেন সুন্দরবনের ইতিহাসে এক অনন্য শিকারি—দক্ষতা, সাহস এবং অভিজ্ঞতার এক বিরল সমন্বয়। শিকারের জন্যে তিনি কখনোই অকারণে গুলি চালাতেন না; প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল গভীর। তবু তিনি কয়েকটি নরখাদক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার শিকার করেন, যার মধ্যে ১৯৬৭ সালের এক নরখাদক বাঘ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী Man Eaters of Sundarbans সুন্দরবনের বাঘ শিকার নিয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ। সেটির বঙ্গানুবাদ করেন অমিয়কুমার চক্রবর্তী। ১৯৬৮ সালে বাংলাতে প্রথম প্রকাশিত হয় অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির দ্বারা। এবার এলো এটির ই বুক। এখানে রয়েছে নিচের গল্পগুলি:
সুন্দরবন
জঙ্গলের রাজা
মরণ-দ্বীপ
এক অসম্ভব পরিস্থিতি
নীলকমল খালের বাঘিনী
চাঁদপাই বাঘ
আবদুল গফুরের খাজনা
বিদ্যুতের রেখা
পুটিয়া আর তার বন্দুক ফাঁদ
রায়মঙ্গলের মানুষখেকো
অভ্যুদয়ের শার্লক হোমস্ সমগ্র - প্রথম খণ্ড– উপন্যাস

বহুদিন উৎসুক প্রতীক্ষার পর অবশেষে অসংখ্য শার্লক হোমস্ প্রেমীর জন্যে সুখবর। অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির থেকে প্রকাশিত সেই সাড়াজাগানো শার্লক হোমস্ সমগ্রের ই বই সংস্করণ। ১৯৮০ সালে প্রথম বাংলায় পূর্নাঙ্গ অনুবাদে শার্লক হোমস্ সমগ্র প্রকাশ করে অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির। দক্ষ অনুবাদকদের মূলানুগ ও সাবলীল অনুবাদ বিদগ্ধ পাঠক থেকে সাধারন পাঠক—সবার অকুণ্ঠ প্রশংসা কুড়োয়। কিন্তু তারপর দুর্ভাগ্যবশত বন্ধ হয়ে যায় অভ্যুদয়, সেইসঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় এই বইটির প্রকাশনা।
কিন্তু পাঠকের স্মৃতিতে চিরস্থায়ী হয়ে থেকে যায় এই বই, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয় সে স্মৃতি! ফলে প্রথম প্রকাশের চল্লিশ বছর পরেও বইটির জনপ্রিয়তা এখনও অটুট। পাঠকের মুখে মুখে ফেরে এই বইটির কথা। অনেকেই চাইছিলেন বইটি যাতে নতুন করে প্রকাশ পায়। তাই সবার দাবিকে সম্মান জানিয়ে অভ্যুদয় প্রকাশ- মন্দির থেকে নব সাজে সজ্জিত হয়ে আত্মপ্রকাশ করল শার্লক হোমস্ সমগ্র, প্রথম খণ্ড– উপন্যাস। আসবে বাকি গল্পগুলোও।





